ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গাজার দায়িত্ব ছাড়তে চায় কেন হামাস, কী রয়েছে নেপথ্যে?


গাজার দায়িত্ব ছাড়তে চায় কেন হামাস, কী রয়েছে নেপথ্যে?

দশকেরও বেশি সময় ধরে গাজার শাসনভার ছিল ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের নিয়ন্ত্রণে। ৬ জুলাই হামাসের দায়িত্ব নতুন টেকনোক্র্যাট কমিটির কাছে হস্তান্তরের মাধ্যমে গাজার রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ হলো। কিন্তু হামাসের ক্ষমতা ছাড়ার পেছনে রয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। অনেকের ধারণা, এটি কেবল একটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস। হামাস সামরিক সক্ষমতা অক্ষুণ্ন রেখে পরোক্ষভাবে প্রভাব ধরে রাখতে চায়। ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে ফিলিস্তিনি পার্লামেন্ট নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে গাজায় ক্ষমতায় আসে হামাস। তবে নির্বাচনের পরপরই আন্তর্জাতিক চাপ, ইসরাইলের অবরোধ এবং ফাত্তাহ’র সঙ্গে রাজনৈতিক সংঘাত নতুন সংকটের সূচনা করে। ২০০৭ সালে গাজার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এরপর থেকে ইসরাইলের কঠোর অবরোধের কারণে গাজার অর্থনীতি ভেঙে পড়ে এবং লাখো মানুষ মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। অবরোধের মধ্যেই প্রশাসন পরিচালনা করতে হামাস একাধিক বেসামরিক কমিটি গঠন করেছে। ২০১৪ সালে প্রশাসনিক কমিটি, ২০১৮ সালে গভর্নমেন্ট অ্যাকশন ফলো-আপ কমিটি এবং ২০২৩ সালের যুদ্ধ শুরুর পর জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় গঠিত হয় গভর্নমেন্ট ইমার্জেন্সি কমিটি। এই কমিটি হাসপাতাল, আশ্রয়কেন্দ্র, পানি সরবরাহ ও জরুরি সেবার সমন্বয় করছিল। একই সাথে হামাসের শীর্ষ নেতা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী, যার ফলে গাজার প্রশাসনিক কাঠামোও বড় ধরনের রকম ক্ষতির সম্মুখীন হয়। ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাস-ইসরাইল সংঘাত শুরু হওয়ার পর গাজার রাজনৈতিক বাস্তবতা একেবারেই বদলে যায়। যুদ্ধবিরতির পর ২০২৬ সালের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে গঠিত হয় ‘গাজা পিস কাউন্সিল’, এবং এর অধীনে তৈরি হয় ‘ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজা’ নামে একটি টেকনোক্র্যাট প্রশাসনিক কাঠামো। ৬ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের জরুরি প্রশাসনিক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে হামাস এবং নতুন কমিটির কাছে প্রশাসনিক দায়িত্ব হস্তান্তর করে। এই পরিবর্তনকে ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ইসরাইলের দাবি, এটি কেবল প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস। অনেকে মনে করেন, হামাস সামরিক সক্ষমতা অক্ষুণ্ন রেখেই পরোক্ষভাবে তাদের প্রভাব বজায় রাখতে চায়। বিশ্লেষকদের মতে, গাজার দীর্ঘ যুদ্ধ, অবরোধ এবং মানবিক সংকটের বাস্তবতায় প্রশাসন পরিচালনায় একটি বিস্তৃত জাতীয় সমঝোতার প্রয়োজনীয়তা থেকেই এই পরিবর্তন এসেছে। নতুন কমিটির সফলতার ওপর নির্ভর করবে গাজার বিদ্যমান রাজনৈতিক শক্তি, স্থানীয় সমাজ ও প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্সের মানসম্মত ফুটবলের কাছেই হার মানতে হয়েছে মরক্কোকে: ওয়াহবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৯ এম


ফ্রান্সের মানসম্মত ফুটবলের কাছেই হার মানতে হয়েছে মরক্কোকে: ওয়াহবি

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট অর্জন করেছে ফ্রান্স। টানা দুটি বিশ্বকাপে ফ্রান্সের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে মরক্কোকে।

ফ্রান্সের মানসম্মত ফুটবলের কাছে নতি শিকার করেছে মরক্কো, এ কথা ম্যাচ শেষে জানিয়েছেন মরক্কোর কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি। তিনি প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগের প্রশংসা করে বলেন, ‘প্রথমার্ধেই ফ্রান্সের অ্যাটাকিং ফুটবলের গুণগত মান আমাদের ভুগিয়েছে।’

কিলিয়ান এমবাপে ও উসমান দেম্বেলের গোলে মরক্কোর সেমিফাইনালে ফেরার আশা ভেস্তে গেছে। তবে গোল করার আগেই ফ্রান্স ম্যাচের কর্তৃত্ব নিয়ে নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন মরক্কো কোচ।

তিনি বলনে, আমরা এগিয়ে যেতে চেয়েছিলাম, কিন্তু প্রথমার্ধটা আমাদের জন্য খুব কঠিন ছিল। ফ্রান্স বল দখলে অসাধারণ ছিল। দুই প্রান্ত দিয়ে তারা আমাদের অনেক সমস্যায় ফেলেছে। আর আমরা যখন বল পেয়েছি, তখন দ্রুত আক্রমণে রূপান্তর করতে পারিনি।

প্রথমার্ধে মরক্কো বেশিরভাগ সময় নিজেদের অর্ধে চাপের মধ্যে ছিল। গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে প্রতিযোগিতায় ধরে রাখেন। বিশেষ করে এমবাপের পেনাল্টিও তিনি ঠেকিয়ে দেন। বিরতির পরেও ম্যাচের চিত্র খুব একটা পরিবর্তিত হয়নি।

ওয়াহবি বলেন, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটা আমাদের জন্য ভালো ছিল। আমরা বেশি সময় বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি এবং ট্রানজিশনেও উন্নতি করেছি। কিন্তু এটাও স্বীকার করতে হবে, তাদের দলে অসাধারণ মানের খেলোয়াড় রয়েছে। তারা আগে থেকেও গোল করতে পারতো। আমরা দেখতে চাইতাম, তারা যদি আগে গোল না করত তাহলে কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাত। কিন্তু আমাদের সৃজনশীলতার ঘাটতি ছিল এবং এই হার মেনে নিতেই হবে।

হার নিয়ে কোনো অজুহাত দিতে চান না ওয়াহবি। বরং তিনি এটিকে দলের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের অংশ হিসেবেই দেখছেন। প্রতিপক্ষ ফ্রান্সের প্রশংসা করে তিনি টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল হিসেবে তাদের আখ্যা দিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাজিলের ফুটবল ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, অভিযোগ পেলের মেয়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৩ এম


ব্রাজিলের ফুটবল ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, অভিযোগ পেলের মেয়ের

ব্রাজিলের ফুটবল প্রশাসন এবং সামগ্রিক ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশের কিংবদন্তি ফুটবলার পেলের বড় মেয়ে এবং প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা কেলি নাসিমেন্তো।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি অভিযোগ করেন, দেশটিতে ফুটবল প্রশাসনের মধ্যে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার তীব্র অভাব রয়েছে। এই অভাবের কারণে জাতীয় দলের মাঠের পারফরম্যান্সে সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। কেলি ব্রাজিলের ফুটবলকে একটি ‘বন্ধ ও অস্বচ্ছ বৃত্ত’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, কেন এই ব্যবস্থা কাজ করছে না তা সবাই জানে, কিন্তু কেউ এটি সংস্কার করতে সক্ষম হচ্ছে না।

চলতি বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে ব্রাজিলের বিদায় নেওয়ার পর ফুটবল বিশ্বের যে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে, তার প্রেক্ষিতে কেলি নাসিমেন্তো এই মন্তব্য করেছেন। ১৯৯০ সালের পর এবারই প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়েছে রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা, যারা সর্বশেষ ২০০২ সালে ট্রফি জিতেছিল।

পেলের মেয়ে উল্লেখ করেন, ব্রাজিলে প্রতিভার অভাব নাই এবং এখনো সেখানে বিশ্বমানের ফুটবলার তৈরি হচ্ছে। তবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দলগত ব্যর্থতার মূল কারণ হলো ফুটবল কাঠামোর ভেতরের গভীর সংকট। জীবিতাবস্থায় তার বাবা পেলে নিজেই ব্রাজিলের ফুটবলের এই অধঃপতন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন দীর্ঘদিন।

অন্যদিকে কেলি ফরাসি ফুটবলের পরিকল্পিত ও কার্যকর কাঠামোর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ফ্রান্সের মতো দেশগুলো একটি দারুণ টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে, যা ব্রাজিলে সম্পূর্ণরূপে অনুপস্থিত। তবে বর্তমানে ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী ক্লাবগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগের আগমনকে কিছুটা আশাব্যঞ্জক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন তিনি।

মার্কিন ব্যবসায়ী জন টেক্সটরের অধীনে বোটাফোগো ক্লাবের পুনরুত্থানের উদাহরণ টেনে কেলি বলেন, এই ধরনের বিনিয়োগের ফলে ক্লাবের কার্যক্রমে অন্তত স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত হচ্ছে। অনেক সমালোচনা থাকলেও এই জবাবদিহিতার সংস্কৃতি ব্রাজিলের ফুটবলের জন্য একটি ইতিবাচক দিক হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাহাড়ধসে প্রাণহানিতে শোক প্রকাশ, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান এনসিপির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৫ এম


পাহাড়ধসে প্রাণহানিতে শোক প্রকাশ, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান এনসিপির

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম অঞ্চলে টানা চারদিনের রেকর্ড বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা, পাহাড়ধস এবং জলাবদ্ধতায় শিশুসহ ৩০ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গম্ভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ ঘটনার প্রেক্ষাপটে, সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে আহ্বান জানিয়ে আটকে থাকা পর্যটক উদ্ধারের দাবি জানিয়েছে দলটি।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দলের দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হচ্ছে, একদিনেই সাত শিশুর অকাল মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং এ অনাকাঙ্ক্ষিত প্রাণহানি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। নিহতদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তির জন্য আজ্ঞা করা হয়েছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।

এনসিপি জানায়, টানা ভারী বর্ষণের ফলে চট্টগ্রাম মহানগরীর অধিকাংশ এলাকা টানা দ্বিতীয় দিনের মতো হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে ডুবে গেছে। এ কারণে জলাবদ্ধতায় নগরবাসীর জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। এমনকি রেললাইনের ওপর পানি জমে থাকায় পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সঙ্গে ট্রেন চলাচলও বন্ধ হয়ে গেছে।

অন্যদিকে, আকস্মিক পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙ্গামাটির সড়কে প্রায় ৪৫০ জন পর্যটক আটকা পড়েছে, যা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এনসিপি অবিলম্বে বর্তমান বিএনপি সরকারের কাছে দাবী জানিয়েছে যে, পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ও দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, আবহাওয়াবিদ ও বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, আষাঢ় মাসের প্রথম ২০ দিন বৃষ্টিহীন থাকার পর সাগরে লঘুচাপের কারণে এই ধরনের তীব্র ও অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হচ্ছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের একটি সুস্পষ্ট সংকেত।

এবং তবুও, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে চট্টগ্রামের দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ধসের মতো মানবিক বিপর্যয় রোধে যথাযথ পূর্বপ্রস্তুতি ও টেকসই পরিকল্পনার অভাব স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।

বিজ্ঞপ্তিতে এনসিপি জানায়, চট্টগ্রামকে রক্ষা করতে হলে শুধু সাময়িক ত্রাণ বিতরণ করলেই হবে না। নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত ও কার্যকর দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা নিতে হবে। সেইসঙ্গে, পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসরত পরিবারগুলোকে স্থায়ী পুনর্বাসনের আওতায় এনে পাহাড়ধসের মতো মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে নাগরিকদের জীবন রক্ষা করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব।

জনস্বার্থে এ সংকটের স্থায়ী সমাধানে সরকারকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কার্যক্রম চালানোর আহ্বান জানাচ্ছে দলটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দাবদাহের মধ্যে স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, প্রাণ হারালেন ১২ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৭ এম


দাবদাহের মধ্যে স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, প্রাণ হারালেন ১২ জন

স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে আলমেরিয়ায় ঘটে যাওয়া ভয়াবহ দাবানলে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তীব্র গরমের মধ্যে বয়ে যাওয়া এই বিশাল আগুন নেভানোর জন্য প্রায় ১৫০ জন দমকলকর্মী প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আন্দালুসিয়ার আঞ্চলিক সরকার জানাচ্ছে, লস গ্যালার্ডোস ও বেদার এলাকায় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। আগুনের কারণে অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজন নারী দগ্ধ হয়েছেন এবং ধোঁয়ার ফলে শ্বাসকষ্টে ভোগা একজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আগুনের সঠিক কারণ বর্তমানে জানা যায়নি। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে শুকনো গাছে পড়ার ফলেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে এবং এটি দ্রুত বনাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে বিভিন্ন রাস্তাঘাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৫০ জন বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে স্পেনের সেনাবাহিনীর জরুরি দলও এই অগ্নিনির্বাপক কর্মসূচিতে যোগ দেবে।

এই মর্মান্তিক ঘটনার জন্য আন্তরিক শোক প্রকাশ করেছেন আন্দালুসিয়া সরকারের প্রধান হুয়ানমা মোরেনো। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে লেখেন, ‘আমরা শোকে স্তব্ধ।’

বর্তমানে স্পেনে তীব্র দাবদাহ চলমান রয়েছে। তাপমাত্রা প্রায়ই ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাচ্ছে, যার ফলে আবহাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালে স্পেনে ৩ লাখ ৯৩ হাজার হেক্টরের বেশি এলাকা আগুনে পুড়েছিল, যা সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা। মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে দাবানল ও আগুনের ঝুঁকি ক্রমবর্ধমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%