প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে চারজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী মো. নাজমুল ইসলাম (৩৮)।
অভিযোগকারী নাজমুল ইসলাম উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের হাজী চাঁদ মাহমুদ খানের ছেলে। অভিযোগে একই গ্রামের মিজানুর রহমান খান (৬৫), তৌহিদুর রহমান খান (৪৫), মফিজুর রহমান খান (৩৫) ও ফয়সাল খানের (১৮) নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পাকুড়িয়া মৌজার ৪৮ শতাংশ জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানি মামলা নম্বর ৬৮/২১ বিচারাধীন রয়েছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট জমিতে উভয় পক্ষকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
নাজমুল ইসলামের অভিযোগ, আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বিবাদীরা বিরোধপূর্ণ জমিতে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করছেন। ইতোমধ্যে ভবন নির্মাণের জন্য ভিত্তি ঢালাইয়ের কাজও শেষ হয়েছে বলে দাবি তাঁর।
অভিযোগকারী জানান, বিষয়টি জানার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে বিবাদীদের আদালতের নির্দেশ মেনে চলার অনুরোধ করা হয়। তবে তাতে সমাধান না হওয়ায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। জমি নিয়ে বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান ও আইন অনুযায়ী প্রতিকার পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
অভিযোগে পাকুড়িয়া মৌজার বিএস খতিয়ান নম্বর ২২১ ও ২২৪ এবং হাল দাগ নম্বর ২৩৭ ও ২৩৮-এর ৪৮ শতাংশ জমির উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে ২৪ শতাংশ জমির ওপর নিজেদের দাবি রয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মিজানুর রহমান খান বলেন, আমাদের জায়গায় ঘর তোলা হচ্ছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সঙ্গে বিরোধ করে আসছে। জমির কাগজপত্র আমাদের অনুকূলে রয়েছে।
আলফাডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রতন কুমার মণ্ডল বলেন, আমি সরেজমিনে গিয়েছিলাম। নালিশি জমির ওপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাই উভয় পক্ষই সেখানে কোনো ধরনের কাজ করতে পারবে না। কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন