ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফেসবুকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ আইনে নেই, কেবল অনুরোধ করা যায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


ফেসবুকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ আইনে নেই, কেবল অনুরোধ করা যায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, ফেসবুকের মালিক প্রতিষ্ঠান মেটার বিরুদ্ধে সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বর্তমানে দেশে কোনো আইনগত বিধান নেই। তিনি এ বিষয়ে বলেন, বিদ্যমান আইনে এই ধরনের কোনো কাঠামো না থাকায় বর্তমানে সরকার কেবল অনুরোধের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিতে পারে।

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য বেগম হেলেন জেরিন খান (মহিলা আসন-৯)-এর লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জেরিন খান জানতে চেয়েছিলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া আইডি, বট-নিয়ন্ত্রিত অ্যাকাউন্ট, এআই-জেনারেটেড ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট, রাজনৈতিক ব্যক্তিদের চরিত্রহনন, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা এবং নারী হয়রানি প্রতিরোধে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপতথ্য প্রতিরোধের জন্য সাইবার আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, সংশোধিত আইনে যথাযথ শাস্তির বিধান যুক্ত করা হবে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরও যোগ করেন যে, সরকার চায় যাতে অনুরোধ পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এবং কনটেন্ট অপসারণ করে। তবে বর্তমানে অনুরোধ করার পরেও অনেক ক্ষেত্রে ৬ মাস পর্যন্ত সময় লেগে যায় বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে বর্তমানে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে, যার মধ্যে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের উপর অপপ্রচার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসবকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আইনি সংস্কারের প্রয়োজন আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সরকারের কাছে সরাসরি ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কোনো বিধান নেই, তাই তারা কেবল অনুরোধ করতে পারে। এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে আনা হলো আনিসুল, পলক ও মামুন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানসিক হাসপাতালে দুই রোগীর সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ পি.এম


মানসিক হাসপাতালে দুই রোগীর সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু

দেশের একমাত্র বিশেষায়িত মানসিক চিকিৎসাকেন্দ্র পাবনা মানসিক হাসপাতালে দুই রোগীর সংঘর্ষের ফলে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার পর নিহতের পরিবার, স্বজন ও বিশেষজ্ঞরা হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা এবং জনবল সংকটকে দায়ী করছেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ২ জুন গভীর রাতে আবাসিক ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন দুই রোগী সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার নাজমুল (২৮) ও ঝিনাইদহের ইনজামুল হক (২৬)-এর মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। একপর্যায়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে ইনজামুল মারা যান। এই ঘটনায় নাজমুলও আহত হয়ে পড়েছেন।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ হল, সহিংস আচরণের ঝুঁকি থাকা দুই রোগীকে একই ওয়ার্ডে রাখা এবং সংঘর্ষের সময় দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণেই এই মৃত্যু ঘটে। অন্যদিকে, নাজমুলের পরিবার দাবি করেছে, রোগীর আচরণগত জটিলতার বিষয়টি আগেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল, কিন্তু প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়া হয়নি।

ঘটনার পর নিহতের ভাই ইজাজুল হক পাবনা সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তবে তার দাবি, এ ঘটনায় মূল দায় হাসপাতালের অব্যবস্থাপনার।

এই প্রসঙ্গে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমান বলেছেন, রোগীদের মানসিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

হাসপাতালের নার্সিং সুপারিনটেনডেন্ট রেখা আক্তার জানিয়েছেন, সীমিত জনবল নিয়ে গভীর রাতে সহিংস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। হাসপাতালের পরিচালক ডা. শাফকাত ওয়াহিদও জনবল ও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতির কথা স্বীকার করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ঘটনা শুধুমাত্র একটি মৃত্যুর ঘটনা নয়, বরং দেশের মানসিক স্বাস্থ্যসেবার দীর্ঘদিনের দুর্বলতা ও অবকাঠামোগত সংকটকে সামনে নিয়ে এসেছে। তাদের মতে, পর্যাপ্ত জনবল, বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মী এবং উচ্চঝুঁকির রোগীদের জন্য পৃথক নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকলে ভবিষ্যতেও এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
মোবাইলের স্ক্রিন থেকে শিশুদের মাঠে ফেরাতে সংসদে জোর দাবি

খেলার মাঠ ও পার্ক দখলমুক্ত ও নিরাপদ করার প্রতিশ্রুতি স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ পি.এম


খেলার মাঠ ও পার্ক দখলমুক্ত ও নিরাপদ করার প্রতিশ্রুতি স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর

ইট-পাথরের নগরে বন্দি শিশু-কিশোরদের মোবাইলের পর্দা থেকে বের করে আবার খেলার মাঠে ফিরিয়ে আনার জোর দাবি উঠেছে জাতীয় সংসদে। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের খেলার মাঠ ও পার্কগুলো দখলদার এবং মাদকসেবীদের কবল থেকে মুক্ত করে জনসাধারণের জন্য নিরাপদ করার আশ্বাস দিয়েছেন।

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধিতে আনা জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে নোটিশটি উত্থাপন করেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনি। তিনি বলেন, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরের পার্ক ও খেলার মাঠ একসময় শিশু-কিশোরদের আনন্দ আর বয়স্কদের অবসরের জায়গা ছিল। কিন্তু এখন অনেক মাঠ ও পার্ক মাদক কারবারি, বখাটে ও অবৈধ দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।

কোথাও শিশু পার্কের নামে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলছে, কোথাও হাট-বাজার বসিয়ে মাঠের অস্তিত্ব সংকুচিত করা হয়েছে। ফলস্বরূপ, নিরাপদ পরিবেশের অভাবে শিশুরা মাঠ ছেড়ে মোবাইল ফোনের ভার্চুয়াল জগতে আশ্রয় নিচ্ছে।

খেলার মাঠকে নগরের ‘ফুসফুস’ উল্লেখ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, ঢাকা সিটির ১২৯টি ওয়ার্ডে মাত্র ২৩৫টি খেলার মাঠ রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ মানুষ ব্যবহার করতে পারে মাত্র ৪২টি মাঠ।

বাকি মাঠগুলোর বড় অংশ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ধূপখোলা মাঠ, শ্যামলী মাঠ এবং মিরপুরের কয়েকটি মাঠে নিয়মিত বাজার বসিয়ে খেলার পরিবেশ নষ্ট করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী ঢাকায় ১২৬টি মাঠ হারিয়ে গেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ পরিবেশে গড়ে তুলতে মাঠ ও পার্ক রক্ষায় তিনি কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, উত্থাপিত তথ্যের বেশিরভাগই সত্য। বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক ও দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বহু মাঠ ও উন্মুক্ত স্থান দখল করা হয়েছিল।

বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সেগুলো উদ্ধার করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে।

মন্ত্রী জানান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় ২৫৬টি পার্ক ও খেলার মাঠের উন্নয়ন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম চলছে। গুলিস্তানের শহীদ মতিউর রহমান পার্ককে হকার ও অপরাধীদের দখলমুক্ত করে আধুনিক পার্কে রূপান্তর করা হয়েছে। এছাড়া মতিঝিল পার্ক, নবাবগঞ্জ পার্ক, রসুলবাগ মাঠ, খিলগাঁও-বাসাবো মাঠ, সাদেক হোসেন খোকা মাঠ, হাজারীবাগ পার্ক ও আমলীগোলা খেলার মাঠসহ বিভিন্ন স্থানে উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৮টি মাঠ ও পার্ক আধুনিকায়ন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম ও খুলনাসহ অন্যান্য সিটি করপোরেশন এলাকাতেও নতুন মাঠ ও পার্ক নির্মাণ এবং সংস্কার কার্যক্রম চলছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় এখন প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে ইন্টার-স্কুল ফুটবল ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা দেশব্যাপী জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

পরে একটি সম্পূরক প্রশ্নে নিলুফার চৌধুরী মনি মাঠ ও পার্কে মাদকসেবীদের বিচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানতে চান, শিশু-কিশোরদের মাদকের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখতে সরকার কী পদক্ষেপ নিচ্ছে।

জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, দেশের অন্যতম বড় সামাজিক ব্যাধি মাদক। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু আইন প্রয়োগ করে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। যুবসমাজ, সামাজিক সংগঠন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকারের সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে মাঠ ও পার্কগুলো আরও নিরাপদ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাংক খাতকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা উচিত: গভর্নর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


ব্যাংক খাতকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা উচিত: গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, ব্যাংক খাতকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা উচিত। তিনি একই সঙ্গে বলেন, ব্যাংকের পরিচালনা ও ঋণ বিতরণে পেশাদারিত্ব, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করাই বর্তমান সংস্কার কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে গভর্নর এসব কথা বলেন। এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নররা উনার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

সভায়, ব্যাংকিং খাতের চলমান সংস্কার, খেলাপি ঋণ কমানো, দুর্বল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল রূপান্তর এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

গভর্নর জানান যে, দুর্বল ব্যাংকগুলোর পুনর্গঠন ও একীভূতকরণ প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু প্রশাসনিক ও ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর কোর ব্যাংকিং সিস্টেম (সিবিএস) উন্নয়ন ও সমন্বয়ের কাজ শেষ হওয়ার পর পুনর্গঠন কার্যক্রম আরও গতি পাবে বলেও তিনি জানান।

তিনি আরও জানান, খেলাপি ঋণের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য অর্থঋণ আদালত আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আদায় অযোগ্য ঋণ ব্যবস্থাপনায় নতুন আইন প্রণয়নের কাজ চলছে।

পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের বিষয়ে গভর্নর বলেন, যুক্তরাজ্যে ইতোমধ্যে ২৫ মিলিয়ন ডলারের সম্পদ জব্দ করা হয়েছে এবং তা দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

সভায় ইসলামী ব্যাংকসহ কয়েকটি বৃহৎ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন, ব্যবস্থাপনা পরিবর্তন এবং আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নেওয়া পদক্ষেপের কথাও গভর্নর তুলে ধরেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাটি গরম হয়ে উঠছে ধোঁয়া, যা তথ্য প্রকাশ করলো বাপেক্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৮ পি.এম


মাটি গরম হয়ে উঠছে ধোঁয়া, যা তথ্য প্রকাশ করলো বাপেক্স

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলায় মাটির তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ধোঁয়া উঠার ঘটনায় পরিদর্শন করেছিল বাপেক্সের একটি দল। কর্মকর্তাদের মতে, প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সেখানে কোনো গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পর এ তথ্য জানিয়েছিলেন বাপেক্সের ভূতত্ত্ব ও ভূতাত্ত্বিক বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক ইমামুল ইসলাম।

স্থানীয় ও বাপেক্স সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (৫ জুন) থেকে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরের একটি অংশের মাটি স্পর্শ করলেই অস্বাভাবিক তাপ অনুভূত হতে শুরু করে। এর পর বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়, অনেকেই ঘটনাস্থলে ভিড় করতে শুরু করেন।

এ পরিস্থিতিতে শনিবার (৬ জুন) বিকেলে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং তারা প্রাথমিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। মাটির নিচে গর্ত করে পানি ঢেলে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়। তবে যদি পরিস্থিতি উন্নত না হয়, তাহলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)-কে জানানো হয়।

পরে সোমবার (৮ জুন) দুপুরে বাপেক্সের দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে জানায়, ওই স্থানে কোনো গ্যাসের উপস্থিতি নেই।

বাপেক্সের ভূতত্ত্ব ও ভূতাত্ত্বিক বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক ইমামুল ইসলাম মন্তব্য করেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে এসে অগ্নিশিখা পরীক্ষা-সহ বেশ কয়েকটি পরীক্ষা করেছি। তবে এখানে কোনো গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক সংযোগ স্পার্ক থেকে তাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া নির্মাণকাজের রঙ বা রাসায়নিক বর্জ্য থেকেও রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে তাপ উৎপন্ন হতে পারে। পুরোনো হাসপাতাল এলাকা হওয়ায় ময়লা-আবর্জনা থেকেও এ ধরনের বিক্রিয়া ঘটতে পারে।’

তিনি আরো জানান, ঘটনাস্থলের চার ফুট গভীর থেকে মাটির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ল্যাব পরীক্ষার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%