বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৯ এম
বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে এনেস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. শাওনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ডা. আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে মিডটাউন হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময় ডা. শাওনের সঙ্গে ডা. আনোয়ার হোসেনের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। পরে হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী ও স্টাফদের ডেকে তাকে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। ফুটেজটির সত্যতা ও ঘটনার সঙ্গে এর প্রাসঙ্গিকতা যাচাই করা হচ্ছে।
ঘটনার সূত্রপাত একটি অস্ত্রোপচারকে কেন্দ্র করে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, জরায়ু-সংক্রান্ত একটি অস্ত্রোপচারের সময় রোগীকে এনেস্থেশিয়া দেওয়ার পর একপর্যায়ে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন না করেই সেলাই করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে ওই রোগী হাসপাতালটিতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এনেস্থেশিয়া প্রয়োগ ও অস্ত্রোপচারের বিষয়টি নিয়ে ডা. শাওন আপত্তি তোলার পর দুই চিকিৎসকের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ডা. শাওনের দাবি, রোগীর নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিনি এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তার অভিযোগ, এর জেরেই তাকে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে।
ডা. শাওন আরও দাবি করেন, ডা. আনোয়ার নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে বিশেষজ্ঞ না হয়েও বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচার ও এনেস্থেশিয়ার কাজ করেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড রোগীর নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
তবে ডা. শাওনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মিডটাউন হাসপাতালের এমডি ডা. আনোয়ার হোসেন। তার দাবি, তিনি এমবিবিএস চিকিৎসক এবং দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার কারণে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচার ও এনেস্থেশিয়া ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ। ডা. শাওনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার বিষয়টি স্বীকার করলেও তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।
ডা. আনোয়ার বলেন, ডা. শাওন ঈর্ষাবশত তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছিলেন। রাগের মাথায় তাকে দু-একটি কথা বললেও শারীরিকভাবে হেনস্তা করার অভিযোগ সঠিক নয়।
রোগীর চিকিৎসা, অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত এবং এনেস্থেশিয়া প্রয়োগের বিষয়টি যথাযথ চিকিৎসা-প্রটোকল অনুযায়ী হয়েছিল কি না সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কর ফাঁকির অভিযোগে জরিমানা আরোপের জন্য শুধুমাত্র করদাতার আয় অনুমান বা প্রাক্কলন যথেষ্ট নয়। এর জন্য প্রয়োজন হবে গ্রহণযোগ্য দালিলিক প্রমাণ, যা প্রমাণ করবে যে আয়, সম্পদ, দায় বা ব্যয় গোপন করা হয়েছে অথবা মিথ্যাভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে। জরিমানা আরোপের পূর্বে করদাতাকে শুনানিতে অংশগ্রহণের যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দেওয়া আবশ্যক।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এই নির্দেশনা দিয়েছে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ২৭২ ধারার প্রয়োগ সংক্রান্ত। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের সইয়ে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এই আদেশ জারি হয়েছে।
আদেশ অনুযায়ী, আইনের ১৯ নম্বর অংশে উল্লেখিত যেকোনো ধরনের জরিমানা আরোপের আগে সংশ্লিষ্ট করদাতাকে শুনানির সুযোগ দিতে হবে, যা ২৭২ ধারার আওতাধীন জরিমানার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। উপ-কর কমিশনারকে প্রথমে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, এই ধারা প্রয়োগযোগ্য কি না। প্রযোজ্য হলে, একই আদেশে জরিমানা আরোপ করতে হবে, অন্যথায় জরিমানা আরোপের সুযোগ থাকবে না।
এনবিআর চাকরি, ভাড়া, কৃষি, ব্যবসা-পেশা, মূলধনী আয়, আর্থিক পরিসম্পদ ও অন্যান্য উৎস থেকে আয়ের ক্ষেত্রে ২৭২ ধারার প্রয়োগকে পৃথকভাবে ব্যাখ্যা করেছে। যদি এসব খাতের কোনো আয় গোপন বা মিথ্যাভাবে প্রদর্শিত হয়, তবে জরিমানা প্রযোজ্য হবে। তবে, করযোগ্য আয়কে ভুলবশত করমুক্ত মনে করা, আইনের কোনো বিধান পালনে ব্যর্থতা বা কোনো করমুক্ত আয় পরবর্তীতে করযোগ্য বিবেচিত হলে, এই কারণে একা ২৭২ ধারার জরিমানা প্রযোজ্য হবে না।
ভাড়া, কৃষি, ব্যবসা-পেশা, মূলধনী আয় এবং আর্থিক পরিসম্পদ থেকে আয়ের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য দালিলিক প্রমাণ ছাড়া কেবল প্রাক্কলনের ভিত্তিতে জরিমানা আরোপ করা যাবে না। বিশেষ করে ভাড়া আয়ের ক্ষেত্রে যৌক্তিক ভাড়ামূল্য অনুমান করাও জরিমানার জন্য যথেষ্ট ভিত্তি হবে না।
আইনের ৬৬ ধারায় উল্লিখিত অন্যান্য উৎসের আয় গোপন বা মিথ্যাভাবে দেখানো হলে জরিমানা আরোপ করা যাবে, তবে এখানে দালিলিক প্রমাণ ছাড়া নিছক প্রাক্কলন জরিমানার ভিত্তি হতে পারবে না।
একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ৬৭ ধারার উপধারা (৩) ব্যতীত অন্য কোনো উপধারার প্রয়োগে যদি কোনো করদাতার ‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’ তৈরি হয়, তাহলে সেই আয়ে ২৭২ ধারার জরিমানা প্রযোজ্য নয়। তবে উপধারা (৩)-এর প্রয়োগে সৃষ্ট আয়ের ক্ষেত্রে জরিমানা আরোপ করা যাবে, যদিও সেখানেও দালিলিক প্রমাণ ছাড়া কেবল প্রাক্কলনের ভিত্তিতে জরিমানা বসানো যাবে না বলে আদেশে স্পষ্ট করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রস্তুতি আরও একটি ধাপ অগ্রসর হয়েছে। কেন্দ্রটির সঙ্গে জাতীয় লোড পরিচালনা কেন্দ্রের (এনএলডিসি) জন্য একটি সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করা হচ্ছে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য গতকাল বুধবার বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এবং বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান জিই ভার্নোভার মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এনএলডিসি দেশের বিদ্যুৎ গ্রিডের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। এখানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের স্থান, বিদ্যুৎ পরিবহনের পথ এবং গ্রিডের বিদ্যুৎ চাহিদার তথ্য পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়। রূপপুরকে এনএলডিসির সঙ্গে যুক্ত করা হলে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালনের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে এখানে দেখা সম্ভব হবে।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, রূপপুরের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের তথ্য এনএলডিসির কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। মোট আটটি সঞ্চালন লাইনের তথ্য এই ব্যবস্থায় যুক্ত হবে। পাশাপাশি, কেন্দ্রের দুটি উপকেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও এনএলডিসিতে পাওয়া যাবে।
ঢাকায় পরমাণু শক্তি কমিশনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রূপপুরের পক্ষে প্রকল্প পরিচালক ড. কবির হোসেন এবং জিই ভার্নোভার পক্ষে প্রতিনিধি দেবেশ ঝা সই করেন।
প্রকল্প পরিচালক ড. কবির হোসেন মন্তব্য করেন, "রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিশ্বস্ততার সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনের তথ্য প্রেরণে এই চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি মাইলফলক। এটি কেন্দ্রটির কমিশনিং প্রক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনায় বড় ভূমিকা রাখবে।"
রূপপুরের উপ-প্রকল্প পরিচালক ড. মো. খালেকউজ্জামান বলেন, "এনএলডিসির স্কাডা ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগের ফলে রূপপুর ও জাতীয় গ্রিডের মধ্যে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান করা যাবে, যা কেন্দ্র ও গ্রিডের সমন্বয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ সহজ করবে।"
এদিকে, রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে। গত ২৮ এপ্রিল সেখানে জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এর পর ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম ইউনিট থেকে শুরুতে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে, পরে ধীরে ধীরে উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
রূপপুরে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে। দুটি ইউনিট চালু হলে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। গ্যাস সংকট ও জ্বালানি ঘাটতির কারণে দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহে চাপের সময় রূপপুরের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সামাল দিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে হামলা আরও জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতে ইরানের প্রতি রাশিয়ার সমর্থন অব্যাহত রাখার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।
পুতিন কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের দুদিনের সম্মেলনে অংশ নিয়ে এসব মন্তব্য করেন।
মঙ্গলবার নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। পুতিনের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইউক্রেন যুদ্ধ নতুন করে বিপজ্জনক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়া এবং ইউক্রেন উভয়পক্ষই একে অপরের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান ও ড্রোন হামলা বৃদ্ধি করেছে। গত কয়েক মাসে ইউক্রেন রাশিয়ার তেল শোধনাগার, জাহাজ এবং ই-কমার্সের গুদামসহ বিভিন্ন স্থাপনায় দূরপাল্লার হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার ফলে রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে পেট্রোল সংকট দেখা দিয়েছে এবং দেশটির অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
পুতিনের দাবি, ইউক্রেনের হামলায় ৪০ দিনের মধ্যে রাশিয়ার প্রায় ১০০টি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে রাশিয়ার যে ক্ষতি হয়েছে, তা দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ১ শতাংশের সমান। হামলা আরও জোরদার করেছে রাশিয়াও। নতুন ধরনের জেটচালিত ড্রোন ব্যবহার করে ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক হামলা চালানোর পাশাপাশি রাজধানী কিয়েভ ও কৃষ্ণসাগরের বন্দরগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। এতে ইউক্রেনের শস্য রপ্তানিও হুমকির মুখে পড়েছে।
বিশকেকে পুতিন উল্লেখ করেন, ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় ব্যাপক হামলা চালানোর নির্দেশ রুশ বাহিনীকে দেওয়া হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে শান্তি আলোচনার বিষয়েও তিনি কথা বলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে কাজ করতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
তিনি বলেন, ‘কেউ যদি খাদ্যশৃঙ্খলে আমাদের নিচে নামিয়ে দিতে চায়, আমাদের গিলে খেতে বা গ্রাস করতে চায়, তাহলে তারা দাঁতভাঙা জবাব পেতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এসব হাঙরের ক্ষুধা ও দাঁত দ্রুত বাড়লেও রাশিয়া তা মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের সাতটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই কারণে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য প্রদত্ত পূর্বাভাসে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এইসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বুধবার রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত সারা দেশের সম্ভাব্য পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণও হতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ