বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৬:৩৬ পি.এম
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে দেওয়ার পর টানা দুই জয়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল দল ইতোমধ্যে পরবর্তী স্তরে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী রোববার ডালাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে মাঠে নামবে আলবিসেলেস্তেরা। নকআউট নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায়, এই ম্যাচটি আর্জেন্টিনার জন্য অনেকটা নিয়মরক্ষার লড়াই হয়ে গেছে।
এমন পরিস্থিতিতে, প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি সম্ভাব্যতার দিকে নজর রেখে তার মূল স্টার খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দিয়ে বেঞ্চের শক্তিকে যাচাই করতে পারেন। দেশটির সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচে আর্জেন্টিনার সাত ফুটবলারের বিশ্বকাপ অভিষেক ঘটানোর সুযোগ রয়েছে।
গোলরক্ষক পজিশনে পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যদি নিয়মিত গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে বিশ্রাম দেওয়া হয়, তাহলে তার পরিবর্তে জেরোনিমো রুল্লি অথবা হুয়ান মুসোর সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বকাপজয়ী দলের একজন সদস্য হলেও, রুল্লি পুরো টুর্নামেন্টটাই বেঞ্চে কাটিয়েছিলেন। অপরদিকে, মুসোর জন্য এটি হবে বিশ্বকাপে তার প্রথম অভিজ্ঞতা।
রক্ষণভাগেও বড় ধরনের পরিবর্তন আসার আশা করা হচ্ছে। ক্রিস্তিয়ান রোমেরো চোটের কারণে জর্ডানের বিপক্ষে অংশ নিতে পারবেন না। অভিজ্ঞ নিকোলাস ওতামেন্দির সঙ্গে সেন্টার-ব্যাকে দেখা যেতে পারে মার্কোস সেনেসিকে। এটি হতে পারে সেনেসির বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ।
মিডফিল্ডে জিওভান্নি লো সেলসো এবং ভ্যালেন্তিন বার্কোর দিকে তাকানো হচ্ছে। স্কালোনির আস্থাভাজন লো সেলসো চোটের কারণে কাতার বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেননি। রাশিয়া বিশ্বকাপের দলে থাকলেও মাঠে নামার সুযোগ তার হয়নি। ফলে, এখনও তার বিশ্বকাপ অভিষেক হয়নি।
অন্যদিকে, তরুণ মিডফিল্ডার বার্কো ক্লাব ফুটবলে অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছেন এবং জাতীয় দলের হয়ে সম্ভাবনা প্রকাশ করেছেন। প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে তার খেলা নজর কেড়েছে। জর্ডানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার সম্ভাবনা তার কাছে যথেষ্ট প্রবল বলে মনে করা হচ্ছে।
নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করছে দুই আক্রমণভাগের ফুটবলার জুলিয়ানো সিমিওনে এবং হোসে মানুয়েল লোপেস। তবে আক্রমণভাগে জুলিয়ান আলভারেজের উপস্থিতির কারণে সিমিওনের জন্য সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।
উল্লেখ্য, কাতার বিশ্বকাপেও স্কালোনি অতীতের মতো একই পরিস্থিতিতে কয়েকজন নতুন মুখকে সুযোগ দিয়েছিলেন। পোল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপপর্বের ম্যাচে হুয়ান ফয়েথ এবং থিয়াগো আলমাদাকে বিশ্বকাপে অভিষেক করার সুযোগ দিয়েছিলেন। এবার জর্ডানের বিরুদ্ধে সেরকম কৌশল অনুসরণ করে বেঞ্চের খেলোয়াড়দের পরীক্ষা করতে পারেন আর্জেন্টাইন কোচ।
আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ হলো: রুল্লি/মার্টিনেজ), গঞ্জালো মন্তিয়েল, ওতামেন্দি, সেনেসি, নিকোলাস তালিয়াফিকো, এক্সেকিয়েল পালাসিওস, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, ভ্যালেন্তিন বার্কো, লিওনেল মেসি/নিকোলাস পাস, জুলিয়ান আলভারেজ এবং নিকোলাস গঞ্জালেস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৪৮টি দেশ নিয়ে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ। যার প্রধান আয়োজক দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র।
কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সকার এবং ফুটবল নিয়ে বিতর্ক এখনো বিদ্যমান রয়েছে। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে খেলাটিকে ফুটবল বলা হলেও যুক্তরাষ্ট্রে এটি বলা হয় সকার।
যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের কাছে ফুটবল মানে আমেরিকান ফুটবল। আর এই খেলাটির সবচেয়ে জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট হলো ন্যাশনাল ফুটবল লিগ (এনএফএল)।
অথচ নামের সাথে আমেরিকান ফুটবল থাকলেও, এই খেলা মূলত হাতে খেলা হয়; পায়ের ব্যবহার সেখানে কম।
এবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে এই বিতর্ককে সামনে নিয়ে এসেছেন। তিনি এনএফএলের নাম পরিবর্তন করে সকারকে সত্যিকার ফুটবল হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে পরিচয় করিয়ে দিতে চান।
ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেছেন, ‘এনএফএলের জন্য আমাদের অন্য একটি নাম খুঁজে বের করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে আমরা যেটিকে সকার বলি, বাস্তবে এর নাম ফুটবল। এটিই আসল ফুটবল। একে সকার নামে ডাকার কোনো মানেই হয় না।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমেরিকান ফুটবল নামটি অনেক সময় বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। যে খেলায় খেলোয়াড়রা বেশিরভাগ সময় হাতে বল বহন করেন, সেটিকে ফুটবল বলা যৌক্তিক নয়।’
যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। যদিও এনএফএল বা আমেরিকান ফুটবলের নাম পরিবর্তনের জন্য এখনো আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। লস অ্যাঞ্জেলেসে আগামীকাল সকালে ‘ডি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে তুরস্কের মুখোমুখি হবে মার্কিনরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানকালে ১০ জনের প্রত্যেককে ১ বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিচ্ছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেলে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়। এবারের অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নতুন বাসস্ট্যান্ডে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন শেরপুর জেলার ডোবারচর গ্রামের মো. সামিদুল ইসলাম (৩০), ফুলবাড়িয়া এলাকার মো. হোসেন আলীর পুত্র আলামিন (৩০), হালুয়াঘাট পৌরসভার উত্তর খয়রাকুড়ি এলাকার ইব্রাহিম হোসেনের পুত্র মো. ইসমাইল হেসেন (৩৬), আকনপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল হাসিম খানের পুত্র মো. লিটন মিয়া (৪৪), নেত্রকোনা জেলার মুক্তারপাড়া গ্রামের মো. তারা মিয়ার পুত্র মো.আলামিন মিয়া (৪২), হালুয়াঘাটের সদর ইউনিয়নের শাপলা বাজারের মৃত আবুল কাসেমের পুত্র মো. শাহ আলম (২৮), উত্তর আকনপাড়া গ্রামের মুনসুর আলীর পুত্র মারুফ (২৬), মধ্য আকনপাড়া গ্রামের জাকির হোসেনের পুত্র মো. তিতাস (২৭), ইসলামপুর গ্রামের মো. বাবুল মিয়ার পুত্র মো. উজ্জল মিয়া (৩৫) ও দক্ষিণ মনিকুড়া গ্রামের হাবিবুর রহমানের পুত্র মো. সুরুজ মিয়া (৩২)। সাজাপ্রাপ্তরা হালুয়াঘাট ও বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মাদক সেবন ও বিক্রির সময় ১০ জন ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমেদ। এ সময় থানা পুলিশের সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমেদ বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সাজা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬ (৫) ধারার আওতায় ১ (এক) বছরের জেল, দুই শত টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে ৩ (তিন) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। তিনি আরো জানান, উপজেলায় মাদক নির্মূলে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে, এবং এ ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লিবিয়ার বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা ১৭২ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিককে সরকার দেশে ফিরিয়ে এনেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সরকারি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, বুরাক এয়ারের বিশেষ ফ্লাইটযোগে তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৫টার দিকে বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে এসব বাংলাদেশি দেশে ফেরেন। এই ঘটনাটি চলতি বছরে লিবিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালা থেকে মোট এক হাজার ৫৪৯ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ার অংশ। লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মিলিত উদ্যোগে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় তাদের প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, দেশে ফেরা ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের কারণে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে এই ব্যক্তিদের পথ খরচা, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়লা ও আবর্জনা যত্রতত্র ফেলা থেকে বেরিয়ে এসে, বাংলাদেশ পরিবেশবান্ধব, প্রযুক্তিনির্ভর এবং টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মহাপরিকল্পনার আওতায়, দেশের প্রতিটি পৌরসভায় পর্যায়ক্রমে ম্যাটেরিয়াল রিকভারি ফ্যাসিলিটি (এমআরএফ) সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে।
এসব এমআরএফ সেন্টারে পৌর এলাকার দৈনন্দিন বর্জ্য সংগ্রহ, বাছাই, পুনর্ব্যবহার এবং জৈব বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদনসহ প্লাস্টিক পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ও ভবিষ্যতে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় জমি বরাদ্দের জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক, সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোর আওতায় আনতে সরকার নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ সম্প্রতি দেশের সকল জেলা প্রশাসকের কাছে এক নির্দেশনা পাঠিয়েছে, যাতে দেশের ৩৩০টি পৌরসভার মধ্যে যেসব পৌরসভায় ডাম্পিং স্টেশন বা ডাম্প ইয়ার্ড নেই, সেসব পৌরসভার জন্য প্রয়োজনীয় খাস জমি বরাদ্দের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব ড. আশফিকুন নাহার স্বাক্ষরিত পত্রে জেলা প্রশাসকদের জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন পাঠানো হয়। একই সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থায়ী বন্দোবস্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী ভিত্তিতে সরকারি খাস জমি ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে বর্জ্য ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নগর উন্নয়ন শাখার অতিরিক্ত সচিব ও নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার সাবেক প্রশাসক ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানিয়েছেন, সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার যুগে প্রবেশ করবে।
তিনি আরও বলেন, বহুদিন ধরে দেশের প্রতিটি পৌরসভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্থানীয় জনগণের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া চলছে। সকলেই চাচ্ছিলেন পৌর শহরগুলোতে প্রকাশ্যে বর্জ্য ফেলা না হয় এবং সরকার যাতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়। অবশেষে বর্তমান বিএনপি সরকার জনগণের চাহিদার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে দৃশ্যমান কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেছেন, আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে দেশব্যাপী আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার একটি দৃশ্যমান রূপ দেখতে পাবে বাংলাদেশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ