মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
০২:০০ পি.এম
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনার কার্যালয়ে, বিভিন্ন জেলা থেকে আসা জনগণের জন্য সীমাহীন ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
১৫ই জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দের রোজ সোমবার, ২০২৫ সালে ভোটার তালিকায় নাম লিপিবদ্ধ করেন মোঃ নাঈম, নারায়ণগঞ্জ জেলা ১২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনারের গাফিলতির কারণে নাঈমের আইডি কার্ড বের করা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে আসা লোকজন চেষ্টা করেও নির্বাচন কমিশনারের কাছে আইডির সুস্থ সমাধানের ব্যবস্থা করতে পারেননি। পরবর্তীতে নাঈম, যে একজন অসুস্থ ব্যক্তি, তাকে আগারগাঁও নির্বাচন কমিশনারের অফিসে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
১৫ জুন সকাল ১০ ঘটিকার সময়, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনারের আগারগাঁওয়ে কার্যালয়ে হাজির হলে, সেখানে তাকে দালালের খপ্পরে পড়তে হয়। একটি দালাল এসে নাঈমের গার্জিয়ানকে জিজ্ঞেস করে, "আপনারা কি জন্য এসেছেন? আমাকে এক হাজার টাকা দেন আর এখনই কাজটা করে দিচ্ছি"। এরপর শুরু হয় দৌড়াদৌড়ি। একবার বলে ১০৪ এ যান, আরেকবার বলে ৭২৩ নম্বর কাউন্টারে যেতে হবে, যা ৩০০ গজ দূরে। এইভাবে ভোগান্তির শুরু হয়। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনার ভুল করেছে এবং জনগণ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। দেশের জনগণের জন্য শ্রেষ্ঠ সমাধান দেওয়ার মতো কোন কাউন্টার বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনারের আমলে দেখা যাচ্ছে না।
এখানে এসে দেখা যাচ্ছে বিরাট একটি জনসমুদ্র, বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় থেকে আগত লোকজন বিভিন্ন সমস্যার সমাধান নিয়ে হাজির হয়েছেন। কিন্তু দেখা গেল, নিচ তলায় ওয়াশরুম একটি, যেখানে ছেলে-মেয়ে উভয়কেই একসাথে যেতে হয়। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান, যেখানে দেশ-বিদেশে থেকে আগত হাজার হাজার লোক সেবা নেওয়ার জন্য আসে। কিন্তু তাদের বসার জায়গা, একাধিক ওয়াশরুম এবং তথ্য দেওয়ার জন্য ভালো কাউন্টার নেই। ভাই, বাংলাদেশ নির্বাচনী কমিশনের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আপনাদের নিজ নিজ দায়িত্ব গুলি সুন্দরভাবে পালন করে সেবা মূলক কাজের ব্যবস্থা করুন। ভুল করছেন আপনারা। জনগণের ভোগান্তির সময় এবং টাকা সবই পোহাতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। তাই বাংলাদেশের জনগণের দিকে তাকিয়ে, জনগণের সকলের পক্ষ থেকে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৫ জুন, ২০২৬ : পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলে পুলিশের গুলিতে এক অস্ট্রেলীয় শিশু নিহত হয়েছে। একই ঘটনায় শিশুটির পরিবারের আরও দুই সদস্য আহত হয়েছেন।
ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
পাঞ্জাবের পুলিশ জানায়, বুধবার এক ডাকাতির ঘটনায় অভিযানের সময় পুলিশ সদস্যরা সন্দেহভাজনদের সঙ্গে গোলাগুলিতে জড়িয়ে পড়ে। এসময় একটি গাড়িতে থাকা এক পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে রাখা হয়েছিল।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পরিস্থিতি বিশৃঙ্খল হয়ে পড়লে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ভুলভাবে ধারণা করেন যে সন্দেহভাজনরা ভুক্তভোগীদের গাড়ি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করছে এবং তিনি গুলি চালান।’
এই ভুল সিদ্ধান্তের কারণে ১০ বছর বয়সী হানিয়া নিহত হয় এবং তার বাবা ও ভাই আহত হন বলে জানানো হয়।
পাঞ্জাব পুলিশ আরও জানায়, নিহত শিশুটির বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয়।
অস্ট্রেলীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, পরিবারের সদস্যরা পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার পার্থ শহর থেকে পাকিস্তানে আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। তখনই এই ঘটনা ঘটে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্থনি আলবানিজ বলেন, সরকার এই ঘটনার পূর্ণ স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু তদন্ত আশা করে।
তিনি জানান, ‘শুধু একটি শিশুই প্রাণ হারায়নি, পরিবারের আরও সদস্যও গুরুতর আহত হয়েছেন— এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা।’
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা নিহত অস্ট্রেলীয় নাগরিকের পরিবার ও আহতদের সহায়তা দিচ্ছে।
পাঞ্জাব পুলিশ বলেছে, ঘটনাটি নিয়ে ‘সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও বিস্তারিত তদন্ত’ চলছে।
এক বিবৃতিতে তারা দুঃখ প্রকাশ করে জানায়, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করলেও, কোনোভাবেই নিয়মবহির্ভূত আচরণের যৌক্তিকতা নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের আনোয়ারা এলাকায় একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সদ্য মৃত্যুবরণ করা মেয়ের মরদেহ বাবার বাড়ির সামাজিক কবরস্থানে দাফন করতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (১৪ জুন) বিকেলে উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের ফকিরখীল এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষুব্ধ স্বজনদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জানা গেছে, ঘটনার দিন সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান হিজবুল্লাহ্ বাহার (৪৮) নামের এক নারী। তিনি ওই এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত সৈয়দুল হকের কন্যা। দুপুরে তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আনা হলে দাফনের জন্য বাবার বাড়ির সামাজিক পুরনো কবরস্থানে কবর খনন শুরু করেন স্বজনেরা। এ সময় ‘ফকিরখীল এয়ার আলী খান সমাজকল্যাণ সমিতি’র সভাপতিসহ স্থানীয় কয়েকজন সমাজ পরিচালনা কমিটির নেতা কবর খননে বাধা দেন এবং সেখানে মরদেহ দাফন করতে অস্বীকৃতি জানান।
মৃত হিজবুল্লাহ্ বাহারের ছোট ভাই মো. মুজিবুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ‘১৯৯৬ সালে বন্দর থানা এলাকার বাসিন্দা আবদুর রশিদের সঙ্গে আমার বোনের বিয়ে হয়েছিল। তাদের সংসারে এক ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। সেখানে নিজস্ব কোনো জমি না থাকায় বোন ও দুলাভাই আমার বাবার পৈতৃক জমিতে ঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানদের পড়াশোনা ও জীবিকার তাগিদে বোন শহরে চলে যান। রোববার সকালে হাসপাতালে তিনি মারা যাওয়ার পর আমরা আমাদের सामाजिक ও পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি নিই। কিন্তু সমাজের সভাপতি জামশেদ উদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন এসে বাধা দেন।
তিনি বলেন, তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘বোন অন্য এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় এখানে দাফন করা যাবে না।’
মো. মুজিবুর রহমান আরও বলেন, তারা প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা নিরুপায় হয়ে পড়ি। কোনো উপায় না দেখে শেষ পর্যন্ত পৈতৃক কবরস্থান বাদ দিয়ে আমার এক চাচাতো ভাইয়ের নিজস্ব জমিতে কবর খনন করে বোনের লাশ দাফন করতে বাধ্য হয়েছি। বিষয়টি আমরা পুলিশকেও জানিয়েছি।
ফকিরখীল এয়ার আলী খান সমাজকল্যাণ সমিতির সভাপতি জামশেদ উদ্দিন বলেন, আমাদের মহল্লার নিয়ম অনুযায়ী সমাজের বহির্ভূত কাউকে সামাজিক কবরস্থানে দাফন করার সুযোগ নেই। এই কারণে তাদেরকে এখানে কবর না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু তারা বিষয়টি নিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে ফেলেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। পরে জেনেছি, ওই কবরস্থানের বাইরে অন্য একটি জায়গায় লাশ দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহনে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত এবং তা সচল রাখা বরাবর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বিআরটিএ। এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহন ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য দেশের সব গণপরিবহনে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত এবং সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহনে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। বিআরটিএ গণপরিবহনের মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা বিশ্বমঞ্চ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। শোবিজের অঙ্গনও থেমে নেই। তারা প্রিয় দলের খেলার জন্য সোশ্যাল মিডিয়াতে উন্মাদনা প্রকাশ করছেন। গতকাল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে পরিচিত জার্মানি যখন বিশাল জয় অর্জন করলো, তখন তারকারা সেই জয় উদযাপনে মাতলেন।
কুরাসাওয়ের বিপক্ষে জার্মানির ৭ গোলের জয় বিনোদন জগতের একটি বিশেষ মহলকে পুরোনো ইতিহাসের কথা মনে করিয়ে দেয়। সামাজিক মাধ্যমে তারকাদের কর্মকাণ্ড দেখলে বোঝা যায়, জার্মানির এই জয়ে জার্মানে সমর্থকদের তুলনায় আরও বেশি আনন্দিত আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা।
খেলা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তানজিকা আমিনের দেয়া ফেসবুক পোস্টগুলো এ কথার প্রমাণ।
আর্জেন্টিনার কট্টর সমর্থক হিসেবে মেহজাবীনের পোস্ট নজর কাড়ে। খেলার শেষ মুহূর্তে তিনি লিখেছেন, 'জার্মানি এটা কি দেখাচ্ছে!' এরপর খেলা শেষে আরেকটি পোস্টে লেখেন, '৭-১ ফিলিং নস্টালজিক'।
অন্যদিকে, অভিনেত্রী তানজিকা আমিনও ফেসবুকে প্রায় একই বক্তব্য জানিয়ে লিখেছেন, 'ফিলিং নস্টালজিক.. জার্মানি ৭টা গোল দিসে... জাস্ট সেয়িং(শুধু বললাম আরকি)'।
শোবিজ অঙ্গনে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সমর্থক সংখ্যা সর্বাধিক। বিশ্বকাপ উপলক্ষে ইতোমধ্যে মেহজাবীনসহ বেশ কয়েকজন তারকাকে আর্জেন্টিনার জার্সি পরে দেখা গেছে। তানজিকা আমিনও সামাজিক মাধ্যমে স্বামী সাইফ বাসুনিয়ার সঙ্গে আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী আকাশী-সাদা জার্সি পরে ছবি শেয়ার করেছেন।
এটি উল্লেখযোগ্য, ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে ব্রাজিল ৭ গোল খেয়ে গিয়েছিল, তাই এ দুটি আর্জেন্টিনা ভক্তের মধ্যে এমন নস্টালজিয়া ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ