ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পদ্মা ব্যাংকের সাবেক ৮ কর্মকর্তাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা দায়ের


পদ্মা ব্যাংকের সাবেক ৮ কর্মকর্তাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা দায়ের

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পদ্মা ব্যাংক পিএলসির সাবেক ৮ কর্মকর্তাসহ মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলার ব্যবস্থা নিয়েছে।

অভিযোগ করা হয়েছে, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে এক ব্যক্তির নামে ১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ঋণ মঞ্জুর এবং আত্মসাতের অভিযোগ। এই মামলা আজ দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে দায়ের করা হয়েছে।

দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন, মামলাটির আসামিদের মধ্যে রয়েছেন পদ্মা ব্যাংক পিএলসির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আব্দুল মোতালেব পাটওয়ারী, সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক (এসভিপি) জর্জ কর্নেলিয়াস গমেজ, সাবেক ক্রেডিট ইনচার্জ মো. রাসেল মিয়া, সাবেক ম্যানেজার অপারেশন (এফভিপি) এম আতিফ খালেদ, সাবেক ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আমেনা বেগম, সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শামছুল হাসান ভূঞা, সাবেক ম্যানেজার অপারেশন মাহবুব আহমদ এবং সাবেক ক্রেডিট ইনচার্জ মো. কাওসার হোসেন। এই মামলায় এম এইচ এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মো. মমিনুর রহমান ও মো. অজিত উল্লাহকেও আসামি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

দুদক জানায়, অভিযোগকারীর নামে ১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ঋণ মঞ্জুরের অভিযোগটি অনুসন্ধানের জন্য কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অভিযোগের অনুসন্ধান করতে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং পরিচালককে (ব্যাংক) তদারককারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।

অনুসন্ধান টিমের দাখিল করা প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে কমিশন অভিযোগের বিষয়ে সন্তুষ্ট হয়ে ১০ জনের বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছে। দুদকের মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ১০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারার পাশাপাশি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ধারার উল্লেখ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে বিশাল নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান, মজুত ৭.৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুটেরও বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৭ এম


ইরানে বিশাল নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান, মজুত ৭.৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুটেরও বেশি

বিশ্ব 

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশে একটি গ্যাসক্ষেত্রে ৭ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুটের বেশি প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। এ তথ্য জানিয়েছেন দেশটির তেলমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ।

রোববার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবিকে এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, গ্যাসক্ষেত্রটির উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ প্রায় ৫ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। ৭২ থেকে ৭৩ শতাংশ রিকভারি রেটের ভিত্তিতে এ পরিমাণ হিসাব করা হয়েছে। রিকভারি রেট বলতে কোনো গ্যাস বা তেলক্ষেত্র থেকে বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য অংশ বোঝায়।

যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে ইরানের জ্বালানি খাত যখন চাপে রয়েছে, তখন এই আবিষ্কার দেশটির বিশাল গ্যাস মজুদ আরো বাড়িয়েছে। তবে নতুন গ্যাসক্ষেত্রটির বাণিজ্যিক মূল্য নির্ভর করবে এর উন্নয়নে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি নিশ্চিতের ওপর।

গ্যাস এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ ফোরামের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের প্রমাণিত গ্যাসের মজুদ প্রায় ৩৪ ট্রিলিয়ন ঘনমিটার। এই দিক দিয়ে রাশিয়ার পর ইরান বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রমাণিত গ্যাস মজুদের অধিকারী দেশ।

তবে বিপুল মজুদ থাকা সত্ত্বেও ইরানের জ্বালানি খাত নানা সংকটে রয়েছে। দেশটিতে নিয়মিত গ্যাসের ঘাটতি, বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং শিল্প উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ হামলা শুরু করার পর পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ হয়ে ওঠে। তেহরান জুলাইয়ে জানিয়েছিল যে, জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার কারণে দেশটির দৈনিক গ্যাস উৎপাদন প্রায় ২৩ কোটি ঘনমিটার কমে গেছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই, ইন্ডিয়া টুডে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে দিতে হবে নতুন চার্জ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০৯ এম


ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে দিতে হবে নতুন চার্জ

ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের জন্য অতিরিক্ত একটি চার্জ দাবি করা হয়েছে দেশটির পক্ষ থেকে।

এই নয়া চার্জ প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের বিপরীতে ০.০০৫ ভারতীয় রুপি হারে চাওয়া হয়েছে।

এভাবে নতুন এই চার্জ যুক্ত হলে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে বাংলাদেশের ব্যয় কিছুটা বেড়ে যাবে।

এদিকে চার্জের বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি তৈরির ক্ষেত্রে দেরি হলে, ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করতে সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নতুন করে চুক্তি করতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে।

এ বিষয়ে গত ১৮ আগস্ট অর্থ বিভাগের কাছে একটি চিঠি দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

সেই চিঠিতে বলা হয়েছে, ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি বিদ্যুতের ব্যাপারে নিগম লিমিটেড (এনভিভিএন) এবং বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে একটি সেটেলমেন্ট নোডাল এজেন্সি (এসএনএ) চুক্তি করতে হবে।

যদি চুক্তি করতে দেরি হয়, তবে এনভিভিএনের মাধ্যমে ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

চিঠিতে জানানো হয়েছে, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (সিইআরসি) আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ–বাণিজ্যের জন্য প্রতি ইউনিটে প্রথমে ০.০১ ভারতীয় রুপি চার্জ নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল।

পরে পিডিবির আবেদনের উপর ভিত্তি করে তা কমিয়ে ০.০০৫ রুপি করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ এবং পিডিবির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, এসএনএ চার্জ কোনো বিদ্যুতের দাম নয়; এটি আন্তর্দেশীয় বিদ্যুৎ–বাণিজ্যের গ্রিড অপারেশন এবং আন্তর্দেশীয় বিদ্যুৎ লেনদেন নিষ্পত্তির জন্য খরচ।

এর ফলে খুব বেশি খরচ বাড়বে না। আর এনভিভিএনের সঙ্গে চুক্তি করার মাধ্যমে লেনদেন সহজ হয়ে যাবে এবং এরপর কোনো বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঙ্গে আলাদাভাবে বিল শোধের বিষয় থাকবে না।

বিদ্যুৎ বিভাগের চিঠিতে আরও উল্লেখ রয়েছে যে, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বিদ্যুৎ–বাণিজ্যকে সহজতর করতে গ্রিড-সংক্রান্ত চার্জ নিষ্পত্তির জন্য ভারতের সিইআরসি এই এসএনএ ব্যবস্থা শুরু করেছে।

ভারত থেকে নেপাল এবং ভুটানেও বিদ্যুৎ বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও একই হারে এসএনএ চার্জ নেওয়া হচ্ছে।

পিডিবি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে কোন সময়ে কত বিদ্যুৎ যাবে, তার শিডিউল, মিটার থেকে ব্যবহারের তথ্য নেওয়া, সরবরাহ ও ব্যবহারের হিসাব মেলানো এবং গ্রিড পরিচালনার মতো কাজের খরচ মেটাতেই ভারত এই চার্জ দাবি করেছে।

বর্তমানে একাধিক চুক্তির আওতায় ভারত থেকে মোট দুই হাজার ৬৫৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির সুযোগ রয়েছে, যেখানে এনভিভিএনের মাধ্যমে সরকারি পর্যায়ে এনটিপিসির কেন্দ্র থেকে ২৫০ মেগাওয়াট, দামোদর ভ্যালি করপোরেশন (ডিভিসি) থেকে ৩০০ মেগাওয়াট এবং ত্রিপুরা স্টেট ইলেকট্রিসিটি করপোরেশন থেকে ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির ব্যবস্থা রয়েছে।

এ ছাড়া পিটিসি ইন্ডিয়ার মাধ্যমে বেসরকারি খাত থেকে সেম্বকর্প এনার্জি ইন্ডিয়ার একটি কেন্দ্র থেকে ২০০ মেগাওয়াট এবং সেম্বকর্প থেকে সরাসরি আরও ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি রয়েছে।

সব মিলিয়ে ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের জন্য এনভিভিএন এবং পিডিবির মধ্যে এসএনএ চুক্তি করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে এর বাইরে ভারতের ঝাড়খন্ডের গোড্ডায় নির্মিত আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি আছে।

পিডিবির কর্মকর্তাদের মতে, আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির মধ্যেই এই চার্জের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তাহলে এ বিদ্যুতের জন্য আলাদা করে এসএনএ চুক্তির প্রয়োজন হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নুসরাত হত্যা মামলার রায়কে ঘিকে বাড়তি নিরাপত্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১৮ এম


নুসরাত হত্যা মামলার রায়কে ঘিকে বাড়তি নিরাপত্তা

মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার হাইকোর্টের রায়কে ঘনিষ্ঠভাবে কেন্দ্র করে ফেনীর সোনাগাজীতে নুসরাতের বাড়ি এবং পরিবারের নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। রবিবার থেকে বাড়ির নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, সেই সঙ্গে আশপাশের এলাকায় নজরদারিও আরও বাড়ানো হয়েছে।

সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হাসিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গিয়ে নুসরাতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়টি খোঁজ নেওয়া এবং বাড়ি ও আশপাশের এলাকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নুসরাতের বাড়িতে এর আগেও দুইজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে হাইকোর্টের রায়কে সামনে রেখে নতুন করে আরও সাতজন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ফলে বাড়িটির নিরাপত্তার দায়িত্বে মোট নয়জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন।

নুসরাতের বড় ভাই মো. নোমান বলেন, বাড়িতে তার মা এবং পারিবারিক অন্য সদস্যরা রয়েছেন। বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি তারা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। তারা হাইকোর্টে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মো. আবুল হাসিম বলেছেন, ২০১৯ সালে নুসরাত হত্যাকাণ্ডে মামলার বিচারিক আদালতের রায়ের পর থেকেই পরিবারের নিরাপত্তায় নিয়মিত পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এবার হাইকোর্টের রায়কে কেন্দ্র করে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নুসরাতকে যেভাবে হত্যা করা হয়, তা ঘটেছিল ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল। সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার ছাদে নুসরাতের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতরভাবে দগ্ধ অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল তাঁর মৃত্যু হয়।

এই ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ওই বছরের ২৮ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে ৬১ কার্যদিবসে ৮৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ এবং যুক্তিতর্ক শেষে মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে যায়।

২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নুসরাত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করে। এই রায়ে মাদরাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে প্রেরিত হয়েছে। একই সঙ্গে ডাণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আলাদাভাবে আপিল ও জেল আপিল করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য গঠিত বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চে গত ২৮ জুলাই নুসরাত হত্যা মামলার শুনানি শুরু হয়। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে শুনানি শেষে ২৪ আগস্ট রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করা হয়।

এদিকে রায়কে কেন্দ্র করে নুসরাতের পরিবারের সদস্যদের সতর্ক থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাড়িতে এবং আশপাশের এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি সংকটিপূর্ণভাবে বাড়ানো হয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ায় ব্ল্যাক আগস্ট, তবে গ্রীষ্মের এই সংকট এড়িয়ে যাচ্ছেন পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:২১ এম


রাশিয়ায় ব্ল্যাক আগস্ট, তবে গ্রীষ্মের এই সংকট এড়িয়ে যাচ্ছেন পুতিন

গবেষণা ও সাংবাদিকতার ভাষায় রাশিয়ায় ‘কালো আগস্ট’ বা ‘আগস্টের অভিশাপ’ বলে একটি শব্দ ব্যবহৃত হয়ে আসছে গত কয়েক দশক ধরে। গ্রীষ্মের শেষ সপ্তাহগুলোতে ঘটে যাওয়া বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত এবং নাটকীয় সংকটকে বোঝাতেই মূলত শব্দটি ব্যবহার করা হয়। সাম্প্রতিক ইতিহাস যাচাই করলে দেখা যায়, আগস্ট মাসে রাশিয়ায় সত্যিই বিস্ফোরক ঘটনা ঘটেছে যা প্রত্যাশিত ছিল না।

এই গ্রীষ্মকাল রাশিয়াতে যেন একটি বিষণ্ণ অধ্যায় হিসেবে হাজির হয়েছে। ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর অগ্রগতি সেভাবে চোখে পড়ছে না। বরং, ইউক্রেনের হামলার ফলে তেল শোধনাগার এবং ই-কমার্স গুদামগুলোতে কালো ধোঁয়া উড়ছে। জ্বালানি পাম্পে মানুষের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে এবং নতুন করে সেনা সমাবেশের গুজব ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ জনতার মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

মনে প্রশ্ন উঠছে—এটি কি আরেকটি ‘কালো আগস্ট’? ৩৫ বছর আগে এই আগস্টেই মিখাইল গর্বাচেভের বিরুদ্ধে ব্যর্থ অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল। ১৯৯৮ সালের আগস্টে এ দেশে এক বড় আকারের আর্থিক সংকট দেখা দেয় এবং ১৯৯৯ সালে চেচেন যুদ্ধ শুরু হয়, যা ভ্লাদিমির পুতিনকে ক্ষমতার কেন্দ্রে নিয়ে আসে।

পুতিনের জন্য আগস্ট কখনোই খুবটা স্বস্তির ছিল না। ২০০০ সালের আগস্টে সাবমেরিন ‘কুরস্ক’ ডুবে ১১৮ জন নাবিকের মৃত্যু হল এবং ২০০৮ সালে প্রতিবেশীদের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে দেশটি।

নির্বাসিত ধারাভাষ্যকার ইলিয়া ভারলামভের অভিমত হচ্ছে, অর্থনীতি বর্তমানে বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে। জ্বালানি সমস্যার মুখোমুখি, মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি মানুষের জীবনকে কঠিন করে তুলছে। তবে রাষ্ট্রপ্রধান পুতিন যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। তিনি মনে করেছেন যে, হামলার ফলে অর্থনীতিতে বড় ধরনের কোনো প্রভাব পড়বে না। সরকার দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত গুদাম পুনর্নির্মাণ করবে। কিন্তু সাধারণ জনগণের পকেটে এর প্রভাব যথেষ্ট পড়ছে।

যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা হচ্ছে। সেখানে নির্বাচনের দাবি উঠলেও সামরিক আইন প্রক্রিয়ায় তা আপাতত স্থগিত রয়েছে। তবুও দেশের গণতান্ত্রিক চর্চা সক্রিয় রয়েছে।

অন্যদিকে, পুতিনের দেশে সম্পূর্ণ বিপরীত দৃশ্যমান। বিরোধী রাজনীতিকরা দীর্ঘ সময়ের জন্য কারাদণ্ড পাচ্ছেন এবং নির্বাচনে বাধা দেওয়া হচ্ছে। কারাবন্দী নেতা অ্যালেক্সি নাভালনির মৃত্যুর পর, স্থানীয় সুশীল সমাজ যেন একেবারে নীরব হয়ে পড়েছে। এই ঘটনা কাকতালীয় হলেও সত্য যে, নাভালনিও ২০২০ সালের এক আগস্টেই বিষক্রিয়ার শিকার হয়ে ছিলেন। সব মিলিয়ে, রাশিয়ায় আগস্ট এক কঠিন সময় হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%