প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে হামলা আরও জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতে ইরানের প্রতি রাশিয়ার সমর্থন অব্যাহত রাখার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।
পুতিন কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের দুদিনের সম্মেলনে অংশ নিয়ে এসব মন্তব্য করেন।
মঙ্গলবার নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। পুতিনের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইউক্রেন যুদ্ধ নতুন করে বিপজ্জনক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়া এবং ইউক্রেন উভয়পক্ষই একে অপরের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান ও ড্রোন হামলা বৃদ্ধি করেছে। গত কয়েক মাসে ইউক্রেন রাশিয়ার তেল শোধনাগার, জাহাজ এবং ই-কমার্সের গুদামসহ বিভিন্ন স্থাপনায় দূরপাল্লার হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার ফলে রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে পেট্রোল সংকট দেখা দিয়েছে এবং দেশটির অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
পুতিনের দাবি, ইউক্রেনের হামলায় ৪০ দিনের মধ্যে রাশিয়ার প্রায় ১০০টি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে রাশিয়ার যে ক্ষতি হয়েছে, তা দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ১ শতাংশের সমান। হামলা আরও জোরদার করেছে রাশিয়াও। নতুন ধরনের জেটচালিত ড্রোন ব্যবহার করে ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক হামলা চালানোর পাশাপাশি রাজধানী কিয়েভ ও কৃষ্ণসাগরের বন্দরগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। এতে ইউক্রেনের শস্য রপ্তানিও হুমকির মুখে পড়েছে।
বিশকেকে পুতিন উল্লেখ করেন, ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় ব্যাপক হামলা চালানোর নির্দেশ রুশ বাহিনীকে দেওয়া হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে শান্তি আলোচনার বিষয়েও তিনি কথা বলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে কাজ করতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
তিনি বলেন, ‘কেউ যদি খাদ্যশৃঙ্খলে আমাদের নিচে নামিয়ে দিতে চায়, আমাদের গিলে খেতে বা গ্রাস করতে চায়, তাহলে তারা দাঁতভাঙা জবাব পেতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এসব হাঙরের ক্ষুধা ও দাঁত দ্রুত বাড়লেও রাশিয়া তা মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন