বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৮:০৭ পি.এম
দক্ষিণ কলকাতার তারাতলায় নির্মাণাধীন একটি গুদামঘরের ছাদ ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে।
এ দুর্ঘটনা বুধবার (২৪ জুন) ঘটেছিল এবং স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে যে, আরও হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল থেকে দুর্ঘটনাস্থলে বৃহৎ আকারের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে ভারতীয় সেনাবাহিনী, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), দমকল বাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উদ্ধারকাজে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন।
ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন কলকাতা পুলিশ। পুলিশ গুদামঘর নির্মাণকারী বেহারা গ্রুপের কর্ণধার শম্ভু বেহারাকে গ্রেপ্তার করে। এছাড়া গ্রেপ্তার করা হয়েছে সুপারভাইজার সৈয়দ মোহাম্মদ গুলজার, শ্রমিক সরবরাহকারী মোহাম্মদ আতাউল ও সুভাষ চৌধুরীকে। নির্মাণকাজের মূল ঠিকাদার মোহাম্মদ আসগরের ভূমিকা নিয়েও পুলিশ নিবিড়ভাবে তদন্ত করছে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি সেখানে উদ্ধারকাজের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। রাজ্যের কয়েকজন মন্ত্রীও অবস্থান করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
বৃহস্পতিবার বিধানসভা অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। তিনি জানান, দুর্ঘটনার মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে উদ্ধারকাজ শুরু হয়। প্রথমে পুলিশ, দমকল ও স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধারকাজে অংশ নেন এবং পরে সেখানে দ্রুত এনডিআরএফ মোতায়েন হয়।
মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় বক্তব্যে দাবি করেন যে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে তৎকালীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে এই ভবনটির নির্মাণ পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তিনি সাবেক তৃণমূল সরকারকে সরাসরি দায়ী করেন এবং বলেন, এ ঘটনায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। নির্মাণ পরিকল্পনায় যাদের স্বাক্ষর রয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীসহ সবার বিরুদ্ধে তদন্তের ভিত্তিতে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মৃতদের পরিবারকে ১০ লাখ রুপি এবং আহতদের ১ লাখ রুপি আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিকে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে নিহতদের পরিবারকে ২ লাখ রুপি এবং আহতদের ৫০ হাজার রুপি করে সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনার শ্যামনগরের কৃষ্ণা চৌধুরী এবং জগদ্দলের পাপ্পু রজক রয়েছেন। নিহতদের স্বজনেরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুদ্ধ-পরবর্তী ইউক্রেনের পুনর্গঠন নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন বৃহস্পতিবার পোল্যান্ডে শুরু হচ্ছে। কিন্তু ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এতে অংশ নিচ্ছেন না, কারণ ওয়ারশর সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক বিরোধ রয়েছে।
রাশিয়ার হামলার ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য ইউক্রেনের কয়েক শত কোটি ডলার প্রয়োজন। এই অর্থ সংগ্রহের জন্য আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের সমর্থন জোরদারের চেষ্টা করছে কিয়েভ।
পোল্যান্ডের গদানস্ক থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর দিয়েছে।
তবে সম্মেলনটি নিষ্ফল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, কারণ যুদ্ধ বন্ধের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এছাড়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পোলিশদের হত্যাযজ্ঞে জড়িত একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নামকরণের কারণে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।
গদানস্কে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া এবং সুইডেনের নেতারা অংশ নেবেন। এর পাশাপাশি ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রধান আন্তোনিও কস্তাওও উপস্থিত থাকবেন।
যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইউক্রেনে বিনিয়োগের জন্য ব্যবসায়ী ও দেশগুলোকে উৎসাহিত করা সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।
গত কয়েক বছরে জেলেনস্কির নেতৃত্বে ইউক্রেনীয় প্রতিনিধিদল অংশ নিলেও এবার দেশটির প্রতিনিধিত্ব করছেন প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সিভরদেঙ্কো।
ইউক্রেন, বিশ্বব্যাংক, জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি যৌথ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ-পরবর্তী ইউক্রেন পুনর্গঠনে ৫৮৮ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় কোনো অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়নি। এর ফলে ইউক্রেন পুনর্গঠনে বিনিয়োগ সমর্থন পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে।
যদিও সিভরিদেঙ্কো বলেছেন, তার দেশ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই করার পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে, জ্বালানি খাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে।
-‘অপ্রয়োজনীয় রাজনীতিকরণ’-
এবার ইউক্রেনে জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রথমবারের মতো নিরাপত্তা সক্ষমতা নিয়েও আলোচনা হবে।
ডিসেম্বরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনের জন্য ৯০ বিলিয়ন ইউরোর ঋণ অনুমোদন করেছে, যার অধিকাংশই প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের জন্য নির্ধারিত।
কিন্তু কিয়েভের সেন্টার ফর ইকোনমিক স্ট্র্যাটেজির পরিচালক গ্লিব ভিশলিনস্কি বলেন, ‘পুনর্গঠন প্রক্রিয়া ছাড়া ইউক্রেনের পক্ষে দেশ রক্ষা করা অসম্ভব হবে।’ তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনের যারা কর দেন এবং সামরিক বাহিনীকে সমর্থন করেন, তাদের জন্য আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সেবা ও আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।’
যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের অর্থনীতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাশিয়ার আগ্রাসন মোকাবিলায় বিপুল ব্যয়ের মাধ্যমে দেশটি টিকে থাকতে বাইরের অর্থায়নের ওপর নির্ভর শীল।
জেলেনস্কির সম্মেলনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে পোল্যান্ডের জাতীয়তাবাদী প্রেসিডেন্ট কারোল নাভরোৎস্কির সঙ্গে বিরোধ। নাভরোৎস্কি ইউক্রেনীয় নেতার দেয়া একটি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রত্যাহার করেছেন।
পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্কের সঙ্গে মতবিরোধে থাকা নাভরোকি, ইউক্রেনীয় বিদ্রোহী সেনাবাহিনী (ইউপিএ)'র নামকরণের কারণে জেলেনস্কির পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ হন।
১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ভলিনিয়া অঞ্চলে ইউপিএ কয়েক হাজার পোলিশ বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে এই অঞ্চলটি পোল্যান্ডের অংশ ছিল।
তবে ইউক্রেনের কিছু মানুষ ইউপিএকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে, কারণ তাদের মতে এই সংগঠনটি ইউক্রেন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নাৎসি ও সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল।
ইউপিএর মর্যাদা এবং সংগঠনটির নেতাদের স্মৃতিস্তম্ভ নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিন ধরে দুই মিত্র ও প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের ওপর ছায়া ফেলেছে।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জর্জি তিখি বুধবার বলেন, কিয়েভ আশা করছে এই বিরোধ সম্মেলনকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না। তিনি বলেন, ‘এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের অপ্রয়োজনীয় রাজনীতিকরণ এড়িয়ে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বাস্তবধর্মী ও কার্যকর সিদ্ধান্তের দিকে মনোযোগ দিতে চাইছে কিয়েভ।’
জাতীয়তাবাদী প্রেসিডেন্ট ও ডানপন্থী বিরোধীদের থেকে নিজেকে দূরে রেখে ইউরোপপন্থী প্রেসিডেন্ট টাস্ক বলেন, তিনি আশা করছেন সম্মেলনটি ‘এগিয়ে যাওয়ার একটি পদক্ষেপ বা আবেগপূর্ণ উত্তেজনা কমানোর একটি উপায়’ হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। সিটি কর্পোরেশন সড়ক উন্নয়নের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে। এই উন্নয়নের মাধ্যমে নাগরিকদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কাটিয়ে তোলা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার, নগরীর ৩৫ নম্বর বক্সিরহাটের শহীদ এনএমএমজে ডিগ্রি কলেজ সড়ক এবং রাজাখালী সড়কের উন্নয়নের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব বিষয় তুলে ধরেন।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন অবকাঠামোগত উন্নয়নের অভাবে এলাকার মানুষের ভোগান্তি বৃদ্ধি পেয়েছিল। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী এবং ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের চলাচল ছিল অত্যন্ত কষ্টকর। সড়কের উন্নয়ন কাজ শুরু করার মাধ্যমে জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করা এবং এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন সাধনের উদ্দেশ্য নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, একটি উন্নত নগরীর জন্য কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা অপরিহার্য। সড়ক উন্নয়নের ফলে যাতায়াতের সুবিধা বৃদ্ধি পায় এবং এর পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্প্রসারণ ঘটে। এ কারণেই নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রয়োজনভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশন কাজ করে চলেছে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশল বিভাগ থেকে কর্মকর্তারা, রাজনৈতিক নেতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পঞ্চগড়ে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে "করবো মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করবো বারো মাস" এই প্রতিপাদ্যে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে যৌথভাবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও সদর উপজেলা কৃষি অফিস এই মেলার আয়োজন করেছে।
মেলার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীন। পরে, অতিথিরা মেলার স্টলগুলো পরিদর্শন করেন।
ফল মেলায় অংশগ্রহণ করেছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা।
পরে, জাতীয় ফল মেলা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অর্জুন চন্দ্র রায়ের সঞ্চালনায় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা, অতিরিক্ত কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা (উদ্যান) সুবোধ চন্দ্র রায়, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুন্নবী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এসময় অতিথিরা প্রতিদিন অন্তত ২৫-৩০ গ্রাম ফল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, দেশে উৎপাদিত ফলে অতিরিক্ত ভিটামিন সি এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। যা মানব দেশের জন্য অন্তত গুরুত্বপূর্ণ।
সবাই যদি একটি করে ফলজ গাছ লাগায় তাহলে দেশের ফলের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। কারণ প্রতিবছর ১০ হাজার কোটি টাকার আপেল, কমলা, আঙ্গুর, মাল্টাসহ ফল বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।
যদি দেশীয় ফলে আমরা নির্ভরশীল হই, তাহলে দেশের প্রচুর টাকা সাশ্রয়ের পাশাপাশি নিজেদের পুষ্টি চাহিদাও পূরণ হবে।
মেলায় ১৩টি স্টলে ফল ও কৃষি প্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। পরে, অতিথিরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী-শিক্ষক এবং কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলের চারা বিতরণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৪৫০ গ্রাম গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৪ জুন ২০২৬) রাত ৯টা ১৫ মিনিটে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানাধীন নবাবগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের চন্ডিতলা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলেন তপন দাস (৩৮)। তিনি চন্ডিতলা গ্রামের মৃত সুকুমার দাস ও মৃত নন্দ রানীর ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে তপন দাসের বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ৪৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের পক্ষ হতে সদর মডেল থানার ইনচার্জ একরামুল হোসাইন জানিয়েছে, মাদক নির্মূল ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ