ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরান যুদ্ধে ছয় শতাধিক মার্কিন সেনা আহত


ইরান যুদ্ধে ছয় শতাধিক মার্কিন সেনা আহত

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৬০০ জনেরও বেশি মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন।

সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিরক্ষা দপ্তরের নতুন পরিসংখ্যানে সেনাসদস্যদের এই বড় হতাহতের খবর জানা গেছে। নতুন হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৬২৪ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন এবং ১৮ জন নিহত হয়েছেন।

হতাহতের সঠিক তথ্য সংরক্ষণে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর গত রোববার একটি নতুন রিপোর্টিং পদ্ধতি চালু করেছে। এই ব্যবস্থার আওতায় হতাহতের সামগ্রিক হিসাবকে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ ও ‘ওভারসিজ অপারেশনস’—এই দুই ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। তবে এই পদ্ধতি চালুর পর থেকেই তথ্যে অসচ্ছতা ও সত্য গোপনের গুরুতর অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে।

আরও পড়ুন: ডিসেম্বরে হাসিনার ফেরার গুঞ্জন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৭ জুলাইয়ের পর থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে কর্মরত ২০৭ জন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১৮২ জনই সেনাসদস্য। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ৭ জুলাইয়ের পর আহতদের অন্তত ৯৬ শতাংশ সদস্য ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে পুনরায় দায়িত্বে ফিরে গেছেন।

হতাহতের তালিকায় এই নতুন বিভাজন ও হিসাবের পরিবর্তন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিপ্রণেতাদের মধ্যে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। নিহত ও আহতদের দুই ভাগে বিভক্ত করায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ডেমোক্র্যাট সিনেটররা।

ইউরোপে মার্কিন বাহিনীর সাবেক কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল বেন হজেস সরকারি হিসাবের সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অন্যদিকে ট্রাম্পের সমালোচক রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য থমাস ম্যাসি এই বিভাজনকে একটি ‘হাস্যকর চালাকি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

তবে মার্কিন প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই বিতর্ককে ‘সাময়িক তথ্যগত বিভ্রাট’ হিসেবে দাবি করছেন। তারা জানিয়েছেন, দ্রুত এই পদ্ধতিগত ত্রুটি সমাধান করতে কাজ চলছে। এদিকে অস্ত্র ও গোলাবারুদের সংকটে পড়ার শঙ্কায় গত তিন দিন ধরে ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত রেখেছে মার্কিন বাহিনী।

আরও পড়ুন: সরকারের ব্যর্থতা বিরোধীদের ওপর চাপাবেন না: ডা. শফিকুর রহমান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তর ইরাকের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ এম


উত্তর ইরাকের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলা

উত্তর ইরাকের কুর্দি-নিয়ন্ত্রিত খোর মোর গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলার ঘটনা সম্প্রতি ঘটেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি জানায়, সোমবার (২৭ জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে সুলাইমানিয়া প্রদেশে অবস্থিত এই গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসক্ষেত্রটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। খোর মোর গ্যাসক্ষেত্র থেকে কুর্দি অঞ্চলের অধিকাংশ বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ করা হয়, যা এই অঞ্চলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রায় একই সময়ে, হামলার স্থান থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে কুর্দি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের রাজধানী এরবিলে একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। বিস্ফোরণের মুহূর্তের বেশ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা ঘটনার তীব্রতা নির্দেশ করে।

ইরাকি সংবাদমাধ্যম ও ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, এরবিলে মার্কিন কনস্যুলেটের নিকটবর্তী এলাকাসহ অন্তত সাতটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার সঙ্গে যুক্ত কর্তৃপক্ষ পুলিশ সূত্রে জানিয়েছে, এরবিলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের খালিফান এবং সোরান এলাকার বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্য করে অন্তত চারটি ইরানি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছে।

পুলিশের দাবি, এসব হামলার পরপরই এরবিলের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের ১০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন টহল দিতে দেখা গেছে। তাছাড়া, লক্ষ্যবস্তু এলাকাগুলো এবং আশপাশে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দুটি ড্রোন লক্ষ্যবস্তুর কাছাকাছি এসে বিধ্বস্ত হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

একটি উল্লেখযোগ্য বিষয়, নতুন দফায় টানা ১৩ রাত হামলার পর বুধবার থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান স্থগিত করছে। যুক্তরাষ্ট্রের হামলা বন্ধের পর ইরানও পাল্টা হামলা থেকে বিরত ছিল। এর মধ্যেই উত্তর ইরাকে নতুন করে ড্রোন হামলার ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট রয়েছে যে, অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতির কারণে হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই দাবি নাকচ করে বলছেন, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর অনুরোধেই হামলা স্থগিত করা হয়েছে। সোমবার মিশিগানে যাওয়ার পথে প্রেসিডেন্টের উড়োজাহাজ এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের ভালো আলোচনা চলছে, এবং ভালো কিছু ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিটি মানুষের সচেতন এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠা প্রয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ এম


প্রতিটি মানুষের সচেতন এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠা প্রয়োজন

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের প্রতিটি মানুষের সচেতন এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠা প্রয়োজন। যদি প্রতিটি নাগরিক নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে, তবে রাষ্ট্র পরিচালনা ও উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।

সোমবার (২৭ জুলাই) ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই প্রসঙ্গে আরো বলেন, ২০ কোটি মানুষের দেশে সরকারের একার পক্ষে সব কিছু করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্বশীল হতে হবে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি নিজের কর্তব্য পালন করতে হবে।

তিনি সরকারের আন্তরিকতায় জনগণের কল্যাণে কাজ করার কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন, নারী ও শিশুর নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই উদ্দেশ্যে আইন সংশোধন করে কঠোর শাস্তির বিধানও রাখা হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালকে আধুনিকায়ন করা হয়েছে এবং এর শয্যাসংখ্যা ২৫০ থেকে ৬৭০-এ উন্নীত করা হয়েছে। হাসপাতালের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও দাবি করেন, চীনের সহযোগিতায় যেসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে, সেগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ইতিমধ্যে একটি শিক্ষার্থী প্রতিনিধি দল চীন সফর করেছে, তারা দেশে ফিরে ঠাকুরগাঁওয়ে এসে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অংশ নেবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফিরোজ জামান জুয়েল, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাইয়ের সম্মিলিত চেতনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের মূল্যবান সম্পদ: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৬ এম


জুলাইয়ের সম্মিলিত চেতনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের মূল্যবান সম্পদ: রিজভী

জুলাইয়ের সম্মিলিত চেতনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি মূল্যবান সম্পদ, যা ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রচিন্তার অন্যতম প্রেরণা হয়ে থাকবে, এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-২০২৪ স্মরণানুষ্ঠানে’ যখন তিনি বক্তব্য প্রদান করছিলেন, তখন তিনি এরূপ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, মূল উপলব্ধিটি হলো, আপনি সংবিধান সংশোধন করলেন, পার্লামেন্ট অ্যাক্টের মাধ্যমে আইন প্রণয়ন করলেন, কিন্তু দেখা গেল যে কোন এক সময় ছিদ্রপথ দিয়ে ফ্যাসিবাদের আগমন ঘটে গেল। তখন এই আইনগুলো আমাদের সুরক্ষা দিতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ, শেখ হাসিনা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য ধ্বংসাত্মক আন্দোলন করেছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি নিজেই তা সংবিধান থেকে মুছে ফেলেছিলেন। তাই কাগজে লেখা একটি আইন সকলেই মান্য করবে, এমন কোনো গ্যারান্টি নেই। মূল বিষয়ের কথা হলো মানুষের মানসিকতা। এটি একটি লিগ্যাল বা আইনি বিষয় নয়; বরং এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক বিষয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাজনীতিবিদদের একটি সাধারণ পয়েন্টে আসতেই হবে। তারা যদি মতাদর্শগত ঝগড়া-ঝাটি বা আলোচনা-সমালোচনা করে, তাও করতে হবে, তবে আমাদের সমগ্র রাষ্ট্রব্যবস্থা যেন একটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত না হয়, সেই দিকটি মাথায় রেখেই কাজ করতে হবে। যদি মানসিকতার এই পরিবর্তন না ঘটে, তবে সংবিধান সংশোধন কিংবা আইন প্রণয়ন, কোনোটিই কার্যকর হবে না।

রিজভী বলেন, শুধুমাত্র ভূখণ্ড, অর্থনীতি অথবা রাজনৈতিক কাঠামোর ওপর একটি জাতির শক্তি নির্ভর করে না। বরং একটি জাতির প্রকৃত ভিত্তি নির্মিত হয় ইতিহাস, স্মৃতি ও মূল্যবোধের ওপর। জাতীয় স্মৃতি কোনো অতীতচারিতা নয়; এটি হচ্ছে একটি জাতির আত্মপরিচয়ের ভিত্তি, নৈতিক চেতনার উৎস এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের দিকনির্দেশনা। যে জাতি তার ইতিহাসকে সত্যনিষ্ঠভাবে ধারণ করতে সক্ষম, সে অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নেয়, অর্জনকে সংরক্ষণ করে এবং ভবিষ্যৎকে আরও দায়িত্বশীলভাবে নির্মাণ করে। অন্যদিকে, ইতিহাস যদি রাজনৈতিক সুবিধাবাদ বা সাময়িক ক্ষমতার স্বার্থে ব্যবহৃত হয়, তবে তা ক্ষণিকের আবেগ তৈরি করতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় ঐক্যমত বা সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সক্ষম হবে না। সুতরাং, ইতিহাসের প্রতি প্রকৃত দায়বদ্ধতা মানে শুধুমাত্র স্মরণ নয়, বরং সত্যের প্রতি আনুগত্য এবং সেখান থেকে শিক্ষা গ্রহণের মনোভাবের বিষয়ও।

রিজভী আরও বলেন, রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত জীবনে কেবল ভাগ্যের ওপর নির্ভর না করে, বরং কঠোর পরিশ্রমের ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। ‘লক্ষ্য অর্জনে কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। যদি রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মনে একটি আদর্শিক বোধ থাকে, তবে রাজনৈতিক সফলতা নিশ্চিতভাবে আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ব আরো একটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ দেখতে যাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ এম


বিশ্ব আরো একটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ দেখতে যাচ্ছে

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলি খামেনি। ফাইল ছবি।

টানা ১৩ রাত ধরে প্রতিদিন ইরানে হামলা চালাচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এই হামলাগুলিতে ইরানের বেসামরিক অবকাঠামো, যেমন—সেতু, বিমানবন্দর, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র এবং সুপেয় পানি শোধনাগার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, ইরানও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে পাল্টা আক্রামণের মাধ্যমে জবাব দিচ্ছে।

এমন সংকটজনক পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সংঘাত আরো জোরালো করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। মার্কিন এই হুমকির প্রেক্ষিতে ইরানও বিশাল আকারে পাল্টা আঘাতের ঝুঁকি তৈরি করে এবং এটি পুরো অঞ্চলকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও সর্বাত্মক যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে একটি প্রশ্ন উঠছে—যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান কি তাহলে আরেক ‘দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের’ দিকে ধাবিত হচ্ছে? আর দুই দেশের ঐতিহাসিক সংঘাত যে কীভাবে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলছে তা নিয়ে আলোচনা চলেছে।

চলতি সপ্তাহে আল-জাজিরার বিশেষ অনুষ্ঠান ‘আপফ্রন্ট’-এ এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন বস্টন কলেজের সমাজবিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক বিষয়ের সহযোগী অধ্যাপক আলি কাদিভার। এই অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন প্রখ্যাত সাংবাদিক মার্ক ল্যামন্ট হিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%