০৭:৪০ পি.এম
আমির খান প্রোডাকশনস ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর জীবন ও সংগ্রাম নিয়ে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করবেন নির্মাতা ও লেখক স্বাতি চক্রবর্তী ভাটকাল।
ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, তথ্যচিত্রটিতে ওডিশার একটি প্রত্যন্ত গ্রামের সাধারণ জীবন থেকে ভারতের প্রথম আদিবাসী রাষ্ট্রপতি এবং দ্বিতীয় নারী রাষ্ট্রপতি হয়ে ওঠার একটি অনন্য যাত্রা উঠে ধরা হবে।
চলচ্চিত্রে দ্রৌপদী মুর্মুর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো স্থান পাবে। রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন উপাদান, ব্যক্তিগত জীবনের নানা ট্র্যাজেডি, প্রতিকূলতা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে কিভাবে তিনি জনজীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন, সেই গল্পটিও এখানে তুলে ধরা হবে।
আরও পড়ুন: শাহরুখের ৬১তম জন্মদিনে ‘মান্নাত’-এ দেখা মিলবে না
এছাড়া, জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড ও নেতৃত্বের পেছনের দৃঢ়তা এবং অধ্যবসায়ের দিকটিও ফুটিয়ে তোলা হবে।
জানা গেছে, দ্রৌপদী মুর্মুর শৈশবের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো ফুটিয়ে তুলতে ওডিশার তার নিজ গ্রামেই তথ্যচিত্রের কিছু অংশের শুটিং করা হয়েছে। স্থানীয় শিল্পীদের দিয়ে তার জীবনের বিভিন্ন পর্যায় পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। বাস্তব লোকেশন, আর্কাইভ ফুটেজ এবং নাট্যরূপ—সবই মিলিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবন পর্যন্ত তার যাত্রার একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে নির্মাতাদের।
শুধু ব্যক্তিগত জীবনের গল্পই নয়, তথ্যচিত্রে দ্রৌপদী মুর্মুর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সামাজিক এবং রাজনৈতিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হবে।
তার এই উত্থানকে ভারতের আদিবাসী জনগোষ্ঠী, নারীদের ক্ষমতায়ন এবং দীর্ঘদিন ধরে প্রতিনিধিত্ববঞ্চিত মানুষের জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: উল্লাপাড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, প্রধান অতিথি এম আকবর আলী
এই প্রজেক্টের মাধ্যমে আবারও স্বাতি চক্রবর্তী ভাটকালের সঙ্গে কাজ করছে আমির খান প্রোডাকশনস। এর আগে ২০১৯ সালে আমির খান এবং কিরণ রাও প্রযোজিত তথ্যচিত্র অ্যান্থলজি ‘রুবারু রোশনি’ পরিচালনা করেছিলেন স্বাতি। আমির খানের বর্ণনায় নির্মিত সেই কাজটি সহিংসতা, শোক, ক্ষমা ও পুনর্মিলনের বাস্তব গল্প তুলে ধরে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে রাষ্ট্রপতি ভবনে নিজের সিনেমা ‘সিতারে জমিন পার’-এর একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলেন আমির খান। ছবিটি ২০০৭ সালের বহুল প্রশংসিত ‘সিতারে জমিন পার’–এর ভাবগত উত্তরসূরি হিসেবে নির্মিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন