প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের আসরে সাধারণত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে গোলদাতারা থাকেন। কিন্তু ২০২৬ আসরে গোলকিপারদের পারফরম্যান্সও সমানভাবে মনোযোগ কাড়াচ্ছে উনাই সিমন। চলতি বিশ্বকাপে মাত্র ১টি গোল তিনি হজম করেছেন। তাই বিশ্বকাপের গোল্ডেন গ্লাভস অর্জন করেছেন তিনি।
সোমবার (২০ জুলাই) নিউ জার্সির মেটালাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ী হয়েছে স্পেন। এই ম্যাচে সিমনের বিশেষ অবদান রয়েছে।
এছাড়া, সিমন ভেঙে দিয়েছেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী একটি রেকর্ড। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে স্পেনের ৩-০ গোলের জয়গতিতে নিজের পোস্ট অক্ষত রেখেছেন সিমন। আর এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বকাপে টানা ৫১৯ মিনিট গোল না খাওয়ার নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন।
এর আগে ১৯৯০ সালের ইতালি বিশ্বকাপে টানা ৫১৭ মিনিট গোল না খেয়ে রেকর্ড গড়েছিলেন ইতালির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ওয়াল্টার জেঙ্গা। দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে এই কীর্তি ছিল বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ।
এখন জেঙ্গাকে ছাড়িয়ে উনাই সিমন ইতিহাসের শীর্ষে অবস্থান করছেন। তালিকার তৃতীয় স্থানে নেমে গেছেন ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি পিটার শিলটন, যার টানা গোল না খাওয়ার সময় ছিল ৫০০ মিনিট।
সিমনের এই অভূতপূর্ব ধারাবাহিকতা শুরু হয়েছিল ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ থেকেই। জাপানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বে আও তানাকার গোলে তিনি প্রথম গোল হজম করেন, এরপর আর কোনো প্রতিপক্ষ তার জাল খুঁজে পায়নি।
ওই ম্যাচের বাকি সময়, মরক্কোর বিপক্ষে শেষ ষোলোর অতিরিক্ত সময়সহ পুরো ১২০ মিনিট এবং ২০২৬ বিশ্বকাপে কেপ ভার্ডে, সৌদি আরব, উরুগুয়ে ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পূর্ণ সময় মিলিয়ে টানা ৫১৯ মিনিট তিনি নিজের পোস্ট অক্ষত রেখেছেন।
বিশ্বরেকর্ডের পাশাপাশি স্পেনের ইতিহাসেও নতুন একটি মাইলফলক গড়েছেন ২৯ বছর বয়সি এই গোলকিপার। এতদিন দেশের হয়ে বিশ্বকাপে টানা সবচেয়ে বেশি সময় গোল না খাওয়ার রেকর্ড ছিল ইকার কাসিয়াসের দখলে। ২০১০ ও ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ মিলিয়ে গড়া কাসিয়াসের ৪৭৭ মিনিটের সেই কীর্তি এখন সিমনের কাছে অতীত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন