ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইউক্রেন ও রাশিয়ায় পৃথক হামলায় নিহত ৭


ইউক্রেন ও রাশিয়ায় পৃথক হামলায় নিহত ৭

 বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের পাভলোগ্রাদ শহরে রাশিয়ার হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ইউক্রেনের পাল্টা হামলায় রাশিয়া ও রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়াতে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একটি তিন বছর বয়সী শিশু রয়েছে।

এ খবর জানায় কিয়েভ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি।

চার বছরের বেশি সময় ধরে যে যুদ্ধে চলছে, সেই যুদ্ধে চলতি গ্রীষ্মে বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে গেছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, ২০২২ সালে রাশিয়ার হামলার প্রথম বছরের পর গত মাসটি ছিল সবচেয়ে বেশি প্রাণঘাতী।

আরও পড়ুন: শেরপুরে মানবপাচার মামলার প্রধান আসামি লাভলু মিয়া গ্রেফতার

এখনো যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক আলোচনা অচলাবস্থায় রয়েছে।

ইউক্রেনের দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের গভর্নর ওলেক্সান্দর গানঝা বলেন, ‘তিনজন নিহত হয়েছেন।’ তিনি পরে জানান, ‘১৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একটি দুই বছর বয়সী মেয়েশিশুও রয়েছে।’ গানঝা বলেন, সব আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পূর্ব-মধ্যাঞ্চলীয় শহর পাভলোগ্রাদের যুদ্ধ-পূর্ব জনগণের সংখ্যা ছিল প্রায় এক লাখ। এই শহরটি যুদ্ধের সময় ধরে রাশিয়ার হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রাশিয়ায় কর্মকর্তারা জানান, ভোরোনেজ শহরের উপকণ্ঠে একটি ইউক্রেনের ড্রোন একটি বাড়িতে আঘাত হেনে আগুন ধরিয়ে দিলে মোট তিন বছর বয়সী এক শিশুপুত্র নিহত হয়।

আরও পড়ুন: মার্কিন নাগরিকদের ৬৯ শতাংশ ট্রাম্পের প্রতি অসন্তুষ্ট

মস্কো থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত ভোরোনেজে ইউক্রেন নিয়মিত ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। পাল্টা হামলার অংশ হিসেবে কিয়েভ রাশিয়ার অভ্যন্তরে আরও গভীরে আঘাত হানছে।

আঞ্চলিক গভর্নর আলেক্সান্ডার গুসেভ জানান, শিশুটির বাবা-মা ‘বিভিন্ন ধরণের আঘাত’ পেয়েছেন।

এদিকে ক্রেমলিন-নিযুক্ত কর্মকর্তারা জানায়, রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের হামলায় রাতের বেলায় দুইজন নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, আরও একজন নিহত হয়েছেন রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলে ইউক্রেনের একটি ড্রোন হামলায়। ইউক্রেন সীমান্তের এ অঞ্চলে হামলার ঘটনা প্রায় ঘটে।

আরও পড়ুন: নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১০, আহত ১৫

ক্রেমলিন পূর্ব ইউক্রেনের পুরো অঞ্চল দখলের সর্বোচ্চ দাবির অবস্থান থেকে সরে আসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে সংঘাত নিরসনের আলোচনা স্থবির হয়ে আছে।

জাতিসংঘ বুধবার জানিয়ে দেয়, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা ৩৭ শতাংশ বেড়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকৃবির ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী সপ্তাহে একদিনও ফল খায় না: জরিপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাকৃবি প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪১ পি.এম


বাকৃবির ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী সপ্তাহে একদিনও ফল খায় না: জরিপ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) প্রতি পাঁচজন শিক্ষার্থীর একজন সপ্তাহে একদিনও ফল খাওয়ার সুযোগ পায় না। যারা ফল খায়, তাদের বেশির ভাগই কলা ও মৌসুমি ফলের ওপর নির্ভরশীল। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ১৮৬ জন শিক্ষার্থীর ওপর পরিচালিত এক জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে বাকৃবি শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত ‘শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের খামারগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার এসব তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, জরিপে অংশ নেওয়া ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী সপ্তাহে একদিনও ফল খাওয়ার সুযোগ পায় না। ফল গ্রহণের ক্ষেত্রে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ তুলনামূলক বেশি হলেও অধিকাংশ শিক্ষার্থী পুষ্টিকর ফলের পরিবর্তে কলা ও মৌসুমি ফলের ওপর নির্ভরশীল।

অধ্যাপক আসাদুজ্জামান সরকার বলেন, শিক্ষার্থীদের খাদ্যাভ্যাসে আরও উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। মাত্র ৩৬ দশমিক ৭ শতাংশ শিক্ষার্থী সপ্তাহের সাত দিন নিয়মিত সকালের নাস্তা করে। প্রায় ৯ শতাংশ শিক্ষার্থী নিয়মিত দুপুরের খাবার এবং প্রায় ১৫ শতাংশ শিক্ষার্থী নিয়মিত রাতের খাবারও গ্রহণ করে না। দুপুরের খাবারে অনেক শিক্ষার্থীর কোনো প্রাণিজ প্রোটিন থাকে না; তারা মূলত ডাল, ভর্তা ও সবজি দিয়েই খাবার সম্পন্ন করে।

তিনি আরও বলেন, ৫৩ দশমিক ৮ শতাংশ শিক্ষার্থী সপ্তাহে মাত্র ১ থেকে ৫টি ডিম খায়, যা প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদার তুলনায় অনেক কম। মাত্র ১ দশমিক ৯ শতাংশ শিক্ষার্থী নিয়মিত দুধ পান করে, অথচ ৪১ দশমিক ৯ শতাংশ শিক্ষার্থী একেবারেই দুধ পান করে না। বিপরীতে কোমল পানীয় গ্রহণের প্রবণতা তুলনামূলক বেশি।

জরিপের তথ্য অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী মাসে গড়ে ৪ হাজার ১০০ টাকা খাদ্যের পেছনে ব্যয় করে। এই ব্যয় নির্বাহ করতে অনেক শিক্ষার্থীকে টিউশনি বা খণ্ডকালীন কাজের ওপর নির্ভর করতে হয়। শিক্ষার্থীদের গড় ওজন ৬৩ দশমিক ৩ কেজি এবং ৬৪ শতাংশের বিএমআই স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকলেও ছাত্রীদের মধ্যে কম ওজনের প্রবণতা বেশি। অন্যদিকে প্রায় ৩ শতাংশ শিক্ষার্থীর মধ্যে স্থূলতার লক্ষণ পাওয়া গেছে।

সমাধানের বিষয়ে অধ্যাপক আসাদুজ্জামান সরকার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব খামারগুলোকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো প্রয়োজন। জরিপে অংশ নেওয়া ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী ভর্তুকি মূল্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের খামার থেকে দুধ, ডিম, মাংস ও ফল কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এছাড়া ৮৪ দশমিক ৫ শতাংশ শিক্ষার্থী খামারে ইন্টার্ন বা কর্মী হিসেবে কাজ করার বিনিময়ে পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের আগ্রহ দেখিয়েছে।

তিনি বলেন, আবাসিক হলের খাবারে বৈচিত্র্য আনা, নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের খামারগুলোর উৎপাদক পণ্য শিক্ষার্থীদের জন্য সহজলভ্য করা গেলে তাদের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিকভাবে আরও সুস্থ থাকবে, পড়াশোনায় অধিক মনোযোগী হবে এবং ভবিষ্যতে দক্ষ, সুস্থ ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে।

কর্মশালায় প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক।

বাকৃবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদারের সভাপতিত্বে এবং অধ্যাপক ড. জাভিদুল হক ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় আয়োজিত কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

প্রধান পৃষ্ঠপোষকের বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, বর্তমান আর্থসামাজিক বাস্তবতায় শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এ লক্ষ্য অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব খামারগুলোর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, সমন্বিত ব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতার দরকার। একই সঙ্গে মূল প্রবন্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন সুপারিশ বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামালপুরে র‍্যাবের অভিযানে ৫৮ বোতল বিদেশী মদসহ মাদককারবারি গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদুর রহমান, জামালপুর প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৩ পি.এম


জামালপুরে র‍্যাবের অভিযানে ৫৮ বোতল বিদেশী মদসহ মাদককারবারি গ্রেফতার

মাদক বিরোধী অভিযানে ৫৮ বোতল বিদেশী মদসহ মাদককারবারি মোঃ মেহেদী হাসান মারুফ (২৬) নামক যুবককে জামালপুর র‍্যাব-১৪ গ্রেফতার করেছে। তিনি শেরপুরের চক পাঠক এলাকার ফকির মাহমুদ এর পুত্র। এই যুবকের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পর জামালপুর সদর থানায় তাকে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাত সাড়ে আটটায় র‍্যাবের কোম্পানি কমান্ডার মেজর লাবিদ আহমেদ এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে র‍্যাব-১৪ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস অপরাধের রহস্য উদ্ধারসহ হত্যা, জঙ্গি, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের 'জিরো টলারেন্স' নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে জামালপুর র‍্যাব একাধিক সফল মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে। মেজর লাবিদ আহমেদ আরো জানান, জামালপুর র‍্যাব এর একটি অভিযানিক দল গোপন সংবাদ ও তথ্যপ্রযুক্তির ভিত্তিতে বুধবার দুপুর ১২ টা ৪৫ মিনিটে জামালপুর সদরের ডাকপাড়া চৌরাস্তার মোড়ে শেরপুর-জামালপুর গামী পাকা রাস্তায় চেকপোস্ট চলাকালীন অবস্থায় অটো রিকশা তল্লাশি করে মাদককারবারি মোঃ মেহেদী হাসান মারুফ(২৬) কে আটক করে। স্থানীয় এলাকা বাসীর উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদে মারুফ তার হেফাজতে বিদেশী মদ থাকার কথা স্বীকার করে। তার দেওয়া তথ্য ও নির্দেশনায় তার হেফাজতে থাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিকশার সিটের নিচে বিশেষ কায়দায় রক্ষিত ৫৮ (আটান্ন) বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ১টি মোবাইল ফোন ও বহন করার জন্য ব্যবহৃত ব্যাটারি চালিত অটো রিকশা জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত কারবারিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রয় করে আসছিলেন। মাদকের বিরুদ্ধে র‍্যাবের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত কারবারিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জামালপুর সদর থানায় আলামতসহ হস্তান্তর করা হয়েছে। জামালপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: নাজমুস সাকিব জানিয়েছেন, আসামীকে বৃহস্পতিবার সকালে জামালপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনজীবীর মাথা ফাটানোর ঘটনায় বিচারক সুজন মিয়াকে মন্ত্রণালয়ে বদলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


আইনজীবীর মাথা ফাটানোর ঘটনায় বিচারক সুজন মিয়াকে মন্ত্রণালয়ে বদলি

গোপালগঞ্জে এজলাসে বিচারকাজ চলাকালে পেপারওয়েট ছুড়ে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীকে আহত করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুজন মিয়াকে বদলি করা হয়েছে।

তাকে গোপালগঞ্জ থেকে বদলি করে আইন মন্ত্রণালয়ে (সিভিল জজ হিসেবে) সংযুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-১ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রিজ্ঞাপনে সই করেন আইন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন-১) এ এফ এম গোলজার রহমান।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গোপালগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুজন মিয়াকে তার বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে আইন ও বিচার বিভাগের সংযুক্ত কর্মকর্তা (সিভিল জজ) হিসেবে পদায়ন করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে তাকে অবিলম্বে বর্তমান পদের দায়িত্বভার অর্পণ করে বদলি করা নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গোপালগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এ বিচারকার্য চলাকালে হট্টগোল হয়ে ওঠে। শুনানি চলাকালে একাধিকবার সতর্ক করার পরও পেছনের দিকে শোরগোল চলতে থাকলে বিচারক সুজন মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এক পর্যায়ে তিনি এজলাসের ডায়াস থেকে ভারী একটি কাচের পেপারওয়েট ছুড়ে মারেন।

সেই পেপারওয়েটটি সরাসরি গিয়ে আঘাত করে আদালতে উপস্থিত শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথায়।

এতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম এম জুলকদর রহমানের অধীনে কর্মরত সাবিহা সুলতানা রক্তাক্ত ও গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এই ঘটনা জানাজানি হতেই গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁরা বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহার ও শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে আহত করার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার সকালে মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত ভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। আইনজীবীরা বিচারক সুজন মিয়ার অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসএসসির ফল প্রকাশ নিয়ে সবশেষ যা জানা গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


এসএসসির ফল প্রকাশ নিয়ে সবশেষ যা জানা গেল

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের প্রস্তুতি বর্তমানে প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ২৭ অথবা ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রস্তুত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আকতারুজ্জামান গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি আরও জানান, ফল তৈরির কাজ বর্তমানে পুরোদমে চলছে এবং সঠিকভাবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তা মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হবে। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশের সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হবে।

সাধারণত, লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের বিধান রয়েছে। এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২১ এপ্রিল। এর মাঝে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। অন্যদিকে, দাখিল এবং এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন হয় ২৪ মে।

চলতি বছর, এই বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা বোর্ডে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%