০৭:৩২ পি.এম
টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে উরুগুয়ে। হতাশাজনক এই ব্যর্থতার পুরো দায় নিজের কাঁধে নিয়েছেন দলের আর্জেন্টাইন কোচ মার্সেলো বিয়েলসা। তিনি বলেছেন, তিন বছর দায়িত্বে থেকেও উরুগুয়ের ফুটবলে স্মরণীয় কোনো অবদান রাখতে পারেননি।
বিশ্বকাপে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে যাওয়ার পর, সংবাদ সম্মেলনে হতাশা প্রকাশ করে, ৭০ বছর বয়সি এই কোচ বলেন, ‘এই ব্যর্থতার জন্য আমিই দায়ী। এই পারফরম্যান্স নিয়ে আমার বলার কিছু নেই। যদি আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়, উরুগুয়ের সঙ্গে আমার সময়টাকে কীভাবে মনে রাখা হবে, তাহলে বলব, এটি এমন একটি অধ্যায়, যা কিছুই রেখে যেতে পারেনি।’
১৯৩০ ও ১৯৫০ সালে বিশ্বকাপ জেতা উরুগুয়ে এবারও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হয়েছিল সৌদি আরবের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র দিয়ে। পরে কেপ ভার্ডের সঙ্গেও ২-২ গোলে ড্র করে চাপে পড়ে যায় ফুটবল দলটি। শেষ ম্যাচে স্পেনকে হারানোর বিকল্প ছিল না, কিন্তু ১-০ গোলের হারে বিদায় নিশ্চিত হয় উরুগুয়ের।
আরও পড়ুন: দেশের অর্থনীতি তিন কাঠামোগত ফাঁদে আটকে, দারিদ্র্য ও বিনিয়োগে স্থবিরতা
বিয়েলসা আরও বলেন, ‘আমি উরুগুয়ের ফুটবলে কিছুই রেখে যেতে পারিনি। কারণ, যে দেশে তিন বছর কাজ করেছি, সেখানে কোনো সাফল্য না এলে সেই কাজের মূল্যায়ন হওয়ার সুযোগ থাকে না।’
স্পেনের বিপক্ষে প্রথমার্ধে গোল হজম হবার পর, বিয়েলসা দ্বিতীয়ার্ধে অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ফের্নান্দো মুসলেরাকে আর খেলাননি। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা শুরু হলেও, তিনি জানান, এটি ছিল খেলোয়াড়ের নিজের সিদ্ধান্ত। বিয়েলসা বলেন, ‘দ্বিতীয়ার্ধে না খেলার সিদ্ধান্ত মুসলেরারই ছিল। আমি তাকে তুলে নিয়েছি তার আত্মবিশ্বাস নষ্ট করার জন্য নয়, বরং সেটি ধরে রাখার জন্য।’
উত্তর আমেরিকার বিশ্বকাপে মাঠের বাইরের নানা মন্তব্যে আলোচনায় থাকলেও, মাঠের খেলায় প্রত্যাশিত সাফল্য আনতে পারেননি বিয়েলসা। শেষ পর্যন্ত ব্যর্থতার সব দায় নিজের কাঁধে নিয়েই বিশ্বকাপ শেষ করলেন অভিজ্ঞ এই আর্জেন্টাইন কোচ।
আরও পড়ুন: আলীকদমের ৩৮ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন