ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পরকীয়ার জেরে স্বামী হত্যা, স্ত্রী-প্রেমিকসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড


পরকীয়ার জেরে স্বামী হত্যা, স্ত্রী-প্রেমিকসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

কুড়িগ্রামে পরকীয়ার সম্পর্কের কারণে স্বামী কেতাব উদ্দিনকে হত্যার ঘটনায় স্ত্রী, তার প্রেমিক ও শ্বশুর-শাশুড়িসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন, ফুলবাড়ী উপজেলার গোড়কমণ্ডল গ্রামের নুর নাহার, তার প্রেমিক গফুর, নুর নাহারের বাবা নুর মোহাম্মদ এবং মা ছকিনা বেগম।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০০৬ সালের ১৮ এপ্রিল নুর নাহার ডেকে এনে কৌশলে তার স্বামী কেতাব উদ্দিনকে পাশের গ্রামের প্রেমিক গফুরের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে নুর নাহার, তার বাবা-মা ও প্রেমিক গফুর পরিকল্পনা করে কেতাব উদ্দিনকে হত্যা করেন। পরে মরদেহটি বাড়ির পাশে অবস্থিত একটি জমিতে ফেলে রাখা হয়।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

ঘটনার পরদিন ১৯ এপ্রিল নিহতের বাবা আলী মুদ্দিন বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে ফুলবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারক কার্যক্রম ও সাক্ষ্য-প্রমাণগুলোর পর্যালোচনা শেষে আদালত চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে নির্দেশ দেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন আলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সত্তরোর্ধ্ব প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সম্মাননা জানাবে ফরিদাবাদ মাদরাসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ পি.এম


সত্তরোর্ধ্ব প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সম্মাননা জানাবে ফরিদাবাদ মাদরাসা

ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলূম ফরিদাবাদের বহুল প্রতীক্ষিত ‘৭০ সালা দস্তারবন্দি মহাসম্মেলন’ নতুন তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

অনিবার্য কারণে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি পরিবর্তন করে আগামী ১২ ও ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি, মোতাবেক ২৩ ও ২৪ নভেম্বর ২০২৬ (সোম ও মঙ্গলবার) এবং ৮ ও ৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দে এই ঐতিহাসিক মহাসম্মেলনের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।

দুই দিনব্যাপী এ মহাসম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণ হবে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে গত ৭০ বছরে (১৯৫৬-২০২৬) জামিয়া থেকে শিক্ষা সমাপ্তকারী হাফেজ, কারি, আলেম ও মুফতিদের সম্মাননা পাগড়ি (দস্তার) প্রদান। দীর্ঘ সাত দশকের শিক্ষা-ঐতিহ্যকে স্মরণীয় করে রাখতে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন গ্রহণ করা হয়েছে।

মহাসম্মেলনে দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত উলামায়ে কেরাম অংশগ্রহণ করবেন। তাঁদের উপস্থিতিতে দ্বীনি শিক্ষা, সমসাময়িক বৈশ্বিক ও জাতীয় নানা ইস্যু, মুসলিম উম্মাহর চ্যালেঞ্জ এবং ইসলামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে, মহাসম্মেলনকে ঘিরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত জামিয়ার প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের (আবনা ও ফুযালা) মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ জোরদার, ঐক্য সুদৃঢ় এবং জামিয়ার আদর্শ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে ‘তানযিমে আবনায়ে জামিয়া ফরিদাবাদ’ নামে একটি সংগঠন গঠন করা হয়েছে।

সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক জুবায়ের মুহিউদ্দীন জানান, মহাসম্মেলনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ৯ জুলাই বর্ষভিত্তিক প্রতিনিধি ও গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের নিয়ে এক বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আগামী ২৩ ও ২৪ নভেম্বরের মহাসম্মেলন সফল করতে জামিয়ার বর্তমান ও সাবেক সব শিক্ষার্থীকে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শাইখুল হাদিস মাওলানা আব্দুল কুদ্দুছ, মুফতি আবু সাঈদ, জাতীয় সিরাত কমিটির সভাপতি মুফতি ইমাদুদ্দীন, তানযিমে আবনায়ে জামিয়া ফরিদাবাদের সদস্যসচিব ও ইসলামী আলোচক মাওলানা হাসান জামিলসহ বিভিন্ন বর্ষের প্রতিনিধিরা।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত জামিয়ার শুভানুধ্যায়ী, মুহিব্বীন এবং আবনা-ফুজালায়ে কিরামের কাছে মহাসম্মেলনের সফল আয়োজনের জন্য দোয়া, সার্বিক সহযোগিতা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কামনা করা হয়েছে।

পাশাপাশি আগামী ১০ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীর প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে।

দীর্ঘ সাত দশকের শিক্ষা, ত্যাগ ও ইলমি ঐতিহ্যের স্মারক হয়ে উঠতে যাচ্ছে এই ‘৭০ সালা দস্তারবন্দি মহাসম্মেলন’, যা প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা এবং নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক অনন্য আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নামে ভুয়া ফেসবুক পেজ-গ্রুপ থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নামে ভুয়া ফেসবুক পেজ-গ্রুপ থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নাম ও লোগো বা পরিচয় ব্যবহার করে ফেসবুকে চালানো হচ্ছে একাধিক পেজ এবং গ্রুপ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জরুরি সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে এ বিষয়ে। একই সঙ্গে, এসব পেজ এবং গ্রুপের প্রকাশিত তথ্য থেকে সতর্ক থাকার জন্য সকলকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ডিসিইউর রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যাচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নাম, লোগো বা পরিচয় ব্যবহার করে একাধিক পেজ এবং গ্রুপ পরিচালিত হচ্ছে, যা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমানে কোনো অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ, গ্রুপ কিংবা অন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট নেই।

আরো বলা হয়েছে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নামে পরিচালিত সকল ফেসবুক পেজ ও গ্রুপ পুরোপুরি অননুমোদিত। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এসবের কোনো সম্পর্ক নেই। তাই, এ ধরনের পেজ বা গ্রুপে প্রকাশিত তথ্য সম্পর্কে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো অফিসিয়াল তথ্য জানার জন্য নির্দিষ্ট একটি ওয়েবসাইট অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন সড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


তিন সড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

কুমিল্লা শহরের টমছম ব্রিজ থেকে কোটবাড়ি বিশ্বরোডের কাশিনাথপুরের দিদার মার্কেট এলাকায় অবস্থিত এই সড়কগুলো প্রায় পাঁচ বছর ধরে বিধ্বস্ত। শহরের ব্যস্ততম তিনটি সড়ক হলো: কুমিল্লা নগরীর টমছম ব্রিজ-কোটবাড়ি বিশ্বরোড, কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন সড়ক, এবং ধর্মপুর-ঝাঁগুরঝুলি সড়ক।

এই সড়কগুলি কুমিল্লা শহরের প্রবেশমুখও। যদিও দীর্ঘদিন ধরে বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে এগুলো। ফলে, যানবাহন চলাচলের জন্য সড়কগুলো বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের মতে, বৃষ্টির সময় খানাখন্দে ভরা এই সড়কে পানি জমে যায়। তখন সড়কগুলোকে মনে হয় একেকটি ছোটখাটো ডোবা। যেখানে পিচের কোনো অস্তিত্বই নেই এবং ইট-পাথরের খোয়া উঠে গেছে।

এছাড়া, বড় গর্তের কারণে প্রতিদিন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারীরা। বিশেষভাবে রোগীরা নানান সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে সড়কগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, অসংখ্য খানাখন্দ সড়কের বিভিন্ন অংশে রয়েছে। অল্প বৃষ্টিতেই এই গর্তগুলো পানিতে ভরে যায়। কোথাও সড়কের অংশ আর কোথাও গর্ত, তা বোঝার কোনো উপায় নেই।

হালিমানগর ও দৌলতপুর মোড় এলাকার বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিন দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে এই সড়কগুলোতে পথচারী ও হাজার হাজার শিক্ষার্থী চলাচল করছে। গত পাঁচ বছর ধরে এই অবস্থা চলমান। সরেজমিনে দেখা যায়, কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে সড়কের অবস্থা আরও ভয়াবহ। ফলে, প্রতিদিন হাসপাতালের চিকিৎসা নিতে আসা হাজার হাজার রোগী ও তাদের স্বজনরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, ভাঙাচোরা সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় অ্যাম্বুল্যান্সের গতি কমে যাওয়ায় জরুরি রোগী পরিবহনেও বিঘ্ন ঘটছে। এছাড়া, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড), কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, কুমিল্লা সেনানিবাস, বর্ষাকালে জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগের স্বীকার হচ্ছেন।

কোটবাড়ি এলাকার সিএনজিচালক গোলাম মোস্তফা ও মো. ইয়াসিন মিয়া জানান, গাড়িতে যাত্রী উঠলে গালাগালি করতে থাকে। কারণ, প্রতিদিন গর্তে পড়ে গাড়ির যন্ত্রপাতি কোনো না কোনোভাবে নষ্ট হচ্ছে। গত তিন বছর ধরে সড়কটি এই অবস্থায় রয়েছে, যেখানে মাঝে কিছু ভাঙা ইট-কংক্রিট দেওয়া হয়েছিল, अब সেগুলোও বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে।

কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘চোখের সামনে দেখছি হাজার হাজার রোগী ও তাদের স্বজনদের ভোগান্তি। কিন্তু করার কিছু নেই।’ সড়কগুলো এমন গুরুত্বপূর্ণ হলেও, তা সংস্কার করা হচ্ছে না বলে তিনি জানান।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফারহানা ইয়াসমিন জানিয়েছেন, প্রতিদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি বাস শিক্ষার্থীদের নিয়ে টমছম ব্রিজ থেকে কোটবাড়ি সড়কে চলাচল করে। কিন্তু সড়কের অবস্থা এত খারাপ যে, বাসগুলো চলাচল করতেও ভয় পায়। তিনি বলেন, ‘মানুষের এই দুর্ভোগ কবে শেষ হবে জানি না।’

কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেছেন, ‘টমছম ব্রিজ থেকে কোটবাড়ি বিশ্বরোড পর্যন্ত সাড়ে চার কিলোমিটার সড়কসহ এ বেহাল সড়কগুলো সংস্কারের জন্য টেন্ডারের আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বরাদ্দ এলে সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুন মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৬৩ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


জুন মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৬৩ জনের মৃত্যু

জুন মাসে সারা দেশে ৫৩২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৬৩ জন নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে আহত হয়েছেন ১ হাজার ৩২৩ ব্যক্তি।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে যে, এই মাসে রেলপথে ৫৩টি দুর্ঘটনায় ৪৫ জন মারা গেছেন এবং ৮ জন আহত হয়েছেন। নৌপথে ঘটেছে ৫টি দুর্ঘটনা, যাতে নিহত হয়েছেন ৫ জন এবং আহত ০৫ জন। সড়ক, রেল ও নৌ-পথ মিলিয়ে মোট ৫৯০টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৫১৩ জন।

এ সব দুর্ঘটনায় আহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ হাজার ৩৩৬ জন।

দেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংগঠনটি তাদের রিপোর্ট তৈরি করেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সময়কালের মধ্যে ১৭২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৭৩ জন মারা গেছেন এবং ১৩২ জন আহত হয়েছেন। মোট দুর্ঘটনার ৩২.৩৩ শতাংশ, নিহতের মধ্যে ৩৭.৩৬ শতাংশ ও আহতদের ৯.৯৭ শতাংশ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা থেকে এসেছে। জুন মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা দেখা গেছে চট্টগ্রাম বিভাগে।

এ বিভাগে ১২৮টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে, যাতে ১২৬ জন নিহত ও ৩৭৩ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ময়মনসিংহ বিভাগে সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে; সেখানে ২৫টি দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত ও ৩৫ জন আহত হয়েছেন।

সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী প্রকাশিত এক বার্তায় জানান, সড়কে দুর্ঘটনার শিকারদের মধ্যে ২২ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ১১৬ জন চালক, ৮২ জন পথচারী, ২৯ জন পরিবহন শ্রমিক, ৮৭ জন শিক্ষার্থী, ১০ জন শিক্ষক, ৫২ জন নারী, ৫৫ জন শিশু, ১ জন সাংবাদিক, ১ জন প্রকৌশলী এবং ১০ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী রয়েছেন। তাদের মধ্যে নিহত হয়েছেন ২ জন পুলিশ সদস্য, ১ জন সেনাবাহিনী সদস্য, ১ জন প্রকৌশলী, ১১১ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ৭১ জন পথচারী, ৪৫ জন নারী, ৪৭ জন শিশু, ৬০ জন শিক্ষার্থী, ১১ জন পরিবহন শ্রমিক, ১০ জন শিক্ষক এবং ০৯ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।

এই সময়ে সড়ক দুর্ঘটনার ৭৯৫টি যানবাহন শনাক্ত করা হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, ২৬.৭৯ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৫.২৮ শতাংশ ট্রাক-পিকাপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৭.৩৫ শতাংশ বাস, ১৪.৯৬ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিক্সা ও ইজিবাইক, ৫.২৮ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ৪.১৫ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা এবং ৬.১৬ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস এই সব দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে।

সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ২৭.৬৩ শতাংশ গাড়ি চাপা বা ধাক্কা দেওয়ার কারণে, ৪৩.২৩ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলস্বরূপ, ২০.৬৭ শতাংশ গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যাওয়ার কারণে, ৭.১৪ শতাংশ বিবিধ কারণে ঘটেছে, ০.১৮ শতাংশ চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে এবং ১.১২ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনের সংঘর্ষে হয়েছে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে যে, এই মাসে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪৪.৭৩ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২৮.৩৮ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে এবং ২০.৬৭ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এছাড়া সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৪.১৩ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.৯৩ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ১.১২ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে ঘটেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%