স্টাফ রিপোর্টার:: মোহাম্মদ নূর
০৫:২২ পি.এম
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার মেরিন জামান রুহি উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন (AUW) থেকে প্রায় ৭৫ লাখ টাকার (৬০ হাজার মার্কিন ডলার) মূল্যমানের স্কলারশিপ অর্জন করেছেন।
এই স্কলারশিপের মাধ্যমে আগামী চার বছর এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে স্নাতক পর্যায়ে অধ্যয়ন করার সুযোগ পাওয়া যাবে রুহির।
রুহি ইসলামপুর ইউনিয়নের গণেশপুর গ্রামের বাসিন্দা, যার বাবা চা বিক্রেতা আব্দুল কাদির। আব্দুল কাদির নৌকা করে চা বিক্রি করে জীবনোপার্জন করেন। আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের সন্তান হওয়া সত্ত্বেও রুহির এমন সফলতা এলাকায় আনন্দ এবং প্রশংসার সঞ্চার করেছে।
স্থানীয় এবং পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রুহির উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন পুরণে আর্থিক সংকট ছিল বড় প্রতিবন্ধকতা। তবে সীমিত সামর্থ্য তাঁকে থামাতে পারেনি। নিজের মেধা, পরিশ্রম এবং অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি দেশের আন্তর্জাতিক মানের উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে পড়ার সুযোগ লাভ করেছেন।
রুহির এই সাফল্যের কারণে তাঁর পরিবার, স্বজন ও এলাকার মানুষের মধ্যে আনন্দের সঙ্গে গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে, এলাকার শিক্ষার্থী ও তরুণদের জন্য তাঁর এই অর্জন উচ্চ শিক্ষার স্বপ্নপূরণের অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে রুহির স্বজনরা জানিয়েছেন, সীমিত সামর্থ্যের পরিবার থেকে উঠে এসে তাঁর এই সাফল্য তাঁদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ এবং গর্বের বিষয়। উচ্চ শিক্ষার পথে তাঁকে সমস্ত ধরনের সহযোগিতা এবং দোয়া করা হবে পরিবারের পক্ষ থেকে।
স্থানীয় জনগণ উল্লেখ করেন, রুহির এই সাফল্য শুধু তাঁর পরিবারের জন্য নয়, পুরো ছাতকবাসীর গর্বের বিষয়। তাঁর সাফল্য অন্যান্য শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন দেখার এবং তা বাস্তবায়নের জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে উৎসাহিত করবে।
রুহির এই সাফল্য প্রমাণ করে—আর্থিক সীমাবদ্ধতা নয়, অধ্যবসায়, মেধা এবং অদম্য ইচ্ছাশক্তিই পারে স্বপ্নকে আসল রূপ দিতে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পেশাগত এবং কারিগরি দক্ষতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে, শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষাক্রমের সমন্বয় করতে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অভিবাস টেকনিক্যাল ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের (ওটিটিআই) সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমণ্ডিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের কনফারেন্স হলে এ সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং অভিবাস টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের পক্ষে মালেকা পারভীন মোলি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, শারীরিক শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল করিম, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা দপ্তরের পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন, ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক রাজ বিন কাসেম, কমিউনিকেশনস এক্সপার্ট গৌতম বড়ুয়া, এবং মাল্টি-ল্যাঙ্গুয়েজ লার্নিং ইনস্টিটিউটের কোঅর্ডিনেটর মো. সাইফুল ইসলাম শাহীন। অভিবাস টেকনিক্যাল ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের পরিচালক তামান্না রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আরো দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা গেলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশের শ্রমবাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারেও নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগ আরো জোরদার করবে। এই ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আধুনিক ও বাজারমুখী দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে প্রবেশের সক্ষমতা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।’
সমঝোতার অধীনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য শ্রমবাজারের চাহিদাভিত্তিক বিভিন্ন পেশাগত এবং কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি শিল্পখাতের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একাডেমিক কারিকুলাম উন্নয়ন ও হালনাগাদে দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে।
এই সহযোগিতার আওতায় প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি হবে, যেমন: জাপানি ভাষা, কেয়ারগিভিং, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি), ডিজিটাল মার্কেটিং, বিউটিফিকেশন এবং হসপিটালিটি। প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করা শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেশনের মাধ্যমে স্বীকৃতি প্রদান করা হবে।
শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে পরিচিত করতে ইন্টার্নশিপ এবং অ্যাপ্রেন্টিসশিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সম্ভাব্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতেও দুই প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করবে। এতে শিক্ষার্থীরা একাডেমিক জ্ঞানের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।
সমঝোতার আওতায় শ্রমবাজারের পরিবর্তিত চাহিদা, দক্ষতার প্রয়োজনীয়তা এবং কর্মসংস্থান নিয়ে যৌথ গবেষণা, সেমিনার এবং কর্মশালার আয়োজন করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও সহযোগিতা গড়ে তুলতেও এই অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে কোমল পানীয় ব্র্যান্ড 'ক্লেমন'-এর 'ক্লেমন গ্রিনওয়েভ' কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চারা গাছ বিতরণ এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রকৃতির সুরক্ষায় দেশব্যাপী ১ লাখ বৃক্ষরোপণের উদ্যোগের অংশ হিসেবে আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে তাদের মধ্যে ১০০টি ফলজ ও বনজ চারা গাছ বিতরণ করা হয়েছে। একইসাথে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বেশ কয়েকটি চারা রোপণ করা হয়েছে।
এ সময় বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান, প্রধান শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন খোকনসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজের স্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তারা বলেছেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় গাছের ভূমিকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কোমল পানীয় ব্র্যান্ড ক্লেমন-এর এই সবুজ উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মকে পরিবেশ সচেতন হতে অনুপ্রেরণা দেবে। উপস্থিত অতিথিরা আশা প্রকাশ করেন যে, শিক্ষার্থীরা এই গাছগুলোর সঠিক পরিচর্যা করে সবুজ ক্যাম্পাস এবং পরিবেশ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাংগঠনিক সক্ষমতা বাড়াতে দেশের দুই উপজেলায় আধুনিক অফিস ভবন এবং ছয় জেলায় কর্মকর্তাদের জন্য আবাসন নির্মাণ করা হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) বাবাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ এসব নবনির্মিত স্থাপনার উদ্বোধন করেন।
গাজীপুরের সফিপুরে আনসার-ভিডিপি একাডেমি থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব স্থাপনার উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক বলেন, ‘বাহিনীর সার্বিক সক্ষমতা বাড়ানোর ধারাবাহিকতায় এসব অবকাঠামো নির্মাণ গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ। নবনির্মিত স্থাপনাগুলোর যথাযথ ব্যবহার, রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।’
দায়িত্ব পালনে সুষ্ঠু অর্থনৈতিক চর্চা, চারিত্রিক ও সামাজিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার আহ্বান জানিয়ে আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, ‘আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর্থিক শৃঙ্খলা ও সুশাসন নিশ্চিত করা না গেলে দেশ ও জাতির কল্যাণে বাহিনীর নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব নয়।’
তিনি বলেন, ‘পারস্পরিক সহযোগিতা, নৈতিক মূল্যবোধ ও পেশাগত নিষ্ঠাকে মূল উপজীব্য করে জনগণের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করতে পারলেই বাহিনীর সক্ষমতার যথাযথ প্রতিফলন ঘটবে।’ মহাপরিচালক বলেন, ‘নবনির্মিত স্থাপনাগুলো বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।’ এগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
আধুনিক অবকাঠামোর যথাযথ ব্যবহার ও সুশৃঙ্খল দাপ্তরিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে বাহিনীর সেবা কার্যক্রম আরো গতিশীল, কার্যকর ও জনমুখী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
জানা গেছে, মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তাদের কর্মপরিবেশ ও আবাসন সুবিধা বাড়াতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, যশোর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও লক্ষ্মীপুর জেলায় জেলা কমান্ড্যান্ট কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের জন্য আবাসন নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া তৃণমূল পর্যায়ে বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও সেবার পরিধি বাড়াতে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর ও বগুড়ার ধুনট উপজেলায় তিনতলা ভিত্তির আধুনিক ও মানসম্মত উপজেলা আনসার ও ভিডিপি অফিস ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম জানিয়েছেন, বহু বছর ধরেই বাংলাদেশের তরুণ হাফেজে কোরআনগণ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়ার পাশাপাশি শীর্ষস্থান অর্জন করছেন। তারা বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিযোগিদের হারিয়ে বাংলাদেশের নাম ও সম্মান উজ্জ্বল করছেন। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয়। বাংলাদেশের এই হাফেজে কুরআনদের রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়া উচিত। তাদের অর্জনকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় উদযাপন করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।
পীর সাহেব এই মন্তব্যটি সৌদি আরবের আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা ২০২৬-এ ১৩৩ দেশের মধ্যে ১৫ পারা বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করা বিশ্বজয়ী হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়ার জন্য আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে করেন।
হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়ার সাফল্যের খবর জানার পর পীর সাহেব চরমোনাই হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া, তার উস্তাদ ও রায়হান মাদরাসার প্রিন্সিপ্যাল মুফতী কাইয়ুম মোল্লা এবং বিশ্বজয়ী হাফেজের পিতা মাওলানা নুরুল আমিনকে চরমোনাইতে আমন্ত্রণ জানান। আজ দুপুরে চরমোনাই জামেয়া রশিদিয়া আহসানাবাদে তাদের সম্মানে একটি সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, শায়েখে চরমোনাই, প্রিন্সিপাল মুসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মাওলানা সৈয়দ এসহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের, এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের সমন্বয়ক হাসিব আর রহমান, সহ চরমোনাই জামেয়া উস্তাদবৃন্দ।
এবারের এই প্রতিযোগিতায় ৩০ পারা বিভাগে তৃতীয় স্থান অধিকারী বিশ্বজয়ী অন্য একজন হাফেজে কুরআন, হাফেজ মাহমুদুল হাসান আশরাফীকেও পীর সাহেব চরমোনাই আমন্ত্রণ জানাবেন এবং ইনশাআল্লাহ সংবর্ধনা প্রদান করবেন। একইসাথে এই প্রতিযোগিতায় মহিলা বিভাগে বিজয়ীদের কাছেও সংবর্ধনাপত্র পৌঁছানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ