ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানি ১৭০০ ছাড়িয়েছে


ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানি ১৭০০ ছাড়িয়েছে

মধ্য-উত্তর ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পের পাঁচ দিন পরও উদ্ধার অভিযান চলছে। এমন পরিস্থিতিতে ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা ব্যক্তিদের উদ্ধার করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং এর মাঝে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে।

২৪ জুনের এই ভয়াবহ দুর্যোগে দেশটির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ১৭১৯ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে ব্যাপক মানবিক সহায়তা কার্যক্রম শুরু হলেও, পুরো অঞ্চলকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ সময় লাগবে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্কতা জানিয়েছেন।

ভেনেজুয়েলা সরকারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত প্রায় ৫০০০ মানুষের আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হয়েছে এবং ১২০০০-এরও বেশি মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। নিখোঁজদের সঠিক সংখ্যা এখনও নিশ্চিত নয়, ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

এই জরুরি পরিস্থিতি পরিণতি সামাল দিতে জাতিসংঘ ও ভেনেজুয়েলা কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে ১০,০০০ মৃতদেহ রাখার ব্যাগ সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জাতিসংঘের আবাসিক ও মানবিক সমন্বয়কারী জিয়ানলুকা রামপোলা জানিয়েছেন, রবিবার (২৮ জুন) ধ্বংসস্তূপ থেকে সাতজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে ২৭টি দেশের ২০০০ জনেরও বেশি উদ্ধারকর্মী এবং ১৬০টিরও বেশি দূরন্ত অনুসন্ধানকারী কুকুর মিলে ৪০টি দলে বিভক্ত হয়ে কাজ করছেন দিনরাতে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভূমিকম্পে দেশের মোট সাতটি রাজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে ‘লা গুয়াইরা’ রাজ্যে এবং রাজধানী কারাকাসের ‘ডিস্ট্রিটো ক্যাপিটাল’ এলাকায়। ভূমিকম্পের তীব্রতায় ওই অঞ্চলের প্রায় ২,৫০০টি ভবন ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেগুলোর একটি বড় অংশ সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে।

জাতিসংঘের প্রতিনিধি রামপোলা সামগ্রিক পরিস্থিতি উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা এই মুহূর্তে অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এবং বিপজ্জনক একটি পরিবেশের মধ্যে উদ্ধার ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।’ তবে আবহাওয়া ও প্রকৃতির প্রতিকূলতার কারণে স্থলভাগের উদ্ধার অভিযান চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মূল ভূমিকম্পের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৫০০টি আফটারশক (পরবর্তী কম্পন) রেকর্ড করা হয়েছে, যার মধ্যে সোমবার (২৯ জুন) ভোরে আঘাত হানা ৫.২ মাত্রার কম্পনটি অন্যতম।

এদিকে, দুর্গত এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যা ধসে পড়া ভবনগুলোর উদ্ধারকাজকে আরও জটিল করে তুলছে।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ এম


দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ

কাতারের শাহানিয়া এলাকায় ঘটে যাওয়া এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। নিহত ব্যক্তিরা বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাসিন্দা।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের মরদেহগুলো পৌঁছায়। ঘটনাটি ঘটে রবিবার (২১ জুন) সকালে। কাতারের শাহানিয়া এলাকায় সংঘটিত এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসী প্রাণ হারান।

ঘটনার দিন সকালে ওই পাঁচজন একটি পিকআপ ভ্যানে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারালে সেখানে ছয়জন মৃত্যুবরণ করেন, যার মধ্যে একজন ভারতীয় নাগরিকও আছেন। নিহতদের লাশ কাতারের স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছিল।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন- সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ী গ্রামের আব্দুল কাদির, মাঝতালুক গ্রামের মুস্তাক আহমেদ আফনান, একই গ্রামের জুবায়ের আহমেদ, আগাতালুক গ্রামের জসিম উদ্দিন এবং আমরপুর গ্রামের জিবাল আহমেদ।

শ্রম কল্যাণ উইং জানায়, নিহতদের মরদেহ সোমবার (২৯ জুন) স্থানীয় সময় রাত ১০টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২২৬ নম্বর ফ্লাইটে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দেশে পাঠানো হবে। ফ্লাইটটি মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে সিলেট এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশ ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত যাত্রীবাহী বাসে হঠাৎ আগুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ এম


এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত যাত্রীবাহী বাসে হঠাৎ আগুন

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে মাঝরাতে একটি চলন্ত যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপের জন্য আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বাসের যাত্রীরা অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন।

সোমবার (২৯ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ‘মাওয়া এভারগ্রিন পরিবহন’ নামের যাত্রীবাহী বাসটি ঢাকার গুলিস্তান থেকে মাওয়ার উদ্দেশে যাত্রা করছিল। পথে এক্সপ্রেসওয়ের সিরাজদিখান এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ বাসটিতে আগুন ধরে যায়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, যান্ত্রিক বা বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সূত্রপাত ঘটে এবং তা দ্রুত বাসের জ্বালানি ট্যাংকে ছড়িয়ে পড়ে। তবে আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে বাসের যাত্রীরা নিরাপদে দ্রুত নেমে যেতে সক্ষম হন।

খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই অগ্নিকাণ্ডের কারণে বাসটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এতে আনুমানিক ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পর আমাদের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে স্বল্প সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ আন্তর্জাতিক গ্রহাণু দিবস, পৃথিবীর জন্য কতটা হুমকি এই মহাজাগতিক পাথর?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৪ এম


আজ আন্তর্জাতিক গ্রহাণু দিবস, পৃথিবীর জন্য কতটা হুমকি এই মহাজাগতিক পাথর?

আকাশের দিকে তাকালে অসংখ্য তারা দেখা যায়। কিন্তু সেখানকার বিশালত্বে অসংখ্য পাথুরে বস্তু ঘুরে বেড়াচ্ছে, যেগুলোর মধ্যে যে কোন একটি যদি পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে, তাহলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। এই মহাজাগতিক বস্তুগুলোকে গ্রহাণু বলা হয়। প্রতिवৎসর ৩০ জুন পালিত হয় আন্তর্জাতিক গ্রহাণু দিবস, যার উদ্দেশ্য হলো গ্রহাণু সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা, সম্ভাব্য ঝুঁকি জানানো এবং পৃথিবীকে সুরক্ষিত রাখতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরা।

কেন ৩০ জুন এই দিবস হিসেবে নির্বাচিত? ১৯০৮ সালের ৩০ জুন রাশিয়ার সাইবেরিয়ার তুংগুস্কা অঞ্চলে একটি বিশাল মহাজাগতিক বস্তু বিস্ফোরিত হয়, যেটি ইতিহাসে পৃথিবীতে আঘাত হানা সবচেয়ে বড় গ্রহাণু-সম্পর্কিত ঘটনা। এই বিস্ফোরণের শক্তি প্রায় দুই হাজার বর্গকিলোমিটার এর দুর্গ প্রাকৃতিক সম্পদের সঙ্গে ৮ কোটির বেশি গাছ ধ্বংস করে ফেলেছিল। সেই ঘটনার স্মরণে দিনটি আন্তর্জাতিক গ্রহাণু দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

গ্রহাণু কী? এটি হলো সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা পাথুরে বা ধাতব মহাজাগতিক বস্তু। অধিকাংশ গ্রহাণু মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝের গ্রহাণু বলয়ে অবস্থান করছে, কিন্তু কিছু গ্রহাণু এমন কক্ষপথে চলে আসে, যা পৃথিবীর কাছাকাছি পৌঁছে যায়। এই গ্রহাণুগুলোকে পৃথিবীর নিকটবর্তী গ্রহাণু বলা হয়।

সমস্ত গ্রহাণুই বিপজ্জনক নয়। যেহেতু বড় আকারের কোনও গ্রহাণু পৃথিবীতে আঘাত করলে তা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টির সম্ভাবনা নিয়ে আসে। বিজ্ঞানীদের মতে, গ্রহাণুর আঘাতের মাধ্যমে প্রায় ৬ কোটি ৬০ লাখ বছর আগে অধিকাংশ ডাইনোসর বিলুপ্ত হয়েছিল। এই ঘটনার ফলে পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তিত হয়েছে এবং অনেক প্রাণী ও উদ্ভিদের অস্তিত্ব নিঃশেষ হয়ে যায়।

বর্তমানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহাকাশ সংস্থা নিয়মিতভাবে আকাশ পর্যবেক্ষণ করছে। তারা শক্তিশালী দূরবীন ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পৃথিবীর কাছে আসা গ্রহাণুগুলো শনাক্ত করছে। গ্রহাণুগুলো ভবিষ্যতে পৃথিবীর জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে কি না সেটিও নিয়মিতভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা শুধু শনাক্ত করেই থেমে নেই; গ্রহাণুর গতিপথ পরিবর্তনের প্রযুক্তিও পরীক্ষাধীন রয়েছে। কয়েক বছর আগে একটি মহাকাশযানের সাহায্যে সফলভাবে একটি গ্রহাণুর গতিপথ সামান্য পরিবর্তন করে দেখানো হয়েছে, যা ভবিষ্যতে পৃথিবী রক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় ধরনের গ্রহাণুর আঘাতের ঘটনা খুবই বিরল। তবে, আগাম প্রস্তুতি ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি। মহাকাশ থেকে আগত যে কোন সম্ভাব্য হুমকি মোকাবেলার জন্য পরিকল্পনা রাখলে ক্ষয়ক্ষতি অনেকটা কমানো সম্ভব। আন্তর্জাতিক গ্রহাণু দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়, মহাকাশ শুধু রহস্যের ভাণ্ডার নয়, পাশাপাশি সম্ভাব্য ঝুঁকির উৎসও বটে। তাই বিজ্ঞান, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে পৃথিবীকে নিরাপদ রাখতে সচেতনতা বাড়ানোর কোন বিকল্প নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থহীন পুরুষ আর সৌন্দর্যহীন নারী, শুধু কবিতা আর গল্পতেই মানায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ এম


অর্থহীন পুরুষ আর সৌন্দর্যহীন নারী, শুধু কবিতা আর গল্পতেই মানায়

বাস্তবের পৃথিবী বড় অদ্ভুত। এখানে অনেক সময় ভালোবাসার আগে হিসাব আসে, অনুভূতির আগে যোগ্যতার তালিকা আসে, আর মানুষের হৃদয়ের আগে বিচার হয় তার অবস্থান, আয় কিংবা বাহ্যিক রূপ।

একজন অর্থহীন পুরুষ হয়তো বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে ভালোবাসতে জানে, কিন্তু তার ভালোবাসার ওজন প্রায়ই টাকার অঙ্কে মাপা হয়। অন্যদিকে, একজন সৌন্দর্যহীন নারী হয়তো নিঃস্বার্থভাবে সারাজীবন পাশে থাকতে পারে, কিন্তু সমাজ অনেক সময় তার হৃদয়ের সৌন্দর্যের চেয়ে মুখের সৌন্দর্যকেই বেশি মূল্যায়ন করে।

তবুও ভালোবাসা কখনো হিসাবের বিষয় ছিল না। ভালোবাসা ছিল দুটো ক্লান্ত মানুষের একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি। অথচ আজকাল সেই ভালোবাসাও অনেক সময় বাস্তবতার কাছে হার মানে। কেউ হারিয়ে যায় অর্থের অভাবে, কেউ হারিয়ে যায় সৌন্দর্যের অভাবে, আবার কেউ বেঁচে থাকে শুধু স্মৃতির মধ্যে।

হয়তো এ কারণেই কবিতায় দরিদ্র প্রেমিক শেষ পর্যন্ত ভালোবাসা পায়, গল্পে সাধারণ মেয়েটি কারও জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মানুষ হয়ে ওঠে। কিন্তু বাস্তবের পাতায় সেই সমাপ্তি সবসময় লেখা থাকে না।

তবুও আমি বিশ্বাস করি, যে মানুষ সত্যিকারের ভালোবাসতে জানে, সে একদিন না একদিন এমন কাউকে খুঁজে পাবে, যে অর্থের চেয়ে মানুষকে, আর রূপের চেয়ে হৃদয়কে বেশি মূল্য দেবে। কারণ যদি ভালোবাসা সত্যিই ভালোবাসা হয়, তবে তার সবচেয়ে সুন্দর পরিচয় থাকে মানুষের চরিত্রে, মমতায় আর বিশ্বস্ততায়—টাকায় নয়, সৌন্দর্যেও নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%