বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৬ এম
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রস্তুতি আরও একটি ধাপ অগ্রসর হয়েছে। কেন্দ্রটির সঙ্গে জাতীয় লোড পরিচালনা কেন্দ্রের (এনএলডিসি) জন্য একটি সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করা হচ্ছে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য গতকাল বুধবার বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এবং বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান জিই ভার্নোভার মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এনএলডিসি দেশের বিদ্যুৎ গ্রিডের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। এখানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের স্থান, বিদ্যুৎ পরিবহনের পথ এবং গ্রিডের বিদ্যুৎ চাহিদার তথ্য পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়। রূপপুরকে এনএলডিসির সঙ্গে যুক্ত করা হলে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালনের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে এখানে দেখা সম্ভব হবে।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, রূপপুরের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের তথ্য এনএলডিসির কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। মোট আটটি সঞ্চালন লাইনের তথ্য এই ব্যবস্থায় যুক্ত হবে। পাশাপাশি, কেন্দ্রের দুটি উপকেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও এনএলডিসিতে পাওয়া যাবে।
ঢাকায় পরমাণু শক্তি কমিশনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রূপপুরের পক্ষে প্রকল্প পরিচালক ড. কবির হোসেন এবং জিই ভার্নোভার পক্ষে প্রতিনিধি দেবেশ ঝা সই করেন।
প্রকল্প পরিচালক ড. কবির হোসেন মন্তব্য করেন, "রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিশ্বস্ততার সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনের তথ্য প্রেরণে এই চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি মাইলফলক। এটি কেন্দ্রটির কমিশনিং প্রক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনায় বড় ভূমিকা রাখবে।"
রূপপুরের উপ-প্রকল্প পরিচালক ড. মো. খালেকউজ্জামান বলেন, "এনএলডিসির স্কাডা ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগের ফলে রূপপুর ও জাতীয় গ্রিডের মধ্যে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান করা যাবে, যা কেন্দ্র ও গ্রিডের সমন্বয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ সহজ করবে।"
এদিকে, রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে। গত ২৮ এপ্রিল সেখানে জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এর পর ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম ইউনিট থেকে শুরুতে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে, পরে ধীরে ধীরে উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
রূপপুরে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে। দুটি ইউনিট চালু হলে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। গ্যাস সংকট ও জ্বালানি ঘাটতির কারণে দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহে চাপের সময় রূপপুরের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সামাল দিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে হামলা আরও জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতে ইরানের প্রতি রাশিয়ার সমর্থন অব্যাহত রাখার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।
পুতিন কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের দুদিনের সম্মেলনে অংশ নিয়ে এসব মন্তব্য করেন।
মঙ্গলবার নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। পুতিনের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইউক্রেন যুদ্ধ নতুন করে বিপজ্জনক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়া এবং ইউক্রেন উভয়পক্ষই একে অপরের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান ও ড্রোন হামলা বৃদ্ধি করেছে। গত কয়েক মাসে ইউক্রেন রাশিয়ার তেল শোধনাগার, জাহাজ এবং ই-কমার্সের গুদামসহ বিভিন্ন স্থাপনায় দূরপাল্লার হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার ফলে রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে পেট্রোল সংকট দেখা দিয়েছে এবং দেশটির অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
পুতিনের দাবি, ইউক্রেনের হামলায় ৪০ দিনের মধ্যে রাশিয়ার প্রায় ১০০টি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে রাশিয়ার যে ক্ষতি হয়েছে, তা দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ১ শতাংশের সমান। হামলা আরও জোরদার করেছে রাশিয়াও। নতুন ধরনের জেটচালিত ড্রোন ব্যবহার করে ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক হামলা চালানোর পাশাপাশি রাজধানী কিয়েভ ও কৃষ্ণসাগরের বন্দরগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। এতে ইউক্রেনের শস্য রপ্তানিও হুমকির মুখে পড়েছে।
বিশকেকে পুতিন উল্লেখ করেন, ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় ব্যাপক হামলা চালানোর নির্দেশ রুশ বাহিনীকে দেওয়া হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে শান্তি আলোচনার বিষয়েও তিনি কথা বলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে কাজ করতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
তিনি বলেন, ‘কেউ যদি খাদ্যশৃঙ্খলে আমাদের নিচে নামিয়ে দিতে চায়, আমাদের গিলে খেতে বা গ্রাস করতে চায়, তাহলে তারা দাঁতভাঙা জবাব পেতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এসব হাঙরের ক্ষুধা ও দাঁত দ্রুত বাড়লেও রাশিয়া তা মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের সাতটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই কারণে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য প্রদত্ত পূর্বাভাসে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এইসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বুধবার রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত সারা দেশের সম্ভাব্য পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণও হতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চুলপড়া একটি সাধারণ সমস্যা, যা অনেকেই ভোগেন। এই সমস্যার পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। প্রাকৃতিক তেলের ব্যবহার চুলপড়া কমানো এবং নতুন চুল গজানোর ক্ষেত্রে কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে। নিয়মিত কিছু নির্দিষ্ট তেল ব্যবহার করে চুলপড়া কমানো সম্ভব। এই তেলগুলো চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষভাবে উপকারী।
এখানে চুলপড়া কমাতে সাহায্যকারী ৬টি তেলের তালিকা উল্লেখ করা হলো—
১. ক্যাস্টর অয়েল
ক্যাস্টর অয়েল, যা রিকিনোলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ, মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। এটি দ্রুত চুলপড়া কমাতে এবং চুলকে গোড়া থেকে মজবুত ও ঘন করতে সহায়তা করে।
২. নারিকেল তেল
নারিকেল তেল চুলের যত্নে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি উপাদান। নারিকেল তেলে থাকা লরিক অ্যাসিড চুলের প্রোটিন ক্ষয় রোধ করে এবং গভীর থেকে পুষ্টি প্রদান করে, ফলে চুল ভাঙা ও পড়া বন্ধ হয়।
৩. রোজমেরি অ্যাসেনশিয়াল অয়েল
রোজমেরি অ্যাসেনশিয়াল অয়েল চুলপড়া কমাতে ওষুধের মতো কার্যকরী। এটি মাথার ত্বকের কোষের বৃদ্ধি ঘটায় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। ব্যবহারের সময় নারিকেল বা বাদাম তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা মিশিয়ে ব্যবহার করা উচিত।
৪. কাঠবাদামের তেল (আলমন্ড অয়েল)
কাঠবাদামের তেলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'ই', ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এটি শুষ্ক ও প্রাণহীন চুলে পুষ্টি প্রদান করে এবং চুলপড়া কমিয়ে চুলকে নরম ও সিল্কি করে তোলে।
৫. পেঁয়াজের তেল
পেঁয়াজের রসে উচ্চমাত্রার সালফার চুলপড়া বন্ধ করতে কার্যকরী। এটি চুলের গোড়া শক্তিশালী করে এবং অকালপক্কতা প্রতিরোধ করে।
৬. আমলকীর তেল
আমলকীতে বিদ্যমান ভিটামিন 'সি' এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চুলের ফলিকলকে শক্তিশালী করে। এটি খুশকি দূর করে এবং প্রাকৃতিকভাবে চুলকে কালো রাখতে সাহায্য করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারীরা পরিবারের সকলের খাবারের দিকে খেয়াল রাখতে গিয়ে নিজেদের খাবারের ব্যাপারে সচেতনতা হারিয়ে ফেলেন। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে নারীদের শরীরে বিভিন্ন পরিবর্তন ঘটে। হরমোনের ওঠানামা এবং হাড়ের ঘনত্বের হ্রাসসহ, প্রতিটি পর্যায়ে শরীরের পুষ্টির চাহিদা পরিবর্তিত হয়। তাই, মেনোপজের পরেই নয়, বরং বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই সঠিক পুষ্টির দিকে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
পুষ্টিবিদ রাখি চট্টোপাধ্যায়ের মতে, অনেক নারীর খাদ্যাভ্যাসে প্রোটিনের অভাব লক্ষ্য করা যায়। নারীদের সুস্থ থাকার জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণভাবে, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক নারীর প্রতি কেজি ওজনের জন্য দৈনিক প্রায় ০ দশমিক ৮ গ্রাম প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। উদাহরণস্বরূপ, ৬০ কেজি ওজনের একজন নারীর জন্য দৈনিক প্রায় ৪৫ গ্রাম প্রোটিনের প্রয়োজন।
তবে বয়সের সাথে সাথে শুধু প্রোটিন নয়, শরীরে আরো অনেক পুষ্টির প্রয়োজন হয়। জেনে নিন কোন বয়সে কোন খাবারের দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
বয়ঃসন্ধিতে আয়রন ও ক্যালসিয়াম জরুরি
৯ থেকে ১৮ বছর বয়সে মেয়েদের শরীরে দ্রুত শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটে। এ সময় ঋতুস্রাব শুরু হয়। শরীরের বৃদ্ধি এবং হাড়ের গঠনের জন্য আয়রন, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, ওমেগা-৩, ওমেগা-৬ এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ কারণে, এ বয়সে ডিম, মাছ, দুধ, দই, ডাল, বাদাম, শাকসবজি এবং বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।
১৯ থেকে ৪৫ বছর বয়সে- প্রোটিনের পাশাপাশি আয়রনের দিকে নজর দিন।
এই সময় কাজের চাপ, ঘুমের অভাব, মানসিক চাপ এবং অনিয়মিত জীবনযাপন শরীরের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই সময়ে প্রোটিনের পাশাপাশি আয়রন, জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিডের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় পুষ্টির চাহিদা আরো বেড়ে যায়।
৪৫ বছরের পর- কম ক্যালরি, বেশি পুষ্টি।
মেনোপজের সময় এবং পরবর্তী সময়ে নারীদের শরীরে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে ওজন বৃদ্ধি, হাড়ের ঘনত্বের হ্রাস এবং হৃদরোগ, ডায়বেটিস, কার্ডিয়োভাসকুলার ডিজিজ ও অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে। পুষ্টিবিদ রাখির পরামর্শ, এই সময়ে প্রোটিনের পাশাপাশি ক্যালরির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ক্যালসিয়াম এবং ফাইবারযুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত।
বয়স বাড়ার সাথে সাথে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আসে। ব্যক্তির ওজন, উচ্চতা এবং শারীরিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে খাদ্যতালিকা তৈরি করতে হবে।
খাবারের তালিকায় কী রাখবেন?
অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিবর্তে ঘরে তৈরি পুষ্টিকর খাবারকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। মৌসুমি ফল, শাকসবজি, মাছ-মাংস, ডিম, পনির, ডাল এবং বিভিন্ন শস্যদানা নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ