ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বকাপের গোল্ডেন গ্লাভস জিতলেন উনাই সিমন


বিশ্বকাপের গোল্ডেন গ্লাভস জিতলেন উনাই সিমন

বিশ্বকাপের আসরে সাধারণত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে গোলদাতারা থাকেন। কিন্তু ২০২৬ আসরে গোলকিপারদের পারফরম্যান্সও সমানভাবে মনোযোগ কাড়াচ্ছে উনাই সিমন। চলতি বিশ্বকাপে মাত্র ১টি গোল তিনি হজম করেছেন। তাই বিশ্বকাপের গোল্ডেন গ্লাভস অর্জন করেছেন তিনি।

সোমবার (২০ জুলাই) নিউ জার্সির মেটালাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ী হয়েছে স্পেন। এই ম্যাচে সিমনের বিশেষ অবদান রয়েছে।

এছাড়া, সিমন ভেঙে দিয়েছেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী একটি রেকর্ড। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে স্পেনের ৩-০ গোলের জয়গতিতে নিজের পোস্ট অক্ষত রেখেছেন সিমন। আর এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বকাপে টানা ৫১৯ মিনিট গোল না খাওয়ার নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন।

আরও পড়ুন: কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রানে গুটিয়ে

এর আগে ১৯৯০ সালের ইতালি বিশ্বকাপে টানা ৫১৭ মিনিট গোল না খেয়ে রেকর্ড গড়েছিলেন ইতালির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ওয়াল্টার জেঙ্গা। দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে এই কীর্তি ছিল বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ।

এখন জেঙ্গাকে ছাড়িয়ে উনাই সিমন ইতিহাসের শীর্ষে অবস্থান করছেন। তালিকার তৃতীয় স্থানে নেমে গেছেন ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি পিটার শিলটন, যার টানা গোল না খাওয়ার সময় ছিল ৫০০ মিনিট।

সিমনের এই অভূতপূর্ব ধারাবাহিকতা শুরু হয়েছিল ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ থেকেই। জাপানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বে আও তানাকার গোলে তিনি প্রথম গোল হজম করেন, এরপর আর কোনো প্রতিপক্ষ তার জাল খুঁজে পায়নি।

ওই ম্যাচের বাকি সময়, মরক্কোর বিপক্ষে শেষ ষোলোর অতিরিক্ত সময়সহ পুরো ১২০ মিনিট এবং ২০২৬ বিশ্বকাপে কেপ ভার্ডে, সৌদি আরব, উরুগুয়ে ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পূর্ণ সময় মিলিয়ে টানা ৫১৯ মিনিট তিনি নিজের পোস্ট অক্ষত রেখেছেন।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

বিশ্বরেকর্ডের পাশাপাশি স্পেনের ইতিহাসেও নতুন একটি মাইলফলক গড়েছেন ২৯ বছর বয়সি এই গোলকিপার। এতদিন দেশের হয়ে বিশ্বকাপে টানা সবচেয়ে বেশি সময় গোল না খাওয়ার রেকর্ড ছিল ইকার কাসিয়াসের দখলে। ২০১০ ও ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ মিলিয়ে গড়া কাসিয়াসের ৪৭৭ মিনিটের সেই কীর্তি এখন সিমনের কাছে অতীত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৃদু আলো জ্বালিয়ে ঘুমানোর ক্ষতিকর দিক জানেন কি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ এম


মৃদু আলো জ্বালিয়ে ঘুমানোর ক্ষতিকর দিক জানেন কি?

ঘুম মানুষের শরীর ও মস্তিষ্কের জন্য অপরিহার্য একটি বিশ্রাম প্রক্রিয়া। পর্যাপ্ত ঘুম শরীরকে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু ঘুমানোর অভ্যাস একেকজনের একেক রকম হয়। কেউ সম্পূর্ণ অন্ধকার ঘরে ঘুমাতে পছন্দ করেন, আবার কেউ হালকা আলো জ্বালিয়ে ঘুমাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

গবেষণায় বলা হচ্ছে, রাতে মৃদু আলো বা কৃত্রিম আলো জ্বালিয়ে ঘুমানোর অভ্যাস শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এর ফলে ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বিপাক প্রক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্ধকার পরিবেশে ঘুমানোর সময় শরীরে মেলাটোনিন নামের একটি হরমোন তৈরি হয়। এই হরমোন মস্তিষ্ককে ঘুমের সংকেত দেয় এবং শরীরের জৈবিক ঘড়ি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কিন্তু ঘুমের সময় আলো থাকলে মেলাটোনিনের নিঃসরণ কমে যেতে পারে। ফলে ঘুমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক আলো জ্বালিয়ে ঘুমানোর কারণে যেসব সমস্যা হতে পারে।

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়তে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের সময় কৃত্রিম আলোর সংস্পর্শে থাকলে শরীরের বিপাকীয় কার্যক্রমে পরিবর্তন আসতে পারে। এই পরিবর্তনের ফলে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে গিয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। দীর্ঘমেয়াদে এই অভ্যাস ডায়াবেটিস ও স্থূলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

আলো জ্বালিয়ে ঘুমালে গভীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। ফলে মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া, পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পাওয়া এবং দিনের বেলায় ক্লান্তি অনুভব করার মতো সমস্যা সৃষ্টি হয়।

মেলাটোনিন শুধু ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে না, এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, বিপাকীয় কার্যক্রম ও কোষের পুনর্গঠনেও ভূমিকা রাখে। এই হরমোনের স্বাভাবিক মাত্রা কমে গেলে শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব পড়তে পারে।

ভালো ঘুম নিশ্চিত করতে ঘুমানোর সময় ঘর যতটা সম্ভব অন্ধকার ও শান্ত রাখা উচিত। শোবার আগে মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপের ব্যবহার কমানো প্রয়োজন। বিকেলের পর অতিরিক্ত চা-কফি পান এড়িয়ে চলা এবং প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো ও জেগে ওঠার অভ্যাস গড়ে তোলা শরীরের স্বাভাবিক ঘড়ি ঠিক রাখতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য পর্যাপ্ত ও মানসম্মত ঘুমের পাশাপাশি ঘুমের পরিবেশের দিকেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জিতলেন এমবাপ্পে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ এম


টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জিতলেন এমবাপ্পে

চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে, সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে তার দেশ ফ্রান্স। দেশ তার খেলায় ব্যর্থ হলেও ব্যক্তিগত অর্জনে সতীর্থদের পেছনে ফেলেছেন তিনি। চলতি বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জিতে নিয়েছেন তিনি।

এই লড়াইয়ে এমবাপ্পে পেছনে ফেলেছেন লিওনেল মেসি, বেলিংহ্যাম ও হ্যারি কেইনদের মতো তারকা ফুটবলারদের। ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য সর্বোচ্চ ১০ গোল ও ৪ অ্যাসিস্টে এই পুরস্কার জিতেছেন তিনি। এর আগে, ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ৮ গোল করে এই পুরস্কার জিতেছিলেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে।

চলতি বিশ্বকাপে এই পুরস্কার জয়ে কঠিন লড়াই করেছেন মেসি। ফাইনালে মাঠে নামার আগে মেসির গোল সংখ্যা ছিল ৮ ও অ্যাসিস্ট ৪। তবে, ফাইনালে তিনি হ্যাটট্রিক করলেও গোল্ডেন বুট জিততেন মেসি। কিন্তু ফাইনালে কোনো গোল করতে পারেননি তিনি। অন্যদিকে, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জোড়া গোল করে নিজেকে এগিয়ে নেন এমবাপ্পে। চলতি বিশ্বকাপে ৭ গোল করে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন হাল্যান্ড।

আসুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক গোল্ডেন বুটের জন্য কারা লড়াই করেছেন:

কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স): ১০ গোল, ৪ অ্যাসিস্ট

লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা): ৮ গোল, ৪ অ্যাসিস্ট

আর্লিং হলান্ড (নরওয়ে): ৭ গোল

জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড): ৮ গোল, ১ অ্যাসিস্ট

হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড): ৬ গোল, ১ অ্যাসিস্ট

উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স): ৫ গোল, ২ অ্যাসিস্ট

মিকেল ওইয়ারসাবাল (স্পেন): ৫ গোল, ১ অ্যাসিস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফাইনালে ২৮ মিনিটের বিরতিতে সমালোচনার মুখে ফিফা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ এম


ফাইনালে ২৮ মিনিটের বিরতিতে সমালোচনার মুখে ফিফা

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে ফুটবলের প্রচলিত রীতির বাইরে গিয়ে হাফটাইম শোর আয়োজন করেছে ফিফা।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে প্রথম ও দ্বিতীয়ার্ধের মাঝের বিরতি প্রায় ২৮ মিনিটে পৌঁছানোয় শুরু হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম ফাইনালে এত বড় পরিসরে সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই আয়োজনের জন্য মাঠে অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণ, প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম স্থাপন এবং পরে সেগুলো সরাতে অতিরিক্ত সময় লাগে। ফলে বিরতির সময় স্বাভাবিক ১৫ মিনিটের পরিবর্তে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়।

ফুটবলের নিয়ম প্রণয়নকারী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ডের সপ্তম আইন অনুযায়ী, হাফটাইম বিরতি সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট হওয়ার কথা।

বিশ্বকাপের নীতিমালাতেও একই সময়সীমা উল্লেখ রয়েছে। তবে বিশেষ অনুমতির মাধ্যমে ফিফা এই ফাইনালে ব্যতিক্রমী আয়োজনের অনুমোদন দেয়।

কোল্ডপ্লের ক্রিস মার্টিনের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত হাফটাইম শোতে অংশ নেন ম্যাডোনা, শাকিরা, জাস্টিন বিবার, বিটিএস এবং বার্না বয়।

মূল পরিবেশনা প্রায় ১১ মিনিট স্থায়ী হলেও পুরো আয়োজন সম্পন্ন করতে মোট বিরতির সময় দাঁড়ায় প্রায় ২৮ মিনিট।

এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন ফুটবল বিশ্লেষক, সাবেক খেলোয়াড়, ধারাভাষ্যকার এবং সম্প্রচার সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, বিনোদনকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে ফুটবলের স্বাভাবিক ছন্দ ও ম্যাচের তীব্রতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পাশাপাশি দীর্ঘ বিরতিতে খেলোয়াড়দের শরীরের তাপমাত্রা ও ম্যাচের গতি ধরে রাখাও কঠিন হয়ে পড়ে।

ক্রীড়া বিশেষজ্ঞদের মতে, এত দীর্ঘ সময় খেলা বন্ধ থাকলে পেশি শিথিল হয়ে যেতে পারে এবং দ্বিতীয়ার্ধে ইনজুরির ঝুঁকি বেড়ে যায়।

তাই এমন পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের সক্রিয় রাখতে অতিরিক্ত ওয়ার্মআপ, হাইড্রেশন এবং শারীরিক প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়।

এর আগে ২০২৫ সালের ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালেও পরীক্ষামূলকভাবে দীর্ঘ হাফটাইম শোর আয়োজন করেছিল ফিফা।

তবে আন্তর্জাতিক ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে একই ধরনের আয়োজন বিশ্বকাপের ভবিষ্যৎ ঐতিহ্য ও বাণিজ্যিক দিক নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফাইনালে স্পেনের রক্ষণ ভাঙতে না পেরে বিব্রতকর রেকর্ড গড়ল আর্জেন্টিনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৯ এম


ফাইনালে স্পেনের রক্ষণ ভাঙতে না পেরে বিব্রতকর রেকর্ড গড়ল আর্জেন্টিনা

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা ইতিহাসের অন্যতম খারাপ পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে। এই ম্যাচে লিওনেল স্কালোনির দল নির্ধারিত ৯০ মিনিটে প্রতিপক্ষের গোলপোস্ট লক্ষ্য করে শট নেওয়ায় ব্যর্থ হয়েছে। এইভাবে তাঁরা বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়েছে।

১৯৬৬ সাল থেকে বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচের বিস্তারিত পরিসংখ্যান সংরক্ষণ শুরু হওয়ার পর, এটি প্রথমবার কোন ফাইনালিস্ট দল পুরো একটি ম্যাচে একটিও শট নেয়নি। লিওনেল মেসি থাকলেও আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগ ছিল পুরোপুরি নিষ্প্রভ।

ম্যাচের পুরো সময়ে বলের দখল ও ছন্দ ছিল স্পেনের নিয়ন্ত্রণে। একের পর এক আক্রমণে আর্জেন্টিনার রক্ষণকে চাপে রাখলেও ইউরোপের দলটিও নিজেদের গোলপোস্টে কোন হুমকি তৈরি হতে দেয়নি। ফলস্বরূপ, স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমনকে কার্যত কোনো সেভও করতে হয়নি।

প্রথমার্ধেই আর্জেন্টিনার দুর্দশার চিত্র স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিরতিতে যাওয়ার সময় তারা একটি শটও নিতে পারেনি। একইসাথে ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথমার্ধে সবচেয়ে কম শটের রেকর্ডও গড়েছে ওই ম্যাচ। প্রথম ৪৫ মিনিটে দু'দলের মিলিয়ে শটের সংখ্যা ছিল মাত্র তিনটি, যেগুলোই নিয়েছিল স্পেন।

এর আগে আর্জেন্টিনার দখলে ছিল বিশ্বকাপ ফাইনালে সবচেয়ে কম শট নেওয়ার নেতিবাচক রেকর্ড। ১৯৯০ সালে ইতালি বিশ্বকাপের ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিরুদ্ধে দিয়েগো মারাদোনার দল পুরো ম্যাচে মাত্র একটি শট নিতে পেরেছিল। রোমের সেই ম্যাচে মারাদোনার একমাত্র প্রচেষ্টা ছিল একটি ফ্রি-কিক, যা ক্রসবারের ওপরে চলে যায়। পরে পশ্চিম জার্মানি আন্দ্রেয়াস ব্রেহমের পেনাল্টিতে ১-০ গোলে জয়ী হয়।

তবে ৩৬ বছর পর আর্জেন্টিনা সেই হতাশার রেকর্ডটিকে ছাড়িয়ে গেছে। স্পেনের বিপক্ষে আক্রমণে সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিণতি ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালের ইতিহাসে নতুন একটি নেতিবাচক নজির হিসেবে যুক্ত হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%