বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৯ এম
কুমিল্লার দেবীদ্বারে কৃষি অধিদপ্তরের সাবেক উপ-পরিচালক, বীর মুক্তিযোদ্ধা কৃষিবিদ এম এ আউয়াল মোল্লাকে (৭৬) রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। জানাজার নামাজ চলাকালীন সময়ে মুসুল্লিদের পকেট থেকে মোবাইল চুরির অভিযোগে স্থানীয় জনতা দুই পেশাদার চোরকে আটক করেছে। পরে তাদেরকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর দেবীদ্বার পৌর এলাকার বারেরা মোল্লা বাড়ির মরহুম হারুন অর রশিদের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ আউয়াল মোল্লার জানাজার নামাজে এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহকে গার্ড অব অনার প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন করা হয়। দেবীদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক অজয় চক্রবর্তীর নেতৃত্বে রাষ্ট্রীয় এ সালাম গ্রহণ করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো. ফয়সল উদ্দিন।
পুলিশের পক্ষ থেকে আটক অভিযুক্ত মোবাইল চোরদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন হলেন ঢাকা যাত্রাবাড়ীর সায়েদাবাদ এলাকার দুলাল দেবনাথের ছেলে রতন চন্দ্র দেবনাথ (৪২) এবং অন্যজন শনির আখড়া এলাকার আতিক মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া (৫৫)।
পুলিশ জানায়, এই চোর চক্রটি অত্যন্ত সুকৌশলী ও পেশাদার। তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিখ্যাত, সুপরিচিত এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মৃত্যুর পর তাদের জানাজার খোঁজখবর রাখে। এরপর ঢাকা থেকে মুসুল্লি সেজে সুদূর এলাকায় এসে জানাজায় অংশ নেয়। মুসুল্লিদের ভিড় এবং আবেগঘন পরিবেশের সুযোগ নিয়ে তারা পকেট থেকে মোবাইল চুরি করে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। আজ দেবীদ্বারে জানাজার নামাজ চলাকালীন সাধারণ মানুষ তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলে।
দেবীদ্বার থানা পুলিশ জানায়, আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
স্থানীয়রা জানান, কুমিল্লা জেলা পুলিশ থেকে আগত একদল বিউগল বাদক দলের করুণস্বরে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। গার্ড অব অনার প্রদান শেষে জানাজার সময় মোবাইল চুরির ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, ৩টি আই ফোনসহ অন্তত ১১টি মোবাইল চুরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রয়াত এ বীর মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধকালীন সময়ে ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন কর্তৃক গঠিত বিশেষ গেরিলা বাহিনীর সদস্য ছিলেন এবং দেবীদ্বার, মুরাদনগর, চান্দিনা থানা কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল নগরীর কাউনিয়া থানা এলাকায় মাদক, অনলাইন জুয়া ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এ অভিযানে বিভিন্ন স্থান থেকে ৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত নগরীর পান্থ সড়ক, রোকেয়া আজিম সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (কাউনিয়া জোন) পবিত্র কুমার হালদারের নেতৃত্বে কাউনিয়া থানার একটি বিশেষ আভিযানিক দল অভিযানে অংশ নেয়। এ সময় মাদক ব্যবসা, মাদক সেবন, অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ওপর নজরদারি ও তল্লাশি চালানো হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযান চলাকালে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং মাদক সেবনের অভিযোগে বিভিন্ন স্থান থেকে মোট ৯ জনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন। এতে এলাকায় মাদক ও অপরাধসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে পুলিশের কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
বরিশাল নগরীতে মাদক, অনলাইন জুয়া ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারির পাশাপাশি এ ধরনের আকস্মিক অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে এনেস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. শাওনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ডা. আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে মিডটাউন হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময় ডা. শাওনের সঙ্গে ডা. আনোয়ার হোসেনের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। পরে হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী ও স্টাফদের ডেকে তাকে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। ফুটেজটির সত্যতা ও ঘটনার সঙ্গে এর প্রাসঙ্গিকতা যাচাই করা হচ্ছে।
ঘটনার সূত্রপাত একটি অস্ত্রোপচারকে কেন্দ্র করে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, জরায়ু-সংক্রান্ত একটি অস্ত্রোপচারের সময় রোগীকে এনেস্থেশিয়া দেওয়ার পর একপর্যায়ে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন না করেই সেলাই করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে ওই রোগী হাসপাতালটিতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এনেস্থেশিয়া প্রয়োগ ও অস্ত্রোপচারের বিষয়টি নিয়ে ডা. শাওন আপত্তি তোলার পর দুই চিকিৎসকের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ডা. শাওনের দাবি, রোগীর নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিনি এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তার অভিযোগ, এর জেরেই তাকে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে।
ডা. শাওন আরও দাবি করেন, ডা. আনোয়ার নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে বিশেষজ্ঞ না হয়েও বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচার ও এনেস্থেশিয়ার কাজ করেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড রোগীর নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
তবে ডা. শাওনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মিডটাউন হাসপাতালের এমডি ডা. আনোয়ার হোসেন। তার দাবি, তিনি এমবিবিএস চিকিৎসক এবং দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার কারণে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচার ও এনেস্থেশিয়া ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ। ডা. শাওনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার বিষয়টি স্বীকার করলেও তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।
ডা. আনোয়ার বলেন, ডা. শাওন ঈর্ষাবশত তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছিলেন। রাগের মাথায় তাকে দু-একটি কথা বললেও শারীরিকভাবে হেনস্তা করার অভিযোগ সঠিক নয়।
রোগীর চিকিৎসা, অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত এবং এনেস্থেশিয়া প্রয়োগের বিষয়টি যথাযথ চিকিৎসা-প্রটোকল অনুযায়ী হয়েছিল কি না সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কর ফাঁকির অভিযোগে জরিমানা আরোপের জন্য শুধুমাত্র করদাতার আয় অনুমান বা প্রাক্কলন যথেষ্ট নয়। এর জন্য প্রয়োজন হবে গ্রহণযোগ্য দালিলিক প্রমাণ, যা প্রমাণ করবে যে আয়, সম্পদ, দায় বা ব্যয় গোপন করা হয়েছে অথবা মিথ্যাভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে। জরিমানা আরোপের পূর্বে করদাতাকে শুনানিতে অংশগ্রহণের যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দেওয়া আবশ্যক।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এই নির্দেশনা দিয়েছে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ২৭২ ধারার প্রয়োগ সংক্রান্ত। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের সইয়ে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এই আদেশ জারি হয়েছে।
আদেশ অনুযায়ী, আইনের ১৯ নম্বর অংশে উল্লেখিত যেকোনো ধরনের জরিমানা আরোপের আগে সংশ্লিষ্ট করদাতাকে শুনানির সুযোগ দিতে হবে, যা ২৭২ ধারার আওতাধীন জরিমানার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। উপ-কর কমিশনারকে প্রথমে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, এই ধারা প্রয়োগযোগ্য কি না। প্রযোজ্য হলে, একই আদেশে জরিমানা আরোপ করতে হবে, অন্যথায় জরিমানা আরোপের সুযোগ থাকবে না।
এনবিআর চাকরি, ভাড়া, কৃষি, ব্যবসা-পেশা, মূলধনী আয়, আর্থিক পরিসম্পদ ও অন্যান্য উৎস থেকে আয়ের ক্ষেত্রে ২৭২ ধারার প্রয়োগকে পৃথকভাবে ব্যাখ্যা করেছে। যদি এসব খাতের কোনো আয় গোপন বা মিথ্যাভাবে প্রদর্শিত হয়, তবে জরিমানা প্রযোজ্য হবে। তবে, করযোগ্য আয়কে ভুলবশত করমুক্ত মনে করা, আইনের কোনো বিধান পালনে ব্যর্থতা বা কোনো করমুক্ত আয় পরবর্তীতে করযোগ্য বিবেচিত হলে, এই কারণে একা ২৭২ ধারার জরিমানা প্রযোজ্য হবে না।
ভাড়া, কৃষি, ব্যবসা-পেশা, মূলধনী আয় এবং আর্থিক পরিসম্পদ থেকে আয়ের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য দালিলিক প্রমাণ ছাড়া কেবল প্রাক্কলনের ভিত্তিতে জরিমানা আরোপ করা যাবে না। বিশেষ করে ভাড়া আয়ের ক্ষেত্রে যৌক্তিক ভাড়ামূল্য অনুমান করাও জরিমানার জন্য যথেষ্ট ভিত্তি হবে না।
আইনের ৬৬ ধারায় উল্লিখিত অন্যান্য উৎসের আয় গোপন বা মিথ্যাভাবে দেখানো হলে জরিমানা আরোপ করা যাবে, তবে এখানে দালিলিক প্রমাণ ছাড়া নিছক প্রাক্কলন জরিমানার ভিত্তি হতে পারবে না।
একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ৬৭ ধারার উপধারা (৩) ব্যতীত অন্য কোনো উপধারার প্রয়োগে যদি কোনো করদাতার ‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’ তৈরি হয়, তাহলে সেই আয়ে ২৭২ ধারার জরিমানা প্রযোজ্য নয়। তবে উপধারা (৩)-এর প্রয়োগে সৃষ্ট আয়ের ক্ষেত্রে জরিমানা আরোপ করা যাবে, যদিও সেখানেও দালিলিক প্রমাণ ছাড়া কেবল প্রাক্কলনের ভিত্তিতে জরিমানা বসানো যাবে না বলে আদেশে স্পষ্ট করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রস্তুতি আরও একটি ধাপ অগ্রসর হয়েছে। কেন্দ্রটির সঙ্গে জাতীয় লোড পরিচালনা কেন্দ্রের (এনএলডিসি) জন্য একটি সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করা হচ্ছে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য গতকাল বুধবার বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এবং বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান জিই ভার্নোভার মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এনএলডিসি দেশের বিদ্যুৎ গ্রিডের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। এখানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের স্থান, বিদ্যুৎ পরিবহনের পথ এবং গ্রিডের বিদ্যুৎ চাহিদার তথ্য পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়। রূপপুরকে এনএলডিসির সঙ্গে যুক্ত করা হলে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালনের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে এখানে দেখা সম্ভব হবে।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, রূপপুরের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের তথ্য এনএলডিসির কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। মোট আটটি সঞ্চালন লাইনের তথ্য এই ব্যবস্থায় যুক্ত হবে। পাশাপাশি, কেন্দ্রের দুটি উপকেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও এনএলডিসিতে পাওয়া যাবে।
ঢাকায় পরমাণু শক্তি কমিশনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রূপপুরের পক্ষে প্রকল্প পরিচালক ড. কবির হোসেন এবং জিই ভার্নোভার পক্ষে প্রতিনিধি দেবেশ ঝা সই করেন।
প্রকল্প পরিচালক ড. কবির হোসেন মন্তব্য করেন, "রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিশ্বস্ততার সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনের তথ্য প্রেরণে এই চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি মাইলফলক। এটি কেন্দ্রটির কমিশনিং প্রক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনায় বড় ভূমিকা রাখবে।"
রূপপুরের উপ-প্রকল্প পরিচালক ড. মো. খালেকউজ্জামান বলেন, "এনএলডিসির স্কাডা ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগের ফলে রূপপুর ও জাতীয় গ্রিডের মধ্যে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান করা যাবে, যা কেন্দ্র ও গ্রিডের সমন্বয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ সহজ করবে।"
এদিকে, রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে। গত ২৮ এপ্রিল সেখানে জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এর পর ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম ইউনিট থেকে শুরুতে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে, পরে ধীরে ধীরে উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
রূপপুরে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে। দুটি ইউনিট চালু হলে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। গ্যাস সংকট ও জ্বালানি ঘাটতির কারণে দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহে চাপের সময় রূপপুরের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সামাল দিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ