প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ) চিকিৎসার মাধ্যমে সন্তান ধারণের প্রক্রিয়া যে কতটা শারীরিক এবং মানসিকভাবে বেদনাদায়ক হতে পারে, তা নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুলেছেন বলিউডের অভিনেত্রী তথা সাবেক মডেল তেজস্বিনী কোলহাপুরে। প্রখ্যাত অভিনেত্রী পদ্মিনী কোলহাপুরের ছোট বোন তেজস্বিনী সিদ্ধার্থ কান্নানের একটি পডকাস্টে এসে নিজের জীবনের এই কঠিন লড়াইয়ের দিনগুলোর অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।
তেজস্বিনী জানালেন, মা হওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে মোট পাঁচবার আইভিএফ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এই দীর্ঘ যাত্রায় তিনি প্রায় ১ হাজারটিরও বেশি ইনজেকশন নিয়ে ফেলেছেন। তাকে দুটি গর্ভপাতের নির্মম অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, এই প্রক্রিয়াটি একজন মানুষের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটিয়ে দেয়। প্রথম কয়েকবার আইভিএফের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে পেরে তিনি যে কষ্ট সহ্য করতে হয়েছিল, তা অত্যন্ত কঠিন ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি মানসিকভাবে আরও কঠিন হয়ে ওঠে। প্রতিদিন ক্লিনিকে যাওয়া এবং একের পর এক ইনজেকশন সহ্য করা যে কতটা যন্ত্রণাদায়ক, তা কেবল ভুক্তভোগীরাই উপলব্ধি করতে পারেন। আইভিএফের কারণে তার শারীরিক গঠনেও কিছু পরিবর্তন এসেছে বলেই তিনি জানান।
পারিবারিক জীবন ও ক্যারিয়ারের নানামুখী ব্যস্ততার কারণে তিনি কিছুটা দেরিতে সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তিনি অন্যান্য নারীদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ দেন, যতটা সম্ভব ৩৫ বছর বয়সের আগে সন্তান গ্রহণের চেষ্টা করতে। বারবার ব্যর্থতা এবং মানসিক ভাঙনের পর অবশেষে পঞ্চমবার চেষ্টা করে সফল হন তিনি।
উল্লেখ্য, বিশিষ্ট চিত্রনির্মাতা ও অভিনেতা পঙ্কজ সারস্বতের সাথে তার বিয়ে হয় এবং তেজস্বিনী ২০১৫ সালের ৩০ জানুয়ারি কন্যা সন্তান বেদিকার জন্ম দেন। 'মুঝে চাঁদ চাহিযে' ধারাবাহিক দিয়ে তার ক্যারিয়ার শুরু হয় এবং তিনি 'রাবণ' এবং অগলি’-র মতো স্বাধীন ও আলোচিত সিনেমায় অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন