ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চূড়ান্ত চুক্তির পথে বাধা হতে পারে যেসব চার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু


যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চূড়ান্ত চুক্তির পথে বাধা হতে পারে যেসব চার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু

প্রায় চার মাসের উত্তেজনা ও সংঘাতের পর, সমঝোতার পথে হাঁটতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। দুদেশ একটি সমঝোতা স্মারকে সম্মত হলেও, স্থায়ী সমাধানের পথ এখনো অনিশ্চিত রয়েছে। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে হতে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগে, চারটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু সামনে চলে এসেছে, যা চূড়ান্ত চুক্তির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা।

শুক্রবারের বৈঠকে চূড়ান্ত সমঝোতার পথে বড় বাধা হতে পারে যেসব বিষয়-

পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে রয়েছে গভীর বিভেদ। সবচেয়ে জটিল প্রশ্নটি ঘুরপাক খাচ্ছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে। যুক্তরাষ্ট্র চায়, ইরানের কাছে থাকা উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত বিদেশে সরিয়ে নেওয়া হোক অথবা সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হোক। কিন্তু তেহরান সেই দুই প্রস্তাবই নাকচ করে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: পশ্চিম তীরে বন্দুকযুদ্ধে দুই ফিলিস্তিনি নিহত, আহত ছয় ইসরায়েলি সেনা

ইরান অবশ্য ইউরেনিয়ামের ঘনত্ব কমানোর বিষয়ে কিছুটা নমনীয়তার ইঙ্গিত দিয়েছে। তবে নিজেদের ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকার কোনোভাবেই ছেড়ে দেবে না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে দেশটি। তাই এই বিষয়টিতে আলোচনার সবচেয়ে বড় অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

হরমুজ প্রণালি নিয়ে টানাপোড়েনও রয়েছে। সাম্প্রতিক সংঘাতের সময়ে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ আবার চালু হওয়ার কথা ছিল, তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র চায়, প্রণালিটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত ও টোলমুক্ত থাকুক। তবে ইরান বলছে, যুদ্ধপরবর্তী বাস্তবতায়, এই কৌশলগত জলপথের ব্যবস্থাপনায় তাদের প্রভাব ও ভূমিকা বজায় রাখতে হবে। এ নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থান এখনো অনেক দূরে রয়েছে।

অর্থনৈতিক প্রশ্নেও মতপার্থক্য রয়েছে, যা পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠেছে। ইরান দ্রুত সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে আটকে থাকা বিপুল পরিমাণ সম্পদ ফেরতের দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু ওয়াশিংটনের অবস্থান ভিন্ন। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ইরান তার প্রতিশ্রুতি পালন করছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করেই ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে। যদিও প্রাথমিক সমঝোতার অংশ হিসেবে, ইরানের তেল রপ্তানিতে কিছু ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনা দেখা গেছে, যা ইতোমধ্যে মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আরও পড়ুন: ১ নভেম্বর থেকে ফোনে কলারের নাম-পরিচয় দেখা যাবে

একটি নতুন শঙ্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইসরায়েলের অবস্থান। চুক্তির ভবিষ্যৎ বাস্তবায়নে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে উঠছে দেশটির ভূমিকা। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে কোনো সমঝোতা ইসরায়েলের সামরিক সিদ্ধান্তকে সীমাবদ্ধ করবে না।

বিশেষ করে লেবাননে, ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর ক্ষেত্রে তারা নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসবে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। ফলে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের বৈঠককে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সৃষ্ট হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে এই চারটি ইস্যুতে বড় ধরনের মতপার্থক্য থাকায়, চূড়ান্ত সমঝোতা কতটা এগোবে তা এখনো অনিশ্চিত। শুক্রবারের আলোচনা কয়েকটি দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সংঘাত বন্ধ হতে পারে আবার অচলাবস্থাকেও দীর্ঘায়িত করতে পারে।

সূত্র : রয়টার্স

আরও পড়ুন: তিউনিসিয়ায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, রাজধানী উত্তাল বিক্ষোভে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উজবেক রূপকথার ইতি, জয় দিয়ে প্রত্যাবর্তন রাঙাল কলম্বিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৬ এম


উজবেক রূপকথার ইতি, জয় দিয়ে প্রত্যাবর্তন রাঙাল কলম্বিয়া

কাতার বিশ্বকাপে সুযোগ না পাওয়ার তিক্ত স্বাদ ভুলে দারুণ প্রত্যাবর্তন করল কলম্বিয়া। ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে দারুণ এক জয় তুলে নিলো লস ক্যাফেতেরোসরা। এর ফলে বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো খেলতে আসা উজবেকিস্তানের কোনো রূপকথা লিখা হলো না।

বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে কলম্বিয়া। প্রথমার্ধে কলম্বিয়া এগিয়ে যাওয়ার পর, দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফেরে ইতালির কিংবদন্তি ডিফেন্ডার কানাভারোর অধীনে খেলা উজবেকিস্তান। তবে গোল হজম করে ৫ মিনিট পরে আবারও এগিয়ে যায় কলম্বিয়া। অতিরিক্ত সময়ে কলম্বিয়া আরেকটি গোল করলে হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে উজবেকরা।

পুরো ম্যাচে বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল কলম্বিয়া। অথচ ম্যাচের মাঝে মাঝে আক্রমণ চালিয়েছে উজবেকিস্তানও। প্রথমার্ধে গোল মাত্র একটি হলেও পুরোটা সময় দাপট দেখিয়েছে কলম্বিয়া। ৭২ শতাংশ বল একাই নিজেদের দখলে রেখেছে দলটি। আর ২৮ শতাংশ বল ছিল উজবেকিস্তানের দখলে।

৪১তম মিনিটে লুইস দিয়াজের পাস থেকে কলম্বিয়াকে এগিয়ে দেন দানিয়েল মুনিওজ। দ্বিতীয়ার্ধে আবারও বল দখল নিয়ে খেলতে থাকে কলম্বিয়া। যদিও ৬০তম মিনিটে সমতা আনে উজবেকিস্তান। গোল করেন আব্বোসবেগ ফাইজুল্লায়েভ। এল্দর শোমুরোদভের ভলি কলম্বিয়া গোলকিপার কামিলো ভার্গাস বিপদমুক্ত করতে না পারলে গোলমুখে বল পেয়ে যান ফাইজুল্লায়েভ। তাকে শুধুমাত্র মাথা ছুঁইয়ে বল জালমুখী করতে হয়েছে।

তবে ম্যাচে সমতা বেশিক্ষণ ছিল না। উজবেকিস্তান সমতা আনার ৫ মিনিট পরই আবার এগিয়ে যায় কলম্বিয়া। বক্সে ঢুকে ডান পায়ের কোনাকুনি শটে বল দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়ান বায়ান মিউনিখ তারকা দিয়াজ।

এরপর বাকি সময়টাতে কলম্বিয়ার আক্রমণগুলো ঠেকিয়ে গেছে উজবেকরা। তবে নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা সময়ের নবম মিনিটে কুচো হার্নান্দেজের ক্রস থেকে দারুণ এক গোল করে কলম্বিয়ার জয় নিশ্চিত করেন জামিনটন ক্যাম্পাজ।

এরপর উজবেকিস্তান একটি আক্রমণ করেছিল। দূরপাল্লার একটি শট বারে লেগে ফিরে আসে। তবে ৩-১ গোলের হার নিয়েই মাঠ ছাড়ে এশিয়ার দেশটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব জোরদারে বাংলাদেশের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩১ এম


বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব জোরদারে বাংলাদেশের আহ্বান

বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী মানবিক সহায়তা জোরদার, বেসামরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার কার্যক্রমে নারী অংশগ্রহণ আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বুধবার (১৭ জুন) জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ইকোসক) ২০২৬ সালের হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স সেগমেন্টে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এ আহ্বান নির্দেশ করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, দুর্যোগ প্রস্তুতি জোরদার, নারীর ক্ষমতায়ন এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগণের সহায়তায় কাজ করে চলেছে।

একই দিনে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা (ডব্লিউপিএস) বিষয়ক উন্মুক্ত বিতর্কে অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী শান্তি প্রতিষ্ঠা, সংঘাত প্রতিরোধ এবং সংঘাত-পরবর্তী পুনর্গঠনে নারীদের অপরিহার্য ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন।

প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত বাংলাদেশি নারীদের পেশাদারিত্ব এবং নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সেইসঙ্গে শান্তি ও নিরাপত্তা খাতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান।

এই সময় প্রতিমন্ত্রী বিশ্বব্যাপী সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে নারী ও শিশুদের ক্রমবর্ধমান দুর্ভোগ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ক্রমবর্ধমান মানবিক অর্থায়ন ঘাটতি মোকাবিলায়।

প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সংকটের কথাও উঠে আসে। তিনি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে রোহিঙ্গাদের দ্রুত নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে রংপুরের তিস্তা পাড়ে মশাল মিছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩২ এম


মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে রংপুরের তিস্তা পাড়ে মশাল মিছিল

জাতীয় বাজেটে তিস্তা মহাপরিকল্পনার জন্য সুস্পষ্ট অর্থ বরাদ্দ এবং বাস্তবায়নের রোডম্যাপ না থাকার কারণে তিস্তাপাড়ের মানুষ আবারও ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে। তাদের অভিযোগ, প্রজন্মের পর প্রজন্ম বন্যা, খরা এবং নদীভাঙনের সঙ্গে লড়াই করতে করতে পার হয়ে গেলেও তিস্তার স্থায়ী সমাধান এখনো আশ্বাসের পাতায় রয়েছে। তাই তাঁরা ভূ-রাজনৈতিক জটিলতার অজুহাত না দেখিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে দ্রুত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মহিপুরে ‘তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত গণসমাবেশ ও মশাল প্রজ্বলন কর্মসূচিতে নদীপাড়ের হাজারো মানুষ অংশ নেন। সমাবেশের পরে একটি মশাল প্রজ্বলন মিছিল বের করা হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা তিস্তার স্থায়ী সমাধান এবং মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

সমাবেশে বক্তব্য দিয়েছেন তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানী, সাধারণ সম্পাদক শফিয়ার রহমানসহ অন্যান্য নেতারা।

এই সময় বক্তারা বলেন, তিস্তা এখন উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রতীক। বর্ষা মৌসুমে নদীর উন্মত্ত স্রোত ঘরবাড়ি, ফসলি জমি এবং সহায়-সম্বল ভাসিয়ে নিয়ে যায়। আবার শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এই বৈপরীত্যপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে তিস্তা অববাহিকার মানুষ দুই দশকের বেশি সময় ধরে একটি কার্যকর মহাপরিকল্পনার অপেক্ষায় রয়েছেন।

সমাবেশে অংশ নেওয়া নদীপাড়ের মানুষরা আরও বলেন, চলতি অর্থবছরের বাজেটে তিস্তা মহাপরিকল্পনার বিষয়টি আলোচনায় এলেও কোনো সুনির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দ কিংবা বাস্তবায়নের সময়সূচি উল্লেখ করা হয়নি। এতে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে নতুন করে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাই তারা এখন আর আশ্বাস নয়, দৃশ্যমান উদ্যোগ এবং সময়বদ্ধ কর্মপরিকল্পনা দেখতে চান।

তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের নেতারা বলেন, উত্তরাঞ্চলের প্রায় দুই কোটি মানুষের দুর্ভোগ বারবার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির বিষয়বস্তু হলেও বাস্তব সমাধান এখনও অধরাই রয়ে গেছে। তাই সংসদীয় বাজেটে তিস্তা মহাপরিকল্পনার জন্য সুনির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দ, সময়বদ্ধ বাস্তবায়ন পরিকল্পনা এবং একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানান তারা।

সংগঠনের সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানী বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা আর বিলম্ব করার সুযোগ নেই। উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি এবং পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে।

এ সময় তিনি বক্তব্যে স্মরণ করিয়ে দেন, গত বছর তিস্তাপাড়ের লাগাতার আন্দোলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বর্তমান সরকার প্রধান মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছিলেন। তাই তারেক রহমান সরকারের হাত ধরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ দ্রুত শুরু হবে, এমনটাই প্রত্যাশা তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জর্ডানে অবৈধ প্রবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা, জরিমানা ছাড়াই দেশে ফেরার সুযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ এম


জর্ডানে অবৈধ প্রবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা, জরিমানা ছাড়াই দেশে ফেরার সুযোগ

জর্ডানে অবস্থানরত অবৈধ বাংলাদেশি প্রবাসীরা এখন জরিমানা ছাড়াই দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণের ভিত্তিতে বৈধ হওয়ার এবং দেশটিতে কর্মসংস্থানের সুযোগও তাঁদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এ বিষয়ে বুধবার জর্ডানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জর্ডান সরকার দেশটিতে অবস্থানরত প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য সাধারণ ক্ষমা (অ্যামনেস্টি) ঘোষণা করেছে। এর আওতায়, অবৈধভাবে অবস্থানকারী শ্রমিকরা কোনো ধরনের জরিমানা না দিয়েই নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবেন।

এ ছাড়া, নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে জর্ডানে বৈধভাবে অবস্থান ও কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগও থাকবে সেখানে। কর্মীরা চাইলে তাদের কর্মস্থল পরিবর্তন করতে পারবেন। কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে, গৃহকর্মীরাও নতুন নিয়োগকর্তার অধীন কাজ করার অনুমতি পাবেন।

জর্ডানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, যারা ভ্রমণ ভিসায় জর্ডানে গিয়েছেন, তাঁরা ‘ওয়ার্ক পারমিট’ বা কাজের অনুমতিপত্রের জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন। এই বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা চলতি সপ্তাহের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে।

সাধারণ ক্ষমার আওতায় প্রযোজ্য সকল সুবিধাগুলো গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেতে জর্ডানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%