০৩:৫৯ পি.এম
বলিউডে শোক ও শ্রদ্ধার আবহের মধ্যে অভিনেতা নানা পাটেকরের মৃত্যুর পর অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত তাকে ‘শয়তানের মৃত্যু’ বলে কটাক্ষ করেছেন। তার এই মন্তব্য নেটদুনিয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি করেছে ভক্তদের মধ্যে।
২০০৮ সালে ‘হর্ন ওকে প্লিজ’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলেছিলেন তনুশ্রী। এই অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৮ সালে ভারতে মি-টু আন্দোলন শুরু হয়।
যখন নানা পাটেকরকে কিংবদন্তি হিসেবে স্মরণ করা হচ্ছে, তখন তনুশ্রী তার অতীতকে সামনে নিয়ে আসেন। তিনি একটি ইভেন্টে অংশ নিতে বিমানবন্দরে ছিলেন। সেখান থেকে ইনস্টাগ্রাম ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, "সংবাদমাধ্যমগুলো Evil Dead-কে নিয়ে ব্যস্ত। আমি কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেবো ভেবে পাচ্ছি না। তবে হ্যাঁ, পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইলো। কিন্তু…।"
আরও পড়ুন: এআই দিয়ে তৈরি বাংলা ওয়েব সিরিজ ‘শান্তি নিবাস’, নির্মাতার ভাবনায় যেমনটা ছিল
তনুশ্রীর মন্তব্য ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে তিনি সমালোচকদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন। তার প্রশ্ন হলো, "কেউ মারা গেলেই কি তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আর ভুক্তভোগীর যন্ত্রণা মুছে যায়?"
তনুশ্রী দাবি করেছেন, ২০০৮ সালে নানা পাটেকরের কাছে হেনস্তার শিকার হয়ে তিনি দীর্ঘদিন মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করেছেন। ২০১৯ সালে মুম্বাই পুলিশ যথেষ্ট প্রমাণের অভাবে নানা পাটেকরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়। তিনি অভিযোগ করেছেন, নানা পাটেকর তার প্রভাব খাটিয়ে এবং মূল সাক্ষীদের ভয় দেখিয়ে মামলাটি বন্ধ করিয়েছিলেন। এই কারণে আদালত তাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারেনি।
২০২০ সালের পর নানার মাধ্যমে তনুশ্রীকে হত্যার চেষ্টা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। জীবনের কঠিন সময়ের জন্য দায়ী মানুষটির প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করতে, তাই নানা পাটেকরকে ‘শয়তান’ ও ‘মহাশয়তান’ বলে আক্রমণ করেছেন তনুশ্রী দত্ত।
এদিকে, তনুশ্রীর বক্তব্যের বিরোধিতা করেছে এআইসিডব্লিউএ। সংস্থাটির সভাপতি সুরেশ শ্যামলাল গুপ্ত বলেছেন, "কারও মৃত্যুর পর তাকে ‘শয়তান’ বলে আক্রমণ করা আপত্তিকর, অসংবেদনশীল ও লজ্জাজনক।"
আরও পড়ুন: রাঘব ও রেমো ডিসুজার নতুন ছবি ‘এনি বডি ক্যান ড্রিম’ এর শুটিং শুরু
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন