ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মানব পাচার এবং চোরাচালান প্রতিরোধে জেলা পর্যায়ে অংশী জনের অংশগ্রহণে সেনসিটাইজেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত


মানব পাচার এবং চোরাচালান প্রতিরোধে জেলা পর্যায়ে অংশী জনের অংশগ্রহণে সেনসিটাইজেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

১৬ই জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে রোজ মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সভা কার্যালয়ে কক্ষে,
নারায়ণ জেলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ রায়হান কবির, বিশেষ অতিথি উপস্থিতিতে,
মানব পাচার এবং চোরাচালান প্রতিরোধে জেলা পর্যায়ে অংশী জনের অংশগ্রহণের সেনসিটাইজেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
আরো উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা সুপার মহোদয়,
নারায়ণগঞ্জ জেলার এডিসি মহোদয়সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ,
মানব পাচার ও চোরাচালান রোদে বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয় এবং নারায়ণগঞ্জের সুযোগ্য পুলিশ সুপার মহোদয়।
মানবপাচারও চোরা চালানের রোদে জনসাধারণকেও সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন বক্তব্যে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি বৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্পেনকে রুখে আলোচনায় ভোজিনহা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৫০ পি.এম


স্পেনকে রুখে আলোচনায় ভোজিনহা

শেষ বাঁশি বাজার সাথে সাথে হাঁটু গেড়ে বসে পড়লেন তিনি। কিছুক্ষণ পর তিনি দু’হাত দিয়ে মুখ ঢেকে কান্নায় ভেঙে পড়লেন। চারপাশ থেকে সতীর্থরা ছুটে এলেন। কেউ তাকে জড়িয়ে ধরলেন, কেউ তাকে কাঁধে হাত রাখলেন। কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহার চোখের পানি তখন শুধুই আবেগের বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং একটি দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম গর্বের মুহূর্তের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার স্পেন জাতীয় ফুটবল দলকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে আফ্রিকার ছোট্ট দেশ কেপ ভার্দে। আর এই অবিশ্বাস্য ফলের নেপথ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নায়ক হলেন ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা।

বিশ্বকাপের মঞ্চে বড় অঘটনের পেছনে প্রায়ই দেখা যায় কোথাও না কোথাও অপ্রত্যাশিত একটি নায়ক। এবারের ম্যাচে সেই ভূমিকায় রত ছিলেন ভোজিনহা। স্পেনের একের পর এক আক্রমণ তিনি ঠেকিয়ে দিয়েছেন এবং দলের রক্ষাকবচ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। ফেরান তোরেস, পেদ্রি ও আইমেরিক লাপোর্তের নিশ্চিত গোলের সুযোগ তিনি নষ্ট করে দিয়ে ম্যাচসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেন এই অভিজ্ঞ গোলকিপার।

ভোজিনহার প্রকৃত নাম হল জোসিমার জোসে এভোরা দিয়াস। কিন্তু ফুটবল জগতের কাছে তিনি পরিচিত 'ভোজিনহা' নামটি দিয়েই। পর্তুগিজ ভাষায় এই নামটির মানে 'ছোট দাদি'।

শৈশবে তার বাবা সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন এবং তার মা কাজের ব্যস্ততায় ছিলেন। সেই কারণে জীবনের বড় এক অংশ তিনি দাদা-দাদির সাথে কাটিয়েছেন। সেই থেকেই তার ডাকনাম হয়ে গেছে 'ভোজিনহা'।

কেপ ভার্দের সাও ভিসেন্তে শহর থেকে তার ফুটবল যাত্রা শুরু হয়। পরে আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন ক্লাবে খেলার পরও তিনি নিজের পরিচয়ের অংশ হিসেবে 'ভোজিনহা' নামটিই ধরে রেখেছেন।

চলতি বছরের শুরুতে ফিফাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, যখন আমি অ্যাঙ্গোলায় খেলতে যাই, তখন সেখানে জোসিমার নামের আরেকজন গোলরক্ষক ছিল। তখন আমি নিশ্চিত হয়ে যাই যে, জার্সিতে 'জোসিমার-২' লিখব না। কেপ ভার্দেতে সবাই আমাকে ভোজিনহা নামেই চিনতো, তাই সেই নামটাই আমি ধরে রেখেছি।

বর্তমানে তিনি পর্তুগালের ক্লাব ক্লাব শ্যাভেসের হয়ে খেলছেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি কেপ ভার্ডে, অ্যাঙ্গোলা, মলদোভা, সাইপ্রাস, স্লোভাকিয়া ও পর্তুগালের বিভিন্ন ক্লাবে খেলেছেন এই গোলরক্ষক।

বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচেই তিনি আলো ছড়িয়ে বলেন, নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারা আমার জন্য অনেক বড় সম্মানের ব্যাপার। আমি কেঁদেছি কারণ আমার দাদা-দাদি আজ আর বেঁচে নেই। তারা আমার জন্য অনেক কিছু করেছেন।

মায়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, ভিসা জটিলতার কারণে তার মা গ্যালারিতে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তিনি বলেন, আমার মা এখানে থাকতে পারেননি। ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতা এবং প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে সময়মতো সবকিছু করা সম্ভব হয়নি।

স্পেনের বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর ভোজিনহার রাতারাতি জনপ্রিয়তা বেড়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তার ইনস্টাগ্রাম অনুসারীদের সংখ্যা কয়েক লাখ থেকে কয়েক মিলিয়নে পৌঁছেছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে।

তার পারফরমেন্সে মুগ্ধ হয়েছেন ফুটবল বিশ্বের অনেক পরিচিত মুখ। পল পগবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, কেপ ভার্দের গোলরক্ষক সত্যিই অবিশ্বাস্য, ওয়াও!

অন্যদিকে সাবেক ইংলিশ ডিফেন্ডার লি ডিক্সন বলেছেন, আমি সত্যিই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। এই একটি পয়েন্ট কেপ ভার্দের প্রাপ্য ছিল। আজকের রাতটা শুধু তাদের জন্য। ভোজিনহাকে কাঁদতে দেখে আমার নিজেরও প্রায় কান্না চলে আসছিল।

স্পেনের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র শুধু একটি ম্যাচের ফল নয়, এটি কেপ ভার্দের ফুটবল ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আর সেই ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দুতে এখন এক নাম, ভোজিনহা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সহিংসতায় বিপর্যস্ত হাইতিতে যাচ্ছেন জাতিসংঘ মহাসচিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ পি.এম


সহিংসতায় বিপর্যস্ত হাইতিতে যাচ্ছেন জাতিসংঘ মহাসচিব

মঙ্গলবার জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সফরের মাধ্যমে হাইতির মানুষের প্রতি সংহতি জানাতে যাচ্ছেন।

এই দরিদ্র ক্যারিবীয় দেশটি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকটে ভোগে এবং গ্যাং সহিংসতার শিকার মানুষের সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করবেন।

মহাসচিবের কার্যালয় ঘোষণা করেছে যে, গুতেরেসের ২০২৩ সালের জুলাই মাসের পোর্ট-অ-প্রিন্স সফরের পর এবার সেখানকার নারী, পুরুষ ও শিশুদের সঙ্গে কথা বলবেন যাঁরা সহিংসতার শিকার হয়েছেন।

এএফপি জানাচ্ছে, মহাসচিব তার সফরের সময় সরাসরি দেশের মানবিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। তিনি স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য জাতীয় কর্তৃপক্ষ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টাও দশার করবেন।

হাইতি, আমেরিকা মহাদেশের সবচেয়ে দরিদ্র দেশ হিসেবে বহু বছর ধরে অস্থিরতায় ভুগছে। দেশটিতে শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও অপহরণ চালিয়ে যাচ্ছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, হাইতির মোট জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ, যেখানে বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে রয়েছে এবং ৫০ লক্ষাধিক মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটের মুখোমুখি।

২০২৪ সালের শুরুর দিকে নিরাপত্তা সংকট আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। সেই সময় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ধারাবাহিক সহিংসতায় দেশের অনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়।

তার স্থলাভিষিক্ত হয় একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল। তবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ওই কাউন্সিলের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ের ফিলস-এমের হাতে ন্যস্ত হয়।

নিরাপত্তাহীনতার কারণে ২০১৬ সালের পর হাইতিতে কোনো নির্বাচন হয়নি।

গত বছর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ নতুন একটি আন্তর্জাতিক গ্যাং দমন বাহিনী গঠনের অনুমোদন দেয়। এই বাহিনীকে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিষ্ক্রিয় করার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

নতুন বাহিনী ধীরে ধীরে হাইতির পুলিশকে সহায়তা প্রদানকারী আগের বহুজাতিক মিশনের স্থলাভিষিক্ত হয়ে যাবে, যেটি পর্যাপ্ত সরঞ্জাম ও অর্থের অভাবে সমালোচনার মুখে ছিল।

ফারহান হক জানান, গুতেরেস হাইতির বহুমাত্রিক সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা কার্যক্রম পর্যালোচনা করবেন, যেখানে গ্যাং দমন বাহিনীকে প্রদান করা লজিস্টিক ও পরিচালনাগত সহায়তা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

সফরের সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গুতেরেসের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভল্কার তুর্ক সোমবার বলেন, নতুন গ্যাং দমন বাহিনী জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন।

তিনি হাইতির কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান যে, দায়মুক্তির সংস্কৃতি বন্ধ করতে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, চলতি বছরের শুরু থেকে হাইতিতে গ্যাং সহিংসতায় অন্তত ২ হাজার ৩০০ জন নিহত, ১ হাজার ১০০ জন আহত এবং ৯৯ জন অপহৃত হয়েছেন। বিচারিক ইউনিটগুলোকে দ্রুত সক্রিয় করার জন্য কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাজিয়া মিছিলে নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর ডিএমপি নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ পি.এম


তাজিয়া মিছিলে নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর ডিএমপি নির্দেশনা

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেছেন যে পবিত্র আশুরা উদযাপন ও তাজিয়া মিছিলে দা, ছুরি, কাস্তে, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি বহন এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো যাবে না।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা মহানগর এলাকার নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেছেন।

পবিত্র আশুরা উদযাপন ও তাজিয়া মিছিলের কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় ডিএমপি কমিশনার বলেন, পবিত্র আশুরার সব কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে সবাইকেই সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি জানান, কেউ যেন বিশৃঙ্খলা বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। তিনি পুনরায় উল্লেখ করেন যে মিছিলে দা, ছুরি, কাস্তে, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি বহন এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো যাবে না।

তিনি আরও যোগ করেন যে, হোসাইনী দালান ইমামবাড়া পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। যে কোনো দুর্ঘটনা প্রতিরোধের লক্ষ্যে পুরো এলাকা ডগ স্কোয়াড ও ম্যানুয়ালি সুইপিং করা হবে। প্রবেশপথে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি পরিচালিত হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সবসময় সতর্ক থাকবে।

সমন্বয় সভার শুরুতে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস্) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

আশুরার কর্মসূচিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সমন্বয় সভায় আয়োজক প্রতিনিধি, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি, স্বাস্থ্য অধিদফতর, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা ওয়াসা, ফায়ার সার্ভিসসহ সরকারের বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মতামত দেন।

সমন্বয় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মোহাম্মদ শামসুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি) মো. আবুল বাশার তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি) মোহাম্মদ ওসমান গণি, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনারসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা। সূত্র বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপি’র ২ হাজার ২০১টি মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ পি.এম


ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপি’র ২ হাজার ২০১টি মামলা

রাজধানী ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)’র ট্রাফিক বিভাগ। এই অভিযানের ফলে মোট ২ হাজার ২০১টি মামলা করা হয়েছে। সোমবার, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ডিএমপি’র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে নয়টি বাস, একটি ট্রাক, একটি কাভার্ডভ্যান, পাঁচটি সিএনজি ও ১৯টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মোট ৭১টি মামলা করা হয়েছে।

ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৪টি বাস, আটটি ট্রাক, আটটি সিএনজি ও ১১২টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মোট ১৬৭টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ১১টি বাস, দুইটি ট্রাক, ২২টি কাভার্ডভ্যান, ১০৩টি সিএনজি ও ২৪৪টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মোট ৪৪৬টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ১৬টি বাস, ২০টি ট্রাক, ২২টি কাভার্ডভ্যান, ৩৬টি সিএনজি ও ৯৪টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মোট ২৪২টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে নয়টি বাস, তিনটি ট্রাক, সাতটি কাভার্ডভ্যান, ৪৭টি সিএনজি ও ৯১টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মোট ২০০টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে আটটি বাস, ১৩টি ট্রাক, ১৬টি কাভার্ডভ্যান, ৫৯টি সিএনজি ও ২৪১টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মোট ৪০৪টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৪৩টি বাস, একটি ট্রাক, আটটি কাভার্ডভ্যান, ৮৪টি সিএনজি ও ১৮৯টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মোট ৪৩৪টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ২৯টি বাস, একটি ট্রাক, ১১টি কাভার্ডভ্যান, ৩০টি সিএনজি ও ৮০টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মোট ২৩৭টি মামলা হয়েছে।

এছাড়াও, অভিযানকালে মোট ৪৩৩টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ৩১৩টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%