মুবাশশির আলম রাহুল, জামালপুর প্রতিনিধি
০২:২৪ পি.এম
বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে জামালপুরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাত ধোয়ার সঠিক নিয়ম, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে হাত ধোয়ার অনুশীলন প্রদর্শন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি.) জামালপুর জিলা স্কুলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, জামালপুরের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, জামালপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব মোহাম্মদ জামাল হোসেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সামনে সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে হাত ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি হাতে-কলমে প্রদর্শন করা হয়। এ সময় হাতের তালু, হাতের পিঠ, আঙুলের ফাঁক, নখের চারপাশ ও বৃদ্ধাঙ্গুলিসহ হাতের প্রতিটি অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করার নিয়ম শেখানো হয়। জীবাণুমুক্ত থাকতে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে হাত ঘষে ধোয়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
বক্তারা বলেন, হাত ধোয়া একটি সহজ কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। সঠিক নিয়মে হাত ধোয়ার মাধ্যমে ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয়, টাইফয়েডসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। বিশেষ করে খাবার খাওয়ার আগে, খাবার প্রস্তুতের আগে, শৌচাগার ব্যবহারের পরে এবং ময়লা বা জীবাণুযুক্ত বস্তু স্পর্শ করার পর সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও বলা হয়, শিশু-কিশোরদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা সহজ হবে। এ জন্য শিক্ষার্থীদের নিজেদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্য ও সহপাঠীদেরও হাত ধোয়ার সঠিক নিয়ম অনুসরণে উৎসাহিত করার আহ্বান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, জামালপুরের প্রাক্কলনিক মো. সোহেল রানা, জামালপুর সদর-এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন, সহকারী প্রকৌশলী মো. শাদমান মাহবুব, ড্রাফটসম্যান মো. সুমন মিয়া এবং ক্যাশিয়ার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর কবির উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জামালপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
প্রদর্শনীর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের হাত ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি, প্রয়োজনীয় সময় এবং নিয়মিত হাত ধোয়ার স্বাস্থ্যগত উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। এ ধরনের সচেতনতামূলক আয়োজন শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শুরু হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
পরে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ সময় বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চালক, যাত্রী ও পথচারী সবার সচেতনতা জরুরি। ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত গতিসীমা অনুসরণ এবং সড়কে দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ কে এম রায়হানুর রহমান, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পরিবহন শ্রমিক নেতা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
দিবসটি পালনের মধ্য দিয়ে সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুর্ঘটনামুক্ত সড়ক গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ত্রিশালে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসে
র্যালি হাত দোয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠান বুধবার সকালে দরিরামপুর মডেল স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসনাত জাহান খান। প্রধান অতিথি বলেন আজকের এ দিবসে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।
বিশেষ করে আমাদের অভিভাবকরা যদি সন্তানদের হাত ধোয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন তাহলে তারা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকবে এবং অনেক রোগ বালাই থেকে মুক্ত থাকবে।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো: আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনন্যার মাঝে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিলুফার হাকিম, উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর মো: মহিউদ্দীন আহমেদ, ত্রিশাল সরকারী নজরুল একাডেমীর (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক, দরিরামপুর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাইয়ুম সহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী বৃন্দ।
এস এম মাসুদ রানা
ত্রিশাল (ময়মনসিংহ,) প্রতিনিধি
তারিখ :২৮/১০/২০২৭
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আফগানিস্তানের তালেবান সরকার কর্নিয়া প্রতিস্থাপন নিষিদ্ধ করেছে। চিকিৎসকরা দ্য টেলিগ্রাফকে জানিয়েছেন, এর ফলে প্রতিবছর শত শত মানুষ দৃষ্টিশক্তি রক্ষাকারী এই অস্ত্রোপচার থেকে বঞ্চিত হবেন।
কর্তৃপক্ষের দাবি, কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়া ইসলামের শিক্ষার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। এ কারণে চিকিৎসকদের অস্ত্রোপচার বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তালেবান সরকার ২০২১ সালে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ সীমিত করে একের পর এক নির্দেশ জারি করেছে। নতুন এই নিষেধাজ্ঞা সেই ধারাবাহিকতার সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কাবুল ও পূর্বাঞ্চলীয় শহর জালালাবাদে কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের অস্ত্রোপচার চালু করতে স্থানীয় চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজে একটি চিকিৎসা সহায়তা সংস্থা সহযোগিতা করেছিল। এই উদ্যোগের মাত্র কয়েক মাস পরেই নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলো।
চিকিৎসকেরা বলছেন, আফগানিস্তানে বিস্ফোরণ ও বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আহত মানুষের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনতে কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের ব্যাপক প্রয়োজন রয়েছে। কাবুলের নূর চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসক নূর জামান হাশিম জানান, তালেবানের নির্দেশে কর্মসূচিটি বন্ধ হওয়ার আগে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তাদের কর্মীরা ৯০টি কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করেছিলেন।
তিনি আরও জানান, হাসপাতালে কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের জন্য অপেক্ষমাণ রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। তাদের অধিকাংশই তরুণ-তরুণী। আঘাত, জখম, বিস্ফোরণ এবং ঝালাইয়ের কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে তারা দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন।
নূর জামান হাশিম বলেন, ‘কয়েক দশকের সহিংসতায় আফগানিস্তানের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের চাহিদা মেটানোর মতো পর্যাপ্ত চক্ষুবিশেষজ্ঞ আমাদের নেই। স্থানীয়ভাবেও প্রয়োজনীয় কর্নিয়া পাওয়া যায় না।’ তিনি আরো বলেন, ‘তালেবান কর্তৃপক্ষ মৌখিকভাবে আমাদের কর্নিয়া প্রতিস্থাপন বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। কঠোর শাস্তির ভয়ে কেউ তাদের নির্দেশ অমান্য করার সাহস পাচ্ছেন না।’
যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত একটি দাতব্য সংস্থা ‘অ্যাসোসিয়েশন অব ফিজিশিয়ানস অব পাকিস্তানি ডিসেন্ট অব নর্থ আমেরিকা’ (এপিপিএনএ) ২০১৭ সাল থেকে পাকিস্তানে কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের জন্য বিনা মূল্যে কর্নিয়া সরবরাহ করে আসছে। এসব কর্নিয়া অঙ্গদানের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয় এবং দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনতে রোগীদের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়।
চলতি বছরের শুরুতে সংস্থাটি পাকিস্তানের বাইরে আফগানিস্তানেও এই কর্মসূচি চালু করে। এর ফলে দেশটিতে ১৫০টিরও বেশি কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের অস্ত্রোপচার করার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। এসব অস্ত্রোপচার পরিচালনার জন্য তিনজন আফগান চক্ষু বিশেষজ্ঞকে পাকিস্তানের পেশোয়ারে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
এপিপিএনএর কর্নিয়া কর্মসূচির প্রধান এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জাফর মীর ফাউন্ডেশনের প্রধান ডা. ফাওয়াদ জাফর বলেন, ‘২০১৭ সাল থেকে আমরা পাকিস্তানে বিনা মূল্যে কর্নিয়া সরবরাহ করে আসছি। এ পর্যন্ত ১০ হাজার মানুষ এই কর্মসূচি থেকে উপকৃত হয়েছেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘প্রায় চার মাস আগে আমরা আফগানিস্তানেও এই কর্মসূচি সম্প্রসারণ করি। দেশটিতে শত শত মানুষের কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু তালেবান সরকারের নির্দেশে কর্মসূচিটি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে উদযাপন করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে উল্লাপাড়া পৌর উন্মুক্ত মঞ্চ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উন্মুক্ত মঞ্চে এসে শেষ হয়।
উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে এবং শাহীন রেজার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য এম আকবর আলী।
এ সময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হেলাল সরকার, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম মিস্টার, আজিজুর রহমান মানু, শফিউল মোমেন শফি, উল্লাপাড়া পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র বেলাল হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক সন্টুসহ বিএনপি, যুবদল ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে উন্মুক্ত মঞ্চ প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ