০৩:৩৪ পি.এম
চলতি সপ্তাহে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া। ওয়াশিংটন ও সিউলের যৌথ এই সামরিক আয়োজনকে ঘিরে উত্তর কোরিয়া তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। পিয়ংইয়ং ‘নতুন স্তরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী সোমবার (১৭ আগস্ট) থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত দুই দেশের যৌথ বার্ষিক মহড়া 'উলচি ফ্রিডম শিল্ড' (ইউএফএস) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। মহড়ার আগে, উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন। এ বছর বার্ষিক মহড়া নিয়ে এটিই পিয়ংইয়ংয়ের প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া।
উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এই মহড়াকে গত পাঁচ বছরের তুলনায় ভিন্ন ও আধুনিক যুদ্ধকৌশল আয়ত্তের উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপন করছে। এসব পদক্ষেপ মূলত পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের প্রস্তুতি ছাড়া আর কিছুই নয়। বিপজ্জনক পরিস্থিতি সৃষ্টির শত্রুপক্ষ উত্তর কোরিয়া কোনোভাবেই সহ্য করবে না।
আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, উদ্ভূত নতুন মাত্রার হুমকির মোকাবেলায় পিয়ংইয়ং নতুন মাত্রার প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হচ্ছে। দেশের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যৌথ পরাশক্তিকে অপ্রতিরোধ্য সামরিক শক্তি দিয়ে প্রতিহত করার নীতিতে স্পষ্টতা দেখিয়েছে দেশটি।
সাধারণত যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার এমন যৌথ মহড়াকে উত্তর কোরিয়া আক্রমণের প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচনা করে থাকে। যৌথ মহড়ার এই ঘোষণার পরপরই, সামরিক শক্তি প্রদর্শন হিসেবে বুধবার (১২ আগস্ট) ও বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জাপান সাগরের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে পিয়ংইয়ং।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন