০৭:০১ পি.এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতিসমূহ সংরক্ষণের একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গ্রাফিতির মূল বৈশিষ্ট্য, চেতনা ও তাৎপর্য অক্ষুণ্ন রেখে আগামী ২৬ জুলাই (রবিবার) থেকে এগুলো পুনরায় রংকরণ এবং পুনর্লিখন কার্যক্রম শুরু হবে।
এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী তৎকালীন গ্রাফিতি অঙ্কন শিল্পীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুন: ২০২৮ সাল থেকে এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর প্রস্তুতি শুরু
এতে বলা হয়েছে, আগামী ২৬ জুলাই উপাচার্য ভবন থেকে রোকেয়া হল পর্যন্ত রংকরণ এবং পুনর্লিখনের মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে। কার্যক্রমটি সমন্বয়ের জন্য চারুকলা অনুষদের ডিন, প্রক্টর এবং আরবরিকালচার সেন্টারের পরিচালককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রংকরণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে আগ্রহী শিল্পী এবং শৌখিন শিল্পীদের আগামী ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে নাম এবং ঠিকানা দিয়ে নিবন্ধন করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
এদিকে ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাবিতে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আগামী ২৬ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টায় বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪ : ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষা ও ভবিষ্যতের বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার।
মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরাণী ছাত্রী নিবাসে স্মৃতিচারণা, রচনা প্রতিযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী।
আরও পড়ুন: এসএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তির সুযোগের দাবি
এ ছাড়া বিভিন্ন আবাসিক হল নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচি পালন করবে। অমর একুশে হল আগামী ১ আগস্ট আলোচনা সভার আয়োজন করেছে, যেখানে বিশেষ অতিথি থাকবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। কবি সুফিয়া কামাল হল ৩০ জুলাই মোমবাতি প্রজ্বালন এবং ৩১ জুলাই স্মৃতিচারণা ও নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।
সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ৩১ জুলাই এবং জগন্নাথ হলে আগামী ২ আগস্ট আলোচনাসভা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী এবং প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। শামসুন নাহার হলে ২৬ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক কুইজ, ডকুমেন্টারি প্রদর্শন এবং স্মৃতিচারণামূলক অনুষ্ঠান হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়েছে, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ‘জুলাই স্মৃতিকথন’ শীর্ষক বিশেষ সংকলন প্রকাশ করবে। পাশাপাশি বিজয় একাত্তর হল ২৩ জুলাই, বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ২৪ জুলাই, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল ২৫ জুলাই, রোকেয়া হল ৩০ জুলাই এবং ড. কুদরাত-ই-খুদা হোস্টেল আগামী ৫ আগস্ট জুলাইকেন্দ্রিক অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করবে।
আরও পড়ুন: রিজভী: আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ নেই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন