ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আর্জেন্টিনা-মিশর লড়াইয়ে আবারও দায়িত্বে বিতর্কিত সেই রেফারি


আর্জেন্টিনা-মিশর লড়াইয়ে আবারও দায়িত্বে বিতর্কিত সেই রেফারি

চলতি বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে আর্জেন্টিনা ও মিশর আটলান্টায় মুখোমুখি হতে চলেছে। এই নকআউট পর্বের প্রধান ম্যাচটি পরিচালনার জন্য ফিফা বেছে নেন ফ্রাসোঁয়া লেটেক্সিয়েরকে। যদিও আন্তর্জাতিক ফুটবলের পরিচিত মুখ হিসেবে তার গতি রয়েছে, কিন্তু আর্জেন্টিনার কোনো ম্যাচে এই প্রথমবার তিনি রেফারির দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন।

এই চলমান বিশ্বকাপে লেটেক্সিয়ের এর আগে গ্রুপ পর্বের দুইটি ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেছেন। আইভরি কোস্ট এবং ইকুয়েডরের ম্যাচের পাশাপাশি সৌদি আরব ও কেপ ভার্দের ম্যাচেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। দুই ম্যাচে মোট তিনি আটটি হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন। মাঠে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি যে কঠোর অবস্থানে থাকেন, সে বিষয়টি স্পষ্টভাবেই তার আগের ম্যাচগুলোর পরিসংখ্যানে দেখা যায়।

এখনকার ইউরোপিয়ান ফুটবলের অন্যতম প্রতিশ্রুতিশীল রেফারি হিসেবে পরিচিত লেটেক্সিয়ের ২০১৬ সালে মাত্র ২৮ বছর বয়সে লিগ ওয়ানে নিজের রেফারি ক্যারিয়ার শুরু করেন। ফরাসি ঘরোয়া ফুটবলের ইতিহাসে তিনিই সর্বকনিষ্ঠ রেফারি। ফিফার ব্যাজ পাওয়ার পর তিনি দ্রুত আন্তর্জাতিক ফটবলে নিজের দক্ষতা দেখান। বুলগেরিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনার ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রবেশ করেন এবং পরে উয়েফা ইউরোপা লিগ ফাইনাল, উয়েফা সুপার কাপ, ইউরো ২০২৪ এবং অলিম্পিক গেমসের মতো বড় বড় আসরে ম্যাচ পরিচালনা করে তার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

আরও পড়ুন: ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা ও ২৫৫ ইউরো জরিমানার মুখে রোনালদো

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোনো ম্যাচে তাকে দেখা না গেলেও, বর্তমান স্কোয়াডের খেলোয়াড়দের মধ্যে লেটেক্সিয়ের বেশ পরিচিত। বিশেষ করে এই রেফারির কঠোর সিদ্ধান্তের সম্মুখীন হয়েছেন আলবিসেলেস্তেদের অন্যতম ডিফেন্ডার নিকোলাস তাগলিয়াফিকো। চলতি বছর ২২ মার্চ, লিগ ওয়ানে মোনাকোর বিরুদ্ধে অলিম্পিক লিওঁর হয়ে খেলার সময় তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দিতে দেখা যায় লেটেক্সিয়েরকে। সেই ঘটনার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৩৬ বছর বয়সী এই ফরাসি রেফারিকে নিয়ে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে বাড়তি সতর্কতার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। ফাইনাল ষোলোর এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্তগুলো কতটা প্রভাব ফেলে, সেটি এখন দেখার অপেক্ষা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিপির পদযাত্রায় হামলার ঘটনায় ইউটিএফের নিন্দা ও ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০১ এম


এনসিপির পদযাত্রায় হামলার ঘটনায় ইউটিএফের নিন্দা ও ক্ষোভ

আজ (৬ জুলাই ২০২৬) জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচির সমাবেশ চলাকালে ককটেল হামলার ঘটনায় ইউনিভার্সিটি টিচার্স ফোরাম (ইউটিএফ) তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংগঠনটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম এবং সদস্যসচিব ড. শামীম হামিদী এক যৌথ বিবৃতিতে এ নিন্দা জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা-পরবর্তী সমাবেশস্থলে সন্ত্রাসীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। সোমবার (৬ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ড ঈদগাহ মাঠে সমাবেশ চলাকালে এই ঘটনার জন্ম নেয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এই ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গণভোট বাস্তবায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে দেশব্যাপী ‘জুলাই পদযাত্রা-২০২৬’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এর অংশ হিসেবে আজ সাভারে পদযাত্রা ও সমাবেশের মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলার ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভায় কর্মসূচির সূচনা করেছে দলটি।

ইউটিএফের মতে, জুলাই বিপ্লবের প্রতিপক্ষ শক্তি বিপ্লবীদের ভয় দেখাতে এবং জুলাইয়ের ঐক্য ও সংহতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের হামলার পথ বেছে নিয়েছে। সংগঠনটি মনে করছে, এ ধরনের হামলার ঘটনা দেশে চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির চিত্র আবারও সামনে এনেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ যুক্ত হচ্ছে ভারত-জাপান উন্নয়ন প্রকল্পে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৫ এম


বাংলাদেশ যুক্ত হচ্ছে ভারত-জাপান উন্নয়ন প্রকল্পে

ভারত ও জাপানের কৌশলগত অংশীদারির নতুন পর্বে উন্নয়ন সহযোগিতার আওতায় বাংলাদেশকে যুক্ত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২ জুলাই ভারত-জাপান বার্ষিক শীর্ষ বৈঠকের যৌথ ঘোষণায় উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়ন, আঞ্চলিক সংযোগ এবং সরবরাহ শৃঙ্খল (সাপ্লাই চেইন) শক্তিশালী করার পরিকল্পনায় বাংলাদেশসহ বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোর সম্পৃক্ততার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যে অনুষ্ঠিত এ ১৬তম ভারত-জাপান বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে এ বিষয়ে নীতিগত ঐকমত্যের কথা জানানো হয়েছে। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ফ্রি অ্যান্ড ওপেন ইন্দো-প্যাসিফিক’ এবং ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতির আওতায় উত্তর-পূর্ব ভারতের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর জন্য উভয় দেশ একমত হয়েছে। এ অঞ্চলে শিল্প উৎপাদন, সরবরাহ ব্যবস্থা ও আঞ্চলিক সংযোগ জোরদারের মাধ্যমে একটি সমন্বিত শিল্প ও বাণিজ্যিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোকে যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

বিমসটেকের সদস্য দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, নেপাল এবং ভুটান। যদিও যৌথ বিবৃতিতে কোনো নির্দিষ্ট প্রকল্পের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, উত্তর-পূর্ব ভারতের উৎপাদন কেন্দ্রগুলোকে বাংলাদেশ হয়ে সমুদ্রবন্দর এবং আঞ্চলিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনাই মূল লক্ষ্য। এর আগে ২০২৩ সালে তৎকালীন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা ভারত সফরে উত্তর-পূর্ব ভারত ও বাংলাদেশকে সংযুক্ত করে শিল্প ও অবকাঠামো উন্নয়নের একটি বৃহৎ পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই পরিকল্পনার লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশে পোর্ট, সড়ক ও রেল অবকাঠামো ব্যবহার করে উত্তর-পূর্ব ভারতের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। সর্বশেষ শীর্ষ বৈঠকের সিদ্ধান্তে সেই ধারণাকে আরও বিস্তৃত করে পুরো বিমসটেক অঞ্চলের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি শীর্ষ বৈঠক-পরবর্তী ব্রিফিংয়ে বলেন, জাপানের কাছে উত্তর-পূর্ব ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতার ক্ষেত্র। এ অঞ্চলের উন্নয়নে দুই দেশের চলমান সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হবে। এসময় উত্তর-পূর্ব ভারতকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে একটি শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে বিশ্লেষকদের মতে, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান আরও কৌশলগত গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর, সড়ক এবং রেল করিডর ও সীমান্তভিত্তিক বাণিজ্য নতুন মাত্রা পেতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ আঞ্চলিক উৎপাদন ও সরবরাহ শৃঙ্খলের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার সুযোগ পাবে বলে মনে করছেন তারা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে আঞ্চলিক পণ্য পরিবহন বাড়বে। বন্দর, লজিস্টিকস ও পরিবহন খাতে নতুন বিনিয়োগ আসতে পারে। উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্যিক সংযোগ আরও গভীর হবে। বিমসটেকভিত্তিক আঞ্চলিক মূল্য শৃঙ্খল গড়ে ওঠার সুযোগও সৃষ্টি হবে। জাপানের অর্থায়নে নতুন অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনাও বাড়বে। এ বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক শাহাব এনাম খান বলেন, জাপানের ‘ফ্রি অ্যান্ড ওপেন ইন্দো-প্যাসিফিক’ কৌশলে বাংলাদেশ, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং মিয়ানমার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূ-কৌশলগত অঞ্চল। এ কারণে জাপান দীর্ঘদিন ধরেই এ অঞ্চলে অর্থনৈতিক সংযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। ভারত-জাপান শীর্ষ বৈঠকে বাংলাদেশকে উন্নয়ন সহযোগিতার কাঠামোয় যুক্ত করার বিষয়টি তাই নতুন কোনো উদ্যোগ নয়; ২০২৩ সালেও এ ধরনের পরিকল্পনার কথা উঠে এসেছিল। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ তখনই সবচেয়ে বেশি সুরক্ষিত হবে, যখন এ উদ্যোগ কেবল उत्तर-পূর্ব ভারতের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মিয়ানমারের মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংযোগ আরও জোরদার করবে। কারণ বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজার ও আঞ্চলিক সংযোগের অর্থনৈতিক গুরুত্ব উত্তর-পূর্ব ভারতের তুলনায় অনেক বেশি। শাহাব এনাম খান আরও বলেন, উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রাকৃতিক সম্পদ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে যদি ভারত, জাপান ও বাংলাদেশ যৌথভাবে শিল্প ও অবকাঠামো উন্নয়ন করতে পারে, তাহলে তা তিন দেশের জন্যই ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করবে। তাঁর মতে, জাপানের দৃষ্টিতে বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক সংযোগ জোরদার হলে পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বাড়বে। তাই ভবিষ্যতে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বার্থ সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিশ্চিত করতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে সংযোগ বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাভারে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৭ এম


সাভারে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

 

সাভারে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’-পরবর্তী কর্মসূচির সমাবেশ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার জন্য একটি ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির প্রধান হিসেবে ঢাকা জেলার (উত্তর) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলমকে মনোনীত করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) রাতে পৌনে ১২টার দিকে সাভারে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন। এ সময় তিনি সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ঘটনার পর থেকেই সাভারের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। তবে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় এখনো কোনো সন্দিগ্ধ ব্যক্তি আটক বা শনাক্ত করার খবর পাওয়া যায়নি।

ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান যে, রাত ৯টার দিকে সমাবেশস্থলের মঞ্চে এনসিপির নেতারা উপস্থিত হন। ঠিক তখনি বিদ্যুৎ চলে যায়। এর মধ্যে দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর বিদ্যুৎ সংযোগ আবার স্বাভাবিক হয়।

এসময় মঞ্চে দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং কেন্দ্রীয় নেতারা অস্থিতিশীল ছিলেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বক্তব্য দিতে শুরু করেন। ঠিক এর কিছুক্ষণ পরই সেখানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, যা সমাবেশস্থলে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন শাহীন খান্দকার (৩০), জসিম (২৬) এবং শাহাদাত হোসেন (৪০)। এইদের মধ্যে শাহীন এনাম মেডিক্যাল কলেজের কর্মী, জসিম একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং শাহাদাত হোসেন সাভারের মুক্তির মোড় এলাকার বাসিন্দা।

তারা বর্তমানে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ জানান, হামলার ঘটনায় এনসিপির পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বিসের সেমিনার

ভূরাজনৈতিক জটিলতায় বাধাগ্রস্ত সার্ক পুনরুজ্জীবিতকরণ প্রক্রিয়া দুর্বল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১০ এম


ভূরাজনৈতিক জটিলতায় বাধাগ্রস্ত সার্ক পুনরুজ্জীবিতকরণ প্রক্রিয়া দুর্বল

সার্ক এখন গুরুতর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনা এবং অমীমাংসিত বিরোধ বারবার এ সংস্থার গতিশীলতার ওপর বাধা সৃষ্টি করেছে। ফলস্বরূপ, ভূরাজনৈতিক কারণে সার্ক পুনরুজ্জীবিতকরণ প্রক্রিয়া দুর্বল হয়ে পড়েছে। যে দীর্ঘদিনের ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা রয়েছে, তা ঐকমত্যকে আরও কঠিন করে তুলেছে। এসব জটিলতা নিরসনের স্বার্থে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। গতকাল রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস-বিস) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। সেমিনারটির শিরোনাম ছিল ‘আস্থা পুনর্গঠন, আঞ্চলিক সংহতি নবায়ন : সার্ক পুনরুজ্জীবনের পথ’ এবং এটি বিআইআইএসএস-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাষ্ট্রদূত তারিক এ করিম। এই সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন বিসের মহাপরিচালক, মেজর জেনারেল আ স ম রিদওয়ানুর রহমান। প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. নিলয় রঞ্জন বিশ্বাস এবং সাবেক অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব (সার্ক ও বিমসটেক) মো. শামসুল হক। সেমিনারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, সার্কের প্রতিষ্ঠাকালীন রূপকল্পটি স্পষ্ট ছিল এবং দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের চ্যালেঞ্জ ও আকাঙ্ক্ষাগুলো অভিন্ন। তাই তাদের একটি সাধারণ প্ল্যাটফর্ম বা অভিন্ন মঞ্চ প্রয়োজন, যার প্রয়োজনীয়তা আজও প্রাসঙ্গিক। এটি এখন আরও বেশি জরুরি হয়ে পড়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরও জানান, সার্ক গুরুতর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে এবং শীর্ষ সম্মেলন প্রক্রিয়া থমকে আছে। রাজনৈতিক আস্থার ঘাটতি রয়েছে এবং আঞ্চলিক সমন্বয় প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। বারবার দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনা এবং অমীমাংসিত বিরোধ এ সংস্থার গতিশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। শামা ওবায়েদ বলেন, যদিও সার্ক রাজনৈতিকভাবে সীমাবদ্ধ, তবুও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এটি এখনো প্রাসঙ্গিক। এর সনদ বহাল রয়েছে, সচিবালয়, বিশেষায়িত সংস্থা এবং আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলো এখনো কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এর আইনি কাঠামো, প্রযুক্তিগত নেটওয়ার্ক এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্মৃতিভান্ডার আমাদের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। তবে, সার্কের চ্যালেঞ্জগুলি কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিকও। এ সংস্থার শক্তিশালী বাস্তবায়ন সক্ষমতা, অধিকতর আর্থিক শক্তি এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি বাস্তবসম্মত সংস্কৃতি প্রয়োজন। তাই সার্কের পুনরুজ্জীবনের জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া আবশ্যক। সেমিনারে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সাবেক কূটনীতিক, বেসামরিক ও সামরিক বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী এবং নীতিনির্ধারণ-সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করেছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%