ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত দুই বিজ্ঞানীকে সংবর্ধনা দিল গাকৃবি


স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত দুই বিজ্ঞানীকে সংবর্ধনা দিল গাকৃবি

 

দেশের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত দুই কৃতী বিজ্ঞানীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়(গাকৃবি) কর্তৃক। সোমবার(২৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন অডিটোরিয়ামে আয়োজন করা হয়েছিল এই অনুষ্ঠানের, যেখানে তাদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেছেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. আবদুল্লাহ্ মৃধা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের(বিপিএসসি) সাবেক ও প্রথম নারী চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জেড. এন. তাহমিদা বেগম।

আরও পড়ুন: টঙ্গীর এরশাদনগরে দুই যুবককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন টঙ্গী

এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সফিউল ইসলাম আফ্রাদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, প্রক্টর, শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে উপাচার্য পুরস্কারপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জহুরুল করিম এবং প্রফেসর ড. এম. এ. রহিমকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

পরে তাদের হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। এরপর রেজিস্ট্রার দুই গুণী ব্যক্তিত্বের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন, গবেষণা ও জাতীয় অবদানের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ‘গবেষণা ও প্রশিক্ষণে’ স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. এম. এ. রহিম তার দীর্ঘ গবেষণা ও শিক্ষকতা জীবনের নানা অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন।

তিনি গবেষণায় নিষ্ঠা, ধৈর্য ও নতুন প্রজন্মের বিজ্ঞানীদের দায়িত্ববোধের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অন্যদিকে ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে’ স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি অব সায়েন্স (বিএএস) এর প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. জেড. জীবনে নিয়মের প্রতি নিবেদনকে গুরুত্ব দেন।

তিনি বলেন, “বিশ্বজুড়ে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন গবেষণা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন হচ্ছে।” এসব জ্ঞান ও প্রযুক্তিকে দেশের বাস্তবতার সমন্বয়ে গবেষণায় কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। বাংলাদেশকে গবেষণায় আরো এগিয়ে নিতে তরুণ গবেষকদের আন্তর্জাতিক মানের জ্ঞানচর্চা ও উদ্ভাবনী চিন্তার প্রতি মনোযোগী হওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: রূপগঞ্জে পোশাক কারখানায় ডায়ার কম্প্রেসার বিস্ফোরণে ৪ জন দগ্ধ

সমাপনী বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আপনাদের পদচারণায় গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আজ গর্বিত ও সম্মানিত।” দেশের জন্য আপনাদের যে অনন্য অবদান, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রসঙ্গত, প্রফেসর ড. জেড. এ. করিম বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন গবেষণার অন্যতম পথিকৃৎ। ধানক্ষেতের মাটিতে ফেরিহাইড্রাইট খনিজ শনাক্ত, দেশের প্রথম খরা তীব্রতা মানচিত্র প্রণয়ন এবং উত্তরাঞ্চলের মঙ্গা সমস্যার কার্যকর সমাধানে তার গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

তার গবেষণার ভিত্তিতে স্বল্পমেয়াদি ধানের জাত উদ্ভাবিত হয়েছে এবং দেশের লবণাক্ততার মানচিত্র ও শ্রেণিবিন্যাস প্রণয়ন সম্ভব হয়েছে। এসব অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি এর আগে আন্তর্জাতিক পদক লাভ করেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রফেসর ড. এম. এ. রহিম বাংলাদেশের ফল গবেষণার এক উজ্জ্বল নাম।

তার নেতৃত্বে ১২৮টি নতুন ফলের জাত উদ্ভাবিত হয়েছে, যার মধ্যে 'বিইউ কুল' বিশেষভাবে জনপ্রিয় হতে দেখা যায়। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিইউ জার্মপ্লাজম সেন্টার এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। এই কেন্দ্রটি বর্তমানে দেশের ফল, ঔষধি উদ্ভিদ ও কৃষি-বনায়নের বৃহত্তম সংগ্রহশালা এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জার্মপ্লাজম সংগ্রহকেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত।

আরও পড়ুন: ফরিদপুরে নিখোঁজ সামিউলের লাশ খুঁজতে মেঝে খুঁড়ে মিলল না কিছুই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দ্রুত দেশে ফেরার আশাবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫০ পি.এম


মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দ্রুত দেশে ফেরার আশাবাদ

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি এসেছে। সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে তিনি অতি শীঘ্রই দেশে আসবেন বলে জানিয়েছে তার একান্ত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল।

মিজানুর রহমান সোহেল জানিয়েছেন, মির্জা আব্বাস গুরুতর অসুস্থতা থেকে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। বর্তমানে তিনি প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং বিএনপির এই নেতার শারীরিক অবস্থার ধারাবাহিক উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আল্লাহর অশেষ রহমত ও সবার দোয়ায় তিনি এখন অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং দ্রুত দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাংক রেজল্যুশন আইনে নতুন পরিবর্তনের ঘোষণা দিল সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫০ পি.এম


ব্যাংক রেজল্যুশন আইনে নতুন পরিবর্তনের ঘোষণা দিল সরকার

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ব্যাংক রেজল্যুশন আইনে বড় একটি পরিবর্তন আনার ঘোষণা দিয়েছেন। তার ঘোষণার অনুযায়ী, বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বাতিল করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে আইনটি থেকে।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর তিনি সমাপনী বক্তব্যে এ ঘোষণা দিয়েছেন। এই সময় তিনি একীভূত পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার পথনকশা সম্পর্কে আলোচনা করেন।

অর্থমন্ত্রী জানান, অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬–এর বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বিলোপ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেছেন, সরকারের বার্তা স্পষ্ট—যারা জনগণের সম্পদ লুট করেছে তাদের জন্য কোনো ছাড় থাকবে না। পাশাপাশি, আমানতকারীদের অর্থের সুরক্ষাও নিশ্চিত করা হবে।

গত ১০ এপ্রিল, অন্তর্বর্তী সরকারের তৈরি ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করে বিএনপি সরকার। আইনের সংসদে পাসের আগে ১৮(ক) নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়।

এই ধারা অনুযায়ী, ব্যাংক রেজোল্যুশনের আওতায় যাওয়ার আগে যারা এর শেয়ার ধারক ছিলেন, তারা পরে আবার সেই ব্যাংকের শেয়ার, সম্পদ ও দায় নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক চাইলে অন্য কোন উপযুক্ত ব্যক্তিকে এ সুযোগ দিতে পারবে।

ব্যাংক রেজল্যুশন আইনে নতুন ধারাটি যুক্ত হওয়ার পরেই বিতর্ক শুরু হয়। সংসদে বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয় যে, এস আলমসহ বিতর্কিত ব্যবসায়ীদের হাতে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দিতেই এই ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে, একীভূত পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের আমানতকারীদের সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী জানান, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ব্যক্তিগত আমানতকারীরা চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাব থেকে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা তুলতে পারবেন। অবশিষ্ট অর্থ ধাপে ধাপে ফেরত দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ক্যানসার ও কিডনি ডায়ালাইসিস রোগী, হজ সঞ্চয়কারী এবং ডিপিএস গ্রাহকদের জন্য বিশেষ মানবিক সুবিধার কথাও বলা হয়েছে।

অতিরিক্ত, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে অর্থবিলে একগুচ্ছ সংশোধনী আনার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এর মধ্যে জিরো কুপন বন্ডের আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য করছাড়ের ব্যবস্থা, এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে সব লেনদেন সম্পন্ন করা কোম্পানিকে অতিরিক্ত কর সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। লভ্যাংশের ওপর করহার কমানোর বিষয়টিও উত্থাপিত হয়েছে। পাশাপাশি, মিউচুয়াল ফান্ডে কর রেয়াতের জন্য পাঁচ লাখ টাকার বিনিয়োগসীমা তুলে দেওয়ার প্রস্তাবের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

সমাপনী বক্তব্যে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, গত মে মাস পর্যন্ত ১১টি অগ্রাধিকার মামলায় দেশের ভেতর ও বিদেশে প্রায় ৭২ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার লক্ষ্যে ১৩টি দেশে ২৩টি ‘মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট’ পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে বড় ঋণগ্রহীতা ছয়টি গ্রুপের বিরুদ্ধে প্রথম ধাপে দেওয়ানি কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, সরকার ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছেন। আগামী অর্থবছরে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণ কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, যা ছয় হাজার কোটি টাকা। পাশাপাশি, পরিচালন ব্যয় কমিয়ে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ৬০টি পণ্যের উৎপত্তিতে কর কমানো, ব্যবসা সহজ করতে ডিরেগুলেশন, সরবরাহব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বাজারে কারসাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত থাকবে। তার ভাষায়, সরকার মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াইকে শুধুমাত্র অর্থনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করছে।

এছাড়া, বাজেট বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জের কথাও উল্লেখ করেছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, একটি বাজেটের সফলতা তার ঘোষণার মাধ্যমে নয়, বরং বাস্তবায়নের মধ্যে নিহিত। তাই, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, জবাবদিহি এবং বাস্তবায়ন দক্ষতা বৃদ্ধি করতে সরকারের বিশেষ গুরুত্ব থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ উত্তেজনায় অনিশ্চয়তায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫১ পি.এম


হরমুজ উত্তেজনায় অনিশ্চয়তায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে হরমুজ প্রণালী সংক্রান্ত নতুন উত্তেজনা।

মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ এখন দুই দেশের আলোচনা বিষয়ক একটি প্রধান বিরোধপূর্ণ ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে, জানিয়েছেন এক বিশ্লেষক।

মধ্যপ্রাচ্য কৌশলগত গবেষণা কেন্দ্রের বিশ্লেষক আব্বাস আসলানি বলেন, “গত কয়েক দিনে দুই পক্ষই এই কৌশলগত ইস্যুতে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করেছে। হরমুজ প্রণালী ইরানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত হাতিয়ার, যা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ভারসাম্য তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।”

তিনি বলেন, “এই বিষয়টি এখন আলোচনার পরিবেশকে জটিল করে তুলছে। ইরানের শীর্ষ আলোচকও জানিয়েছেন, তারা চলতি সপ্তাহে কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক হওয়ার আশা করছেন না।”

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আসলানি বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো হরমুজ প্রণালী সম্পর্কিত সমঝোতা স্মারকের শর্তে পুরোপুরি সন্তুষ্ট ছিল না। এখন বাস্তবায়ন পর্যায়ে এসে ওয়াশিংটন হয়তো ভিন্ন কোনও সমাধান বা বিকল্প পদ্ধতির দিকে যেতে চাইছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে বিরোধ এটি শুধুমাত্র সামরিক উত্তেজনার বিষয় নয়; এটি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হওয়ায় এই নৌপথে যেকোনও অস্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর দুই দেশ যুদ্ধবিরতি ও আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। তবে হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা এবং সামরিক উপস্থিতি সংক্রান্ত মতপার্থক্য দুই পক্ষের আলোচনায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আসলানির মন্তব্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী ইরানের জন্য শুধুমাত্র একটি ভৌগোলিক অবস্থান নয়, বরং কূটনৈতিক আলোচনায় চাপ প্রয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে অবাধ নৌ চলাচল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়।

এ পরিস্থিতিতে দোহায় সম্ভাব্য ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক কতটা সফল হবে, তা অনেকাংশে নির্ভর করবে হরমুজ প্রণালী নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থান কতটা কাছাকাছি আসে তার ওপর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁয় সরকারি অনুদানের চেক বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫২ পি.এম


নওগাঁয় সরকারি অনুদানের চেক বিতরণ

জেলা প্রশাসন ও জেলা কালচারাল অফিসের উদ্যোগে আজ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও অনুদানপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গের মধ্যে সরকারি অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মাহমুদের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চেক বিতরণ করেন নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আয়েশা সিদ্দিকা।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা কালচারাল অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মো. ফারুকুর রহমান ফয়সল।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, চলতি বছর জেলার মোট ২৪টি সাংস্কৃতিক সংগঠনের মধ্যে মোট ১২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা এবং ১৪২ জন সংস্কৃতি কর্মীর মধ্যে মোট ৩৬ লাখ ২৫ হাজার পাঁচশ’ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

অনুদানের চেকপ্রাপ্ত সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে একুশে পরিষদ, নওগাঁ সাহিত্য পরিষদ, নজরুল একাডেমি সহ বিভিন্ন সংগঠন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%