বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৮:১১ পি.এম
যুদ্ধ-পরবর্তী ইউক্রেনের পুনর্গঠন নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন বৃহস্পতিবার পোল্যান্ডে শুরু হচ্ছে। কিন্তু ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এতে অংশ নিচ্ছেন না, কারণ ওয়ারশর সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক বিরোধ রয়েছে।
রাশিয়ার হামলার ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য ইউক্রেনের কয়েক শত কোটি ডলার প্রয়োজন। এই অর্থ সংগ্রহের জন্য আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের সমর্থন জোরদারের চেষ্টা করছে কিয়েভ।
পোল্যান্ডের গদানস্ক থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর দিয়েছে।
তবে সম্মেলনটি নিষ্ফল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, কারণ যুদ্ধ বন্ধের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এছাড়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পোলিশদের হত্যাযজ্ঞে জড়িত একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নামকরণের কারণে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।
গদানস্কে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া এবং সুইডেনের নেতারা অংশ নেবেন। এর পাশাপাশি ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রধান আন্তোনিও কস্তাওও উপস্থিত থাকবেন।
যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইউক্রেনে বিনিয়োগের জন্য ব্যবসায়ী ও দেশগুলোকে উৎসাহিত করা সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।
গত কয়েক বছরে জেলেনস্কির নেতৃত্বে ইউক্রেনীয় প্রতিনিধিদল অংশ নিলেও এবার দেশটির প্রতিনিধিত্ব করছেন প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সিভরদেঙ্কো।
ইউক্রেন, বিশ্বব্যাংক, জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি যৌথ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ-পরবর্তী ইউক্রেন পুনর্গঠনে ৫৮৮ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় কোনো অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়নি। এর ফলে ইউক্রেন পুনর্গঠনে বিনিয়োগ সমর্থন পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে।
যদিও সিভরিদেঙ্কো বলেছেন, তার দেশ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই করার পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে, জ্বালানি খাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে।
-‘অপ্রয়োজনীয় রাজনীতিকরণ’-
এবার ইউক্রেনে জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রথমবারের মতো নিরাপত্তা সক্ষমতা নিয়েও আলোচনা হবে।
ডিসেম্বরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনের জন্য ৯০ বিলিয়ন ইউরোর ঋণ অনুমোদন করেছে, যার অধিকাংশই প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের জন্য নির্ধারিত।
কিন্তু কিয়েভের সেন্টার ফর ইকোনমিক স্ট্র্যাটেজির পরিচালক গ্লিব ভিশলিনস্কি বলেন, ‘পুনর্গঠন প্রক্রিয়া ছাড়া ইউক্রেনের পক্ষে দেশ রক্ষা করা অসম্ভব হবে।’ তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনের যারা কর দেন এবং সামরিক বাহিনীকে সমর্থন করেন, তাদের জন্য আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সেবা ও আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।’
যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের অর্থনীতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাশিয়ার আগ্রাসন মোকাবিলায় বিপুল ব্যয়ের মাধ্যমে দেশটি টিকে থাকতে বাইরের অর্থায়নের ওপর নির্ভর শীল।
জেলেনস্কির সম্মেলনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে পোল্যান্ডের জাতীয়তাবাদী প্রেসিডেন্ট কারোল নাভরোৎস্কির সঙ্গে বিরোধ। নাভরোৎস্কি ইউক্রেনীয় নেতার দেয়া একটি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রত্যাহার করেছেন।
পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্কের সঙ্গে মতবিরোধে থাকা নাভরোকি, ইউক্রেনীয় বিদ্রোহী সেনাবাহিনী (ইউপিএ)'র নামকরণের কারণে জেলেনস্কির পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ হন।
১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ভলিনিয়া অঞ্চলে ইউপিএ কয়েক হাজার পোলিশ বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে এই অঞ্চলটি পোল্যান্ডের অংশ ছিল।
তবে ইউক্রেনের কিছু মানুষ ইউপিএকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে, কারণ তাদের মতে এই সংগঠনটি ইউক্রেন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নাৎসি ও সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল।
ইউপিএর মর্যাদা এবং সংগঠনটির নেতাদের স্মৃতিস্তম্ভ নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিন ধরে দুই মিত্র ও প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের ওপর ছায়া ফেলেছে।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জর্জি তিখি বুধবার বলেন, কিয়েভ আশা করছে এই বিরোধ সম্মেলনকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না। তিনি বলেন, ‘এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের অপ্রয়োজনীয় রাজনীতিকরণ এড়িয়ে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বাস্তবধর্মী ও কার্যকর সিদ্ধান্তের দিকে মনোযোগ দিতে চাইছে কিয়েভ।’
জাতীয়তাবাদী প্রেসিডেন্ট ও ডানপন্থী বিরোধীদের থেকে নিজেকে দূরে রেখে ইউরোপপন্থী প্রেসিডেন্ট টাস্ক বলেন, তিনি আশা করছেন সম্মেলনটি ‘এগিয়ে যাওয়ার একটি পদক্ষেপ বা আবেগপূর্ণ উত্তেজনা কমানোর একটি উপায়’ হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। সিটি কর্পোরেশন সড়ক উন্নয়নের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে। এই উন্নয়নের মাধ্যমে নাগরিকদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কাটিয়ে তোলা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার, নগরীর ৩৫ নম্বর বক্সিরহাটের শহীদ এনএমএমজে ডিগ্রি কলেজ সড়ক এবং রাজাখালী সড়কের উন্নয়নের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব বিষয় তুলে ধরেন।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন অবকাঠামোগত উন্নয়নের অভাবে এলাকার মানুষের ভোগান্তি বৃদ্ধি পেয়েছিল। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী এবং ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের চলাচল ছিল অত্যন্ত কষ্টকর। সড়কের উন্নয়ন কাজ শুরু করার মাধ্যমে জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করা এবং এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন সাধনের উদ্দেশ্য নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, একটি উন্নত নগরীর জন্য কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা অপরিহার্য। সড়ক উন্নয়নের ফলে যাতায়াতের সুবিধা বৃদ্ধি পায় এবং এর পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্প্রসারণ ঘটে। এ কারণেই নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রয়োজনভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশন কাজ করে চলেছে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশল বিভাগ থেকে কর্মকর্তারা, রাজনৈতিক নেতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পঞ্চগড়ে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে "করবো মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করবো বারো মাস" এই প্রতিপাদ্যে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে যৌথভাবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও সদর উপজেলা কৃষি অফিস এই মেলার আয়োজন করেছে।
মেলার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীন। পরে, অতিথিরা মেলার স্টলগুলো পরিদর্শন করেন।
ফল মেলায় অংশগ্রহণ করেছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা।
পরে, জাতীয় ফল মেলা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অর্জুন চন্দ্র রায়ের সঞ্চালনায় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা, অতিরিক্ত কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা (উদ্যান) সুবোধ চন্দ্র রায়, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুন্নবী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এসময় অতিথিরা প্রতিদিন অন্তত ২৫-৩০ গ্রাম ফল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, দেশে উৎপাদিত ফলে অতিরিক্ত ভিটামিন সি এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। যা মানব দেশের জন্য অন্তত গুরুত্বপূর্ণ।
সবাই যদি একটি করে ফলজ গাছ লাগায় তাহলে দেশের ফলের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। কারণ প্রতিবছর ১০ হাজার কোটি টাকার আপেল, কমলা, আঙ্গুর, মাল্টাসহ ফল বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।
যদি দেশীয় ফলে আমরা নির্ভরশীল হই, তাহলে দেশের প্রচুর টাকা সাশ্রয়ের পাশাপাশি নিজেদের পুষ্টি চাহিদাও পূরণ হবে।
মেলায় ১৩টি স্টলে ফল ও কৃষি প্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। পরে, অতিথিরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী-শিক্ষক এবং কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলের চারা বিতরণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৪৫০ গ্রাম গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৪ জুন ২০২৬) রাত ৯টা ১৫ মিনিটে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানাধীন নবাবগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের চন্ডিতলা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলেন তপন দাস (৩৮)। তিনি চন্ডিতলা গ্রামের মৃত সুকুমার দাস ও মৃত নন্দ রানীর ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে তপন দাসের বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ৪৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের পক্ষ হতে সদর মডেল থানার ইনচার্জ একরামুল হোসাইন জানিয়েছে, মাদক নির্মূল ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ১০টায় কলেজ প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ হারুনুর রশিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ সেরাজ উদ্দীন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মোঃ ওমর ফারুক। অনুষ্ঠানে কলেজের পক্ষ থেকে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিক বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি মোঃ হারুনুর রশিদ তাঁর বক্তব্যে পরীক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, "ডিজিটাল যুগে শিক্ষাও হবে ডিজিটাল" চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন বিভাগের ল্যাব ও আধুনিক যন্ত্রপাতি পরিদর্শন ও নতুন ইকুইপমেন্ট উদ্বোধন করা হয়।
কলেজ প্রশাসন ও শিক্ষকবৃন্দকে ধন্যবাদ - সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে মেয়েদের শিক্ষাকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রচেষ্টার চালিয়ে যেতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার বলেন, “আজকের এই বিদায় কোনো সমাপ্তি নয়, বরং তোমাদের জীবনের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। দীর্ঘ শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অতিক্রম করে তোমরা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছেছ। এই পরীক্ষাই তোমাদের ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনের ভিত্তি রচনা করবে।” তিনি আরও বলেন, “সফলতার জন্য আত্মবিশ্বাস, কঠোর পরিশ্রম, সততা ও শৃঙ্খলার কোনো বিকল্প নেই। পরীক্ষার সময় অযথা দুশ্চিন্তা না করে নিয়মিত পড়াশোনা, সময়ের সঠিক ব্যবহার এবং ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখতে হবে। অর্জিত জ্ঞানকে মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমের চর্চার মাধ্যমে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।” অধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ সবসময় তাদের সাফল্য ও কল্যাণ কামনা করে। ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিদায় সংবর্ধনা উদযাপন কমিটি-২০২৬-এর আহ্বায়ক ও ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আমিনুল ইসলাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক পর্ব শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়, যা উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। আনন্দঘন পরিবেশে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ