ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জীবননগরে বিজিবির অভিযানে স্বর্ণসহ চোরাকারবারি গ্রেপ্তার


জীবননগরে বিজিবির অভিযানে স্বর্ণসহ চোরাকারবারি গ্রেপ্তার

 

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালাতে গিয়ে বিজিবি প্রায় ১ কোটি ৩৯ লাখ টাকার স্বর্ণের বারসহ এক চোরাকারবারিকে আটক করেছে। রবিবার (১৪ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সকালে ঝিনাইদহের মহেশপুর ৫৮ বিজিবির অধীন জীবননগর সীমান্তের গোয়ালপাড়া গ্রামের একটি আমবাগানের পাশের কাঁচা রাস্তা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় মোটরসাইকেলে করে ভারতে যাওয়ার পথে সিকান্দার আলী (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুন: নওগাঁয়ে ঘরে মাটির নিচে ২৪৫ কেজির কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ উদ্ধার, আটক ১

তল্লাশি চালানোর সময় তার কাছ থেকে ৭৯৩ দশমিক ৬৯ গ্রাম ওজনের চারটি সম্পূর্ণ স্বর্ণের বার এবং চারটি টুকরো স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৩৯ লাখ ৪৬ হাজার টাকা।

এ ছাড়া চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

বিজিবি জানায়, আটক করা ব্যক্তিকে উদ্ধার করা মালামালসহ জীবননগর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি জব্দ করা স্বর্ণ চুয়াডাঙ্গা জেলা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন: দিনাজপুর বোর্ডের ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেটে কমেছে পর্যটন ও এভিয়েশন খাতে বরাদ্দ, সংকট বাড়ার আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০২ পি.এম


বাজেটে কমেছে পর্যটন ও এভিয়েশন খাতে বরাদ্দ, সংকট বাড়ার আশঙ্কা

প্রস্তাবিত বাজেটে এভিয়েশন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দের পরিমাণ ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৮৪ কোটি টাকা। বরাদ্দের এই পরিমাণ চলতি অর্থবছরের তুলনায় ৫৭১ কোটি টাকা কম। খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, এই বরাদ্দকে এভিয়েশন খাতের উন্নয়নের জন্য কার্যকর এবং বাস্তবসম্মত হিসেবে মনে করা হচ্ছে না। তারা বলছেন, পর্যটন ও এভিয়েশন খাত নিয়ে কার্যকর ও সুস্পষ্ট পরিকল্পনার অভাব এখানে সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে কেন্দ্র করে এখন নানা মহলে বিশ্লেষণ চলছে। যদিও বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ বেড়েছে, তবুও এভিয়েশন খাতে তা তুলনামূলকভাবে কম বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ৮ বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট বক্তব্যে জানিয়েছেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম প্রধান এভিয়েশন হাবে উন্নীত করার জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি জাতীয় এয়ার কানেক্টিভিটি গ্রিড গড়ে তোলার এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লজিস্টিকস ও যাত্রী হাবে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে এভিয়েশন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ নিয়ে খাত সংশ্লিষ্টরা প্রশ্ন তুলছেন। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট থেকে মাত্র ৫৮৪ কোটি টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৮৪ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। অথচ আগের বছরের তুলনায় মোট বরাদ্দ কমেছে ৫৭১ কোটি টাকা। ক্রমাগতভাবে এ খাতে বরাদ্দ কমায় পর্যটন শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক মো. কামরুল ইসলাম বলেছেন, যদি সরকার অবকাঠামোগত সুবিধা ও কর ব্যবস্থা নিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়, তবে বাংলাদেশের জিডিপিতে এভিয়েশন খাতের অবদান ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের (বিটিবি) সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ আহমেদ বলেছেন, লক্ষ্য নির্ধারণের অভাবের কারণে কার্যকর পরিকল্পনা তৈরি হচ্ছে না। আগামী পাঁচ বছরে ট্যুরিজম খাতকে কোথায় নিতে চায়, সে বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা না থাকলে এই খাতের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

এদিকে, এভিয়েশন খাতের উন্নয়নে আন্তঃবিমানবন্দর যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি অবকাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব না দিলে এভিয়েশন হাবের লক্ষ্য শুধুমাত্র কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব-উর-রহমান বলেছেন, পর্যটনকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে দেখার ক্ষেত্রে এখনও কিছু ঘাটতি রয়েছে। পর্যটন ব্যবস্থাপনায় আরও সুসংগঠিত উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেছেন, এভিয়েশন খাত শুধু পরিবহন নয়, এটি ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন ও কর্মসংস্থানের জন্য একটি বৃহৎ ক্ষেত্র। এয়ারলাইন্সগুলোকে টিকিয়ে রাখতে বাজেট থেকে সহায়তা প্রয়োজন।

অংশীজনদের মতে, নীরব কর্মসংস্থান তৈরি এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম এভিয়েশন খাত গড়ে তোলার জন্য এ খাতে বরাদ্দকে আরও কয়েকগুণ বৃদ্ধি করা আবশ্যক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মির্জাগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে পেটানো সেই সোহাগ গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ পি.এম


মির্জাগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে পেটানো সেই সোহাগ গ্রেফতার

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে হত্যা চেষ্টা, মারধর, শ্লীলতাহানি ও স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাইয়ের মামলায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী সোহাগ মৃধাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত মো. সোহাগ মৃধা (৩৫) মির্জাগঞ্জ উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের উত্তর ঝাটিবুনিয়া গ্রামের মৃত বেলায়েত হোসেন মৃধার ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুন বিকেলে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে উত্তর ঝাটিবুনিয়া এলাকায় নুরুল ইসলামের বাড়িতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় বাদী সারমিন সুলতানার স্বামী শাহরিয়ার আহম্মেদকে ঘর থেকে টেনে-হিঁচড়ে উঠানে এনে মারধর করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, সোহাগ মৃধা তার হাতে থাকা দা দিয়ে শাহরিয়ার আহম্মেদকে হত্যার উদ্দেশ্যে কোপ দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় বাধা দিতে গেলে সারমিন সুলতানা ও মাহিনুর বেগমও হামলার শিকার হন। অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলার সময় মাহিনুর বেগমের গলায় থাকা প্রায় এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং নারী সদস্যদের শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটে।
ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং এ ঘটনায় মির্জাগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। তাছাড়া আহত মাহিনুর বেগম দাবি করেন, তিনি চার মাসের অন্তঃসত্তা ছিলেন। তাকে মারধরের কারনে তার গর্ভপাত হয়ে গেছে। বর্তমানে তিনি বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত সোহাগ মৃধার বিরুদ্ধে মারামারি, পর্নোগ্রাফি, নারী ও শিশু নির্যাতন, চাঁদাবাজি, মাদক ও চুরিসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
তাকে মির্জাগঞ্জ থানার হত্যা চেষ্টা, মারধর, ছিনতাই ও শ্লীলতাহানির মামলাসহ একটি পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ ও নারী-শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে চিহ্নিত সন্ত্রাসী সোহগ মৃধা গ্রেপ্তারের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি দেখা দেয়। মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশকে সাধুবাদ জানিয়ে তারা বলেন, সোহাগ একজন মাদক কারবারী ও চাঁদাবাজ। সে সরকারী দলের নাম ভাঙ্গিয়ে নানা অপকর্ম করে যাচ্ছে। এতে সরকারেরও বদনাম হচ্ছে। তার সাঙ্গপাঙ্গদেরকেও দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংস্কার কাজে নিয়ম না মানার অভিযোগ পানাম সেতুতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ পি.এম


সংস্কার কাজে নিয়ম না মানার অভিযোগ পানাম সেতুতে

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অবস্থিত মুঘল আমলের ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক রীতির পানাম সেতুর সংস্কারকাজ চলমান রয়েছে। রবিবার তোলা হয়েছে। এই সেতুটির সংস্কারের উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, যা দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে ছিল। স্থানীয়দের দাবির মুখে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, সংস্কারকাজ চলাকালীন স্থাপত্যরীতির যথাযথ অনুসরণ হচ্ছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (১৪ জুন) সকালে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, কারিগররা বৃষ্টির মধ্যে চুন-সুরকির পেস্ট তৈরি করে সংস্কারকাজ করছেন। কিন্তু পুরনো ইটের পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে বর্তমান সময়ের মানহীন ইট। অথচ, পানাম সেতুতে ঐতিহাসিকভাবে মুঘল আমলের লাখোরি ইট বা বাদশাহি ইট ব্যবহার করা হয়।

সাধারণ ইটের চেয়ে পাতলা লাল রঙের এই ইট বিশেষভাবে আগুনে পুড়িয়ে তৈরি করা হয়। মানহীন ইট ব্যবহারে সেতুর ওজন বাড়াচ্ছে, যা সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা উত্পন্ন করছে।

স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক সানজিদা আক্তার জানান, মুঘলরা শাসনকাজ পরিচালনার মাধ্যমে সোনারগাঁয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তন এনেছেন। সেতুটি সেই সময় নির্মিত কয়েকটি সড়ক ও সেতুর মধ্যে অন্যতম। সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৭৩ ফুট এবং প্রস্থ ১৪ ফুট, এতে খাঁড়া ইটের গাথুনি বৃত্তাকারে সন্নিবেশিত রয়েছে। কেন্দ্রস্থল খিলানটি বাকি দুটি খিলানের তুলনায় উঁচু ও প্রশস্ত, যার ফলে নিচ দিয়ে ছোট জলযান চলাচলের সুযোগ ছিল।

সোনারগাঁয়ের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক কবি শাহেদ কায়েস কালের কণ্ঠকে বলেন যে, মুঘল আমলের এই প্রত্নতাত্ত্বিক রীতির সংস্কারকাজে বেশ কিছু ত্রুটি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে সেতুর পিলারের নিচে কোনো সংস্কার করা হচ্ছে না, যা সেতুটির স্থায়িত্বের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া, প্রত্নতাত্ত্বিক নীতি অনুসরণ করেই সেতুটি সংস্কার করার কথা থাকলেও তা যথাযথভাবে করা হচ্ছে না।

বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সোনারগাঁ শাখার কাস্টরিয়ান তানজিলুর রহমান জানিয়েছেন, মুঘল আমলের তিন খিলান বিশিষ্ট এ সেতুর সংখ্যা হাতেগোনা কয়েকটি। তাই ইতিহাসের একটি অংশ হিসেবে সেতুটি সংরক্ষণের জন্য এটি সংস্কার করা হচ্ছে। বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক আফরোজা খান মিতা জানান, 'প্রত্নতাত্ত্বিক রীতি মেনেই সংস্কারকাজ হচ্ছে। এর পরও কোনো ত্রুটি থাকলে জানাবেন, সংশোধন করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামের কারণে প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে শিশুরা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৭ পি.এম


হামের কারণে প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে শিশুরা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে

হাম রোগের কারণে প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে, যা শিশুদের নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। রাজধানীর শিশু হাসপাতালে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগী ভর্তি হচ্ছে।

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, দুই ধরনের নিউমোনিয়া শিশুদের মধ্যে সমস্যা তৈরি করছে। হাম পরবর্তী জটিলতা কমানোর জন্য তারা ভিটামিন-এ'র ডোজ দেয়ার পরামর্শ দিলেন।

হামের সংক্রমণ তিন মাসেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। প্রতিদিন গড়ে হাজারের ওপরে নতুন আক্রান্ত শিশু রয়েছে। ব্যাংক অফ বাংলাদেশের রোগী হিসেবে প্রায় সাড়ে ৬০০ শিশু হাম বা হাম সংক্রান্ত উপসর্গে মারা গেছে। মোট আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় এক লাখ দাঁড়িয়েছে।

যদিও হাসপাতালে ভর্তি হওয়া হামের রোগীর সংখ্যা কমানোর দাবি করেছেন চিকিৎসকরা, তবে তারা সংক্রমণের পরবর্তী জটিলতা নিয়ে চিন্তিত।

শিশু হাসপাতালে একজন হাম রোগীর মা বলেন, "সদর হাসপাতালে পাঁচদিন থাকতে হয়েছে এবং সেখানে হাম ধরা পড়েছে। আরও পাঁচদিন চিকিৎসা নিলেও ভালো হয়নি। তাই স্বাস্থ্যের জন্য ঢাকায় শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি।"

অপর একজন মা জানান, "গ্রামের চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খেয়েছি এবং মানিকগঞ্জে শিশু হাসপাতালে ১২ দিন ছিলাম। কিন্তু সেখানকার চিকিৎসায়ও কিছুই ভালো হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি।"

চিকিৎসকদের মতে, হাম রোগের কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে নিচ্ছে, ফলে নিউমোনিয়ার ক্ষেত্রে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিশু হাসপাতালে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশ কয়েকগুণ বেশি রোগী ভর্তি হচ্ছে। বিশেষ করে দুই ধরনের নিউমোনিয়া শিশুদের মধ্যে খারাপ অবস্থায় রয়েছে।

শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, "যাদের পোস্ট মিডিলস নিউমোনিয়া হচ্ছে, তাদের ইমিউনিটি কমে যাচ্ছে। যার ফলে অন্যান্য ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে ইনফেকশন দেখা দিচ্ছে। এসব ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া চিকিৎসায় জটিলতা তৈরি করছে।"

হাম রোগ পরবর্তী জটিলতা কমাতে আক্রান্ত এবং সুস্থ শিশুদের দুই ডোজ ভিটামিন-এ দেয়ার জন্য শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. কামরুজ্জামান কামরুলের পরামর্শ রয়েছে। তিনি বলেন, "হামে আক্রান্ত রোগীদের প্রত্যেককে প্রথম ও দ্বিতীয় দিন দুটো করে ভিটামিন-এ ট্যাবলেট খাওয়ানো প্রয়োজন। তবে যাদের কনজাংটিভাইটিস রয়েছে, তাদের তিনটি ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খেতে হবে। এই ক্যাপসুলগুলো প্রথম, দ্বিতীয় এবং ১৪তম দিনে খেতে হবে।" ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের ৫০ হাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট, ছয় মাস থেকে ১ বছর পর্যন্ত ১ লাখ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট এবং ১ বছর থেকে ৫ বছর পর্যন্ত ২ লাখ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিটে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল যদি প্রথম ও দ্বিতীয় দিন দেয়া হয়, তাহলে ইনফেকশনগুলো প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%