বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:৫১ পি.এম
রাজশাহী নগরীতে গাঁজা সেবনের সরঞ্জামসহ দুই মাদকসেবীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সোয়া ১টার দিকে নগরীর বোয়ালিয়া থানার ছয়ঘাটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে উপশহর ফাঁড়ির পুলিশ। সেই সময় ঘটনাস্থল থেকে গাঁজা সেবনের একটি বাঁশি (কোলকি) এবং দুটি লাইটার জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন হলো সোহেল রানা (২৮), যিনি নওগাঁর মান্দা উপজেলার পাকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। আর অন্যজন হলেন মোঃ আনোয়ার হোসেন (৩০), যিনি নওগাঁ মহাদেবপুর উপজেলার নাটোয়াপাড়া গ্রামের মানুষের উদ্যোক্তা।
জানতে চাইলে বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুমা মুস্তারি বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তাদের শরীরে মাদক সেবনের আলামত পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী নগরীতে পুলিশের পক্ষ থেকে গাঁজা, ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক বিক্রির নগদ অর্থসহ দুই মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৯ জুলাই বুধবার রাত পৌনে ১১টার সময় নগরীর রাজপাড়া থানার লক্ষ্ণীপুর আইডি বাগানপাড়া এলাকায় পুলিশ অভিযান চালায়। সেই সময় পুলিশের হাতে ২৫৫ গ্রাম গাঁজা, ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির জন্য ৭৫০ টাকা নগদ জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের নাম হলো: উজ্জল হোসেন ওরফে কটা (৩৫) এবং রজব আলী (৪১), যাঁরা উভয়েই রাজপাড়া থানা এলাকার বাসিন্দা। রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের বোমাবর্ষণ ও সামরিক চাপ সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালিতে ইরানের পুরো দখল ও কর্তৃত্ব এখনও অটুট রয়ে গেছে। আইআরজিসির বক্তব্য অনুযায়ী, মার্কিন এবং পশ্চিমা হস্তক্ষেপ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই জলপথ তাদের কঠোর দখলে থাকবে।
এদিকে, টানা ১৩ দিন ধরে বোমাবর্ষণের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসে পৌঁছেছে। এই সংকট পরিস্থিতিতে ইরানের দৃঢ় নিয়ন্ত্রণ বজায় রয়েছে। অন্যদিকে, এই সংঘাতকে কূটনীতির জন্য উপযুক্ত বা প্রস্তুত বলে মনে না করায়, একটি সমঝোতায় পৌঁছানো এখনও অধরা থেকে যাচ্ছে।
কাতার ভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরাকে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ‘কুয়িন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপন্সিবল স্টেটক্রাফট’-এর নির্বাহী সহ-সভাপতি ত্রিতা পারসি জানিয়েছেন। পারসি বলেন, ‘প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ইরানের অবস্থান এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী ও দৃঢ়। বর্তমানে এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল একপ্রকার শূন্যের কোঠায় চলে এসেছে।’
“১৩ দিন ধরে বোমাবর্ষণের পরও আমরা এমন কোনো অগ্রগতি দেখতে পাইনি, যা থেকে এরূপ ধারণা অঙ্কিত হতে পারে যে জাহাজগুলো প্রকৃতপক্ষে এই প্রণালী দিয়ে চলাচল করতে সক্ষম হবে, অথবা ইরান এই জায়গায় নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে।”
পারসি জানিয়েছেন, সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য এর মূল কারণ হচ্ছে উভয় পক্ষই বিশ্বাস করে যে সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে তারা নিজেদের অবস্থান উন্নত করতে পারবে। তিনি মনে করেন, ‘একটি আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানোই একমাত্র সম্ভব পথ, কিন্তু কূটনীতি সফল হওয়ার জন্য এই সংঘাতটি এখনও সঠিক অবস্থানে পৌঁছায়নি। কারণ উভয় পক্ষই ধারণা করছে যে সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে তারা নিজেদের জন্য আরও সুবিধাজনক অবস্থান নিশ্চিত করতে পারে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ-পশ্চিম জাপানের কুমামোটো প্রিফেকচারে ঘটিত শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জাপানি সংবাদমাধ্যমগুলোর পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) স্থানীয় সময় বিকেলে কিউশু দ্বীপের কুমামোটো অঞ্চলে ৬.৯ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার ফলে বহু বাড়িঘর, বাণিজ্যিক ভবন ও বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা ধসে পড়ে।
এ ঘটনার মধ্যে সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে দাঁড়ায় কাশিমা শহরের ঐতিহাসিক ‘এওন শপিং সেন্টার’। ভূমিকম্পের প্রায় এক ঘণ্টা পরে এই মলটির সংস্কারকৃত অংশ ধসে পড়ে এবং তীব্র গ্যাস বিস্ফোরণ ঘটে।
এ ছাড়াও, ইয়াতসুশিরো শহরের নিপ্পন পেপার কারখানার একাংশ ধসে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
তবে বর্তমানে উদ্ধার তৎপরতার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রখর তাপদাহ। আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, কুমামোটোতে তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এ কারণে প্রায় ৯,০০০ আশ্রিত মানুষ ও উদ্ধারকর্মীদের হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে।
ইতোমধ্যে পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন থাকার ফলে মারাত্মক সংকট সৃষ্টি হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারী মানুষের মধ্যে বড় একটি অংশ প্রবীণ নাগরিক, যাদের মধ্যে অনেকেই গরমজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি জরুরি ভিত্তিতে ৩০০টি এয়ারকন্ডিশনার পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
অন্যদিকে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কায় অনেক বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছেড়ে গাড়িতে রাত কাটাচ্ছেন। ভূকম্পন কেন্দ্র জানাচ্ছে, মঙ্গলবার থেকে এ পর্যন্ত ১০০টির বেশি আফটারশক বা অনুকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও সামরিক বাহিনীর যৌথ রেসকিউ টিম এখনও বেশ কিছু ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং আরও তিনটি বিমান গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এই দাবি একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, যেটি ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি প্রকাশ করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয় যে, ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় দুই ব্যক্তি ও তাদের এক সন্তান নিহত হওয়ার ঘটনার জবাবে এ হামলা চালানো হয়েছে।
আইআরজিসির দাবি, তারা মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিটের মাধ্যমে জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটির একটি র্যাম্প এবং যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণ হ্যাঙ্গার লক্ষ্য করে কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। ওই ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান মোতায়েন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, হামলায় তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং আরও তিনটি যুদ্ধবিমান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এছাড়া, হামলায় ‘শত্রুপক্ষের’ কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তা এবং কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীও নিহত হওয়ার দাবি করেছে আইআরজিসি।
বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীকে ‘শিশুহত্যাকারী বাহিনী’ আখ্যা দিয়ে বলা হয়েছে যে তারা গভীর রাতে ঘুমন্ত নিরীহ পরিবারগুলোর ওপর নির্মম হামলা চালাচ্ছে। আইআরজিসি আরও দাবি করেছে যে ‘ইসলামি ভূখণ্ড থেকে শেষ মার্কিন দখলদারকে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত’ তাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।
এই হামলার পর আইআরজিসি জর্ডানের উদ্দেশেও বার্তা দিয়ে জানিয়েছে যে, তাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে।
তবে আইআরজিসির এসব দাবির সত্যতা রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, তারা এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস, হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আইআরজিসির দাবিগুলো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি।
এদিকে, এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর (পেন্টাগন) বা জর্ডানের কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি অবকাঠামো এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নতুন করে ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ