১০:০০ এম
কোম্পানীগঞ্জের শীর্ষ সন্ত্রাসী সহিদ উল্যাহ, যিনি কেচ্ছা রাসেল নামে পরিচিত, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি ৮ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এবং বিভিন্ন ঘটনায় অস্ত্র হাতে মহড়া ও হামলার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর জামিনে বের হয়ে ফের সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার নিজ বাড়ী থেকে এসআরবি ও পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে। কেচ্ছা রাসেল বসুরহাট পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের করালিয়া গ্রামের শফি উল্যাহর পুত্র। তিনি সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী বলে জানা গেছে।
তথ্য অনুযায়ী, রাসেলের বিরুদ্ধে ২০০৬ সাল থেকে ২০২১ পর্যন্ত অস্ত্রসহ বিভিন্ন ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানায় মোট ১৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সর্বশেষ ২০২১ সালের ১৩ মে বসুরহাট বাজারে প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের ওপর প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে গুলি চালানোর ঘটনায় তিনি আলোচনায় আসেন।
আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নাসিরনগরে বিএনপির র্যালি, অংশগ্রহণের আহ্বান জামাল আহমদের
সেই সময় আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী হিসেবে তার বিরুদ্ধে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নূর নবী চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শাহ জাহান সাজু, ছাত্রলীগ নেতা করিম উল্যাহ শাকিলসহ অন্তত ২০ জনকে গুলি করে, পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ ও ডিবি তাকে একাধিকবার গ্রেফতার করেছে। সম্প্রতি জামিনে বের হয়ে ফের সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করলে এসআরবি ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারকৃত রাসেলের বিরুদ্ধে বর্তমানে অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিভিন্ন ঘটনায় ১০টি মামলা রয়েছে। আজ রোববার সকালে নোয়াখালীর বিচারিক আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে।
আরও পড়ুন: মধুপুরে টনসিল অপারেশনের পর রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি, আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন