প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দরের কাছে অবতরণের প্রস্তুতির সময়, একটি বাণিজ্যিক বিমানের পাইলট একটি রহস্যময় চাকতির মতো বস্তু দেখার দাবি করেছেন। মেট্রো ইউকে এই খবরটি জানিয়েছে।
একটি সরকারি নিরাপত্তা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে এয়ারবাস এ৩১৯ যাত্রীবাহী বিমানে। বিমানটি নিচে নামছিল এবং রানওয়ের দিকে যাওয়ার জন্য বাঁ দিকে ঘুরছিল। এমন সময় পাইলট ডান ডানার খুব কাছে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বস্তু দেখতে পান। পাইলটের মতে, বস্তুটি দেখতে 'উড়ন্ত চাকতির' মতো ছিল।
বস্তুটির পরিচয় নিয়ে ধারণা করা হয়েছিল এটি একটি বিশেষ ধরনের ড্রোন হতে পারে। রহস্যময় বস্তুটি বিমানের সমান উচ্চতায় বিপরীত দিকে যাচ্ছিল এবং ধারণা করা হয়, এটি বিমান থেকে মাত্র ১০০ থেকে ৩০০ ফুট দূরে ছিল। ঘটনাটি তদন্তের জন্য যুক্তরাজ্যের এয়ারপ্রক্স বোর্ডে রিপোর্ট করা হয়েছে। এই বোর্ড একটি স্বাধীন সংস্থা, যা বিমান চলাচলের সময় কাছাকাছি সংঘর্ষের ঝুঁকির ঘটনাগুলো পর্যবেক্ষণ করে।
জুনে প্রকাশিত যুক্তরাজ্যের এয়ারপ্রক্স বোর্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “এ৩১৯ বিমানের পাইলট বলেছেন, বিমান নিচে নামার সময় এবং বাঁ দিকে ঘোরার সময় তিনি একটি চাকতি বা ‘উড়ন্ত চাকতি’ ধরনের সন্দেহজনক ড্রোন দেখতে পান। সেটি একই উচ্চতার বিপরীত দিক থেকে এসে তাদের ডান ডানার খুব কাছ দিয়ে চলে যায়।” পাইলট জানান, বস্তুটি সাসেক্স গ্রামের ওপর দিয়ে উড়তে দেখা যায়। সেটি হ্যাংক্রসের কাছে, গ্যাটউইক বিমানবন্দর থেকে প্রায় সাত মাইল দক্ষিণে অবস্থিত।
পাইলট জানান, বস্তুটি স্পষ্টভাবে একটি চাকতির মতো ছিল এবং এর বাইরের অংশে গাঢ় রঙের দাগ ছিল। বিমানকর্মীরা ধারণা করেছিলেন, এটি হয়তো উন্নত বা অস্বাভাবিক কোনো ড্রোন হতে পারে। তবে তারা এর আসল পরিচয় বা কোথা থেকে এসেছে তা নিশ্চিত করতে পারেননি।
এত কাছ দিয়ে গেলেও পাইলটকে জরুরি কোনো পদক্ষেপ নিতে হয়নি। কারণ বিমানটি তখন আগে থেকেই পরিকল্পনা অনুযায়ী বাঁক নিচ্ছিল। এলাকা থেকে অন্য কোনো পাইলট এই অজানা বস্তুটি দেখতে পারেননি। তবে বিমান নিয়ন্ত্রণকারীরা সতর্কবার্তা জারি করেছিলেন। প্রতিবেদনের শেষে বলা হয়, ‘বোর্ডের মতে, বস্তুটির বলা উচ্চতা এবং বর্ণনা এমন ছিল যে তারা অজানা বস্তুটির প্রকৃতি নিশ্চিত করতে পারেননি।’ প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ‘বোর্ড মনে করেছে, নিরাপত্তা কিছুটা কমে গেলেও সেখানে কোনো সংঘর্ষের ঝুঁকি তৈরি হয়নি।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন