ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শাহজাদপুরে স্কুলশিক্ষিকার স্বামীর বিরুদ্ধে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ


শাহজাদপুরে স্কুলশিক্ষিকার স্বামীর বিরুদ্ধে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

 

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে স্কুলের শিক্ষিকার স্বামীর বিরুদ্ধে ৫ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে রবিবার শাহজাদপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

মামলা এবং ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, শাহজাদপুর উপজেলার রূপবাটি ইউনিয়নের বিলকলমি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ফিরোজা বেগম তার নিজ বাড়ির কিছু কাজের জন্য শিক্ষার্থীদের বাড়িতে ডাকতেন। এই সুযোগে শিক্ষিকা ফিরোজা বেগমের স্বামী গ্রাম ডাক্তার রফিকুল ইসলাম নিজ মোবাইল ফোন থেকে এ্যাডাল্ট ভিডিও দেখাতেন এবং শিক্ষার্থীদের গায়ে অশ্লীলভাবে হাত দিতেন। এভাবে চলতে থাকায় গত ২৮ জুন বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে কৌশলে বাড়িতে কাজ করানোর জন্য ডেকে নিয়ে যায় রফিকুল ইসলাম। তখন বাড়িতে কেউ না থাকায় মুখে গামছা দিয়ে চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং কাউকে বলার জন্য নিষেধ করে। বিষয়টি ওই শিক্ষার্থী ভয়ে চেপে গেছে তবে পুনরায় রফিকুল গত শুক্রবার (৩ জুলাই) ঐ শিক্ষার্থীকে অনৈতিক প্রস্তাব দিলে ঐ শিক্ষার্থী আপত্তি করে। তখন রফিকুল ইসলাম ঐ শিক্ষার্থীকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

আরও পড়ুন: কোম্পানীগঞ্জে কাদের মির্জার অনুসারী শীর্ষ সন্ত্রাসী কেচ্ছা রাসেল গ্রেফতার

ভীত এবং সন্ত্রস্ত ঐ শিক্ষার্থী বাড়িতে এসে সবকিছু তার পরিবারের সদস্যদের জানায়। এরপর শিক্ষার্থীর লোকজন প্রথমে গ্রামের প্রধানদের অবগত করে এবং রবিবার শাহজাদপুর থানায় মামলা দায়ের করে।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ওসি মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, ৫ শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে শাহজাদপুর থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করেছেন। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুরে মাদক ব্যবসায়ীকে ১ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


মধুপুরে মাদক ব্যবসায়ীকে ১ বছরের কারাদণ্ড

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ১ মাদক ব্যবসায়ীকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত
রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে মধুপুর উপজেলার কাকরাইদ এলাকায় স্থানীয় লোকজন মোঃ আল আমিন (২৬) নামে এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করে। খবর পেয়ে মধুপুর থানা অফিসার ইনচার্জ একে এম ফজলুল হক এস আই সেলিম এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনা স্থলে পাঠিয়ে আল আমিনকে আটক করে। এসময় তার নিকট হতে পুলিশ ১৫ পিছ ইয়াবা জব্দ করে এলাকাবাসী ও পুলিশের সহযোগিতায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাকে
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৯(১) খ লঙ্ঘন এর ৩৬(১)(৮) ধারায় ০১ বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।
কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামী আল আমিন দুর্গাপুর গ্রামের মৃত মাজম আলীর ছেলে। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুবায়ের হোসেন।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুবায়ের হোসেন জানান, জনস্বার্থে মাদকের ব্যবহার নির্মূল করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মোবাইল কোর্ট আরও জোরদার করা হবে। মাদকবিরোধী এসব অভিযান সফল করতে তিনি সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে চায়না দুয়ারির আগ্রাসন, হুমকির মুখে দেশীয় মৎস্যসম্পদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


শেরপুরে চায়না দুয়ারির আগ্রাসন, হুমকির মুখে দেশীয় মৎস্যসম্পদ

শেরপুর জেলা সদরসহ পাঁচটি উপজেলায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জালের অবাধ ব্যবহারে দেশীয় মাছের বংশবিস্তার চরম হুমকির মুখে পড়েছে। আষাঢ় মাসজুড়ে যখন দেশীয় প্রজাতির বেশিরভাগ মাছ ডিম ছাড়ে ও বংশবিস্তার করে, ঠিক তখনই নির্বিচারে চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করায় জলজ জীববৈচিত্র্যসহ মৎস্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, জেলা সদরসহ পাঁচটি উপজেলার বিভিন্ন খাল, বিল, নালা ও নদীতে চায়না দুয়ারি বসিয়ে দিনরাত মাছ ধরা হচ্ছে। এসব ফাঁদে শুধু বড় মাছই নয়, রেনু, পোনা ও ডিমওয়ালা মাছও আটকা পড়ছে। যা প্রাকৃতিকভাবে মাছের বংশবিস্তারকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এভাবে বছরের পর বছর নিষিদ্ধ ফাঁদ ব্যবহার হলেও মৎস্য বিভাগের কার্যকর অভিযান না থাকায় অসাধু জেলেরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এতে একদিকে যেমন দেশীয় মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, তেমনি মৎস্যসম্পদের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী, নালিতাবাড়ী ও নকলা এলাকার বাসিন্দারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, "আগে বর্ষাকালে খাল-বিলে প্রচুর দেশীয় মাছ পাওয়া যেত। এখন চায়না দুয়ারির কারণে সব মাছ ধরা পড়ে যাচ্ছে। মাছ ডিম দেওয়ার আগেই ধরে ফেলায় আগের মতো মাছ আর পাওয়া যায় না। এজন্য মৎস্য বিভাগের কার্যকর পদক্ষেপ ও নিয়মিত অভিযান প্রয়োজন।" জনসাধারণের দাবি, চায়না দুয়ারি একবার বসালে পানির ভেতরের প্রায় সব মাছ আটকা পড়ে। এতে কোনো মাছই রক্ষা পায় না। গুটি কয়েক জেলের লাভের জন্য জেলায় দেশীয় মৎস্যসম্পদ ধ্বংস হচ্ছে। তাই চায়না দুয়ারি বন্ধে সরকারিভাবে কঠোর আইন প্রয়োগ জরুরি হয়ে পড়েছে।

মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, চায়না দুয়ারি বা সূক্ষ্ম ফাঁসের অবৈধ জাল ব্যবহারের ফলে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এসব জাল ব্যবহার দেশীয় প্রজাতির মাছের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও সরকার বিভিন্ন সময়ে এ অবৈধ উপকরণ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, কিন্তু গড়বাস্তবে মাঠপর্যায়ে কার্যকারিতা দেখা যায় না বললেই চলে। অভিযোগ উঠেছে, মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে হঠাৎ অভিযান চালানো হলেও জেলেরা কি যেন অদৃশ্য শক্তির ইশারায় পূর্বেই খবর পেয়ে যায়।

জেলা মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, "চায়না দুয়ারি ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা হচ্ছে এবং যেখানে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে অভিযান ভবিষ্যতে জোরদার করা হবে। অবৈধভাবে মাছ শিকারকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবীরা জানান, "মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর। নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি দিয়ে মাছ শিকারের অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করা হবে। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে স্থানীয়দেরও সচেতন হয়ে প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাই।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমতলীতে নারী নেত্রী ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৬ পি.এম


আমতলীতে নারী নেত্রী ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

আমতলী উপজেলা মহিলা বিএনপির স্বঘোষিত নারী নেত্রী মাহমুদা আক্তার হেপী এবং চাওড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মোঃ জুয়েল হাওলাদারের গ্রেপ্তার দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। রবিবার বিকালে তালুকদার বাজারে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভে চাওড়া ইউনিয়নের সহস্রাধিক নারী ও পুরুষ অংশ নেয়। তারা পুলিশ প্রশাসনের কাছে দাবী জানিয়েছে দ্রুত তাদের গ্রেপ্তারের。

জানাগেছে, মাহমুদা আক্তার হেপী আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের পাতাকাটা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আলতাফ হাওলাদারের কন্যা। শেখ হাসিনার পতনের পরপরই তিনি উপজেলা মহিলা বিএনপির স্বঘোষিত নারী নেত্রী হন। এরপর তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব তার চাচা মোঃ জুয়েল হাওলাদারের নেতৃত্বে একটি বাহিনী গড়ে তুলেন। ওই বাহিনী এলাকায় জমি দখল, শালিস বানিজ্য এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম শুরু করে। প্রতিবাদ করলেই তিনি এলাকার মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ঝড়তে ভয়ঙ্কর হয়রানি করেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে হেপীর নেতৃত্বে দেলোয়ার হাওলাদারের জমি দখলের উদ্দেশ্যে যায় জুয়েল ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী।

বাধা দিলে তারা দেলোয়ার হাওলাদার, কোমেলা বিধি ও সোহেল হাওলাদারকে পিটিয়ে জখম করে। তারা যখন আমতলী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যায় তখন তাদেরকে দ্বিতীয় দফায় মারধর করে এবং হাসপাতালে ভর্তি হতে দেয়নি নারী নেত্রী হেপী আক্তার, এমন অভিযোগ করেন দেলোয়ার হাওলাদার। পরে তারা পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। এ ঘটনার পর দেলোয়ারের বোন রিনা বেগম বাদী হয়ে শুক্রবার দুপুরে হত্যা চেষ্টা ও জমি জখল আইনে জুয়েল হাওলাদার এবং নারী নেত্রী হেপী আক্তার সহ ১৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের খবর পাওয়ার পর ওইদিন বিকালে হেপীর নেতৃত্বে জুয়েল হাওলাদারের সন্ত্রাসী বাহিনী দেলোয়ার হাওলাদারের বাড়ীতে হামলা ও লুটপাট করে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, তারা একাধিক ঘটনার মাধ্যমে অত্যাচার করেছে। রবিবার বিকেলে চাওড়া ইউনিয়নের পাতাকাটা এলাকাবাসী তাদের গ্রেপ্তার দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। আবু হানিফ মিয়ার সভাপতিত্বে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন চাঁন মিয়া মল্লিক, সজিব মল্লিক, শিউলী আক্তার ও শাহনাজ পারভীন প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, স্বঘোষিত নারী নেত্রী মাহমুদা আক্তার হেপী ছিলেন আওয়ামী লীগের দোসর। তিনি শেখ হাসিনার পতনের পরে রাতারাতি বিএনপি নেত্রী হয়ে যান। তিনি তার চাচা জুয়েল হাওলাদারের মাধ্যমে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী তৈরি করেন। এই চাচা ও ভাতিজি মিলে এলাকায় জমি দখল, শালিস বানিজ্য, সুদের কারবার এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তাদের যে অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে, তাদের ওপর নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার খড়গ নেমে আসে। দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে, এমন দাবি তুলেছে এলাকাবাসী।

আমতলী উপজেলা মহিলা বিএনপির সভানেত্রী মীরা খান জানান, মাহমুদা আক্তার হেপী মহিলা বিএনপির কেউ নন। তিনি আওয়ামী লীগের দোসর ছিলেন। তিনি শেখ হাসিনার পতনের পর রাতারাতি মহিলা বিএনপির নেত্রী দাবি করেন এবং থানায় দালালি, জমি দখল ও শালিস বানিজ্যসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন। তার এসব অপকর্মের দায়ভার দল নিবে না।

মাহমুদা আক্তার হেপির মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন এবং ফোন বন্ধ করে দেন। আমতলী থানার ওসি মোঃ ইয়াকুব হোসাইন বলেন, একটি ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তিনজন আসামী গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোমস্তাপুরে বিশেষ ক্ষমতা আইন ও মাদক মামলায় ১৩ আসামি গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​মোঃ শাহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৭ পি.এম


গোমস্তাপুরে বিশেষ ক্ষমতা আইন ও মাদক মামলায় ১৩ আসামি গ্রেফতার

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চোরাই গাড়ির যন্ত্রাংশ, হিরোইন ও বৈদ্যুতিক তারসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত সর্বমোট ১৩ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের আজ (রবিবার) প্রয়োজনীয় পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধী দমনে গোমস্তাপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে।
অবৈধ ভারতীয় গাড়ির যন্ত্রাংশসহ ৩ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন মামলা: ০২ গ্রাম হিরোইনসহ হাতেনাতে ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।সরকারি ও জননিরাপত্তামূলক সম্পদ রক্ষায় পুলিশের অভিযানে ১৯ কেজি বৈদ্যুতিক সিলভারের তার উদ্ধারসহ ১ জন চোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া প্রকাশ্য স্থানে মাদক সেবন ও জনবিরক্তি সৃষ্টির অপরাধে পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় ৮ জন মাদক সেবনকারীকে গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) নূরে আলম জানায়, "এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক নির্মূল এবং চুরির সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত মোট ১৩ জন আসামিকে যথাযথ পুলিশি পাহারায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।"

এলাকাবাসী পুলিশের এই ঝটিকা অভিযান ও তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%