ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের প্রথম নৌযান শুমারি উপলক্ষে রাজশাহীতে অবহিতকরণ সেমিনার


দেশের প্রথম নৌযান শুমারি উপলক্ষে রাজশাহীতে অবহিতকরণ সেমিনার

দেশের সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত নৌযানের একটি সমন্বিত ও নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার তৈরির লক্ষ্যে আগামী ২০ থেকে ২৯ আগস্ট দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে নৌযান শুমারি।

এ উপলক্ষে আজ বুধবার রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক অবহিতকরণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

বিভাগীয় পরিসংখ্যান দপ্তর আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ।

আরও পড়ুন: আমরা মাফিয়া ডন বানাব না: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মনসুর রহমান এবং রাজশাহী অঞ্চলের নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন।

সেমিনারে নৌযান শুমারির পরিকল্পনা, প্রস্তুতি ও অগ্রগতি তুলে ধরে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিভাগীয় পরিসংখ্যান দপ্তরের যুগ্ম পরিচালক মো. আব্দুল হালিম।

সেমিনারে জানানো হয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর বাস্তবায়নে পরিচালিত এ শুমারির উদ্দেশ্য হলো দেশের সকল ইঞ্জিনচালিত নৌযানের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে একটি সমন্বিত জাতীয় ডাটাবেজ তৈরি করা।

এ ডাটাবেজ নৌপরিবহন খাতের উন্নয়ন পরিকল্পনা, নীতিনির্ধারণ, গবেষণা, নৌযান ব্যবস্থাপনা এবং নিবন্ধন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে সহায়তা করবে। তবে সামরিক বাহিনীর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত নৌযান এবং ইঞ্জিনবিহীন সাধারণ নৌকা এ শুমারির আওতার বাইরে থাকবে।

আরও পড়ুন: শাহজালাল বিমানবন্দরে ১৫ থেকে ২০ মিনিটে লাগেজ পাচ্ছেন যাত্রীরা: মন্ত্রী

সেমিনারে আরও জানানো হয়, আগামী ৩ ও ৪ আগস্ট দেশের দুটি জেলায় পাইলট অপারেশনের মাধ্যমে শুমারির প্রশ্নপত্র ও তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি যাচাই করা হবে। এরপর ২০ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত দেশজুড়ে ১০ দিনব্যাপী মূল শুমারি পরিচালিত হবে। এর আগে ৪ থেকে ১৭ মে পরিচালিত লিস্টিং ও ম্যাপিং কার্যক্রমে সারাদেশে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৮০৮টি ইঞ্জিনচালিত নৌযান শনাক্ত করা হয়েছে।

এসব নৌযানকে ২৫টি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে যাত্রীবাহী বোট, বালিবাহী নৌযান, কার্গো, ট্রলার, ড্রেজার, স্পিডবোট, ফেরি এবং পর্যটন নৌযান উল্লেখযোগ্য। পুরো শুমারি কার্যক্রম কম্পিউটার অ্যাসিস্টেড পার্সোনাল ইন্টারভিউ পদ্ধতিতে মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে পরিচালিত হবে।

রাজশাহী বিভাগের তথ্য তুলে ধরে জানানো হয়, বিভাগে মোট ২৩ হাজার ৫৮৭টি ইঞ্জিনচালিত নৌযান শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ঘাটভিত্তিক ১৩ হাজার ৬৫০টি এবং খানাভিত্তিক ৯ হাজার ৯৩৭টি।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেন, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নৌযান শুমারির লক্ষ্য কেবল নৌযানের সংখ্যা নির্ধারণ নয়; বরং একটি নির্ভুল, ব্যবহারোপযোগী ও সমৃদ্ধ তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা, যা নৌপরিবহন খাতের উন্নয়ন পরিকল্পনা, নিরাপত্তা, নীতিনির্ধারণ এবং সরকারি সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন: সরকারি চাকরিজীবীদের ভাতা নির্ধারণ হবে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে

তিনি বলেন, একটি শুমারির সফলতা কেবল তথ্য সংগ্রহের ওপর নির্ভর করে না, বরং সেই তথ্য কতটা কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়, তার ওপরই প্রকৃত সফলতা নির্ভরশীল। তাই এমন তথ্য সংগ্রহ করতে হবে, যা দীর্ঘ মেয়াদে নৌপরিবহন ব্যবস্থাপনা, পরিকল্পনা, গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হবে।

বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, প্রতিটি নৌযানের তথ্যের সঙ্গে জিও-লোকেশন সংরক্ষণ করা গেলে ভবিষ্যতে নৌযানের অবস্থান নির্ধারণ, নিবন্ধন, তদারকি ও ব্যবস্থাপনা আরও সহজ ও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময় ও সমন্বয় জোরদার হবে এবং নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি নৌযান শুমারি সফলভাবে বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নৌযান মালিক, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং সাধারণ জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

সেমিনারে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. রেজাউল আলম সরকার ও মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ, নৌযান-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সরাসরি এবং রাজশাহী বিভাগের আট জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপপরিচালকরা অনলাইনে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাস দুর্ঘটনায় সুপারভাইজারসহ ২ জন নিহত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুদ্রাস্ফীতির ঊর্ধ্বগতির মধ্যে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখতে পারে মার্কিন ফেড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


মুদ্রাস্ফীতির ঊর্ধ্বগতির মধ্যে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখতে পারে মার্কিন ফেড

 মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ বুধবার সুদের হার অপরিবর্তিত রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এমনকি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় কিছু নীতিনির্ধারক সুদের হার বাড়ানোর পক্ষেও অবস্থান নিতে পারেন বলে বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।

ফেডের ওপেন মার্কেট কমিটি (এফওএমসি) দুই দিনের রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবে। এরপর সংবাদ সম্মেলন করবেন ফেডের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ।

বার্তা সংস্থা এএফপি ওয়াশিংটন থেকে এ খবর জানিয়েছে।

সিএমইর ফেডওয়াচ পর্যবেক্ষণ টুলের তথ্য অনুযায়ী, বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীর ধারণা, টানা পঞ্চম বৈঠকের মতো এবারও সুদের হার ৩ দশমিক ৫০ থেকে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশের মধ্যে অপরিবর্তিত রাখা হবে। কিন্তু এই সময় সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা বাড়ছে।

গত মাসে ভোক্তা মূল্যস্ফীতি বার্ষিক ভিত্তিতে ৩ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে এলেও ভারতীয় ইরান যুদ্ধের কারণে তেলের দাম ওঠানামার মধ্যে এটি আবার বাড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা রয়েছে।

এবারের বৈঠকের ফল নিয়ে অনিশ্চয়তা অস্বাভাবিক, যার একটি কারণ হলো, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কেভিন ওয়ার্শ প্রকাশ্যে নিজের অবস্থান জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বাভাস কমানোর জন্য তিনি সেই অবস্থান নিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

ইওয়াই-পার্থেননের প্রধান অর্থনীতিবিদ গ্রেগরি ড্যাকো এ সম্পর্কে বলেন, 'এটি অত্যন্ত অস্বাভাবিক একটি বৈঠক। কেননা ফেড চেয়ারম্যান বর্তমানে কী ভাবছেন, সে সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট ধারণা নেই।'

এদিকে, ওয়ার্শ দায়িত্ব নেওয়ার পর কয়েকটি প্রকাশ্য মন্তব্যে বলেছেন, মূল্যস্থিতি নিশ্চিত করতে কমিটি প্রতিশ্রুতibদ্ধ।

ড্যাকো এএফপিকে বলেন, 'মুদ্রাস্ফীতির ক্ষেত্রে (অন্য নীতিনির্ধারকদের) ধৈর্যের সীমা ফুরিয়ে আসছে। মুদ্রাস্ফীতি দ্রুত ২ শতাংশের লক্ষ্যের দিকে না ফিরলে, পদক্ষেপ নিতে তারা প্রায় সবাই প্রস্তুত।'

ফেডের সর্বশেষ বৈঠকের পর থেকে বেশ কয়েকজন নীতিনির্ধারক প্রকাশ্যে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। ফেডের দীর্ঘমেয়াদি ২ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার ওপরে এটি পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে রয়েছে।

মার্চ মাস থেকে ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি ও সারের দাম ব্যাপক বেড়েছে। এই কারণে অন্যান্য পণ্যের দামেও এর প্রভাব পড়েছে, ফলে মুদ্রাস্ফীতি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

ফেডের গভর্নর ক্রিস্টোফার ওয়ালার ১৩ জুলাই বলেন, '২০২১ থেকে ২০২২ সালের মতো আরেকটি মূল্যস্ফীতির পরিস্থিতি এড়াতে প্রয়োজনে মুদ্রানীতি আরও কঠোর করতে ফেডকে প্রস্তুত থাকতে হবে।'

তিনি আরও বলেন, 'শুধু কঠোর দৃষ্টিতে মুদ্রাস্ফীতির দিকে তাকিয়ে থেকে সেটি নিজে থেকেই কমে যাবেÑ এমনটা ভাবার সুযোগ নেই।'

এদিকে, দায়িত্ব নেওয়ার পরে ওয়ার্শ সুদহার নির্ধারণে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে 'একটি ভালো বিতর্ক' হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

এ সপ্তাহের বৈঠকে সেই পরিস্থিতি দেখতে পাওয়া যেতে পারে।

কেপিএমজির প্রধান অর্থনীতিবিদ ডায়ান সোয়ঙ্ক বলেন, 'আমি সুদের হার বাড়বে বলে মনে করি না। তবে ভিন্নমত দেখা যাবে বলে ধারণা করছি।'

তিনি আরো যোগ করেন, 'নতুন চেয়ারম্যান এলেও বছরের শুরু থেকে অর্থনীতির পরিবর্তিত অবস্থান নিয়ে পুরোনো নীতিনির্ধারকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।'

সোয়ঙ্কের মতে, ফেডের 'হকিশ' বা সুদহার বাড়ানোর পক্ষে থাকা নীতিনির্ধারকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বলছেন, 'ফেডের হকিশ অবস্থান শুধু আরও দৃঢ়ই হয়নি, এর পরিধি বেড়েছে।'

জুনে ভোক্তা মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমায় আপাতত নীতিনির্ধারকদের জন্য 'স্বস্তির সুযোগ' তৈরি হয়েছে। তবে সামনে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে বলেও ধারণা প্রকাশ করছেন সোয়ঙ্ক। এর ফলে চলতি বছরের শেষ দিকে আরও দুই দফা সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা আছে।

তিনি উল্লেখ করেন, মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর এর চাপ বেশি লক্ষ করা যায়। অন্যদিকে, উচ্চ আয়ের মানুষও ভোগব্যয়ে মূল্যস্ফীতি বেড়েও শক্তিশালী হয়েছেন।

সোয়ঙ্ক বলেন, 'যারা সবচেয়ে কম সামর্থ্যবান, তাদের ওপরেই এই আঘাত সবচেয়ে বেশি। আর এই প্রভাব ধীরে ধীরে সমাজের সব স্তরে ছড়িয়ে পড়ছে।'

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতির প্রধান কারণ হচ্ছে ইরান যুদ্ধ। তবে করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ট্রাম্পের শুল্কনীতির ধারাবাহিক ধাক্কা এসব কারণে ভূমিকা রেখেছে।

সোয়ঙ্কের মতে, পরিবার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মূল্যস্ফীতি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রত্যাশা স্থায়ীভাবে বেড়ে যাওয়ার আগেই ফেডকে পদক্ষেপ নিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বান্দরবানে হামে আক্রান্ত রোগীদের দেখতে হাসপাতালে জোন কমান্ডার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


বান্দরবানে হামে আক্রান্ত রোগীদের দেখতে হাসপাতালে জোন কমান্ডার

 

বান্দরবান সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হামে আক্রান্ত রোগীদের পরিদর্শন করেছেন বান্দরবান সদর সেনা জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ুন রশীদ।

বুধবার (২৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১২টায়, তিনি বান্দরবান সদর হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন হাম রোগীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরে হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করে তিনি প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এ সময় জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ুন রশীদ বলেছেন, হামে আক্রান্ত রোগীদের উন্নত ও বিশেষায়িত চিকিৎসার প্রয়োজন হলে বান্দরবান সেনা জোনের ‘মেইন ড্রেসিং স্টেশন (এমডিএস)’-এর মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে। পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে রোগী স্থানান্তরের জন্য সেনাবাহিনীর অ্যাম্বুলেন্স সুবিধাও প্রদান করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুর প্রকোপে একদিনে ৩ মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ৫৩৪ রোগী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


ডেঙ্গুর প্রকোপে একদিনে ৩ মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ৫৩৪ রোগী

বাংলাদেশে চলতি ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ৫৩৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এখন পর্যন্ত চলতি বছরে জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৫০ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মধ্যে ২০ জন পুরুষ এবং ৩০ জন নারী রয়েছে।

এ দিকে, আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৬৪৪ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, বরিশাল বিভাগ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাইওয়ানকে ‘চেপে ধরতে’ নতুন সামুদ্রিক মহড়া চীনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


তাইওয়ানকে ‘চেপে ধরতে’ নতুন সামুদ্রিক মহড়া চীনের

তাইওয়ানকে ‘চেপে ধরতে’ চীন নতুন সামুদ্রিক মহড়া শুরু করেছে। এই লক্ষ্যে, তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলবর্তী সাগরে বেইজিং তাদের কোস্টগার্ড এবং বেসামরিক জলযানের উপস্থিতি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করেছে। সামরিক ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনা বাহিনী স্বশাসিত দ্বীপ তাইওয়ানকে বহির্বিশ্বের বাণিজ্য এবং যেকোনও সহযোগিতা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্যে একটি ‘অবস্থানগত অবরোধের’ মহড়া দিচ্ছে। চীন সরকারের তথ্যানুযায়ী, গত জুন এবং জুলাই মাসে চীনের মেরিটাইম সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এবং কোস্টগার্ড ওই অঞ্চলে একাধিক টহল ও ‘বিশেষ সামুদ্রিক আইন প্রয়োগকারী অভিযান’ পরিচালনা করেছে। চীন নিয়মিতভাবে তাইওয়ান প্রণালীতে টহল দিয়ে থাকে, যা চীন এবং তাইওয়ানকে পৃথককারী ১৮০ কিলোমিটার প্রশস্ত জলপথ। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রথমবার পরপর এত দ্রুত গতিতে তাইওয়ানের পূর্বদিকেও এ ধরনের সমন্বিত টহল বাড়াল বেইজিং। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল ব্যুরো অব এশিয়ান রিসার্চ’-এর অনাবাসিক ফেলো কে ট্রিস্টান টাং জানান, এই পরিবর্তনের কৌশলগত এবং প্রতীকী উভয় ধরনের গুরুত্ব রয়েছে। টাং বলেন, “বেইজিং সংকেত দিচ্ছে যে, তারা তাদের দাবি করা প্রশাসনিক অঞ্চল তাইওয়ানের পূর্বাঞ্চলীয় জলসীমা পর্যন্ত সম্প্রসারিত করতে চায়। এর ফলে শুধু তাইওয়ান প্রণালীতে তাদের উপস্থিতি জাহির করাই নয়, বরং তারা কার্যকরভাবে তাইওয়ানকে ঘিরে ফেলতে চাচ্ছে।” তাইপেইয়ের মতে, চীনের এই ‘আইন প্রয়োগকারী অভিযানের’ মধ্যে রয়েছে এলাকাটিতে টহল দেওয়া এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর কাছে সেগুলোর উৎস এবং গন্তব্য সম্পর্কে তথ্য চাওয়া। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির মেরিটাইম ট্রান্সপারেন্সি প্রজেক্ট ‘সি লাইট’-এর পরিচালক রে পাওয়েল এই পদক্ষেপকে চীনের ‘বোয়া কনস্ট্রিক্টর স্ট্র্যাটেজি’ অজগরের মতো চেপে ধরার কৌশল বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, বেইজিং ধাপে ধাপে তাইওয়ানের ওপর চাপ বৃদ্ধি করছে। আল-জাজিরাকে পাওয়েল বলেন, “আজ তারা বাণিজ্যিক জাহাজ থামিয়ে রেডিওতে জিজ্ঞাসাবাদ করছে, কাল হয়তো তল্লাশি চালানো বা পথ ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো কাজ শুরু করবে। তাইওয়ানের মতো দ্বীপ রাষ্ট্রের জন্য জ্বালানি (এলএনজি) সরবরাহ বন্ধ করে কোণঠাসা করা বেইজিংয়ের জন্য খুব বেশি কঠিন কিছু নয়।” তার মতে, চীনের এসব পদক্ষেপ তাইওয়ানের অর্থনীতি ও মনোবল গুঁড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে দ্বীপটির ২ কোটি ৩০ লাখ মানুষকে বোঝানো যায় যে, চীনের অন্তর্ভুক্ত হওয়া তাইওয়ানের জন্য অনিবার্য। চলতি বছরের জুনে তাইওয়ান সংলগ্ন সাগরে অন্তত ৫৫টি চীনা কোস্টগার্ড ও গবেষণা জাহাজের উপস্থিতি শনাক্ত করেছে তাইপেই, যা মে মাসের (৩০টি) তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। চীনের এই আগ্রাসী মনোভাবের বিরুদ্ধে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য, জার্মানি এবং ফ্রান্স। এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলো জানায়, চীনের এই একতরফা পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে চরম হুমকির মুখে ফেলছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-ও চীনের এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছেন। তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য ও ইরান ইস্যুতে ওয়াশিংটন ব্যস্ত থাকার সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে বেইজিং। ‘ক্রাইসিস গ্রুপ’-এর জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক উইলিয়াম ইয়াংয়ের মতে, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে অন্য সংকট নিয়ে ব্যস্ত থাকায় ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের এই সংবেদনশীল জলসীমায় চীনের এই ধরনের সামুদ্রিক সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক বড় কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার সক্ষমতা বা সুযোগ তাদের কম। বেইজিং অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, তাদের সার্বভৌমত্ব, সামুদ্রিক অধিকার এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষার স্বার্থেই এই আইন প্রয়োগকারী কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%