ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজ আন্তর্জাতিক গ্রহাণু দিবস, পৃথিবীর জন্য কতটা হুমকি এই মহাজাগতিক পাথর?


আজ আন্তর্জাতিক গ্রহাণু দিবস, পৃথিবীর জন্য কতটা হুমকি এই মহাজাগতিক পাথর?

আকাশের দিকে তাকালে অসংখ্য তারা দেখা যায়। কিন্তু সেখানকার বিশালত্বে অসংখ্য পাথুরে বস্তু ঘুরে বেড়াচ্ছে, যেগুলোর মধ্যে যে কোন একটি যদি পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে, তাহলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। এই মহাজাগতিক বস্তুগুলোকে গ্রহাণু বলা হয়। প্রতिवৎসর ৩০ জুন পালিত হয় আন্তর্জাতিক গ্রহাণু দিবস, যার উদ্দেশ্য হলো গ্রহাণু সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা, সম্ভাব্য ঝুঁকি জানানো এবং পৃথিবীকে সুরক্ষিত রাখতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরা।

কেন ৩০ জুন এই দিবস হিসেবে নির্বাচিত? ১৯০৮ সালের ৩০ জুন রাশিয়ার সাইবেরিয়ার তুংগুস্কা অঞ্চলে একটি বিশাল মহাজাগতিক বস্তু বিস্ফোরিত হয়, যেটি ইতিহাসে পৃথিবীতে আঘাত হানা সবচেয়ে বড় গ্রহাণু-সম্পর্কিত ঘটনা। এই বিস্ফোরণের শক্তি প্রায় দুই হাজার বর্গকিলোমিটার এর দুর্গ প্রাকৃতিক সম্পদের সঙ্গে ৮ কোটির বেশি গাছ ধ্বংস করে ফেলেছিল। সেই ঘটনার স্মরণে দিনটি আন্তর্জাতিক গ্রহাণু দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

গ্রহাণু কী? এটি হলো সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা পাথুরে বা ধাতব মহাজাগতিক বস্তু। অধিকাংশ গ্রহাণু মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝের গ্রহাণু বলয়ে অবস্থান করছে, কিন্তু কিছু গ্রহাণু এমন কক্ষপথে চলে আসে, যা পৃথিবীর কাছাকাছি পৌঁছে যায়। এই গ্রহাণুগুলোকে পৃথিবীর নিকটবর্তী গ্রহাণু বলা হয়।

আরও পড়ুন: ওয়াশিংটনে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের স্মরণে সাগ্নিক সেনের বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান

সমস্ত গ্রহাণুই বিপজ্জনক নয়। যেহেতু বড় আকারের কোনও গ্রহাণু পৃথিবীতে আঘাত করলে তা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টির সম্ভাবনা নিয়ে আসে। বিজ্ঞানীদের মতে, গ্রহাণুর আঘাতের মাধ্যমে প্রায় ৬ কোটি ৬০ লাখ বছর আগে অধিকাংশ ডাইনোসর বিলুপ্ত হয়েছিল। এই ঘটনার ফলে পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তিত হয়েছে এবং অনেক প্রাণী ও উদ্ভিদের অস্তিত্ব নিঃশেষ হয়ে যায়।

বর্তমানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহাকাশ সংস্থা নিয়মিতভাবে আকাশ পর্যবেক্ষণ করছে। তারা শক্তিশালী দূরবীন ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পৃথিবীর কাছে আসা গ্রহাণুগুলো শনাক্ত করছে। গ্রহাণুগুলো ভবিষ্যতে পৃথিবীর জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে কি না সেটিও নিয়মিতভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা শুধু শনাক্ত করেই থেমে নেই; গ্রহাণুর গতিপথ পরিবর্তনের প্রযুক্তিও পরীক্ষাধীন রয়েছে। কয়েক বছর আগে একটি মহাকাশযানের সাহায্যে সফলভাবে একটি গ্রহাণুর গতিপথ সামান্য পরিবর্তন করে দেখানো হয়েছে, যা ভবিষ্যতে পৃথিবী রক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় ধরনের গ্রহাণুর আঘাতের ঘটনা খুবই বিরল। তবে, আগাম প্রস্তুতি ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি। মহাকাশ থেকে আগত যে কোন সম্ভাব্য হুমকি মোকাবেলার জন্য পরিকল্পনা রাখলে ক্ষয়ক্ষতি অনেকটা কমানো সম্ভব। আন্তর্জাতিক গ্রহাণু দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়, মহাকাশ শুধু রহস্যের ভাণ্ডার নয়, পাশাপাশি সম্ভাব্য ঝুঁকির উৎসও বটে। তাই বিজ্ঞান, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে পৃথিবীকে নিরাপদ রাখতে সচেতনতা বাড়ানোর কোন বিকল্প নেই।

আরও পড়ুন: রাতে কোন ৩ খাবার গ্যাস্ট্রিক বাড়াতে পারে?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থহীন পুরুষ আর সৌন্দর্যহীন নারী, শুধু কবিতা আর গল্পতেই মানায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ এম


অর্থহীন পুরুষ আর সৌন্দর্যহীন নারী, শুধু কবিতা আর গল্পতেই মানায়

বাস্তবের পৃথিবী বড় অদ্ভুত। এখানে অনেক সময় ভালোবাসার আগে হিসাব আসে, অনুভূতির আগে যোগ্যতার তালিকা আসে, আর মানুষের হৃদয়ের আগে বিচার হয় তার অবস্থান, আয় কিংবা বাহ্যিক রূপ।

একজন অর্থহীন পুরুষ হয়তো বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে ভালোবাসতে জানে, কিন্তু তার ভালোবাসার ওজন প্রায়ই টাকার অঙ্কে মাপা হয়। অন্যদিকে, একজন সৌন্দর্যহীন নারী হয়তো নিঃস্বার্থভাবে সারাজীবন পাশে থাকতে পারে, কিন্তু সমাজ অনেক সময় তার হৃদয়ের সৌন্দর্যের চেয়ে মুখের সৌন্দর্যকেই বেশি মূল্যায়ন করে।

তবুও ভালোবাসা কখনো হিসাবের বিষয় ছিল না। ভালোবাসা ছিল দুটো ক্লান্ত মানুষের একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি। অথচ আজকাল সেই ভালোবাসাও অনেক সময় বাস্তবতার কাছে হার মানে। কেউ হারিয়ে যায় অর্থের অভাবে, কেউ হারিয়ে যায় সৌন্দর্যের অভাবে, আবার কেউ বেঁচে থাকে শুধু স্মৃতির মধ্যে।

হয়তো এ কারণেই কবিতায় দরিদ্র প্রেমিক শেষ পর্যন্ত ভালোবাসা পায়, গল্পে সাধারণ মেয়েটি কারও জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মানুষ হয়ে ওঠে। কিন্তু বাস্তবের পাতায় সেই সমাপ্তি সবসময় লেখা থাকে না।

তবুও আমি বিশ্বাস করি, যে মানুষ সত্যিকারের ভালোবাসতে জানে, সে একদিন না একদিন এমন কাউকে খুঁজে পাবে, যে অর্থের চেয়ে মানুষকে, আর রূপের চেয়ে হৃদয়কে বেশি মূল্য দেবে। কারণ যদি ভালোবাসা সত্যিই ভালোবাসা হয়, তবে তার সবচেয়ে সুন্দর পরিচয় থাকে মানুষের চরিত্রে, মমতায় আর বিশ্বস্ততায়—টাকায় নয়, সৌন্দর্যেও নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন-ইরানি আলোচকরা দোহা অভিমুখে রওনা হলেও বৈঠক অনিশ্চিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২১ এম


মার্কিন-ইরানি আলোচকরা দোহা অভিমুখে রওনা হলেও বৈঠক অনিশ্চিত

এই সপ্তাহে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের আলোচক দলের দোহায় আসার কথা থাকলেও, ইরান সোমবার জানিয়েছে যে, কোনো বৈঠক নির্ধারিত হয়নি। কারণ, সপ্তাহান্তে উভয় পক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় চার মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসানে অন্তর্বর্তীকালীন যুদ্ধবিরতি চাপের মুখে পড়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তার জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং দূত স্টিভ উইটকফকে আলোচক দলের নেতৃত্ব দেয়ার জন্য পাঠাচ্ছেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন তার প্রেস সচিব ক্যারোলিন লিভিট।

ইরানও এই সপ্তাহে কাতারে তাদের কারিগরি প্রতিনিধিদল পাঠাচ্ছে। কিন্তু, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন যে, আমেরিকানদের এই সফরের সঙ্গে ইরানের বৈঠকের কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি আরও জানান, দুই পক্ষের মধ্যে কোনো আলোচনার সময়সূচি নির্ধারিত হয়নি।

‘আগামী দিনগুলোতে আমরা মার্কিন পক্ষের সঙ্গে কোনো পর্যায়েই কোনো আলোচনা সভা করব না,’ বলেছেন বাঘাই।

ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দোহায় আদৌ বৈঠক হবে কিনা, এটি এই মতবিরোধটি ১৭ জুনের একটি চুক্তির ভঙ্গুরতাকেই তুলে ধরেছে। এই চুক্তিটি এমন একটি সংঘাত স্থগিত করার জন্য করা হয়েছিল, যা হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটিয়েছে এবং নভেম্বরে কংগ্রেসীয় নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের জন্য একটি রাজনৈতিক মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা এবং একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য আলোচনার উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত ১৪-দফা সমঝোতা স্মারকটি বাস্তবায়নের জন্য নিজেদেরকে অন্তত ৬০ দিন সময় দিয়েছে। যদিও, অগ্রগতি থেমে থেমে রয়েছে এবং উভয় পক্ষই একে অপরকে চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের জন্য অভিযুক্ত করছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর, হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে সামুদ্রিক যান চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। এই সংকীর্ণ জলপথটি পূর্বে বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ চলাচল করত।

অন্যদিকে, ইসরাইল মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনায় যোগ দেয়নি এবং এই চুক্তি থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রেখেছে। ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা লেবাননে যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলেছে। সেখানে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মিত্র, সংসদ স্পিকার নাবিহ বেরি একটি শান্তিচুক্তি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, মঙ্গলবার দোহায় ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্র নতুন আলোচনায় বসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি মেনে চললে তেহরানও তা রক্ষা করবে: ইরানের রাষ্ট্রপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ এম


যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি মেনে চললে তেহরানও তা রক্ষা করবে: ইরানের রাষ্ট্রপতি

যুক্তরাষ্ট্র ১৮ জুনের সমঝোতা স্মারকের শর্ত মেনে চললে, তেহরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, ইরানও তার সব প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে। তিনি উল্লেখ করেন, এই সমঝোতা পারস্পরিক অঙ্গীকারের ভিত্তিতে হয়েছে এবং তাই এক পক্ষের প্রতিশ্রুতি অন্য পক্ষের অবস্থানের ওপর নির্ভর করবে।

সোমবার (২৯ জুন) বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মাসুদ পেজেশকিয়ান তার বক্তব্য প্রদান করেন।

পেজেশকিয়ান বলেন, এই সমঝোতা একদমই পারস্পরিক বিষয়। যুক্তরাষ্ট্র যদি সমঝোতা স্মারকের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকে, তবেই আমরাও আমাদের প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করব।

তিনি আরও বলেন, ‘অযৌক্তিক বক্তব্য’ ও হুমকির বিষয় সম্পর্কে ইরানের অবস্থান যুক্তিবোধ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের মানবিক মর্যাদা এবং প্রয়োজন হলে দৃঢ় ও নির্ভীকভাবে পদক্ষেপ নেয়ার নীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

পেজেশকিয়ানের মন্তব্য এসছে এমন এক সময় যখন গত ১৮ জুন ইসলামাবাদে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে। ওই সমঝোতার মাধ্যমে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা সামরিক সংঘাতের অবসান ঘটে এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যুতে উত্তেজনা কমানোর একটা কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে।

সমঝোতা স্মারকে হরমুজ প্রণালির সামুদ্রিক নিরাপত্তা, তেল রপ্তানি এবং ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছাড়ার মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তবে আরও বিস্তৃত ইস্যুতে ভবিষ্যতে আলোচনা সমঝোতার প্রাথমিক ধারাগুলোর বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করবে।

ইরানের কর্মকর্তারা বারবার জোর দিয়ে বলেছেন, এই সমঝোতা পারস্পরিক অঙ্গীকারের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে। তারা সতর্ক করে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি নিজেদের প্রতিশ্রুতি পালন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে পুরো প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা ব্যাহত হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১২০০ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ধ্বংস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ এম


১২০০ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ধ্বংস

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা নদীতে যৌথ অভিযানের মাধ্যমে প্রায় ১২০০ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল উদ্ধার করে তা ধ্বংস করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) নারায়ণগঞ্জ নৌ অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের নেতৃত্বে এই অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় লৌহজং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে কারেন্ট জাল পেতে মাছ শিকার করা হচ্ছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে আনুমানিক ১২০০ মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত জালকে পরে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা এবং মাছের প্রজনন নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সেই সঙ্গে অবৈধ জাল ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%