বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৭:২৬ পি.এম
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সর্বসাধারণকে আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন তারা বিধিমালার বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা ও নির্দেশনা মেনে চলেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শব্দদূষণ মানবস্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এজন্য বিধিমালায় এলাকা ভেদে শব্দের সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বানিজ্যিক এলাকায় সর্বোচ্চ ৫০ ডেসিবেল এবং মিশ্র এলাকায় সর্বোচ্চ ৭৫ ডেসিবেল শব্দমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে আবার বলা হয়েছে, কোনো উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী যন্ত্র বা কর্মকাণ্ডে যে শব্দমাত্রা বিধিমালায় নির্ধারিত হয়েছে, সেই শব্দমাত্রা অতিক্রম করা যাবে না। উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী যন্ত্র অথবা কর্মকাণ্ডে কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া উচ্চ শব্দ ব্যবহারের অনুমতি নেই। অনুমতি পাওয়া গেলেও শব্দমাত্রা ৯০ ডেসিবেলের বেশি এবং সময়সীমা ৫ ঘণ্টার বেশি হতে পারবে না।
নির্ধারিত শব্দমাত্রা অতিক্রমকারী যেকোনো ধরনের হর্ন উৎপাদন, আমদানি, মজুত, বিক্রয়, বিতরণ, বাজারজাতকরণ, পরিবহন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ। পাশাপাশি পটকা, আতশবাজি এবং শব্দদূষণ সৃষ্টি করে এমন যেকোনো কার্যক্রম নিষিদ্ধ।
আবাসিক এলাকায় রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত হর্ন বাজানোর অনুমতি নেই। প্রাকৃতিক বনাঞ্চল এবং বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলে বেলুন ফোটানো এবং উচ্চ শব্দ সৃষ্টি করে এমন যন্ত্রাংশের ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
আবাসিক এলাকার শেষ সীমা থেকে ৫০০ মিটার দূরত্বে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত নির্মাণকাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি পরিচালনা করা যাবে না।
ট্রাফিক সার্জেন্ট বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সামনে শব্দদূষণের ঘটনা ঘটলে তারা সেই ঘটনার স্থানে শাস্তি দিতে পারবেন। পরিবেশ অধিদপ্তর জানাচ্ছে, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় everyone সফলভাবে বিধিমালার নির্দেশনা মেনে চলার চেষ্টা করতে হবে। সাম্প্রতিক সময়ে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে দেশের মধ্যে সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানগুলো আরও জোরদার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের সেলিম বাজার ও কালাদুর এলাকায় মেঘনা নদীর ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিং প্রকল্প নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরের দিকে নদীর তীরে আয়োজিত মানববন্ধনে হাজারো মানুষ অংশগ্রহণ করে। তারা অভিযোগ করেন, বরাদ্দ দেওয়ার পরও দীর্ঘ সময় ধরে কাজ শুরু হয়নি। পরে যথাযথ নকশা অনুসরণ না করে জিও ব্যাগ ফেলার চেষ্টা করা হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে এলাকাবাসী অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন।
মানববন্ধনে দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করার, প্রকল্পের অনিয়ম তদন্তের এবং ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়। একই সাথে পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপি'র যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বক্তারা বলেন, গত ১৭ মে পানিসম্পদমন্ত্রী ও এমপি শাহজাহান এই এলাকায় পরিদর্শন করে জিও ব্যাগ বরাদ্দ দেন। তারপরও মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙনে সেলিম বাজারের দক্ষিণ পাশের বিস্তীর্ণ এলাকা বিলীন হওয়ার ঝুঁকির মুখে রয়েছে। ভাঙন রোধে বরাদ্দ দেওয়ার পরও কাজ বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বহু বসতভিটা, কৃষিজমি, গাছপালা ও স্থানীয় অবকাঠামো ভাঙনের শিকার হয়েছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে নির্ধারিত জরুরি কাজ সঠিকভাবে ও যথাসময়ে বাস্তবায়ন না হওয়ায় নদীকূলে দাঁড়িয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। অন্যদিকে, সঠিক নিয়ম অনুসরণ না করে করা কাজ গ্রহণযোগ্য হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য এলাকা পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর কাজ শুরু হতে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলে ইতিমধ্যে আরও প্রায় দেড় থেকে দুই কিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে হাজার হাজার একর ফসলি জমি, বসতবাড়ি ও সেলিম বাজারের চরম ভাঙন ঝুঁকিতে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রে জানা গেছে, পূর্ণচর উপজেলার পূর্ব চর বাটা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সেলিম বাজার ও সৈয়দপুর এলাকার নদী ভাঙন রোধে ৪০০ মিটার করে মোট ৮০০ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলার কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোস্তফা অ্যান্ড সন্স। প্রতিষ্ঠানটির মালিক জেলা বিএনপি'র সাবেক সহ-সভাপতি শহীদুল ইসলাম কিরণ। তিনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির মালিক হলেও তার লাইসেন্স ব্যবহার করে কাজ দুটি করছেন জেলা বিএনপি'র অন্য দুই নেতা। তাদের পক্ষে কাজ পরিচালনা করছেন একই দলের সদস্য মো. ফরহাদ।
সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটিকে ঠিকাদারি কাজের কার্যাদেশ দেওয়া হলেও নকশা সরবরাহ করা হয়নি। এর মধ্যেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন পানি উন্নয়ন বোর্ডকে না জানিয়ে নিজেদের মত করে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ জানান এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করেন। সরেজমিনে গিয়ে তাদের অনিয়ম প্রমাণ পাওয়ার পর কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হবে।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মো. ফরহাদ জিও ব্যাগ ফেলার কাজে ত্রুটির বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেন এবং বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের আগ্রহের প্রেক্ষিতে তারা কাজটি শুরু করেছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা তাদের কাজ বুঝিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু তাদের মূল নকশা তো দেওয়া হয়নি। এখন বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক উঠার পর তারা কাজ বন্ধ রেখেছেন। সমস্যা প্রকল্প স্থলে পল্টুন এনে কাজ শুরু করা হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রেফাত জামিল বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজন প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী নকশা ছাড়াই তাদের খেয়ালখুশি জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করে দেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মাধ্যমে তারা বিষয়টি জানার পর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজনকে কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। শিগগিরই প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী সেখানে নতুন করে কাজ শুরু হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনী, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ বিভিন্ন মালামালসহ মাদক উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে জেলার পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনইয়ায় অভিযানের মাধ্যমে এসব মালামাল ও মাদক উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে জেলার পরশুরাম, ছাগলনাইয়া ও ফুলগাজী সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ৯০ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় গাঁজা, চশমা, শাড়ি, থ্রী পিস, ওষুধ, কসমেটিকস, চকলেট ও বিস্কুট উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে ৪ বিজিবি ফেনী ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, ‘সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় বজায় রাখা, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে অভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং যে কোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান বজায় রাখতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ আগস্ট ২০২৬ : ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাইরন পোলার্ডকে টপকে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের নতুন রেকর্ড গড়েছেন ইংল্যান্ডের জশ বাটলার।
গতরাতে দা হান্ড্রেডে ওয়েলশ ফায়ারের বিপক্ষে ২০ বলে ২টি চারের পাশাপাশি ৬টি ছক্কা মারার মাধ্যমে ৫১ রানের একটি ইনিংস খেলার সময়টি টি-টোয়েন্টির সর্বোচ্চ রানের মালিক হয়ে ওঠেন ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টসের বাটলার।
বাটলার ৫২২ ম্যাচের ৪৯২ ইনিংসে ৯টি সেঞ্চুরি ও ১০৬টি হাফ-সেঞ্চুরির মাধ্যমে ১৪,৮৩৩ রান সংগ্রহ করেছেন। পোলার্ডকে টপকে যেতে বাটলারের প্রয়োজন পড়েছে মাত্র ১৭১ ইনিংস কম।
পোলার্ডের রানসংখ্যা ৭৪৬ ম্যাচের ৬৬৩ ইনিংসে ২ শতক ও ৭০ অর্ধশতকসহ ১৪,৮০৩ রানে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
রানের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইল। তিনি ৪৬৩ ম্যাচের ৪৫৫ ইনিংসে ২২টি সেঞ্চুরি ও ৮৮টি হাফ-সেঞ্চুরির মাধ্যমে ১৪,৫৬২ রান করেছেন ‘ইউনিভার্স বস’।
ক্রিস গেইল ২০১৪ সালের মার্চ থেকে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহার মালিক ছিলেন। গত জুন মাসে পোলার্ড গেইলকে টপকিয়ে সর্বোচ্চ রানের মালিক হন। কিন্তু তিনি খুব বেশিদিন এই রেকর্ডটি ধরে রাখতে পারেননি। বাটলারের কাছে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটি হাতছাড়া হল পোলার্ডের।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের অ্যালেক্স হেলস ৫২৮ ম্যাচের ৫২৩ ইনিংস ব্যাট করে ১৪,৪৪৯ রান নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছেন। তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ওপেনার ওয়ার্নার, যার রান ১৪,২৮৪ এবং তিনি ৪৩৯ ম্যাচ খেলেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় গ্রেফতার আসামি সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানের জামিন বাতিল করেছে চেম্বার আদালত।
এই মামলায় হাইকোর্টের দেয়া জামিন বাতিলের সঙ্গে সঙ্গে আদালত আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দিয়েছে। আদালত উল্লেখ করেছেন, যদি তিনি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ না করেন তবে পুলিশকে তাকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে এই জামিন বাতিলের আদেশ প্রদান করেছেন।
এর আগে, গত ২ আগস্ট হাইকোর্টের বিচারপতি জাকির আহমেদ এবং বিচারপতি সাথিকা হোসাইনের একটি বেঞ্চ শুনানি শেষে আসামি হাফিজুর রহমানের জামিনে মুক্তির আদেশ দিয়েছিলেন। এই আদেশের পর, তাঁকে গত ৪ আগস্ট সন্ধ্যায় কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
এই হত্যা মামলার প্রধান আসামি জামিনে মুক্তি পাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছিল। এর পর রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের দেয়া জামিন আদেশটি স্থগিত ও বাতিল করার জন্য আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন জানিয়েছিল। আজ সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে চেম্বার আদালত জামিন বাতিল করা ছাড়াও আসামিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশনার কথা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, তনু হত্যার দীর্ঘ ১০ বছর পর চলতি বছরের ২২ এপ্রিল রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসভবন থেকে হাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরদিন ২৩ এপ্রিল তাকে কুমিল্লার আদালতে হাজির করা হলে আদালত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে তিনি কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন।
কুমিল্লা ময়নামতী সেনানিবাস এলাকার একটি জঙ্গল থেকে ২০১৬ সালের মার্চ মাসে ভিক্টোরিয়া কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডটি সে সময় দেশজুড়ে প্রবল আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ