ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজধানীর যেসব রুটে চলবে ‘পিংক বাস’


রাজধানীর যেসব রুটে চলবে ‘পিংক বাস’

ঢাকার গণপরিবহনে নারীদের নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) বিশেষ ‘মহিলা পিংক বাস সার্ভিস’ চালু করেছে। গোলাপি রঙের এই বাসগুলোর চালক, কন্ডাক্টর এবং সহকারী হিসেবে নারীরা থাকবেন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসির ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সরকারীভাবে এই বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বিআরটিসি জানায়, প্রাথমিকভাবে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন রুটে ১০টি বাস দিয়ে এই সেবা শুরু হয়েছে। সঙ্গে দেশের বাইরের বগুড়ায় দুটি এবং চট্টগ্রামে দুটি বাসসহ মোট চারটি বাসও পিংক বাস সার্ভিসের আওতায় চলবে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-জাপান চুক্তি: ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হবে পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মসংস্থান চুক্তি

মোট ১৩৪টি স্টপেজে এই বাস সার্ভিস পরিচালিত হবে। এতে ই-টিকিটিং ব্যবস্থার জন্য পিওএস মেশিন ব্যবহার করা হবে। একটি বাসে পরীক্ষামূলকভাবে স্টারলিংকের ওয়াই-ফাই এবং তিনটি বাসে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পরবর্তীতে অন্যান্য বাসেও এসব সুবিধা যুক্ত করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ রবিউল আলম বলেন, নারী যাত্রীদের চাহিদাকে মাথায় রেখে ভবিষ্যতে পিংক বাসের সংখ্যা ও রুট বাড়ানো হবে। পাশাপাশি ধাপে ধাপে সেবার মান উন্নত করা হবে।

তিনি জানান, কেবলবাসের সংখ্যা বাড়ালেই হবে না, নারী যাত্রীরা যেন নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও যাত্রীবান্ধব পরিবেশ পান, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। উদ্বোধনের সময় যে মানের সেবা দেওয়া হচ্ছে, দুই মাস পর সেটি আরও উন্নত করার জন্য বিআরটিসি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, ঢাকার গণপরিবহনের বিদ্যমান রুট ব্যবস্থাপনাও নতুন করে সাজানোর প্রয়োজন রয়েছে। অনেক রুট অস্তিত্বহীন হলেও সেসব রুটের পারমিট রয়েছে, আবার কিছু জায়গায় পারমিট না থাকলেও বাস চলাচল করছে।

আরও পড়ুন: হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার শিকার প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

যাত্রীচাপ ও প্রয়োজন বিবেচনায় রুট পারমিটগুলো রেশনালাইজ করে নতুনভাবে চিহ্নিত করা হবে।

পরিবহন খাতের আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সরকার ২০০টি ইলেকট্রিক বাস কেনার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি। এসব বাসের মধ্যেও নারীদের জন্য বাস রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভর পরিবহন থেকে বের হয়ে ঢাকায় পরিবেশবান্ধব এবং মাল্টিমোডাল গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করা হবে।

ঢাকায় মোট নয়টি রুটে 'পিংক বাস' চলাচল করবে। নতুন বাজার (কোকাকোলা)-মতিঝিল: কোকাকোলা, নতুন বাজার, উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা, মেরুল বাড্ডা, রামপুরা, আবুল হোটেল, মালিবাগ, কাকরাইল, পল্টন ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিল।

তালতলা-মতিঝিল: তালতলা, খিলগাঁও রেলগেট, বাসাবো, বৌদ্ধমন্দির, মুগদা, কমলাপুর রেলস্টেশন, আরামবাগ, শাপলা চত্বর ও সচিবালয় হয়ে মতিঝিল।

আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে ইয়াবা কারবারিদের ধরে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয় পুলিশ, থানার ক্যাশিয়ার নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন

ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার-জিপিও: ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, বাঁশের পুল, কাজলা, যাত্রাবাড়ী, জনপথ মোড়, গুলিস্তান, পল্টন, সচিবালয় ও মৎস্য ভবন হয়ে জিপিও।

মিরপুর-১০-মতিঝিল: মিরপুর-১০, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, আসাদগেট, কলাবাগান, শাহবাগ ও পল্টন হয়ে মতিঝিল।

মিরপুর-মতিঝিল: মিরপুর-১২, মিরপুর-১০, মিরপুর-১, টেকনিক্যাল, শ্যামলী, ফার্মগেট, শাহবাগ ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিল।

মিরপুর-১২-মতিঝিল: মিরপুর-১২, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিল।

আরও পড়ুন: ইশরাকের পদত্যাগের পর স্ত্রীর রহস্যময় পোস্ট

মোহাম্মদপুর-মতিঝিল: মোহাম্মদপুর, শংকর, ধানমণ্ডি-১৫, সিটি কলেজ, নিউ মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, শাহবাগ ও পল্টন হয়ে মতিঝিল।

আব্দুল্লাহপুর-মতিঝিল: আব্দুল্লাহপুর, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, বিশ্বরোড, কুড়িল, বনানী, মহাখালী, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিল।

গাজীপুর-বিমানবন্দর: গাজীপুর, শিববাড়ী, গাজীপুর চৌরাস্তা, মালেকের বাড়ি, বোর্ডবাজার, গাজীপুরা, কলেজগেট, স্টেশন রোড, আব্দুল্লাহপুর ও আশপুর হয়ে বিমানবন্দর।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে সৈয়দপুরে ময়লার স্তূপ বালু দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের তথ্যচিত্র নিয়ে পাকিস্তানের বিস্ফোরক দাবি, ‘যুদ্ধের জয় নাকি বলিউড সিনেমার গল্প?’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ পি.এম


ভারতের তথ্যচিত্র নিয়ে পাকিস্তানের বিস্ফোরক দাবি, ‘যুদ্ধের জয় নাকি বলিউড সিনেমার গল্প?’

বাংলাদেশের সামরিক সাফল্য হিসেবে ‘অপারেশন সিঁদুর’কে তুলে ধরে ভারতীয় তৈরি তথ্যচিত্রের বিরুদ্ধে পাকিস্তান তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, বলিউড সিনেমার মতো নাটকীয়তার মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত ফলাফলকে বদলে দেওয়া সম্ভব নয়। তাদের বক্তব্য, তথ্যচিত্রটি আসলে সামরিক পরাজয়কে সাফল্য হিসেবে দেখানোর একটি প্রচেষ্টা। একই সঙ্গে পাকিস্তান ভারতকে ভবিষ্যতে হামলা চালানোর পরিস্থিতিতে কঠোর জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছে।

জিও নিউজের রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমবার পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মিডিয়া উইং আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এই বিবৃতি প্রদান করেছে। আইএসপিআর বলেছে, এক বছরও বেশি সময় পরে 'মার্কা-ই-হক' সংঘর্ষের পর ভারত 'কঠিন বাস্তবতার' মুখোমুখি হতে প্রস্তুত নয়। দেশটি ব্যর্থ অভিযানের পরাজয় স্বীকার না করে ইতিহাসকে নিজেদের পছন্দমতো উপস্থাপনের চেষ্টা করছে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ভারতের কনটেন্ট নির্মাতাদের তথ্যচিত্রটিকে ‘অতিরিক্ত নাটকীয়, অতিরঞ্জিত এবং তথ্যগতভাবে ভুল’ বলেও আখ্যা দিয়েছে। ওই তথ্যচিত্রে ভারতীয় রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের সাক্ষাৎকার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাই আইএসপিআরের প্রশ্ন, ‘তথ্যচিত্রটি আসলে যুদ্ধের জয়, নাকি বলিউড সিনেমার একটি গল্প?’

আইএসপিআর জানিয়েছে, তথ্যচিত্রটিতে গভীরতা ও ভারসাম্যের অভাব এতটাই উল্লেখযোগ্য যে এটিকে একই সময়ে ‘ট্র্যাজেডি ও কমেডি’ বলা সম্ভব। সাক্ষাৎকারের নির্বাচিত অংশ, আবেগঘন বর্ণনা এবং বলিউডের সিনেমার মতো দৃশ্যায়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত তথ্যকে নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে।

ভারত পরবর্তী সময়ে দাবি করে, পেহেলগাম হামলার তিন অভিযুক্তকে শনাক্ত করে ২০২৫ সালের ২৮ জুলাই হত্যা করা হয়েছে। অর্থাৎ যে কথিত ‘অপারেশন সিঁদুর’ ৮২ দিন পর তাদের হত্যা করা হয়। কিন্তু তথ্যচিত্রে অপারেশন সিঁদুরকে পেহেলগাম হামলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অভিযান হিসেবে দেখানো হয়েছে।

পাকিস্তানের সেনাবাহিনী প্রশ্ন তুলেছে, ‘যদি কথিত হামলাকারীদের ২৮ জুলাই হত্যা করা হয়ে থাকে, তাহলে ৭ মে ভারত কাদের শাস্তি দেয়ার দাবি করছে?’ পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আরও দাবি করেছে, ‘১০০ শতাংশ মিশন সফল’ হওয়ার দাবির সঙ্গে সামরিক অভিযানের বাস্তব রেকর্ডের কোনো মিল নেই। তাদের দাবি, ‘মার্কা-ই-হক’ সংঘর্ষের সময় পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী ভারতের হামলা প্রতিহত করেছে এবং আটটি সামরিক বিমান ভূপাতিত করেছে।

এরপর পাকিস্তান ‘অপারেশন বুনিয়ানুম মারসুস’ পরিচালনা করে। আইএসপিআরের দাবি, ওই অভিযানে ফাতাহ প্রিসিশন-গাইডেড রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র, পাকিস্তান বিমানবাহিনীর নির্ভুল আঘাত হানার অস্ত্র, দূরপাল্লার লইটারিং মিউনিশন এবং কামান ব্যবহার করা হয়। এসব অস্ত্র দিয়ে পাকিস্তানের নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করা এবং দেশটির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত ২৬টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়।

আইএসপিআর বলেছে, তথ্যচিত্রের বক্তব্য ভারতের নিরঙ্কুশ আধিপত্যের দাবিকে আরও দুর্বল করে। কারণ, এতে ভারতীয় সামরিক নেতৃত্ব পাকিস্তানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও বিমান হামলা, নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর দীর্ঘ সময়ের সংঘর্ষ এবং ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করার বিষয় স্বীকার করেছে। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা বলেছে, এসব স্বীকারোক্তির সঙ্গে পাকিস্তানকে ‘চূড়ান্তভাবে পরাজিত’ করার দাবির কোনও মিল নেই।

যুদ্ধবিরতি কীভাবে ঘটেছিল, সে বিষয়ে ভারতীয় তথ্যচিত্রের বক্তব্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে আইএসপিআর। তাদের দাবি, তথ্যচিত্রে উল্লেখ রয়েছে যে দুই দেশের ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনসের (ডিজিএমও) মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যমে সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে সমঝোতা হয়েছিল।

আইএসপিআর বলেছে, ‘এটিই প্রমাণ করে যে অপারেশন সিঁদুরকে একতরফা ভারতীয় সামরিক বিজয় হিসেবে দেখানোর চেষ্টা সঠিক নয়। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধ বন্ধ হওয়ার ঘটনাকে পরে নিঃশর্ত বিজয়ের প্রমাণ হিসেবে দেখানো যায় না।’

ভারতীয় তথ্যচিত্রে সংঘাতের বিস্তার নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। ওই তথ্যচিত্রে একদিকে আকস্মিক হামলা, নিখুঁত আঘাত, ভূখণ্ডের গভীরে হামলা এবং সংঘাত বাড়ানোর ক্ষেত্রে আধিপত্যের কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে দাবি করা হয়েছে, ভারত ইচ্ছাকৃতভাবে সংঘাত সীমিত রেখেছিল এবং পাকিস্তানকে সরে আসার সুযোগ দিয়েছিল।

পাকিস্তানের সেনাবাহিনী বলেছে, ‘এই পরস্পরবিরোধী দাবিগুলো প্রমাণ করে, ভারতীয় ওই তথ্যচিত্রটি নিরপেক্ষ সামরিক বিবরণ নয়; বরং দেশের মানুষের জন্য পরিকল্পিত একটি বয়ান’। তাদের ভাষ্যে, ভারত সত্য প্রকাশ করেনি। বরং সামরিক ব্যর্থতাকে সফল অভিযান হিসেবে দেখাতে একটি প্রোপাগান্ডামূলক ভিডিও তৈরি করেছে।

সূত্র : জিওনিউজ ও ডন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুষ্টিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬ কোটি টাকার অবৈধ জাল ও গাঁজা জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ পি.এম


কুষ্টিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬ কোটি টাকার অবৈধ জাল ও গাঁজা জব্দ

কুষ্টিয়া জেলার সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কারেন্ট জাল, চায়না জাল ও গাঁজা জব্দ করেছে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)। জব্দ করা এসব অবৈধ মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ টাকা।

মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ৪৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি।

বিজিবি সূত্র মতে, মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে রংমহল বিওপির টহল দল সীমান্ত পিলার ১৩৭/২-এস থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রংমহল এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৫ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং এর আনুমানিক মূল্য ৫২ হাজার ৫০০ টাকা বলছে সূত্রটি।

এছাড়া রাত ১০টার দিকে চরচিলমারী বিওপির একটি টহল দল পদ্মা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানে স্পিডবোট ও দেশীয় নৌকা নিয়ে নদী থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট ও চায়না জাল জব্দ করা হয়।

পরে স্থানীয় মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে জালগুলো পরিমাপ করে দেখা যায়, এর মধ্যে ৫ হাজার ৫০ কেজি ভারতীয় কারেন্ট জাল এবং ৪ হাজার ৮৪৫ কেজি চায়না জাল রয়েছে। এসব জালের আনুমানিক সিজার মূল্য ৫ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

বিজিবি জানায়, নিয়ম অনুযায়ী জব্দ করা জালগুলো পরবর্তীতে ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

৪৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মাদকের অনুপ্রবেশ বন্ধ এবং নদীমাতৃক সম্পদ রক্ষায় অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। সীমান্তে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে গোয়েন্দা নজরদারি ও কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগারে ইয়েমেনের ড্রোন হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ পি.এম


সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগারে ইয়েমেনের ড্রোন হামলা

সৌদি আরবের বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান আরামকো তেল শোধনাগারে একাধিক ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে।

ইয়েমেনের সেনাবাহিনী এই ড্রোন হামলা চালিয়েছে। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জিজান শহরে এ হামলা হয়েছে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে।

ইয়েমেনের সরকারি সংবাদ সংস্থার বরাতে তথ্যটি জানায় ইরানের একটি আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি। সামরিক সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় শোধনাগার এলাকায় শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে।

এদিকে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের যুদ্ধবিমান ইয়েমেনের সাদা ও হাজ্জাহ প্রদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘনের জবাবে এ হামলা চালানোর কথা বলা হয়েছে। তবে হামলায় কতটুকু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

এছাড়া, ইয়েমেনের মন্ত্রিসভা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হামলা বন্ধের দাবি জানিয়ে বলেছে, অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে, ইয়েমেনিদের বেতন পরিশোধ করতে হবে এবং যুদ্ধের ফলে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এই সম্পর্কে ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী আল্লামাহ মোহাম্মদ মুফতাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকেও আলোচনা হয়েছে, যেখানে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতি সম্পর্কেও তুলে ধরা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় জরুরি জ্বালানি প্রবেশের আহ্বান পৌরসভাগুলোর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৪ পি.এম


গাজায় জরুরি জ্বালানি প্রবেশের আহ্বান পৌরসভাগুলোর

গাজার উপত্যকায় জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং মধ্যস্থতাকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে গাজা স্ট্রিপ পৌরসভা ইউনিয়ন। এ ছাড়াও, সংগঠনটি ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির বাস্তবায়নে চাপ দিতে আহ্বান জানিয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার উক্ত প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।

ইউনিয়নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, গাজার ৭০০টি জেনারেটরের মধ্যে মাত্র ৪০টির জন্য জ্বালানি সরবরাহের অনুমতি প্রদান করা হয়েছে। তারা অভিযোগ করেছে যে, পানি উত্তোলনের কূপ, পাম্পিং স্টেশন এবং পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে প্রয়োজনীয় জ্বালানি প্রবেশেও বেশ বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

পৌরসভা ইউনিয়ন আরও জানিয়েছে, বিদ্যুৎ জেনারেটর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার জন্য ডিজেল সরবরাহ কমে যাওয়ায় গাজার অধিকাংশ পানির কূপ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বাস্তুচ্যুতদের শিবিরে বসবাসকারী কয়েক হাজার পরিবারের পানি সরবরাহে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটেছে।

সংগঠনটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, জরুরি সেবা এবং মানবিক কার্যক্রম সচল রাখতে দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। তাদের দাবি, এজন্য গাজার মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুযোগ করে দিতে একটি জরুরি মানবিক করিডোর চালু করা উচিত।

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%