ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সংস্কার কাজে নিয়ম না মানার অভিযোগ পানাম সেতুতে


সংস্কার কাজে নিয়ম না মানার অভিযোগ পানাম সেতুতে

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অবস্থিত মুঘল আমলের ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক রীতির পানাম সেতুর সংস্কারকাজ চলমান রয়েছে। রবিবার তোলা হয়েছে। এই সেতুটির সংস্কারের উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, যা দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে ছিল। স্থানীয়দের দাবির মুখে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, সংস্কারকাজ চলাকালীন স্থাপত্যরীতির যথাযথ অনুসরণ হচ্ছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (১৪ জুন) সকালে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, কারিগররা বৃষ্টির মধ্যে চুন-সুরকির পেস্ট তৈরি করে সংস্কারকাজ করছেন। কিন্তু পুরনো ইটের পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে বর্তমান সময়ের মানহীন ইট। অথচ, পানাম সেতুতে ঐতিহাসিকভাবে মুঘল আমলের লাখোরি ইট বা বাদশাহি ইট ব্যবহার করা হয়।

সাধারণ ইটের চেয়ে পাতলা লাল রঙের এই ইট বিশেষভাবে আগুনে পুড়িয়ে তৈরি করা হয়। মানহীন ইট ব্যবহারে সেতুর ওজন বাড়াচ্ছে, যা সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা উত্পন্ন করছে।

আরও পড়ুন: কাউখালীতে ‘হাত ধোয়ার নায়ক হোন’ প্রতিপাদ্যে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত: ইউএনও’র হাত ধোয়ার প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষা

স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক সানজিদা আক্তার জানান, মুঘলরা শাসনকাজ পরিচালনার মাধ্যমে সোনারগাঁয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তন এনেছেন। সেতুটি সেই সময় নির্মিত কয়েকটি সড়ক ও সেতুর মধ্যে অন্যতম। সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৭৩ ফুট এবং প্রস্থ ১৪ ফুট, এতে খাঁড়া ইটের গাথুনি বৃত্তাকারে সন্নিবেশিত রয়েছে। কেন্দ্রস্থল খিলানটি বাকি দুটি খিলানের তুলনায় উঁচু ও প্রশস্ত, যার ফলে নিচ দিয়ে ছোট জলযান চলাচলের সুযোগ ছিল।

সোনারগাঁয়ের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক কবি শাহেদ কায়েস কালের কণ্ঠকে বলেন যে, মুঘল আমলের এই প্রত্নতাত্ত্বিক রীতির সংস্কারকাজে বেশ কিছু ত্রুটি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে সেতুর পিলারের নিচে কোনো সংস্কার করা হচ্ছে না, যা সেতুটির স্থায়িত্বের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া, প্রত্নতাত্ত্বিক নীতি অনুসরণ করেই সেতুটি সংস্কার করার কথা থাকলেও তা যথাযথভাবে করা হচ্ছে না।

বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সোনারগাঁ শাখার কাস্টরিয়ান তানজিলুর রহমান জানিয়েছেন, মুঘল আমলের তিন খিলান বিশিষ্ট এ সেতুর সংখ্যা হাতেগোনা কয়েকটি। তাই ইতিহাসের একটি অংশ হিসেবে সেতুটি সংরক্ষণের জন্য এটি সংস্কার করা হচ্ছে। বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক আফরোজা খান মিতা জানান, 'প্রত্নতাত্ত্বিক রীতি মেনেই সংস্কারকাজ হচ্ছে। এর পরও কোনো ত্রুটি থাকলে জানাবেন, সংশোধন করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।'

আরও পড়ুন: কবি রাধারমণ দত্তের গ্রামে গানবাজনা বন্ধের আবেদন জমা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামের কারণে প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে শিশুরা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৭ পি.এম


হামের কারণে প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে শিশুরা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে

হাম রোগের কারণে প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে, যা শিশুদের নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। রাজধানীর শিশু হাসপাতালে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগী ভর্তি হচ্ছে।

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, দুই ধরনের নিউমোনিয়া শিশুদের মধ্যে সমস্যা তৈরি করছে। হাম পরবর্তী জটিলতা কমানোর জন্য তারা ভিটামিন-এ'র ডোজ দেয়ার পরামর্শ দিলেন।

হামের সংক্রমণ তিন মাসেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। প্রতিদিন গড়ে হাজারের ওপরে নতুন আক্রান্ত শিশু রয়েছে। ব্যাংক অফ বাংলাদেশের রোগী হিসেবে প্রায় সাড়ে ৬০০ শিশু হাম বা হাম সংক্রান্ত উপসর্গে মারা গেছে। মোট আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় এক লাখ দাঁড়িয়েছে।

যদিও হাসপাতালে ভর্তি হওয়া হামের রোগীর সংখ্যা কমানোর দাবি করেছেন চিকিৎসকরা, তবে তারা সংক্রমণের পরবর্তী জটিলতা নিয়ে চিন্তিত।

শিশু হাসপাতালে একজন হাম রোগীর মা বলেন, "সদর হাসপাতালে পাঁচদিন থাকতে হয়েছে এবং সেখানে হাম ধরা পড়েছে। আরও পাঁচদিন চিকিৎসা নিলেও ভালো হয়নি। তাই স্বাস্থ্যের জন্য ঢাকায় শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি।"

অপর একজন মা জানান, "গ্রামের চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খেয়েছি এবং মানিকগঞ্জে শিশু হাসপাতালে ১২ দিন ছিলাম। কিন্তু সেখানকার চিকিৎসায়ও কিছুই ভালো হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি।"

চিকিৎসকদের মতে, হাম রোগের কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে নিচ্ছে, ফলে নিউমোনিয়ার ক্ষেত্রে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিশু হাসপাতালে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশ কয়েকগুণ বেশি রোগী ভর্তি হচ্ছে। বিশেষ করে দুই ধরনের নিউমোনিয়া শিশুদের মধ্যে খারাপ অবস্থায় রয়েছে।

শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, "যাদের পোস্ট মিডিলস নিউমোনিয়া হচ্ছে, তাদের ইমিউনিটি কমে যাচ্ছে। যার ফলে অন্যান্য ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে ইনফেকশন দেখা দিচ্ছে। এসব ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া চিকিৎসায় জটিলতা তৈরি করছে।"

হাম রোগ পরবর্তী জটিলতা কমাতে আক্রান্ত এবং সুস্থ শিশুদের দুই ডোজ ভিটামিন-এ দেয়ার জন্য শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. কামরুজ্জামান কামরুলের পরামর্শ রয়েছে। তিনি বলেন, "হামে আক্রান্ত রোগীদের প্রত্যেককে প্রথম ও দ্বিতীয় দিন দুটো করে ভিটামিন-এ ট্যাবলেট খাওয়ানো প্রয়োজন। তবে যাদের কনজাংটিভাইটিস রয়েছে, তাদের তিনটি ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খেতে হবে। এই ক্যাপসুলগুলো প্রথম, দ্বিতীয় এবং ১৪তম দিনে খেতে হবে।" ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের ৫০ হাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট, ছয় মাস থেকে ১ বছর পর্যন্ত ১ লাখ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট এবং ১ বছর থেকে ৫ বছর পর্যন্ত ২ লাখ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিটে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল যদি প্রথম ও দ্বিতীয় দিন দেয়া হয়, তাহলে ইনফেকশনগুলো প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২২ দিনের অন্ধকারে ৩০০ শিক্ষার্থীর জীবন বিপর্যস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ পি.এম


২২ দিনের অন্ধকারে ৩০০ শিক্ষার্থীর জীবন বিপর্যস্ত

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ভাষাণচর ইউনিয়নের কারীর হাট দাখিল মাদ্রাসা গত ২২ দিন ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। এই কারণে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী চরম ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ সংযোগের অভাবে এখানে পাঠদান, অফিস কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন শিক্ষা কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছেন যে, স্থানীয় নুরা শেখের বাড়ির ওপর দিয়ে মাদ্রাসার বিদ্যুৎ লাইন নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রায় ২২ দিন আগে বিদ্যুৎ সংযোগটি পুড়ে যায়। পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা করা হলে তারা বাধা দেয়। এরপর থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে বিদ্যুৎ নেই।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বারবার চেষ্টা করার পরও সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয়নি। এতে শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, শিক্ষক ও কর্মচারীরাও নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষ করে প্রচণ্ড গরমের সময় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চালিয়ে নেয়া অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা মন্তব্য করেছেন যে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখা অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান করে মাদ্রাসায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।

কারীর হাট দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. এবিএম রাইসুদ্দিন বলেছেন, গত ২২ দিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করেও বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। এর ফলস্বরূপ প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীর পাঠদান বিঘ্নিত হচ্ছে। শিক্ষক-কর্মচারীরাও নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রচণ্ড গরমে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান পরিচালনা করা অনেক কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তিনি আবেদন করেছেন দ্রুত সমস্যার সমাধান করে মাদ্রাসায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছিলেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত নুরা শেখের স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সদরপুর উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) মো. শহিদুল ইসলাম বলেছেন, ‘প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যুৎ সংযোগ পুড়ে যাওয়ার পর নতুনভাবে সংযোগ স্থাপনের জন্য প্রয়োজন হয় স্থানীয় বাড়ির ওপর দিয়ে লাইন নেওয়ার। কিন্তু বাড়ির লোকজন তাদের বাড়ির ওপর দিয়ে বিদ্যুৎ লাইন নিতে দেয়নি। তবে এই বিষয়ে সমাধানের চেষ্টা চলছে।’

এ বিষয়ে সদরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোফাজ্জল হোসেন বলেছেন, ‘এ বিষয়ে আমি অবগত হয়েছি। মাদ্রাসাটিতে পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনের জন্য পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।’ সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ শাওন বলেছেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন, যেন শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম দ্রুত শুরু করা সম্ভব হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ড. সাইমুম পারভেজকে জার্মানিতে প্রবাসীদের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ পি.এম


ড. সাইমুম পারভেজকে জার্মানিতে প্রবাসীদের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে অংশগ্রহণের জন্য জার্মানি সফররত প্রধানমন্ত্রীর বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজের সম্মানে জার্মানির বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবকদলের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

ড. সাইমুম পারভেজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন তপন খান এবং সঞ্চালনা করেন প্রকৌশলী সাইফুর রহমান চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নেতা আওলাদ হোসেন, নজরুল ইসলাম ও দেলোয়ার মোল্লা।

জার্মানির বিভিন্ন শহর থেকে আগত বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা নুরুল ইসলাম পুন্য ও রাজু, স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান ভূঁইয়া, সদস্য সচিব রুবেল, জাহিদ দেওয়ানসহ বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবকদলের অসংখ্য নেতাকর্মী ও সমর্থক।

বক্তাগণ ড. সাইমুম পারভেজের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বনায়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন।

তারা জানান, বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় তাঁর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

একই সাথে বক্তাগণ তাঁর মাধ্যমেই বাংলাদেশ সরকারের কাছে জার্মানির নর্থ রাইন-ওয়েস্টফালিয়া (এনআরডব্লিউ) রাজ্যে বাংলাদেশ দূতাবাসের কনসুলেট সেবা চালুর দাবি জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. সাইমুম পারভেজ প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভালোবাসা ও আন্তরিকতার জন্য তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি পরিবেশ সংরক্ষণ, টেকসই উন্নয়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলার লক্ষ্যে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সाथে দেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানেরও প্রশংসা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিজি বদলি, কিন্তু বিতর্কের অবসান কোথায়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ পি.এম


ডিজি বদলি, কিন্তু বিতর্কের অবসান কোথায়?

বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বোরি) দেশের সামুদ্রিক গবেষণা, সমুদ্রসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও নীল অর্থনীতি বিকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে গবেষণা, সামুদ্রিক সম্পদের সম্ভাবনা অনুসন্ধান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মূল্যায়ন এবং সমুদ্রভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকার কথা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, গত কয়েক বছরে গবেষণা ও বৈজ্ঞানিক অর্জনের চেয়ে প্রশাসনিক দ্বন্দ্ব, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, ক্রয় কার্যক্রম, ক্ষমতার প্রভাব এবং অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়েই বেশি আলোচনায় এসেছে প্রতিষ্ঠানটি।

সম্প্রতি বোরির মহাপরিচালক কমোডর মো. মিনারুল হককে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকেই মনে করেছিলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিতর্ক ও অস্থিরতার একটি পরিসমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। মহাপরিচালকের বদলির পরও থামেনি অভিযোগ, কমেনি উত্তেজনা; বরং নতুন করে শুরু হয়েছে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের লড়াই।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশের অভিযোগ, মহাপরিচালকের বদলি কেবল দৃশ্যমান প্রশাসনিক পরিবর্তন মাত্র। অথচ দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্প বাস্তবায়ন, ক্রয় কার্যক্রম, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার কেন্দ্র হিসেবে যাদের নাম ঘুরেফিরে এসেছে, তাদের ভূমিকা এখনও কার্যকর রয়েছে। ফলে ব্যক্তি পরিবর্তন হলেও ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটেনি বলেই মনে করছেন তারা।

সূত্রমতে, গত কয়েক মাসে বোরিকে ঘিরে প্রকাশিত একাধিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ক্ষমতার অপব্যবহার, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ, প্রশাসনিক ভয়ভীতি, সরকারি সম্পদের ব্যবহার, প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সীমিত গোষ্ঠীর প্রভাবের মতো নানা বিষয় উঠে আসে। এসব প্রতিবেদনের পরই বিষয়গুলো মন্ত্রণালয় পর্যায়ে আলোচনায় আসে এবং শেষ পর্যন্ত মহাপরিচালকের বদলির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করেছে।

তবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশের দাবি, আলোচিত ঘটনাগুলোর গভীরে গেলে দেখা যাবে, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, ক্রয় কার্যক্রম এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে একটি শক্তিশালী প্রভাববলয় সক্রিয় ছিল। তাদের মতে, সহকারী প্রকৌশলী আব্দুর রউফ তালুকদার এবং সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার জাকারিয়াকে ঘিরে যে প্রভাববলয়ের কথা দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণভাবে আলোচনা হয়ে আসছে, সেটি নিয়েই এখন নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত প্রয়োজন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বোরির দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়ন প্রকল্প, বিভিন্ন ক্রয় কার্যক্রম, টেন্ডার প্রক্রিয়া এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে একই ব্যক্তিদের প্রভাব বারবার দৃশ্যমান হয়েছে। তাদের অভিযোগ, প্রকল্পের আর্থিক ও প্রশাসনিক কাঠামো এমনভাবে পরিচালিত হয়েছে যাতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সীমিত কয়েকজনের নিয়ন্ত্রণেই থাকে।

অভিযোগ রয়েছে, অনুমোদিত জনবল কাঠামো থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ অনেক পদ শূন্য রাখা হয়েছে। নতুন নিয়োগ হলে বিদ্যমান প্রভাববলয়ের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে যেতে পারে, এমন আশঙ্কা থেকেই নিয়োগ প্রক্রিয়া কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোয়নি বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা। যদিও এ অভিযোগের স্বাধীন যাচাই প্রয়োজন, তবুও বিষয়টি এখন প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরে আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

বোরির অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, মহাপরিচালকের বদলির পর প্রকল্প ও প্রশাসনিক নথিপত্র পুনর্মূল্যায়নের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় একটি অংশের মধ্যে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। কারণ নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব গ্রহণ করলে গত কয়েক বছরের প্রকল্প ব্যয়, ক্রয় কার্যক্রম, বিল-ভাউচার, যানবাহন ব্যবহার, জ্বালানি খরচ এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নতুন করে পর্যালোচনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

এমন প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি কয়েকজন কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানীর বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ তুলে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একটি সূত্রের দাবি, এসব অভিযোগের অনেকগুলোই এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্তে প্রমাণিত হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক দ্বন্দ্ব, ব্যক্তিগত বিরোধ কিংবা মতপার্থক্যকে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তাদের বিষয়ে সহকর্মীদের একটি অংশ আবার ভিন্ন মত পোষণ করেন। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা, বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ, প্রকাশনা এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। প্রশাসনিক মতবিরোধ বা নীতিগত দ্বন্দ্ব থাকতেই পারে, কিন্তু কোনো স্বাধীন তদন্ত ছাড়া কাউকে দায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে না।

এদিকে বোরির অভ্যন্তরে এখন সবচেয়ে আলোচিত হচ্ছে, মহাপরিচালকের বদলির পরও কেন বিতর্ক থামছে না? কেন প্রশাসনিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন করে অভিযোগের স্রোত তৈরি হলো? এবং কেন একই সময়ে প্রকল্প ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত কিছু নামকে ঘিরে প্রশ্নগুলো আরও জোরালো হয়ে উঠছে?

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে ব্যক্তি নয়, পুরো ব্যবস্থাকে তদন্তের আওতায় আনতে হবে। গত কয়েক বছরের প্রকল্প বাস্তবায়ন, টেন্ডার কার্যক্রম, ক্রয় প্রক্রিয়া, নিয়োগ ব্যবস্থা, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, যানবাহন ব্যবহার এবং আর্থিক লেনদেনের পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন অডিট ছাড়া প্রকৃত চিত্র উদঘাটন করা সম্ভব নয়।

অভিযোগ রয়েছে, সহকারী প্রকৌশলী আব্দুর রউফ তালুকদার মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য এমন একটি আবেদনপত্র প্রস্তুত করেছেন, যেখানে বিদায়ী প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কয়েকজন কর্মকর্তাকে চলমান প্রকল্পে বহাল রাখার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, নতুন প্রশাসনের অধীনে প্রকল্পের নথিপত্র, আর্থিক হিসাব, ক্রয় কার্যক্রম এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত পুনঃমূল্যায়নের সুযোগ তৈরি হলে গত কয়েক ব

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%