বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৭:২২ পি.এম
নেত্রকোনা সদর উপজেলার একটি বাসা থেকে আকাশ (২৮) নামের এক যুবকের মরদেহ পেয়ে গেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে পৌর শহরের কুড়পাড় পুলিশ লাইনস-সংলগ্ন এলাকার একটি বাসা থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত যুবক আকাশ আটপাড়া উপজেলার স্বরমুশিয়া ইউনিয়নের দেশীউড়া গ্রামের মৃত সোহরাব মিয়ার ছেলে। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিক্রয়কর্মী হিসেবে চাকরি করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, আকাশ বাবা-মা মারা যাওয়ার পর পরিবারের একমাত্র সন্তান হিসেবে চাচাতো ভাই মাহবুবুল আলমের বাসার একটি বিচ্ছিন্ন কক্ষে একাই বসবাস করতেন। বুধবার মাহবুবুল আলমের শাশুড়ি মারা যাওয়ায় তিনি পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে সিলেটে চলে যান।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে আকাশের সঙ্গে স্বজনদের সর্বশেষ কথা হয় মোবাইল ফোনে।
বুধবার থেকে এই স্বজনরা একাধিকবার তাঁর মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন, কিন্তু কোনো সাড়া পাননি। এরপর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ফোন বন্ধ থাকায় তারা চিন্তিত হয়ে পড়েন। পরে, স্থানীয় ও প্রতিবেশীরা ওই বাসার দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে।
দীর্ঘ সময় ডাকাডাকি করার পরও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে তারা আকাশকে গলায় বৈদ্যুতিক তার পেঁচানো অবস্থায় মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
খবর পেয়ে নেত্রকোনা মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানিয়েছেন, প্রাথমিক সুরতহাল শেষে মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশ -এর উদ্যোগে বাস্তবায়িত 'রিয়েক্টস-ইন' প্রজেক্টের আওতায় 'জিংক গম ও জিংক ধান' শীর্ষক একটি স্কুল সেনসিটাইজেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই প্রোগ্রামটি বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ইএসডিও'র আয়োজন ও পরিচালনায় পীরগঞ্জ উপজেলার ভোমরাদহ ইউনিয়নের উজ্জ্বল কোঠা উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
শতাধিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইএসডিও রিয়েক্টস- ইন প্রজেক্টের প্রকল্প ফোকাল কৃষিবিদ মোঃ আশরাফুল আলম তাঁর বক্তব্যে মানবদেহে জিংকের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরেন এবং কীভাবে জিংকের অভাব পূরণ করা যায় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, জিংক সমৃদ্ধ ব্রিধান১০২, ব্রিধান১০০, ব্রিধান৮৪ এবং ব্রিধান৭৪ এর ভূমিকা সম্পর্কে। পরে উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের প্রতি জিংক সমৃদ্ধ চালের ভাত খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং অনুষ্ঠানে আলোচিত বার্তাগুলি তাদের নিজ নিজ পরিবার, প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবীদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করেন।
এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উজ্জ্বল কোঠা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ নুর ইনসান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষিকাগণ, ইএসডিও রিয়েক্টস- ইন প্রজেক্টের প্রকল্প অফিসার মোঃ আবু তালহা শিশির এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সর্বসাধারণকে আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন তারা বিধিমালার বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা ও নির্দেশনা মেনে চলেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শব্দদূষণ মানবস্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এজন্য বিধিমালায় এলাকা ভেদে শব্দের সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বানিজ্যিক এলাকায় সর্বোচ্চ ৫০ ডেসিবেল এবং মিশ্র এলাকায় সর্বোচ্চ ৭৫ ডেসিবেল শব্দমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে আবার বলা হয়েছে, কোনো উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী যন্ত্র বা কর্মকাণ্ডে যে শব্দমাত্রা বিধিমালায় নির্ধারিত হয়েছে, সেই শব্দমাত্রা অতিক্রম করা যাবে না। উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী যন্ত্র অথবা কর্মকাণ্ডে কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া উচ্চ শব্দ ব্যবহারের অনুমতি নেই। অনুমতি পাওয়া গেলেও শব্দমাত্রা ৯০ ডেসিবেলের বেশি এবং সময়সীমা ৫ ঘণ্টার বেশি হতে পারবে না।
নির্ধারিত শব্দমাত্রা অতিক্রমকারী যেকোনো ধরনের হর্ন উৎপাদন, আমদানি, মজুত, বিক্রয়, বিতরণ, বাজারজাতকরণ, পরিবহন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ। পাশাপাশি পটকা, আতশবাজি এবং শব্দদূষণ সৃষ্টি করে এমন যেকোনো কার্যক্রম নিষিদ্ধ।
আবাসিক এলাকায় রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত হর্ন বাজানোর অনুমতি নেই। প্রাকৃতিক বনাঞ্চল এবং বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলে বেলুন ফোটানো এবং উচ্চ শব্দ সৃষ্টি করে এমন যন্ত্রাংশের ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
আবাসিক এলাকার শেষ সীমা থেকে ৫০০ মিটার দূরত্বে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত নির্মাণকাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি পরিচালনা করা যাবে না।
ট্রাফিক সার্জেন্ট বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সামনে শব্দদূষণের ঘটনা ঘটলে তারা সেই ঘটনার স্থানে শাস্তি দিতে পারবেন। পরিবেশ অধিদপ্তর জানাচ্ছে, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় everyone সফলভাবে বিধিমালার নির্দেশনা মেনে চলার চেষ্টা করতে হবে। সাম্প্রতিক সময়ে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে দেশের মধ্যে সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানগুলো আরও জোরদার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের সেলিম বাজার ও কালাদুর এলাকায় মেঘনা নদীর ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিং প্রকল্প নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরের দিকে নদীর তীরে আয়োজিত মানববন্ধনে হাজারো মানুষ অংশগ্রহণ করে। তারা অভিযোগ করেন, বরাদ্দ দেওয়ার পরও দীর্ঘ সময় ধরে কাজ শুরু হয়নি। পরে যথাযথ নকশা অনুসরণ না করে জিও ব্যাগ ফেলার চেষ্টা করা হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে এলাকাবাসী অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন।
মানববন্ধনে দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করার, প্রকল্পের অনিয়ম তদন্তের এবং ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়। একই সাথে পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপি'র যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বক্তারা বলেন, গত ১৭ মে পানিসম্পদমন্ত্রী ও এমপি শাহজাহান এই এলাকায় পরিদর্শন করে জিও ব্যাগ বরাদ্দ দেন। তারপরও মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙনে সেলিম বাজারের দক্ষিণ পাশের বিস্তীর্ণ এলাকা বিলীন হওয়ার ঝুঁকির মুখে রয়েছে। ভাঙন রোধে বরাদ্দ দেওয়ার পরও কাজ বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বহু বসতভিটা, কৃষিজমি, গাছপালা ও স্থানীয় অবকাঠামো ভাঙনের শিকার হয়েছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে নির্ধারিত জরুরি কাজ সঠিকভাবে ও যথাসময়ে বাস্তবায়ন না হওয়ায় নদীকূলে দাঁড়িয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। অন্যদিকে, সঠিক নিয়ম অনুসরণ না করে করা কাজ গ্রহণযোগ্য হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য এলাকা পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর কাজ শুরু হতে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলে ইতিমধ্যে আরও প্রায় দেড় থেকে দুই কিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে হাজার হাজার একর ফসলি জমি, বসতবাড়ি ও সেলিম বাজারের চরম ভাঙন ঝুঁকিতে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রে জানা গেছে, পূর্ণচর উপজেলার পূর্ব চর বাটা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সেলিম বাজার ও সৈয়দপুর এলাকার নদী ভাঙন রোধে ৪০০ মিটার করে মোট ৮০০ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলার কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোস্তফা অ্যান্ড সন্স। প্রতিষ্ঠানটির মালিক জেলা বিএনপি'র সাবেক সহ-সভাপতি শহীদুল ইসলাম কিরণ। তিনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির মালিক হলেও তার লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ দুটি করছেন জেলা বিএনপি'র অন্য দুই নেতা। তাদের পক্ষে কাজ পরিচালনা করছেন একই দলের সদস্য মো. ফরহাদ।
সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটিকে ঠিকাদারি কাজের কার্যাদেশ দেওয়া হলেও নকশা সরবরাহ করা হয়নি। এর মধ্যেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন পানি উন্নয়ন বোর্ডকে না জানিয়ে নিজেদের মত করে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ জানান এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করেন। সরেজমিনে গিয়ে তাদের অনিয়ম প্রমাণ পাওয়ার পর কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হবে।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মো. ফরহাদ জিও ব্যাগ ফেলার কাজে ত্রুটির বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেন এবং বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের আগ্রহের প্রেক্ষিতে তারা কাজটি শুরু করেছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা তাদের কাজ বুঝিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু তাদের মূল নকশা তো দেওয়া হয়নি। এখন বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক উঠার পর তারা কাজ বন্ধ রেখেছেন। সমস্যা প্রকল্প স্থলে পল্টুন এনে কাজ শুরু করা হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রেফাত জামিল বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজন প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী নকশা ছাড়াই তাদের খেয়ালখুশি জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করে দেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মাধ্যমে তারা বিষয়টি জানার পর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজনকে কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। শিগগিরই প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী সেখানে নতুন করে কাজ শুরু হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনী, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ বিভিন্ন মালামালসহ মাদক উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে জেলার পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনইয়ায় অভিযানের মাধ্যমে এসব মালামাল ও মাদক উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে জেলার পরশুরাম, ছাগলনাইয়া ও ফুলগাজী সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ৯০ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় গাঁজা, চশমা, শাড়ি, থ্রী পিস, ওষুধ, কসমেটিকস, চকলেট ও বিস্কুট উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে ৪ বিজিবি ফেনী ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, ‘সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় বজায় রাখা, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে অভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং যে কোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান বজায় রাখতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ