বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৬:৩৪ পি.এম
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের মাস্টারবাড়ী এলাকায় অবস্থিত এসকিউ কারখানার ঝুট (ওয়েস্টেজ) ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলস্বরূপ, প্রতিপক্ষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে কয়েকশত লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে এলাকায় মিছিল ও মহড়া দেন। এই সময় তাদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়। এর ফলে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এসকিউ কারখানার ঝুট সংগ্রহ ও বিক্রির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে স্থানীয় বিএনপির দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের ফলস্বরূপ সাম্প্রতিক উত্তেজনার উৎপত্তি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের কারণে এলাকায় নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। তারা যেকোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। এর আগে একই বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল বলেও জানা গেছে।
স্থানীয় বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম বাসান উল্লেখ করেছেন, "আওয়ামী লীগের কিছু লোক ও মামলার আসামিরা জড়ো হওয়ার চেষ্টা করছিল। তাদের প্রতিহত করতেই মিছিল বের করা হয়।" অন্যদিকে, এসকিউ কারখানার ঝুট ব্যবসার কার্যাদেশ দাবিদার উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মোহাম্মদ মুর্শেদ আলম দাবি করেছেন, "আমি দীর্ঘ ২২ বছর ধরে ওই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর একটি পক্ষ তাঁর ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে এবং বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করছে।" তিনি জানান, বৃহস্পতিবার প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে কারখানা থেকে ঝুট বের করতে পারেননি।
এ বিষয়ে ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, "মাস্টারবাড়ি এলাকায় গোলযোগের কোনো ঘটনার বিষয়ে আমার কাছে তথ্য নেই।" উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফিরোজ হোসেন জানিয়েছেন, ঝুট ব্যবসা নিয়ে এর আগে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ হয়েছিল। তিনি বলেন, "কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা নিজেদের সিদ্ধান্তে মালামাল বের না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারে। এ বিষয়ে প্রশাসনের কোনো ভূমিকা নেই।" স্থানীয় সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহাম্মেদ বাচ্চু জানিয়েছেন, "ফ্যাসিবাদপন্থী লোকজন একত্রিত হওয়ার খবর পেয়ে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল করেছেন। তবে এই ঘটনায় কারখানার ব্যবসা-সংক্রান্ত কোনো বিষয় সম্পর্কে আমার জানা নেই।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে দেওয়ার পর টানা দুই জয়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল দল ইতোমধ্যে পরবর্তী স্তরে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী রোববার ডালাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে মাঠে নামবে আলবিসেলেস্তেরা। নকআউট নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায়, এই ম্যাচটি আর্জেন্টিনার জন্য অনেকটা নিয়মরক্ষার লড়াই হয়ে গেছে।
এমন পরিস্থিতিতে, প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি সম্ভাব্যতার দিকে নজর রেখে তার মূল স্টার খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দিয়ে বেঞ্চের শক্তিকে যাচাই করতে পারেন। দেশটির সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচে আর্জেন্টিনার সাত ফুটবলারের বিশ্বকাপ অভিষেক ঘটানোর সুযোগ রয়েছে।
গোলরক্ষক পজিশনে পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যদি নিয়মিত গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে বিশ্রাম দেওয়া হয়, তাহলে তার পরিবর্তে জেরোনিমো রুল্লি অথবা হুয়ান মুসোর সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বকাপজয়ী দলের একজন সদস্য হলেও, রুল্লি পুরো টুর্নামেন্টটাই বেঞ্চে কাটিয়েছিলেন। অপরদিকে, মুসোর জন্য এটি হবে বিশ্বকাপে তার প্রথম অভিজ্ঞতা।
রক্ষণভাগেও বড় ধরনের পরিবর্তন আসার আশা করা হচ্ছে। ক্রিস্তিয়ান রোমেরো চোটের কারণে জর্ডানের বিপক্ষে অংশ নিতে পারবেন না। অভিজ্ঞ নিকোলাস ওতামেন্দির সঙ্গে সেন্টার-ব্যাকে দেখা যেতে পারে মার্কোস সেনেসিকে। এটি হতে পারে সেনেসির বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ।
মিডফিল্ডে জিওভান্নি লো সেলসো এবং ভ্যালেন্তিন বার্কোর দিকে তাকানো হচ্ছে। স্কালোনির আস্থাভাজন লো সেলসো চোটের কারণে কাতার বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেননি। রাশিয়া বিশ্বকাপের দলে থাকলেও মাঠে নামার সুযোগ তার হয়নি। ফলে, এখনও তার বিশ্বকাপ অভিষেক হয়নি।
অন্যদিকে, তরুণ মিডফিল্ডার বার্কো ক্লাব ফুটবলে অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছেন এবং জাতীয় দলের হয়ে সম্ভাবনা প্রকাশ করেছেন। প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে তার খেলা নজর কেড়েছে। জর্ডানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার সম্ভাবনা তার কাছে যথেষ্ট প্রবল বলে মনে করা হচ্ছে।
নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করছে দুই আক্রমণভাগের ফুটবলার জুলিয়ানো সিমিওনে এবং হোসে মানুয়েল লোপেস। তবে আক্রমণভাগে জুলিয়ান আলভারেজের উপস্থিতির কারণে সিমিওনের জন্য সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।
উল্লেখ্য, কাতার বিশ্বকাপেও স্কালোনি অতীতের মতো একই পরিস্থিতিতে কয়েকজন নতুন মুখকে সুযোগ দিয়েছিলেন। পোল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপপর্বের ম্যাচে হুয়ান ফয়েথ এবং থিয়াগো আলমাদাকে বিশ্বকাপে অভিষেক করার সুযোগ দিয়েছিলেন। এবার জর্ডানের বিরুদ্ধে সেরকম কৌশল অনুসরণ করে বেঞ্চের খেলোয়াড়দের পরীক্ষা করতে পারেন আর্জেন্টাইন কোচ।
আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ হলো: রুল্লি/মার্টিনেজ), গঞ্জালো মন্তিয়েল, ওতামেন্দি, সেনেসি, নিকোলাস তালিয়াফিকো, এক্সেকিয়েল পালাসিওস, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, ভ্যালেন্তিন বার্কো, লিওনেল মেসি/নিকোলাস পাস, জুলিয়ান আলভারেজ এবং নিকোলাস গঞ্জালেস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৪৮টি দেশ নিয়ে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ। যার প্রধান আয়োজক দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র।
কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সকার এবং ফুটবল নিয়ে বিতর্ক এখনো বিদ্যমান রয়েছে। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে খেলাটিকে ফুটবল বলা হলেও যুক্তরাষ্ট্রে এটি বলা হয় সকার।
যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের কাছে ফুটবল মানে আমেরিকান ফুটবল। আর এই খেলাটির সবচেয়ে জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট হলো ন্যাশনাল ফুটবল লিগ (এনএফএল)।
অথচ নামের সাথে আমেরিকান ফুটবল থাকলেও, এই খেলা মূলত হাতে খেলা হয়; পায়ের ব্যবহার সেখানে কম।
এবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে এই বিতর্ককে সামনে নিয়ে এসেছেন। তিনি এনএফএলের নাম পরিবর্তন করে সকারকে সত্যিকার ফুটবল হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে পরিচয় করিয়ে দিতে চান।
ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেছেন, ‘এনএফএলের জন্য আমাদের অন্য একটি নাম খুঁজে বের করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে আমরা যেটিকে সকার বলি, বাস্তবে এর নাম ফুটবল। এটিই আসল ফুটবল। একে সকার নামে ডাকার কোনো মানেই হয় না।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমেরিকান ফুটবল নামটি অনেক সময় বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। যে খেলায় খেলোয়াড়রা বেশিরভাগ সময় হাতে বল বহন করেন, সেটিকে ফুটবল বলা যৌক্তিক নয়।’
যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। যদিও এনএফএল বা আমেরিকান ফুটবলের নাম পরিবর্তনের জন্য এখনো আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। লস অ্যাঞ্জেলেসে আগামীকাল সকালে ‘ডি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে তুরস্কের মুখোমুখি হবে মার্কিনরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানকালে ১০ জনের প্রত্যেককে ১ বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিচ্ছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেলে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়। এবারের অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নতুন বাসস্ট্যান্ডে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন শেরপুর জেলার ডোবারচর গ্রামের মো. সামিদুল ইসলাম (৩০), ফুলবাড়িয়া এলাকার মো. হোসেন আলীর পুত্র আলামিন (৩০), হালুয়াঘাট পৌরসভার উত্তর খয়রাকুড়ি এলাকার ইব্রাহিম হোসেনের পুত্র মো. ইসমাইল হেসেন (৩৬), আকনপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল হাসিম খানের পুত্র মো. লিটন মিয়া (৪৪), নেত্রকোনা জেলার মুক্তারপাড়া গ্রামের মো. তারা মিয়ার পুত্র মো.আলামিন মিয়া (৪২), হালুয়াঘাটের সদর ইউনিয়নের শাপলা বাজারের মৃত আবুল কাসেমের পুত্র মো. শাহ আলম (২৮), উত্তর আকনপাড়া গ্রামের মুনসুর আলীর পুত্র মারুফ (২৬), মধ্য আকনপাড়া গ্রামের জাকির হোসেনের পুত্র মো. তিতাস (২৭), ইসলামপুর গ্রামের মো. বাবুল মিয়ার পুত্র মো. উজ্জল মিয়া (৩৫) ও দক্ষিণ মনিকুড়া গ্রামের হাবিবুর রহমানের পুত্র মো. সুরুজ মিয়া (৩২)। সাজাপ্রাপ্তরা হালুয়াঘাট ও বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মাদক সেবন ও বিক্রির সময় ১০ জন ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমেদ। এ সময় থানা পুলিশের সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমেদ বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সাজা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬ (৫) ধারার আওতায় ১ (এক) বছরের জেল, দুই শত টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে ৩ (তিন) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। তিনি আরো জানান, উপজেলায় মাদক নির্মূলে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে, এবং এ ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লিবিয়ার বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা ১৭২ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিককে সরকার দেশে ফিরিয়ে এনেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সরকারি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, বুরাক এয়ারের বিশেষ ফ্লাইটযোগে তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৫টার দিকে বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে এসব বাংলাদেশি দেশে ফেরেন। এই ঘটনাটি চলতি বছরে লিবিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালা থেকে মোট এক হাজার ৫৪৯ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ার অংশ। লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মিলিত উদ্যোগে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় তাদের প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, দেশে ফেরা ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের কারণে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে এই ব্যক্তিদের পথ খরচা, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ