০৫:০৯ পি.এম
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে পাটহাটে এটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা তার অভিমত প্রকাশ করেন, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ার পরও স্থানীয় হাটে পাটের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না কৃষকেরা। যাত্রাপুরের হাটে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। অথচ সীমান্তবর্তী এলাকার বাজারে একই পাট ৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত দাম পাওয়া যাচ্ছে। এই পরিস্থিতির কারণে কৃষকেরা স্থানীয় হাটে পাট নিয়ে আসছেন না এবং সীমান্ত এলাকার ফড়িয়াদের কাছে বিক্রি করছেন।
পাটচাষি আবুল কাশেম জানান, পাখিউড়া, কালারচর, চৌদ্দকুড়ি, নারায়ণপুর, শৌলমারী এবং তেরিরহাট এলাকায় পাটের দাম অধিক, যা ভালোভাবে পাওয়া যায়। তিনি এও দাবী করেছেন, এসব এলাকার ফড়িয়াদের মাধ্যমে কেনা পাট পরবর্তীতে ভারতে ধুবরি ও পাটামারিহাট এলাকায় পাচার হচ্ছে।
আরও পড়ুন: শেরপুরে জাসাস এর নেতৃবৃন্দের দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করেন জাসাস নেতাকর্মী
স্থানীয় ব্যবসায়ী উজ্জল মিয়া অভিযোগ করেন, গত জুন মাস থেকে প্রতিদিন পাট বিভিন্ন সীমান্ত এলাকার মাধ্যমে ভারতে পাচার হচ্ছে। তিনি বলেছেন, দ্রুত পাচার বন্ধ না হলে ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
যাত্রাপুর পাটহাটের ইজারাদারের প্রতিনিধি শাহানুর আলী জানিয়েছেন, একসময় এ হাটে সপ্তাহে প্রায় ১০ হাজার মণ পাট বেচাকেনা হতো। এখন কৃষকেরা পাট নিয়ে আসছেন না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন