ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিগত সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি : রিজভী


বিগত সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি : রিজভী

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি হচ্ছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়নের ফলে। তার মন্তব্য, অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে।

বর্তমান সরকার পরিবেশবান্ধব ও প্রকৃতিবান্ধব উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে সরকার ও বিএনপি নিজেদের উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।

তিনি মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার তৈলারদ্বীপে পরিদর্শন শেষে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণের সময় এসব কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বাড়িতে যাতায়াতের সুবিধার্থে হাওড়ের ওপর সড়ক নির্মাণের কারণে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির মুখে পড়েছে।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৮৪ জন

তিনি দাবি করেন, উন্নয়নের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে।

এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় খাল দখল, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং ব্যক্তিস্বার্থে কালভার্ট নির্মাণ জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। তিনি জানান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় খাল দখলমুক্ত করতে অভিযান চলছে।

তিনি আরো বলেন, দখলদার যেই হোক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। সারাদেশে ২৬ হাজার কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খাল খননের পাশাপাশি খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিন উদ্দিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপক ত্রিপুরা, আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জুনায়েত চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সরওয়ার হোসেন মাসুদ, জাগির হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক গাজী ফোরকান, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইসমাইল বিন মনিরসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আরও পড়ুন: ইসরাইলে নতুন সরকার এলে ফিলিস্তিনিদের ভাগ্য কতটা পাল্টাবে?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দাদাকে গুলি করার অভিযোগে অস্ত্রসহ নাতি আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২০ পি.এম


দাদাকে গুলি করার অভিযোগে অস্ত্রসহ নাতি আটক

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে দাদাকে গুলি করার অভিযোগে র‍্যাব নাতিকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের পর নাতির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের প্রমাণ মিলেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম মো. আশিক (২৩)। তিনি চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার রশিদপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং তার বাবার নাম ইসমাইল হোসেন ফারুক। গুলিবিদ্ধ নজরুল ইসলাম (৭০) হচ্ছেন তাঁর দাদা।

এদিকে, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে র‍্যাব-১১-এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক মিঠুন কুমার কুণ্ডু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

র‍্যাব জানায়, আশিককে সোমবার রাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে মঙ্গলবার দুপুরে তাকে নিয়ে রশিদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে গত ৩ জুলাই একটি সালিসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আশিকের মা আয়েশা বেগমের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। তিনি পরে বিষয়টি জানিয়ে দেন ঢাকায় থাকা ছেলে আশিককে।

এরপর ৪ জুলাই বিকেলে এলাকায় এসে আশিকের সঙ্গে নজরুল ইসলামের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আশিক তাঁকে গুলি করলে নজরুল ইসলামের বাম হাতের কব্জির ওপর গুলিবিদ্ধ হন।

ঘটনার পর আশিক পালিয়ে যান। পরে ৬ জুলাই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

গ্রেপ্তারের পর র‍্যাব জানায়, আশিককে চন্দ্রগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনি অনিশ্চয়তায় পোল্যান্ডে থাকা ইউক্রেনীয় পুরুষরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


আইনি অনিশ্চয়তায় পোল্যান্ডে থাকা ইউক্রেনীয় পুরুষরা

পোল্যান্ডে আশ্রয় নেওয়া হাজার হাজার ইউক্রেনীয় পুরুষ ক্রমশ নিম্নমুখী জীবনযাত্রার পাশাপাশি বাড়তে থাকা অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে গেছেন। দেশে ফিরলে তাদের জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে প্রেরিত হওয়ার এবং মৃত্যুর সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

সামরিক সমাবেশ এড়িয়ে প্রতিবেশী পোল্যান্ডে পালিয়ে যাওয়া ইউক্রেনীয় পুরুষরা এখন যুদ্ধ ও রাজনীতির টানাপোড়েনে আইনি অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।

ওয়ারশ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানাচ্ছে।

এদিকে, পোল্যান্ড ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের বিষয়ে নীতিকে আরো কঠোর করছে। প্রায় ১০ লাখ ইউক্রেনীয় শরণার্থীকে আশ্রয়দাতা পোল্যান্ড মার্চ মাসে যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুতদের জন্য বিশেষ সহায়তা কর্মসূচি বন্ধ করে দিয়েছে। জাতীয়তাবাদী প্রেসিডেন্ট কারোল নাভরোৎস্কি নির্বাচিত হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

এর পর থেকে ইউক্রেনীয়দের জন্য আরও কঠোর নিয়ম কার্যকর হয়েছে। ইউরোপের সবচেয়ে কঠোর অভিবাসন নীতির একটি অনুসরণকারী দেশ পোল্যান্ডে তারা এখন অন্যান্য বিদেশিদের মতো নিয়মের আওতায় রয়েছেন।

অন্যদিকে, রাশিয়ার হামলার পঞ্চম বছরে আরও বেশি পুরুষকে সেনাবাহিনীতে নেওয়ার জন্য কিয়েভ চাপ বৃদ্ধি করছে।

ওয়ারশের উপকণ্ঠে একটি হোস্টেলে অবস্থানরত কিশোর দিমিত্রো দেশে ফিরে যেতে চান। ১৮ বছর বয়সী দিমিত্রো এএফপিকে বলেন, 'যদি আমি পারতাম, তবে এখনই ব্যাগ গুছিয়ে হেঁটে ইউক্রেনে ফিরে যেতাম। কিন্তু সেখানে আমার ভবিষ্যৎ নেই।'

দিমিত্রো ১৭ বছর বয়সে নিজের শহর থেকে চলে আসেন। দুই পক্ষের চলমান যুদ্ধক্ষেত্রে ইতোমধ্যে কয়েক লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন। তিনি দেশ ছাড়েন যেহেতু তাকে সেই যুদ্ধে পাঠানো হতে পারে—এই ভয়ে।

তিনি বলেন, 'আমি মনে করেছিলাম, ১৮ বছর হওয়ার আগে যদি আমি দেশ না ছাড়ি, তাহলে আমার আর রক্ষা থাকবে না।'

বর্তমানে তিনি পোল্যান্ডের রাজধানীর বাইরে একটি হোস্টেলে অবস্থান করছেন। সেখানে আনুমানিক আরও ১০০ ইউক্রেনীয় পুরুষ রয়েছেন। তাদের অধিকাংশই কারখানা, গুদামঘর এবং পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। তাদের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তা দ্বারা ঢাকা।

বর্ণবাদবিরোধী পোলিশ সংগঠন 'নেভার এগেইন'-এর প্রতিনিধি আনা তাতার বলেছেন, 'এটি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের ওপর আঘাত হানছে। পোলিশ রাষ্ট্রের জন্য এটি গভীর লজ্জার বিষয়।'

যুদ্ধক্ষেত্র এড়িয়ে আসা পুরুষদের অবস্থা সবচেয়ে বেশি অনিশ্চিত। অতীতে পোল্যান্ড বলেছিল, তাদের কোনো সুরক্ষা দেওয়া উচিত নয়।

দিমিত্রোর সাথে একই হোস্টেলে থাকা ভলোদিমির তিন বছর আগে সামরিক সমাবেশ এড়াতে অবৈধভাবে পোল্যান্ডে প্রবেশ করেন। অন্য অনেকের মতো ৫০ বছর বয়সী তিনিও এখন বসবাসের অনুমতির আবেদনের ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন।

তিনি জানালেন, 'আমি উদ্বিগ্ন। কারণ এরপর কী হবে, তা কেউ জানে না।'

প্রতি মাসে প্রায় ৩০ হাজার পুরুষকে সেনাবাহিনীতে নেওয়া ইউক্রেনও নিয়ম আরও কঠোর করছে।

পোল্যান্ডে কর্মরত ইউক্রেনীয় একটি আইন প্রতিষ্ঠানের সদস্য ভিক্টোরিয়া করঝোভা জানান, মার্চ মাস থেকে নিজেদের অবস্থান বৈধ করার বিষয়ে সহায়তা প্রাপ্তির জন্য ইউক্রেনীয়দের সংখ্যা বেড়ে গেছে।

'প্রাণ হারানোর ঝুঁকি'—গত মাসে ইউরোপীয় কমিশন ২৩ থেকে ৬০ বছর বয়সী ইউক্রেনীয় পুরুষদের অস্থায়ী সুরক্ষা কর্মসূচির বাইরে রাখার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলেছে, ইউক্রেনের অনুরোধেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে ইউক্রেনীয় অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আন্দ্রি গাইদুতস্কি মনে করেন, এর ফলে ইউক্রেনীয় পুরুষরা ইউরোপে দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের অনুমতির জন্য আরও বেশি আবেদন করতে উত্সাহিত হবেন।

তিনি জানিয়েছেন, 'আগে মানুষ অর্থনৈতিক কারণে দেশ ছাড়তে বাধ্য হতো। এখন অনেক পুরুষ জীবন বা স্বাস্থ্য হারানোর ঝুঁকির কারণে দেশ ছাড়া হচ্ছে।'

কেউ কেউ যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালানোর জন্য জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে রেখে কার্পাথিয়ান পর্বতমালা অতিক্রম করেছেন। কেউ রোমানিয়ায় যাওয়ার জন্য নদী সাঁতরে পার হয়েছেন। আবার কারও কাছে আইনগত ছাড় থাকায় তারা ইউক্রেন ছাড়তে পেরেছেন।

পরিশেষে, তাদের অনিশ্চয়তা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে কিয়েভের একটি সিদ্ধান্তের কারণে। গত বছর থেকে বিদেশে থাকা পুরুষদের সামরিক নথি হালনাগাদ না করলে কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হচ্ছে না। অনেকেই এই সামরিক সমাবেশের ভয়ে এই কাজটি এড়িয়ে চলছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

না ফেরার দেশে বন্যপ্রাণীপ্রেমী সীতেশ রঞ্জন দেব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ পি.এম


না ফেরার দেশে বন্যপ্রাণীপ্রেমী সীতেশ রঞ্জন দেব

বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং বিশিষ্ট বন্যপ্রাণীপ্রেমী সীতেশ রঞ্জন দেব আর নেই। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে ৯টা ৫ মিনিটে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স ছিল ৮১ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। শ্রীমঙ্গল শহরের রামকৃষ্ণ মিশন সড়কের নিজ বাসায় তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে শ্রীমঙ্গল পলি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ শেষবারের মতো তাঁকে দেখতে তাঁর বাসায় ভিড় করেন। পরে তাঁর মরদেহ বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে নিয়ে আসা হলে সেখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শ্রদ্ধা জানান। এরপর শেষকৃত্যের জন্য তাঁর মরদেহ নয়াগাঁও গ্রামের পারিবারিক শ্মশানঘাটে নেওয়া হয়।

সীতেশ রঞ্জন দেব চার দশকেরও বেশি সময় ধরে আহত, অসুস্থ ও বিপন্ন বন্যপ্রাণী উদ্ধার, চিকিৎসা, পরিচর্যা, পুনর্বাসন এবং সুস্থ হওয়ার পর তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়ার কাজে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এই প্রতিষ্ঠানটি অসংখ্য বিরল ও বিপন্ন বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে আসছে।

প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে তাঁর অসামান্য অবদান, অক্লান্ত পরিশ্রম এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে পরিবেশবাদীরা মনে করেন। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে তাঁর কর্মনিষ্ঠা এবং অবদান দেশের পরিবেশ আন্দোলনে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে।

তাঁর মৃত্যুতে সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এছাড়া সীতেশ রঞ্জন দেবের মৃত্যুতে শ্রীমঙ্গলসহ দেশের পরিবেশবাদী, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, তাঁর মৃত্যুতে দেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আন্দোলনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরকীয়ার জেরে স্বামী হত্যা, স্ত্রী-প্রেমিকসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৪ পি.এম


পরকীয়ার জেরে স্বামী হত্যা, স্ত্রী-প্রেমিকসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

কুড়িগ্রামে পরকীয়ার সম্পর্কের কারণে স্বামী কেতাব উদ্দিনকে হত্যার ঘটনায় স্ত্রী, তার প্রেমিক ও শ্বশুর-শাশুড়িসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন, ফুলবাড়ী উপজেলার গোড়কমণ্ডল গ্রামের নুর নাহার, তার প্রেমিক গফুর, নুর নাহারের বাবা নুর মোহাম্মদ এবং মা ছকিনা বেগম।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০০৬ সালের ১৮ এপ্রিল নুর নাহার ডেকে এনে কৌশলে তার স্বামী কেতাব উদ্দিনকে পাশের গ্রামের প্রেমিক গফুরের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে নুর নাহার, তার বাবা-মা ও প্রেমিক গফুর পরিকল্পনা করে কেতাব উদ্দিনকে হত্যা করেন। পরে মরদেহটি বাড়ির পাশে অবস্থিত একটি জমিতে ফেলে রাখা হয়।

ঘটনার পরদিন ১৯ এপ্রিল নিহতের বাবা আলী মুদ্দিন বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে ফুলবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারক কার্যক্রম ও সাক্ষ্য-প্রমাণগুলোর পর্যালোচনা শেষে আদালত চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে নির্দেশ দেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন আলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%