ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২০৩০ সালের বিশ্বকাপে ৬৪ দল নিয়ে আয়োজনের ভাবনায় ফিফা


২০৩০ সালের বিশ্বকাপে ৬৪ দল নিয়ে আয়োজনের ভাবনায় ফিফা

ফিফা বিশ্বকাপের চলতি আসরের সময়েই এই বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের সম্প্রসারণের বিষয়ে ভাবা হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন ফিফা। সংস্থাটির সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেছেন, ২০৩০ সালের পরবর্তী আসরে আর ১৬টি দেশ যোগ করে ৬৪ দলের টুর্নামেন্টে রূপান্তর করার বিষয়টি পরীক্ষা করা হচ্ছে। ১৯৯৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বিশ্বকাপের মূল পর্বে ৩২টি দল অংশগ্রহণ করে আসছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত আসন্ন আসরে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দলের অংশগ্রহণ দেখা যাবে। দক্ষিণ আমেরিকার নেতাদের একটি প্রতিনিধি দলের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাওয়ার পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে ফিফা ২০৩০ সালের টুর্নামেন্টটি আরও বড় করার কথা আলোচনা করেছিল। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সভাপতি ইনফান্তিনো নিশ্চিত করেছেন, এই গ্রীষ্মের টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর প্রস্তাবিত ফরম্যাটের বিষয়ে আলোচনা করা হবে। সুইস গণমাধ্যম ‘ব্লুউইন’-কে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই বিশ্বকাপের পর সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলোর মধ্যে ৬৪ দলের আয়োজনের বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে। ফিফা সভাপতি আবারও জোর দিয়ে বলেন, এই টুর্নামেন্টটি শুধু ইউরোপ বা দক্ষিণ আমেরিকার জন্য নয়। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের স্বপ্ন দেখার সুযোগ প্রতিটি দেশের জন্য থাকা উচিত। বলা যেতে পারে যে, দলগুলোর খেলার মান উন্নত হচ্ছে এবং সারা বিশ্বেই এই মান বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদি ছোট দেশগুলোকে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়া হয়, তবে তাদের উন্নতির ধারাকে অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে কোনো অনুপ্রেরণা নাও থাকতে পারে। ৫৬ বছর বয়সী এই কর্মকর্তা বলেন, এবারের আসরে বিশ্বকাপকে ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে উন্নীত করার সিদ্ধান্তটি পুরোপুরি সফল ছিল। এর আগে ইনফান্তিনো এবং ফিফা বিষয়টি চার বছরের পরিবর্তে প্রতি দুই বছরের মধ্যে বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাব্যতা পরীক্ষা করেছিল, যদিও সেই প্রস্তাবটি পরে আর বাস্তবায়িত হয়নি। ইনফান্তিনো জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে তার ‘প্রায় প্রতিদিন’ যোগাযোগ হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, ট্রাম্প খুব খুশি এবং টুর্নামেন্টটি উপভোগ করছেন। সশরীরে কোনো ম্যাচ দেখতে না যেতে পারলেও, ট্রাম্প টেলিভিশনে প্রায় প্রতিটি ম্যাচ দেখছেন। ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের পক্ষে যে-সব বিভক্তি তৈরি হয়েছিল, তার মধ্যে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে ফিফা কাউন্সিলের এক সভায় উরুগুয়ের ফুটবল কর্মকর্তা ইগনাসিও আলোনসো প্রথম এই ধারণাটি উপস্থাপন করেছিলেন। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, সভার শেষ পর্যায়ে ‘অন্যান্য বিষয়’ আলোচনার সময় আলোনসো প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছিলেন। এর পরে ওই বছরের নভেম্বরে কনমেবল-এর প্রেসিডেন্ট এবং ফিফার ভাইস-প্রেসিডেন্ট আলেহান্দ্রো ডোমিনগুয়েজ ২০৩০ সালের টুর্নামেন্টটিকে ৬৪ দলের আসর হিসেবে আয়োজনের বিষয়টিকে তার ‘স্বপ্ন’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের সম্প্রসারণ ‘বিশ্বকে অন্তত একবারের জন্য হলেও ঐক্যবদ্ধ করবে’। ২০৩০ সালের টুর্নামেন্টের ম্যাচ আয়োজনের ফলে দক্ষিণ আমেরিকা অন্তত ২০৪২ সাল পর্যন্ত আর বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ পাবে না, কারণ ফিফার নিয়ম অনুসারে, কোনো মহাদেশ প্রতি তিনটি আসরের মধ্যে কেবল একবার বিশ্বকাপ আয়োজন করতে পারে। এর অর্থ হলো, ৬৪ বছরের দীর্ঘ সময়ে দক্ষিণ আমেরিকা মাত্র একটি বিশ্বকাপের (২০১৪ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত আসর) প্রধান আয়োজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। টুর্নামেন্টের বিস্তারের ফলে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা এবং প্যারাগুয়ে প্রতিটি দেশই হয়তো কেবল একটি করে ম্যাচের পরিবর্তে একটি করে পূর্ণাঙ্গ গ্রুপের ম্যাচ আয়োজনের সুযোগ পাবেন। সম্প্রসারণের বিপক্ষে রয়েছে কয়েকটি নিবন্ধিত বিষয়ের কথা, যেমন, ফিফার আওতাধীন ২১০টি পুরুষ আন্তর্জাতিক দলের মধ্যে এক-চতুর্থাংশের বেশি দল ৬৪ দলের টুর্নামেন্টে অংশ নেবে, যা অনেক আঞ্চলিক বাছাইপর্বের প্রক্রিয়াকে অর্থহীন করার ঝুঁকি দাঁড় করাবে। ৪৮ দলের চূড়ান্ত পর্বের জন্য কনমেবল-এর ১০টি দেশের মধ্যে ৬টি দেশ ইতোমধ্যে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। আর প্লে-অফের মাধ্যমে আরও একটি দলের সুযোগ পাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। গত এপ্রিলে উয়েফা সভাপতি আলেকজান্ডার সেফেরিন এই প্রস্তাবটিকে ‘বাজে ধারণা’ বলে নাকচ করে দেন, তিনি বলেছিলেন, এটি টুর্নামেন্ট এবং ইউরোপের বাছাইপর্বের জন্য ক্ষতিকর হবে। উত্তর আমেরিকার সংস্থা কনকাকাফ-এর সভাপতি ভিক্টর মন্ট্যাগলিয়ানিও একই মত পোষণ করেন এবং বলেছেন, এটি ‘খুব একটা ভালো ধারণা নয়’। উল্লেখ্য, ২০৩০ সালে তিনটি মহাদেশের ছয়টি দেশে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা এবং প্যারাগুয়েতে একটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। বাকি সব ম্যাচ মরক্কো, পর্তুগাল এবং স্পেনে অনুষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদারের সিদ্ধান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২২ পি.এম


স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদারের সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় আগামী স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় ইউনিটগুলোকে সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তাছাড়া এ বিষয়ে যথাসম্ভব দ্রুত জাতীয় কার্যকরী কমিটির সভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেওয়া হয়েছে দায়িত্ব।

গতকাল শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিএনপি চেয়ারম‌্যানের গুলশান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস (ভার্চুয়ালি), গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

স্থায়ী কমিটির সভায় দলীয় কার্যক্রমকে আরও সক্রিয় করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই বিষয়ে অঙ্গ সংগঠনসহ বিএনপির মূল দলের সকল ইউনিটকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

সভার মধ্যে বিএনপি সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। এসময় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিন, মন্দিরের পুরোহিত, চার্চের ফাদার ও বৌদ্ধ মন্দিরের সেবায়েতদের ভাতা প্রদানের কর্মসূচি সহ বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভায় সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সঙ্গে সম্পাদিত বিভিন্ন চুক্তি সম্পর্কে সদস্যদের অবহিত করা হয়। এছাড়াও পারস্পরিক উন্নয়ন ও সহযোগিতা বৃদ্ধিতে এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় দেশ দুটির অংশগ্রহণের প্রশংসা করা হয়। সভায় অভিমত প্রকাশ করা হয় যে, সফরের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। এসময় সফল সফরের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

এ সময় দলের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়। ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করা হয় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইশতেহারে বর্ণিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

সভায় বিরোধী দল কর্তৃক জুলাই সনদ ও গণভোট প্রসঙ্গে জনগণকে বিভ্রান্ত করার প্রচেষ্টার নিন্দা জানানো হয়। এই বিষয়ে বিএনপির দলীয় অবস্থান জনগণের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরার প্রক্রিয়া আরও বেগবান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভায় ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আলোচনা হয়। এ সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুতের জন্য স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে অনুরোধ জানানো হয়।

সভায় সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির পর পুনরায় সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দুই দেশকে যুদ্ধ বন্ধ করে আলোচনার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে এ যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য দেশের অর্থনীতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে সভায় মত প্রকাশ করা হয়।

এ ছাড়াও সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়াকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের একটি বড় সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা ব্যক্ত করা হচ্ছে।

সভায় দেশে মাদকের ব্যাপক বিস্তারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এ বিষয়ে আরও ইতিবাচক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সভায় দলের সাবেক কোষাধ্যক্ষ, মুন্সিগঞ্জ থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক চিফ হুইপ ও সাবেক মন্ত্রী হারুন-অর-রশীদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়। তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।

এছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সাবেক মেয়র মির্জা আব্বাস এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খানের শারীরিক অসুস্থতায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। তাঁদের দ্রুত রোগমুক্তি কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুন্সীগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পেল ৮৪২ শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৩ পি.এম


মুন্সীগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পেল ৮৪২ শিক্ষার্থী

মুন্সীগঞ্জে ২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। এবারের ফলাফলে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলিয়ে জেলায় মোট ৮৪২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩৬১ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৪৮১ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা ভিত্তিক ফলাফলে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় সর্বোচ্চ ২৭৫ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ১১৫ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ১৬০ জন শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি সিরাজদিখান উপজেলায় ১৩৯ জন (ট্যালেন্টপুলে ৬৪ জন, সাধারণ গ্রেডে ৭৫ জন), শ্রীনগরে ১৩৩ জন (ট্যালেন্টপুলে ৫৫ জন, সাধারণ গ্রেডে ৭৮ জন), টঙ্গিবাড়ীতে ১০৬ জন (ট্যালেন্টপুলে ৪৬ জন, সাধারণ গ্রেডে ৬০ জন), লৌহজংয়ে ৯৮ জন (ট্যালেন্টপুলে ৪৪ জন, সাধারণ গ্রেডে ৫৪ জন) এবং গজারিয়ায় ৯১ জন (ট্যালেন্টপুলে ৩৭ জন, সাধারণ গ্রেডে ৫৪ জন) শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে।

এদিকে জেলার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ইয়াজউদ্দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখা গেছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে অংশ নেওয়া ১৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ জনই বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে ৫ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ১০ জন সাধারণ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। এই ফলাফলের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে জেলায় শীর্ষস্থান অর্জন করেছে।

ফলাফল প্রকাশের পর অভিভাবক, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। তারা শিক্ষার্থীদের এই সাফল্য ধরে রাখতে নিয়মিত অধ্যবসায়, মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রম এবং সবার সম্মিলিত সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাটোরে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ভাঙচুর, চিকিৎসককে মারধর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


নাটোরে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ভাঙচুর, চিকিৎসককে মারধর

নাটোরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসক ও নার্সদের অবহেলার কারণে নবজাতকের মৃত্যুতে অসন্তুষ্ট স্বজন ও জনতা হামলা চালিয়ে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহাবুজ্জামানকে আক্রমণ করে। হামলার সময় হাসপাতালে অবস্থিত গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, মৃত সন্তানটি জন্ম দিয়েছেন রুমা খাতুন। অন্যদিকে, শিশুটির পরিবারের দাবি, তারা জীবিত শিশুর জন্ম দিয়েছেন।

নবজাতকের মৃত্যুর কারণে চিকিৎসকের অবহেলার অভিযোগে নাটোর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে আক্রমণের শিকার হন ডা. শাহাবুজ্জামান। পরে পুলিশ এসে তাকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেয়। এ সময় বিক্ষুদ্ধ জনতারা হাসপাতালের গ্লাস ভাঙচুর করে।

সদর উপজেলার আগদিঘা গ্রামের রিকশা চালক বাবু হোসেন তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রুমা খাতুনকে নিয়ে শনিবার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে আসেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। রোববার প্রসূতির পুনরায় ব্যথা শুরু হলে সকালে আবার কল্যাণ কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর রুমা খাতুন ছেলে সন্তান জন্ম দেন।

নবজাতকের জন্মের পর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের চিকিৎসকেরা শিশুটিকে সদর হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। কিন্তু অক্সিজেন ছাড়াই শিশুটিকে সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে শিশুটি মারা যায়। এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন পরিবার।

নবজাতকের বাবা বাবু হোসেন জানান, অক্সিজেন ছাড়াই তার সন্তানকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। নবজাতকের মা রুমা খাতুন জানায়, সকাল ৯টার দিকে তারা হাসপাতালে এসেছিলেন কিন্তু ডাক্তাররা হাসপাতালে ছিলেন না। ১০টার পরে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নরমাল ডেলিভারি করানো হয়। তার সন্তান সেসময় শ্বাস নিচ্ছিল।

নাটোর জেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহাবুজ্জামান বলেন, নবজাতক পেটের ভিতরে উল্টো অবস্থায় থাকায় মৃত অবস্থায় জন্ম নেয়।

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনছুর রহমান জানান, এই ঘটনায় নবজাতকের বাবা বাবু হোসেন নাটোর সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যা মোকাবিলায় ১৬১টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের মালামাল নিরাপদ স্থানে সরানোর নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


বন্যা মোকাবিলায় ১৬১টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের মালামাল নিরাপদ স্থানে সরানোর নির্দেশ

 দেশের চলমান বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার আশঙ্কার কারণে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ১৬১টি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদ রক্ষা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ সতর্কতামূলক নির্দেশনা জারি করেছে।

আজ রোববার অধিদপ্তরের ভোকেশনাল-১ শাখার এক আদেশে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশে টানা বৃষ্টির কারণে এবং উজানে ভারতের ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয়ের বিভিন্ন পয়েন্টে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল, সিলেট বিভাগ, ময়মনসিংহ, রংপুর, ফেনী ও নোয়াখালীর নদ-নদীতে পানি দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে, ফলে নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হচ্ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য বলছে, দেশের বেশিরভাগ নদ-নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপদসীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে এবং পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিধসের সম্ভাবনাও রয়েছে।

এই আকস্মিক দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ৪টি জরুরি নির্দেশনা অবিলম্বে প্রতিপালন করতে করা হয়েছে অধ্যক্ষদের প্রতি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বন্যার পানি প্রবেশের আশঙ্কাকে মাথায় রেখে ল্যাবরেটরির মূল্যবান বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি যন্ত্রপাতি, কম্পিউটার, লাইব্রেরির বই, ছাত্র-ছাত্রীদের আসবাবপত্র এবং অফিসের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র দ্রুততার সঙ্গে ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা আবশ্যক।

দুর্যোগকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জরুরি প্রয়োজন বা চিকিৎসাজনিত কারণ ছাড়া অন্য কোনো প্রকারের ঐচ্ছিক ছুটি প্রদান করা যাবে না। সমস্ত সংশ্লিষ্টদের সার্বক্ষণিকভাবে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে স্থানীয়ভাবে একটি 'জরুরি দুর্যোগ মোকাবিলা সেল' গঠন করে সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কোনো জরুরি অবস্থার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিভাগীয় আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়কে অবহিত করতে হবে।

নির্দেশনায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী বন্যা উপদ্রুত এলাকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে সাময়িকভাবে স্থানীয় জনগণের জন্য নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%