ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইসলামী দলের নেতৃবৃন্দের প্রতিবাদ: প্রেসিডেন্টসহ সর্বোচ্চ ব্যক্তিদের শিরকি বক্তব্যের নিন্দা


ইসলামী দলের নেতৃবৃন্দের প্রতিবাদ: প্রেসিডেন্টসহ সর্বোচ্চ ব্যক্তিদের শিরকি বক্তব্যের নিন্দা

সম্প্রতি সনাতনীদের দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের বিতর্কিত শিরকি বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা অব্যাহত রয়েছে। প্রেসিডেন্টসহ বিভিন্ন ইসলামী দলের নেতৃবৃন্দ এই বক্তব্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন।

নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তিদের দূর্গাপূজা নিয়ে শিরকি বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, "কোন দেবদেবী স্বর্গ থেকে আসেনি।" তাদের মতে, দেবদেবীরা মানুষেরই বানানো মূর্তি। নির্বাক এবং দুর্বল দেবদেবীরা কারো উপকার বা অপকার করার ক্ষমতা রাখেনা। তারা কোন ধরনের মঙ্গল বা অমঙ্গলের মালিক নয়। আল্লাহ তায়ালা একত্ববাদ এর বিপরীতে পৌত্তলিকতা ধ্বংস করার জন্য নবীদেরকে পাঠিয়েছেন। পবিত্র কুরআনের ভাষ্য অনুযায়ী, সকল দেব-দেবী মিলে একটি মাছি বানাতেও সক্ষম নয়। অন্য আয়াতে উল্লেখ রয়েছে, যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কিছুর উপাসনা করে, তারা এবং দেব-দেবীরা জাহান্নামের ইন্দনে পরিণত হবে। নেতৃবৃন্দ প্রেসিডেন্টসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী এমপিদের ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী এক বিবৃতিতে জানান, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের অত্যন্ত সতর্কতার সহিত দায়িত্বশীল বক্তব্য দেয়া উচিত। তিনি বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রেসিডেন্টের বক্তব্য সম্পূর্ণ তাওহীদি বিশ্বাস ও কোরআনের সাথে সাংঘর্ষিক। তিনি অভিযোগ করেন, প্রেসিডেন্ট নবী-রাসূলদের ব্যাপারে জঘন্য মিথ্যাচার করেছেন। "তিনি বলেছেন, পৃথিবীতে যখন অন্যায় নেমে এসেছিল, তখন দেবী দুর্গার আবির্ভাব হয়েছিল। দেবদেবীরাই পৃথিবী থেকে অন্যায় দূর করেছেন, নাউজুবিল্লাহ।" রুহুল কবির রিজভী বলেন, দুর্গাপূজা শুধু হিন্দুদের একার নয়, এটা আমাদেরও উৎসব, নাউজুবিল্লাহ। ইসলামী বিধান অনুযায়ী, হিন্দুদের ধর্মীয় পূজা উৎসব মুসলমানদের উৎসব হতে পারে না। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, দুর্গাপূজা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্য ও ন্যায়ের শিক্ষা দেয়, নাউজুবিল্লাহ। মুসলমানদের বিশ্বাস একমাত্র আল্লাহ ও রাসুলই সত্য ইসলাম ছাড়া অন্য কোন তন্ত্রে মন্ত্রে সত্য ও ন্যায়ের শিক্ষা দিতে পারেনা।

আরও পড়ুন: আসামে মুসলিমদের ১১০০ ঘরবাড়ি ও ১০টিরও বেশি মসজিদ উচ্ছেদে বিরোধীদলীয় নেতার ক্ষোভ

আইনমন্ত্রী সনাতনীদের শুভযাত্রায় অংশ নিয়ে বলেছেন, সরকারের অন্যতম বিশ্বাসের জায়গা হল "ধর্ম যার যার উৎসব সবার"। নেতৃবৃন্দ মনে করেন, এটি সম্পূর্ণ অসত্য বক্তব্য। কারণ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নেতা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য হল, "ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার"। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সাথে তারা একমত।

অপরদিকে বরকতউল্লাহের বক্তব্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তিনি বলেছেন, সনাতনীদের ভোটেই তারেক রহমান আজ প্রধানমন্ত্রী, মুসলমানদের ভোটে নয়। এ অসত্য বক্তব্যের দ্বারা দেশের ৯২ ভাগ মুসলমানরা অন্তরে কষ্ট পেয়েছে। আমানুল্লাহ আমান এমপি কেরানীগঞ্জে হিন্দুদের প্রতিমা বিসর্জনের ঘাট উদ্বোধন করতে গিয়ে হাত তুলে আল্লাহর কাছে দোয়া মোনাজাত করেছেন। তিনি ঘাট উদ্বোধনের অনুষ্ঠানটি ভিন্নভাবেও করতে পারতেন, আল্লাহর কাছে দোয়া করে তিনি শিরকিকে অনুমোদন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত শালীন, মার্জিত এবং যুক্তিসঙ্গত বক্তব্য দিয়েছেন। "ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার, নিরাপত্তা সবার, নাগরিক অধিকার সবার।" প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যকে মোবারকবাদ জানিয়ে মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী বলেন, প্রত্যেক ধর্মের লোকেরই স্বাধীনভাবে তাদের ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করার অধিকার রয়েছে। সবার জন্য নাগরিক সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তবে, আপনার দল ও মুসলমান নামধারী কতিপয় দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বিতর্কিত বক্তব্য ইতিমধ্যে জনমনে ঘৃণা সৃষ্টি করেছে। সনাতনীদের ভোট কালেকশন এবং তাদেরকে খুশি করতে গিয়ে যারা বিভিন্ন ধরনের শিরিকি বক্তব্য দিয়েছেন, তাদেরকে সতর্ক করুন। এদের বিতর্কিত বক্তব্যের দ্বারা আপনার দল ও সরকারের ভাবমর্যাদা মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য দিলে ব্যাপকভাবে জানরোষ সৃষ্টি হবে।

প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের জবাবে আমিরে খেলাফত বলেন, "কোন দেবদেবী স্বর্গ থেকে আসেনি।" তিনি আবারও বলেন, দেবদেবীরা মানুষেরই বানানো মূর্তি। নির্বাক, দুর্বল দেবদেবীরা কারো উপকার বা অপকার করার ক্ষমতা রাখেনা। তারা কোন ধরনের মঙ্গল বা অমঙ্গলের মালিক নয়। আল্লাহ তায়ালা একত্ববাদ এর বিপরীতে পৌত্তলিকতা ধ্বংস করার জন্য নবীদেরকে পাঠিয়েছেন। পবিত্র কুরআনের ভাষ্য অনুযায়ী, সকল দেব-দেবী মিলে একটি মাছি বানাতেও সক্ষম নয়। অন্য আয়াতে উল্লেখ রয়েছে, যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কিছুর উপাসনা করে, তারা এবং দেব-দেবীরা জাহান্নামের ইন্দনে পরিণত হবে। কোটি কোটি দেব দেবতা থাকা সত্ত্বেও আরব দেশ ছিল অশান্তির অন্ধকারে নিমজ্জিত। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকল মূর্তি অপসারণ করেই আরব দেশ থেকে জাহেলিয়াতের অন্ধকার দূর করে ইসলামের আলো জ্বালিয়ে শান্তি ও নিরাপত্তার নগরীতে রূপান্তরিত করেছিলেন। নবী-রাসূলদের অবদানকে অস্বীকার করে যারা দেব-দেবীকে ক্ষমতাবান মনে করে, তাদের ঈমান থাকতে পারে না। বাংলাদেশের মতো ৯২ ভাগ মুসলমান দেশের প্রেসিডেন্টের মুখে এ ধরনের অসত্য ও কুরআন সুন্নাহর সাথে সাংঘর্ষিক বক্তব্যে জাতি হতবাক।

আরও পড়ুন: আ.লীগ সন্ত্রাসী সংগঠন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দাবি আবু হানিফের

প্রেসিডেন্টকে অবিলম্বে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে ধর্মের ব্যাপারে তার অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্টের দেওয়া বক্তব্যের একটি অংশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও আপত্তি প্রকাশ করেছে। সংগঠনটি বলেছে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তির বক্তব্যে ধর্মীয় সংবেদনশীলতা ও সাংবিধানিক দায়িত্বশীলতার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাওয়া উচিত। এক বিবৃতিতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি শায়খুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক এ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, ইসলামি আকিদা অনুযায়ী মহান আল্লাহ তাআলাই সমগ্র বিশ্বজগতের একমাত্র স্রষ্টা, পালনকর্তা ও রক্ষাকর্তা। কোনো দেব-দেবীকে সমগ্র পৃথিবীর ত্রাণকর্তা বা রক্ষাকর্তা হিসেবে উপস্থাপন করা ইসলামের মৌলিক তাওহিদি বিশ্বাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থাকা কোনো ব্যক্তির বক্তব্যে এমন শব্দ বা বক্তব্য ব্যবহার করা উচিত নয়, যা দেশের বিপুলসংখ্যক মুসলিম নাগরিকের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত সৃষ্টি করতে পারে।

তিনি আরো বলেন, প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের সংশ্লিষ্ট অংশটি পুনর্বিবেচনা করে প্রত্যাহার এবং এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধর্মীয়ভাবে সংবেদনশীল বক্তব্য প্রদানের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান। একই দাবিতে আরো যেসব নেতৃবৃন্দ পৃথক পৃথক বিবৃতিতে ও সভায় বক্তব্য দিয়েছেন তারা হচ্ছেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী, ইসলামী আইন সংরক্ষণ পরিষদের নির্বাহী সভাপতি মুফতী আবদুল্লাহ ইয়াহইয়া, মুফতী জাকির হুসাইন, মুফতী শরীফ মাশহুদুর রহমান, মুফতী রবিউল ইসলাম রাফে, মাওলানা নেসার উদ্দিন, মুফতী জুনাইদ আহমাদ, মুফতী ইব্রাহিম খলীল, মাওলানা ইকবাল হুসাইন, আকিদায়ে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের আমীর ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা সাইফুল ইসলাম ফরিদী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী সভাপতি মাওলানা একে এম আশরাফুল হক, মহাসচিব মাওলানা মুমিনুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান, মাওলানা কবির আহমদ, মাওলানা আব্দুস সাত্তার, আমিনুল ইসলাম, যুগ্মমহাসচিব মুফতি কামরুল ইসলাম, সহকারী মহাসচিব মুফতি আলাউদ্দিন কাসেমী ও সংগঠন সচিব মাওলানা আনোয়ার হোসেন আনসারী।

আরও পড়ুন: নাহিদ ইসলাম: গণ-অভ্যুত্থান বেহাত, রাজপথে নামার আহ্বান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২২ পি.এম


চট্টগ্রামের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত সোয়া ৮টার দিকে রহমতগঞ্জ জেএম সেন পূজামণ্ডপে উপস্থিত হয়ে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অর্পণ কান্তি ব্যানার্জি, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিখিল দাস, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি রাজীবধর তমাল ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজিমুর রহমানসহ অন্যান্য নেতারা।

পরে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যরা।

এর আগে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সরাসরি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে জাসাস এর নেতৃবৃন্দের দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করেন জাসাস নেতাকর্মী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ ওসমান গনি শেরপুর জেলা প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২৫ পি.এম


শেরপুরে জাসাস এর নেতৃবৃন্দের দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করেন জাসাস নেতাকর্মী

 

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে শেরপুর শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) শেরপুর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে জেলা জাসাসের আহ্বায়ক এ কে এম এনামুল হক বিপুর নেতৃত্বে তাঁরা শহরের প্রধান প্রধান পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জাসাসের সদস্য সচিব হারুন অর রশিদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক মিলন মিয়া ও রেজাউল করিম এবং জেলা জাসাসের সদস্য ও দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত জহুরুল ইসলাম জপি। এ ছাড়া এনামুল হক রাজু, শহর জাসাসের নেতৃবৃন্দ এবং উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে জাসাস নেতৃবৃন্দ পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিবেশ, পূজার আয়োজন এবং উৎসবের প্রস্তুতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তাঁরা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ও সৌহার্দ্য সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় নেতৃবৃন্দ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁরা বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—এই চেতনাকে ধারণ করে সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্‌যাপনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তাঁরা।

জাসাস নেতৃবৃন্দের এ পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকে ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করার উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য রাজশাহীতে অফিসিয়াল ক্যাপ ও টিশার্ট উপহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহ

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য রাজশাহীতে অফিসিয়াল ক্যাপ ও টিশার্ট উপহার

আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ রাজশাহী মহানগরের সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আরিফুজ্জামান সোহেল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য অফিসিয়াল ক্যাপ ও টি-শার্ট উপহার প্রদান করেছেন।

মঙ্গলবার বিকালে রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্টেডিয়ামের সামনে এই উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব মোঃ মোজেম্মেল হক, আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ রাজশাহী মহানগরের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইফতেখার মোহাম্মদ জিমু, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ইউনুস আলী অনিক, দপ্তর সম্পাদক মোঃ ওমর আলী রবি এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মোঃ বাচ্চু।

এ সময় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ইভেন্টের ক্ষুদে খেলোয়াড়রাও উপস্থিত ছিলেন।

ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য অফিসিয়াল ক্যাপ ও টি-শার্ট উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুদানে ড্রোন হামলায় ২ শতাধিক প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ পি.এম


সুদানে ড্রোন হামলায় ২ শতাধিক প্রাণহানি

গৃহযুদ্ধের কারণে বিপর্যস্ত সুদানে ড্রোন হামলার ফলে শিশুসহ দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। জনবহুল বাজার এবং সাধারণ মানুষের ওপর পরিচালিত এই হামলার সাথে দেশটির সেনাবাহিনীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পশ্চিম কর্ডোফান রাজ্যের দুটি স্থানে হামলা চালানোর ফলে অন্তত ১৫০ জন নিহত হওয়ার তথ্য দিয়েছে সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা 'সুদান ওয়ার অবজারভেটরি'। ২০২৩ সালে সুদানের সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে শুরু হওয়া রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর থেকে এই সংস্থাটি পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।

অন্যদিকে, সোমবার (১৯ অক্টোবর) আবিয়েইয়ের একটি বাজারে ড্রোন হামলায় অন্তত ৭৩ জন নিহত হয়েছেন। আবিয়েই অঞ্চলের তথ্যমন্ত্রী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুদানি সামরিক বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, সেনাবাহিনীই আবিয়েই এলাকায় হামলাটি চালিয়েছে। তাদের দাবি, ওই বাজারটি আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফের জ্বালানি সরবরাহের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।

সুদানের তেলসমৃদ্ধ আবিয়েই অঞ্চলটির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সুদান ও দক্ষিণ সুদানের মধ্যে বিরোধ চলছে। ২০১১ সালে সুদান থেকে আলাদা হয়ে দক্ষিণ সুদান প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে যৌথভাবে পরিচালিত অঞ্চলটির মালিকানা নিয়ে কোনো সমাধান আসেনি। এই হামলার ফলে দক্ষিণ সুদানের সাথে সুদানের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। দক্ষিণ সুদান ইতোমধ্যেই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে সুদানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে। দেশটির আশঙ্কা, এই সংঘাত সীমান্ত ছাড়িয়ে পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

জাতিসংঘ সুদানে অস্ত্র সরবরাহের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে রেখেছে। তবে তা উপেক্ষা করে বিভিন্ন দেশ সুদানের সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফ উভয় পক্ষকেই ড্রোন সরবরাহ করে যাচ্ছে। ফলে রক্তক্ষয়ী এই যুদ্ধে ড্রোন হামলার প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।

জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র স্টেফেন দুজারিচ সোমবার জানান, ড্রোন হামলার সংখ্যা মারাত্মকভাবে বেড়েছে, যা শিশু ও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটাচ্ছে এবং জরুরি পরিষেবা ব্যাহত করছে।

তিনি আরও জানান, ড্রোন হামলার বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি দেশটির অন্তত দুই কোটি মানুষ মারাত্মক খাদ্যসংকটে পড়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলীয় দারফুর ও গ্রেটার কর্ডোফানের বিভিন্ন এলাকায় দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতির বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%