ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব জোরদারে বাংলাদেশের আহ্বান


বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব জোরদারে বাংলাদেশের আহ্বান

বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী মানবিক সহায়তা জোরদার, বেসামরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার কার্যক্রমে নারী অংশগ্রহণ আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বুধবার (১৭ জুন) জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ইকোসক) ২০২৬ সালের হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স সেগমেন্টে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এ আহ্বান নির্দেশ করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, দুর্যোগ প্রস্তুতি জোরদার, নারীর ক্ষমতায়ন এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগণের সহায়তায় কাজ করে চলেছে।

আরও পড়ুন: আইজিপি: দৃঢ় মনোবল নিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুলিশ

একই দিনে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা (ডব্লিউপিএস) বিষয়ক উন্মুক্ত বিতর্কে অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী শান্তি প্রতিষ্ঠা, সংঘাত প্রতিরোধ এবং সংঘাত-পরবর্তী পুনর্গঠনে নারীদের অপরিহার্য ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন।

প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত বাংলাদেশি নারীদের পেশাদারিত্ব এবং নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সেইসঙ্গে শান্তি ও নিরাপত্তা খাতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান।

এই সময় প্রতিমন্ত্রী বিশ্বব্যাপী সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে নারী ও শিশুদের ক্রমবর্ধমান দুর্ভোগ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ক্রমবর্ধমান মানবিক অর্থায়ন ঘাটতি মোকাবিলায়।

প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সংকটের কথাও উঠে আসে। তিনি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে রোহিঙ্গাদের দ্রুত নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান রুহুল কবির রিজভীর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে রংপুরের তিস্তা পাড়ে মশাল মিছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩২ এম


মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে রংপুরের তিস্তা পাড়ে মশাল মিছিল

জাতীয় বাজেটে তিস্তা মহাপরিকল্পনার জন্য সুস্পষ্ট অর্থ বরাদ্দ এবং বাস্তবায়নের রোডম্যাপ না থাকার কারণে তিস্তাপাড়ের মানুষ আবারও ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে। তাদের অভিযোগ, প্রজন্মের পর প্রজন্ম বন্যা, খরা এবং নদীভাঙনের সঙ্গে লড়াই করতে করতে পার হয়ে গেলেও তিস্তার স্থায়ী সমাধান এখনো আশ্বাসের পাতায় রয়েছে। তাই তাঁরা ভূ-রাজনৈতিক জটিলতার অজুহাত না দেখিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে দ্রুত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মহিপুরে ‘তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত গণসমাবেশ ও মশাল প্রজ্বলন কর্মসূচিতে নদীপাড়ের হাজারো মানুষ অংশ নেন। সমাবেশের পরে একটি মশাল প্রজ্বলন মিছিল বের করা হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা তিস্তার স্থায়ী সমাধান এবং মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

সমাবেশে বক্তব্য দিয়েছেন তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানী, সাধারণ সম্পাদক শফিয়ার রহমানসহ অন্যান্য নেতারা।

এই সময় বক্তারা বলেন, তিস্তা এখন উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রতীক। বর্ষা মৌসুমে নদীর উন্মত্ত স্রোত ঘরবাড়ি, ফসলি জমি এবং সহায়-সম্বল ভাসিয়ে নিয়ে যায়। আবার শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এই বৈপরীত্যপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে তিস্তা অববাহিকার মানুষ দুই দশকের বেশি সময় ধরে একটি কার্যকর মহাপরিকল্পনার অপেক্ষায় রয়েছেন।

সমাবেশে অংশ নেওয়া নদীপাড়ের মানুষরা আরও বলেন, চলতি অর্থবছরের বাজেটে তিস্তা মহাপরিকল্পনার বিষয়টি আলোচনায় এলেও কোনো সুনির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দ কিংবা বাস্তবায়নের সময়সূচি উল্লেখ করা হয়নি। এতে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে নতুন করে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাই তারা এখন আর আশ্বাস নয়, দৃশ্যমান উদ্যোগ এবং সময়বদ্ধ কর্মপরিকল্পনা দেখতে চান।

তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের নেতারা বলেন, উত্তরাঞ্চলের প্রায় দুই কোটি মানুষের দুর্ভোগ বারবার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির বিষয়বস্তু হলেও বাস্তব সমাধান এখনও অধরাই রয়ে গেছে। তাই সংসদীয় বাজেটে তিস্তা মহাপরিকল্পনার জন্য সুনির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দ, সময়বদ্ধ বাস্তবায়ন পরিকল্পনা এবং একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানান তারা।

সংগঠনের সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানী বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা আর বিলম্ব করার সুযোগ নেই। উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি এবং পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে।

এ সময় তিনি বক্তব্যে স্মরণ করিয়ে দেন, গত বছর তিস্তাপাড়ের লাগাতার আন্দোলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বর্তমান সরকার প্রধান মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছিলেন। তাই তারেক রহমান সরকারের হাত ধরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ দ্রুত শুরু হবে, এমনটাই প্রত্যাশা তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জর্ডানে অবৈধ প্রবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা, জরিমানা ছাড়াই দেশে ফেরার সুযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ এম


জর্ডানে অবৈধ প্রবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা, জরিমানা ছাড়াই দেশে ফেরার সুযোগ

জর্ডানে অবস্থানরত অবৈধ বাংলাদেশি প্রবাসীরা এখন জরিমানা ছাড়াই দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণের ভিত্তিতে বৈধ হওয়ার এবং দেশটিতে কর্মসংস্থানের সুযোগও তাঁদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এ বিষয়ে বুধবার জর্ডানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জর্ডান সরকার দেশটিতে অবস্থানরত প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য সাধারণ ক্ষমা (অ্যামনেস্টি) ঘোষণা করেছে। এর আওতায়, অবৈধভাবে অবস্থানকারী শ্রমিকরা কোনো ধরনের জরিমানা না দিয়েই নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবেন।

এ ছাড়া, নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে জর্ডানে বৈধভাবে অবস্থান ও কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগও থাকবে সেখানে। কর্মীরা চাইলে তাদের কর্মস্থল পরিবর্তন করতে পারবেন। কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে, গৃহকর্মীরাও নতুন নিয়োগকর্তার অধীন কাজ করার অনুমতি পাবেন।

জর্ডানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, যারা ভ্রমণ ভিসায় জর্ডানে গিয়েছেন, তাঁরা ‘ওয়ার্ক পারমিট’ বা কাজের অনুমতিপত্রের জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন। এই বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা চলতি সপ্তাহের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে।

সাধারণ ক্ষমার আওতায় প্রযোজ্য সকল সুবিধাগুলো গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেতে জর্ডানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন অভিবাসন নীতিতে কঠোর অবস্থানে ইইউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ এম


নতুন অভিবাসন নীতিতে কঠোর অবস্থানে ইইউ

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট বুধবার অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। উক্ত প্রস্তাবের আওতায় অবৈধ অভিবাসীদের দ্রুত ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোকে বিদেশে আটককেন্দ্র স্থাপনের সুযোগ দেওয়া হবে।

সমালোচকদের ভাষ্যমতে, এই নতুন ব্যবস্থা অত্যন্ত কঠোর এবং এটি আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য বিদ্যমান সুরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিতে পারে।

এই সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নে গত এক দশকে অভিবাসনবিরোধী মনোভাবের উত্থানের একটি প্রমাণ। এর ফলে বিভিন্ন দেশে ডানপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জনসমর্থনও বেড়েছে।

যদিও এই খসড়াটি কার্যকর হতে হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২৭টি সদস্য দেশের সরকারের চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রয়োজন।

এটি ইইউর অভিবাসন নীতিকে কঠোর করার একটি পদক্ষেপ হিসেবে পরিচিত। ২০১৫-১৬ সালে ১০ লাখেরও বেশি শরণার্থী ও অভিবাসী ইউরোপে আসার পর থেকেই ইইউ ধীরে ধীরে কঠোর অভিবাসন নীতির দিকে এগোচ্ছে।

ব্রাসেলসে ইইউ নেতাদের বৈঠকের আগে মঙ্গলবার সদস্য দেশগুলোর উদ্দেশে লেখা একটি চিঠিতে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন মন্তব্য করেছেন, ‘প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত এই নতুন বিধিমালা দ্রুত ও আরো কার্যকর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কাজকে দক্ষ করে তুলবে।’

ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো বলছে, যাদের আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে অথবা যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তাদের নিজ নিজ দেশে বা অন্যত্র ফেরত পাঠানো এবং ইইউর ভূখণ্ড ত্যাগ নিশ্চিত করতে তারা বেশ অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন।

সমালোচকদের মতে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিবাসন নীতির মূল কারণ হলো অভিবাসনের কারণগুলো। যেমন যুদ্ধ, দারিদ্র্য, রাজনৈতিক নিপীড়ন সমাধানের পরিবর্তে অভিবাসীদের ঠেকানো এবং ফেরত পাঠানোর দিকে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে।

সোমবার জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে বক্তব্য দিতে গিয়ে ভলকার তুর্ক বলেন, ‘যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনেক দেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে অভিবাসী ও শরণার্থীরা ভয়াবহ অমানবিক আচরণের  হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে তাদের মৌলিক অধিকারও ক্ষুণ্ন হয়ে যাচ্ছে।’

এই নতুন নিয়মে অভিবাসী ফেরত পাঠানোর বিষয়ে আটকাদেশের ব্যবহার বাড়তে পারে, বিদেশে ফেরত পাঠানোর কেন্দ্র স্থাপনের সুযোগ তৈরি হতে পারে, এবং জোরপূর্বক ফেরত পাঠানোর বিরুদ্ধে বিদ্যমান সুরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে যেতে পারে, অবশ্যই সমালোচকদের এ ধারণা।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো সতর্ক করে বলেছে যে, এ ধরনের যোগাযোগ আফগানদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মৌলিক মূল্যবোধের পরিপন্থী হতে পারে। তবে এসব সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে ইউরোপীয় কমিশন গত মাসে আফগান অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে তালেবান কর্মকর্তাদের ব্রাসেলসে আমন্ত্রণ জানায়।

ইউরোপীয় কমিশন এবং সফরের সহ-আয়োজক সুইডিশ সরকার জানিয়েছে, এটি একটি কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক, এবং এর মাধ্যমে তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে না।

রয়টার্সের একটি প্রাপ্ত চিঠি অনুযায়ী, তালেবানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল কাহের বলখির উদ্দেশে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২২-২৩ জুনের এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হবে ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকার বৈধ অধিকার নেই এমন আফগান নাগরিকদের দেশে ফেরত পাঠানো এবং তাদের পুনঃগ্রহণের বিষয় নিয়ে আলোচনা করা।

বেলজিয়ামের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বুধবার জানান, তালেবান প্রতিনিধিদলের পাঁচ সদস্য ভিসার জন্য আবেদন করেছেন। তবে সাক্ষাতের নির্দিষ্ট সময় এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।

তিনি আরও জানান, সেই প্রতিনিধিদলের সদস্যদের নিরাপত্তা যাচাই-বাছাই করা হবে, এবং কবে ভিসা দেওয়া সম্ভব হবে, সেটিও এখনো পরিষ্কার নয়। ইউরোপীয় কমিশন গত মাসে জানিয়েছিল যে, আফগানিস্তানে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি কেবল তাদের ক্ষেত্রেই তদন্ত করা হবে, যাদের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি হিসেবে দেখা হচ্ছে। কিন্তু ইউরোপীয় কমিশন বা সুইডেনের অভিবাসনমন্ত্রী কেউই এখনও পর্যন্ত বৈঠকের নির্দিষ্ট তারিখ নিশ্চিত করেননি।

২০২১ সালে আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো-সমর্থিত সরকারকে উৎখাত করে তালেবান পুনরায় ক্ষমতায় আসে। সেখান থেকে পশ্চিমা দেশগুলো তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ফ্যামিলি কার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ এম


নারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ফ্যামিলি কার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, নারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং প্রান্তিক জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ফ্যামিলি কার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। রাষ্ট্রের উন্নয়নের সুফল তখনই অর্থবহ হয়ে উঠবে, যখন তা সমাজের প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।

বুধবার কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নের বাঘৈর ঋষিপাড়া এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দেশের দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিকল্প নেই। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারী বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।

তিনি আরো বলেন, সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে থাকা জনগণের মূলধারায় নিয়ে আসার প্রচেষ্টা চলছে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে উপকারভোগীরা নিয়মিতভাবে প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে এবং এটি সামাজিক বৈষম্য কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বিশেষ করে নারীদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের কর্মসূচি কার্যকর ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে। পরিবারভিত্তিক সহায়তা ব্যবস্থার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত নারীরা আরও বেশি সুরক্ষা এবং সহায়তা লাভ করবেন।

ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে ঢাকা জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী, তেঘরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী লাট মিয়া, তেঘরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক খোরশেদ আলম জমিদার, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের সভাপতি পাভেল মোল্লা, ঢাকা জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক জুয়েল মোল্লা, ইউনিয়ন বিএনপি সদস্য সেলিম মোল্লা সহ বিএনপি এবং অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%