ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আইনি অনিশ্চয়তায় পোল্যান্ডে থাকা ইউক্রেনীয় পুরুষরা


আইনি অনিশ্চয়তায় পোল্যান্ডে থাকা ইউক্রেনীয় পুরুষরা

পোল্যান্ডে আশ্রয় নেওয়া হাজার হাজার ইউক্রেনীয় পুরুষ ক্রমশ নিম্নমুখী জীবনযাত্রার পাশাপাশি বাড়তে থাকা অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে গেছেন। দেশে ফিরলে তাদের জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে প্রেরিত হওয়ার এবং মৃত্যুর সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

সামরিক সমাবেশ এড়িয়ে প্রতিবেশী পোল্যান্ডে পালিয়ে যাওয়া ইউক্রেনীয় পুরুষরা এখন যুদ্ধ ও রাজনীতির টানাপোড়েনে আইনি অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।

ওয়ারশ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানাচ্ছে।

আরও পড়ুন: নাগরিক সমাজের আহ্বান, সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনে পরামর্শ ও সংস্কার প্রয়োজন

এদিকে, পোল্যান্ড ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের বিষয়ে নীতিকে আরো কঠোর করছে। প্রায় ১০ লাখ ইউক্রেনীয় শরণার্থীকে আশ্রয়দাতা পোল্যান্ড মার্চ মাসে যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুতদের জন্য বিশেষ সহায়তা কর্মসূচি বন্ধ করে দিয়েছে। জাতীয়তাবাদী প্রেসিডেন্ট কারোল নাভরোৎস্কি নির্বাচিত হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

এর পর থেকে ইউক্রেনীয়দের জন্য আরও কঠোর নিয়ম কার্যকর হয়েছে। ইউরোপের সবচেয়ে কঠোর অভিবাসন নীতির একটি অনুসরণকারী দেশ পোল্যান্ডে তারা এখন অন্যান্য বিদেশিদের মতো নিয়মের আওতায় রয়েছেন।

অন্যদিকে, রাশিয়ার হামলার পঞ্চম বছরে আরও বেশি পুরুষকে সেনাবাহিনীতে নেওয়ার জন্য কিয়েভ চাপ বৃদ্ধি করছে।

ওয়ারশের উপকণ্ঠে একটি হোস্টেলে অবস্থানরত কিশোর দিমিত্রো দেশে ফিরে যেতে চান। ১৮ বছর বয়সী দিমিত্রো এএফপিকে বলেন, 'যদি আমি পারতাম, তবে এখনই ব্যাগ গুছিয়ে হেঁটে ইউক্রেনে ফিরে যেতাম। কিন্তু সেখানে আমার ভবিষ্যৎ নেই।'

আরও পড়ুন: নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে দুই রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে শান্তিরক্ষা ও মানবাধিকার আলোচনা

দিমিত্রো ১৭ বছর বয়সে নিজের শহর থেকে চলে আসেন। দুই পক্ষের চলমান যুদ্ধক্ষেত্রে ইতোমধ্যে কয়েক লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন। তিনি দেশ ছাড়েন যেহেতু তাকে সেই যুদ্ধে পাঠানো হতে পারে—এই ভয়ে।

তিনি বলেন, 'আমি মনে করেছিলাম, ১৮ বছর হওয়ার আগে যদি আমি দেশ না ছাড়ি, তাহলে আমার আর রক্ষা থাকবে না।'

বর্তমানে তিনি পোল্যান্ডের রাজধানীর বাইরে একটি হোস্টেলে অবস্থান করছেন। সেখানে আনুমানিক আরও ১০০ ইউক্রেনীয় পুরুষ রয়েছেন। তাদের অধিকাংশই কারখানা, গুদামঘর এবং পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। তাদের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তা দ্বারা ঢাকা।

বর্ণবাদবিরোধী পোলিশ সংগঠন 'নেভার এগেইন'-এর প্রতিনিধি আনা তাতার বলেছেন, 'এটি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের ওপর আঘাত হানছে। পোলিশ রাষ্ট্রের জন্য এটি গভীর লজ্জার বিষয়।'

আরও পড়ুন: ইরানে হামলার প্রস্তুতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটি থেকে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

যুদ্ধক্ষেত্র এড়িয়ে আসা পুরুষদের অবস্থা সবচেয়ে বেশি অনিশ্চিত। অতীতে পোল্যান্ড বলেছিল, তাদের কোনো সুরক্ষা দেওয়া উচিত নয়।

দিমিত্রোর সাথে একই হোস্টেলে থাকা ভলোদিমির তিন বছর আগে সামরিক সমাবেশ এড়াতে অবৈধভাবে পোল্যান্ডে প্রবেশ করেন। অন্য অনেকের মতো ৫০ বছর বয়সী তিনিও এখন বসবাসের অনুমতির আবেদনের ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন।

তিনি জানালেন, 'আমি উদ্বিগ্ন। কারণ এরপর কী হবে, তা কেউ জানে না।'

প্রতি মাসে প্রায় ৩০ হাজার পুরুষকে সেনাবাহিনীতে নেওয়া ইউক্রেনও নিয়ম আরও কঠোর করছে।

আরও পড়ুন: প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে এক্সপ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ

পোল্যান্ডে কর্মরত ইউক্রেনীয় একটি আইন প্রতিষ্ঠানের সদস্য ভিক্টোরিয়া করঝোভা জানান, মার্চ মাস থেকে নিজেদের অবস্থান বৈধ করার বিষয়ে সহায়তা প্রাপ্তির জন্য ইউক্রেনীয়দের সংখ্যা বেড়ে গেছে।

'প্রাণ হারানোর ঝুঁকি'—গত মাসে ইউরোপীয় কমিশন ২৩ থেকে ৬০ বছর বয়সী ইউক্রেনীয় পুরুষদের অস্থায়ী সুরক্ষা কর্মসূচির বাইরে রাখার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলেছে, ইউক্রেনের অনুরোধেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে ইউক্রেনীয় অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আন্দ্রি গাইদুতস্কি মনে করেন, এর ফলে ইউক্রেনীয় পুরুষরা ইউরোপে দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের অনুমতির জন্য আরও বেশি আবেদন করতে উত্সাহিত হবেন।

আরও পড়ুন: মিরপুরে কিশোর গ্যাংয়ের হোতা তিন ভাই গ্রেফতার

তিনি জানিয়েছেন, 'আগে মানুষ অর্থনৈতিক কারণে দেশ ছাড়তে বাধ্য হতো। এখন অনেক পুরুষ জীবন বা স্বাস্থ্য হারানোর ঝুঁকির কারণে দেশ ছাড়া হচ্ছে।'

কেউ কেউ যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালানোর জন্য জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে রেখে কার্পাথিয়ান পর্বতমালা অতিক্রম করেছেন। কেউ রোমানিয়ায় যাওয়ার জন্য নদী সাঁতরে পার হয়েছেন। আবার কারও কাছে আইনগত ছাড় থাকায় তারা ইউক্রেন ছাড়তে পেরেছেন।

পরিশেষে, তাদের অনিশ্চয়তা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে কিয়েভের একটি সিদ্ধান্তের কারণে। গত বছর থেকে বিদেশে থাকা পুরুষদের সামরিক নথি হালনাগাদ না করলে কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হচ্ছে না। অনেকেই এই সামরিক সমাবেশের ভয়ে এই কাজটি এড়িয়ে চলছেন।

আরও পড়ুন: ভারতের একক বৃহত্তম তেল শোধনাগার পরিদর্শনে রুবিও, কিন্তু কেন?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

না ফেরার দেশে বন্যপ্রাণীপ্রেমী সীতেশ রঞ্জন দেব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ পি.এম


না ফেরার দেশে বন্যপ্রাণীপ্রেমী সীতেশ রঞ্জন দেব

বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং বিশিষ্ট বন্যপ্রাণীপ্রেমী সীতেশ রঞ্জন দেব আর নেই। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে ৯টা ৫ মিনিটে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স ছিল ৮১ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। শ্রীমঙ্গল শহরের রামকৃষ্ণ মিশন সড়কের নিজ বাসায় তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে শ্রীমঙ্গল পলি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ শেষবারের মতো তাঁকে দেখতে তাঁর বাসায় ভিড় করেন। পরে তাঁর মরদেহ বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে নিয়ে আসা হলে সেখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শ্রদ্ধা জানান। এরপর শেষকৃত্যের জন্য তাঁর মরদেহ নয়াগাঁও গ্রামের পারিবারিক শ্মশানঘাটে নেওয়া হয়।

সীতেশ রঞ্জন দেব চার দশকেরও বেশি সময় ধরে আহত, অসুস্থ ও বিপন্ন বন্যপ্রাণী উদ্ধার, চিকিৎসা, পরিচর্যা, পুনর্বাসন এবং সুস্থ হওয়ার পর তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়ার কাজে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এই প্রতিষ্ঠানটি অসংখ্য বিরল ও বিপন্ন বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে আসছে।

প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে তাঁর অসামান্য অবদান, অক্লান্ত পরিশ্রম এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে পরিবেশবাদীরা মনে করেন। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে তাঁর কর্মনিষ্ঠা এবং অবদান দেশের পরিবেশ আন্দোলনে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে।

তাঁর মৃত্যুতে সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এছাড়া সীতেশ রঞ্জন দেবের মৃত্যুতে শ্রীমঙ্গলসহ দেশের পরিবেশবাদী, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, তাঁর মৃত্যুতে দেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আন্দোলনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরকীয়ার জেরে স্বামী হত্যা, স্ত্রী-প্রেমিকসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৪ পি.এম


পরকীয়ার জেরে স্বামী হত্যা, স্ত্রী-প্রেমিকসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

কুড়িগ্রামে পরকীয়ার সম্পর্কের কারণে স্বামী কেতাব উদ্দিনকে হত্যার ঘটনায় স্ত্রী, তার প্রেমিক ও শ্বশুর-শাশুড়িসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন, ফুলবাড়ী উপজেলার গোড়কমণ্ডল গ্রামের নুর নাহার, তার প্রেমিক গফুর, নুর নাহারের বাবা নুর মোহাম্মদ এবং মা ছকিনা বেগম।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০০৬ সালের ১৮ এপ্রিল নুর নাহার ডেকে এনে কৌশলে তার স্বামী কেতাব উদ্দিনকে পাশের গ্রামের প্রেমিক গফুরের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে নুর নাহার, তার বাবা-মা ও প্রেমিক গফুর পরিকল্পনা করে কেতাব উদ্দিনকে হত্যা করেন। পরে মরদেহটি বাড়ির পাশে অবস্থিত একটি জমিতে ফেলে রাখা হয়।

ঘটনার পরদিন ১৯ এপ্রিল নিহতের বাবা আলী মুদ্দিন বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে ফুলবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারক কার্যক্রম ও সাক্ষ্য-প্রমাণগুলোর পর্যালোচনা শেষে আদালত চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে নির্দেশ দেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন আলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সত্তরোর্ধ্ব প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সম্মাননা জানাবে ফরিদাবাদ মাদরাসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ পি.এম


সত্তরোর্ধ্ব প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সম্মাননা জানাবে ফরিদাবাদ মাদরাসা

ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলূম ফরিদাবাদের বহুল প্রতীক্ষিত ‘৭০ সালা দস্তারবন্দি মহাসম্মেলন’ নতুন তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

অনিবার্য কারণে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি পরিবর্তন করে আগামী ১২ ও ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি, মোতাবেক ২৩ ও ২৪ নভেম্বর ২০২৬ (সোম ও মঙ্গলবার) এবং ৮ ও ৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দে এই ঐতিহাসিক মহাসম্মেলনের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।

দুই দিনব্যাপী এ মহাসম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণ হবে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে গত ৭০ বছরে (১৯৫৬-২০২৬) জামিয়া থেকে শিক্ষা সমাপ্তকারী হাফেজ, কারি, আলেম ও মুফতিদের সম্মাননা পাগড়ি (দস্তার) প্রদান। দীর্ঘ সাত দশকের শিক্ষা-ঐতিহ্যকে স্মরণীয় করে রাখতে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন গ্রহণ করা হয়েছে।

মহাসম্মেলনে দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত উলামায়ে কেরাম অংশগ্রহণ করবেন। তাঁদের উপস্থিতিতে দ্বীনি শিক্ষা, সমসাময়িক বৈশ্বিক ও জাতীয় নানা ইস্যু, মুসলিম উম্মাহর চ্যালেঞ্জ এবং ইসলামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে, মহাসম্মেলনকে ঘিরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত জামিয়ার প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের (আবনা ও ফুযালা) মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ জোরদার, ঐক্য সুদৃঢ় এবং জামিয়ার আদর্শ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে ‘তানযিমে আবনায়ে জামিয়া ফরিদাবাদ’ নামে একটি সংগঠন গঠন করা হয়েছে।

সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক জুবায়ের মুহিউদ্দীন জানান, মহাসম্মেলনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ৯ জুলাই বর্ষভিত্তিক প্রতিনিধি ও গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের নিয়ে এক বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আগামী ২৩ ও ২৪ নভেম্বরের মহাসম্মেলন সফল করতে জামিয়ার বর্তমান ও সাবেক সব শিক্ষার্থীকে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শাইখুল হাদিস মাওলানা আব্দুল কুদ্দুছ, মুফতি আবু সাঈদ, জাতীয় সিরাত কমিটির সভাপতি মুফতি ইমাদুদ্দীন, তানযিমে আবনায়ে জামিয়া ফরিদাবাদের সদস্যসচিব ও ইসলামী আলোচক মাওলানা হাসান জামিলসহ বিভিন্ন বর্ষের প্রতিনিধিরা।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত জামিয়ার শুভানুধ্যায়ী, মুহিব্বীন এবং আবনা-ফুজালায়ে কিরামের কাছে মহাসম্মেলনের সফল আয়োজনের জন্য দোয়া, সার্বিক সহযোগিতা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কামনা করা হয়েছে।

পাশাপাশি আগামী ১০ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীর প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে।

দীর্ঘ সাত দশকের শিক্ষা, ত্যাগ ও ইলমি ঐতিহ্যের স্মারক হয়ে উঠতে যাচ্ছে এই ‘৭০ সালা দস্তারবন্দি মহাসম্মেলন’, যা প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা এবং নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক অনন্য আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নামে ভুয়া ফেসবুক পেজ-গ্রুপ থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নামে ভুয়া ফেসবুক পেজ-গ্রুপ থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নাম ও লোগো বা পরিচয় ব্যবহার করে ফেসবুকে চালানো হচ্ছে একাধিক পেজ এবং গ্রুপ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জরুরি সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে এ বিষয়ে। একই সঙ্গে, এসব পেজ এবং গ্রুপের প্রকাশিত তথ্য থেকে সতর্ক থাকার জন্য সকলকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ডিসিইউর রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যাচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নাম, লোগো বা পরিচয় ব্যবহার করে একাধিক পেজ এবং গ্রুপ পরিচালিত হচ্ছে, যা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমানে কোনো অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ, গ্রুপ কিংবা অন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট নেই।

আরো বলা হয়েছে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নামে পরিচালিত সকল ফেসবুক পেজ ও গ্রুপ পুরোপুরি অননুমোদিত। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এসবের কোনো সম্পর্ক নেই। তাই, এ ধরনের পেজ বা গ্রুপে প্রকাশিত তথ্য সম্পর্কে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো অফিসিয়াল তথ্য জানার জন্য নির্দিষ্ট একটি ওয়েবসাইট অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%