ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী


নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই দর্শনকে ধারণ করে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ একটি সবুজ, জলবায়ু-সহনশীল, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।

তিনি বলেছেন, উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণকে সমান গুরুত্ব দিয়ে আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছি।

বুধবার ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: টিনের চালের নিচে ঝুঁকিপূর্ণ অস্ত্রোপচার, অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক নেই

প্রধানমন্ত্রী জানান, জাতীয় ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬’ একটি সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ। এ বছর জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’, যা আমাদের এই জাতীয় অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।

তিনি আরও বলেন, মানবিক কর্মকাণ্ডের বিরূপ প্রভাবে বৈশ্বিক উষ্ণতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত বিশ্বজুড়ে প্রকৃতি ও মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলছে। তাই প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি রোধে বৃক্ষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বৃক্ষ বায়ুমণ্ডলীয় কার্বন শোষণ করে, অতিরিক্ত তাপমাত্রা কমায়, এবং পরিবেশকে নির্মল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এই বাস্তবতা বিবেচনায়, বর্তমান সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের এক যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এটি কেবল একটি সরকারি কর্মসূচি নয়, বরং এটি একটি জাতীয় আন্দোলন।

প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও রেলপথের দুই পাশ, বাঁধ, সরকারি বনভূমি, উপকূলীয় চরাঞ্চল, নগর এলাকা এবং বসতবাড়িসহ দেশের সর্বত্র বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যায় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। নগর বনায়নে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং বিনামূল্যে চারা বিতরণের উদ্যোগও অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

আরও পড়ুন: কমলনগরে ইসমাইল জবিউল্লাহর ঐক্যবদ্ধ রাজনীতির আহ্বান ও ভুলুয়া নদী পুনঃখননের আশাবাদ

তারেক রহমান বলেছেন, এসব উদ্যোগের বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের বৃক্ষাচ্ছাদন বৃদ্ধি পাবে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা সহজ হবে এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরো সুদৃঢ় হবে। উন্নত জীবনের জন্য যেমন প্রয়োজন সমৃদ্ধ দেশ ও শক্তিশালী অর্থনীতি, তেমনি সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ বন।

তিনি আরও বলেন, সমৃদ্ধ অর্থনীতি ও সবুজ বন একে অপরের সাথে সম্পর্কযুক্ত। একটি গতিশীল ও সম্ভাবনাময় সবুজ অর্থনীতি গড়ে তুলতে বন ও বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

সুতরাং, দেশকে সবুজে আচ্ছাদিত করার লক্ষ্যে বাড়ির আনাচে-কানাচে, পতিত ও প্রান্তিক জমিতে, খাল ও নদীর পাড়ে, বাঁধে, সড়ক ও সড়কদ্বীপে, বাড়ির ছাদে এবং শহর-বন্দর নির্বিশেষে উপযুক্ত প্রতিটি স্থানে ব্যাপক বনায়ন কার্যক্রমে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে অংশগ্রহণের জন্য আমি উদাত্ত আহ্বান জানাই।

তিনি আরও জানিয়েছেন, বৃক্ষমেলা দেশে সবুজায়ন আন্দোলনকে আরো বেগবান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বৃক্ষরোপণে দেশবাসীকে আরো উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ বছরও জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বৃক্ষমেলার আয়োজন এবং তিন মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

আরও পড়ুন: পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত হলেন অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন, দেশবাসী বৃক্ষমেলায় উন্নত জাতের চারা সংগ্রহের সুযোগ পাবেন এবং শিক্ষার্থীরা উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ লাভ করবেন।

তিনি সকলকে আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আসুন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, সুন্দর, নির্মল ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা প্রত্যেকে অন্তত একটি করে বৃক্ষরোপণ করি এবং তার যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদরাসা ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ, দুই খালাতো ভাই পলাতক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৩ পি.এম


মাদরাসা ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ, দুই খালাতো ভাই পলাতক

কুমিল্লার দেবিদ্বারে অষ্টম শ্রেণিতে পড়া এক মাদরাসা ছাত্রীকে (১৫) তুলে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে দুইজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করেছেন। ঘটনারসূত্রে জানা যায়, শনিবার (৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টায় দেবিদ্বার পৌর এলাকার বারেরা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। মামলার আসামিরা হলেন দেবিদ্বার পৌর এলাকার বারেরা গ্রামের বাসিন্দা মো. সবুজ মিয়া (২৪) এবং মো. ইসমাইল (২৯)। তারা দুজন সম্পর্কে খালাতো ভাই। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত দু’জন পলাতক রয়েছেন। এদিকে, বিষয়টি গোপন রাখতে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ৩ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ভুক্তভোগীর দাদির সঙ্গে ঘটনার মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে ভুক্তভোগীর মা-বাবা ঢাকা থেকে এলাকায় ফিরে আসেন এবং বিষয়টি নিয়ে থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বারেরা দাখিল মহিলা মাদরাসার সুপার মওলানা আমির হোসেন জানান, ভুক্তভোগী এবং তার ছোট বোন আমার মাদরাসায় অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। যে দিন ঘটনাটি ঘটে, সে দিন (শনিবার) মাদরাসা বন্ধ ছিল। তিনি আরো জানান, রোববার আমি ভুক্তভোগীর দাদিকে ডেকে এনে বলি, তাঁর নাতনিকে আইনের আশ্রয় কিংবা সামাজিক ভাবে বিষয়টি শেষ করতে বলি। ভুক্তভোগীর বাবা জানান, বিষয়টি রোববার আমার মেয়ে ফোনে জানায়। আমি ঢাকায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করি এবং আমার স্ত্রীও তখন ঢাকাতে ছিল। সংবাদ পেয়ে আমরা বাড়িতে ফিরে আসি। তিনি বলেন, অভিযুক্তরা নারী পাচারকারী। যারা আমার মেয়ের সর্বনাশ করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। ভুক্তভোগী কিশোরী জানায়, সবুজ আমাকে প্রেমের প্রস্তাবে বিরক্ত করে আসছিল। আমি রাজি না হওয়ায় ভয়-ভীতি দেখিয়ে শনিবার সকাল ৮টায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের বারেরা ফুলগাছ তলায় ডাক দেয়। এরপর সে গলায় ছুরি ঠেকিয়ে হুমকি দেয়। সবুজ ও ইসমাইল সেখানে থেকে অটোযোগে আমাকে সবুজের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানেই সবুজ এবং ইসমাইল আমাকে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ওই কিশোরী উল্লেখ করে বলেন, এ ঘটনা কাউকে জানালে তারা আমাকে অ্যাসিড দিয়ে মুখ ঝলসে দেবে এবং বাবাকে হত্যার হুমকি দেয়। তখন ওই বাড়ির এক মহিলা ও একটি মেয়ে সেখানে এলে তাদের ধমক দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। কিশোরী উল্লেখ করে, অভিযুক্তরা আড়ালে গিয়ে কার সঙ্গে যেন ফোনে বলছিল– টাকার বিনিময়ে আমাকে বিক্রি করে দেবে। তারা যেন দ্রুত টাকা নিয়ে চলে আসে। এসব শুনে বুঝলাম সবুজ নারী পাচারকারী। পরে আমি হিজাব পরিবর্তন করে, সবুজের স্ত্রীর হিজাব পরে কৌশলে ঘর থেকে বেরিয়ে যাই এবং বাড়িতে ফিরে দাদিকে সব খুলে বলি। এদিকে, ভুক্তভোগীর দাদীর অভিযোগ, বারেরা এবং বড়আলমপুর গ্রামের কয়েকজন লোক বিষয়টি ৩ লক্ষ টাকার বিনিময়ে গোপন রেখে শেষ করার প্রস্তাব দেন। দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখি। পরে অভিভাবকদের থানায় ডেকে এনে মামলা দায়েরের পূর্বে ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করছি। আমরা আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাসিরনগরে ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকট: অতিষ্ঠ জনজীবন, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ পি.এম


নাসিরনগরে ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকট: অতিষ্ঠ জনজীবন, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। দিনের বিভিন্ন সময় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে গেছে। বিশেষত স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে অসংখ্যবার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করে। অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই। প্রচণ্ড গরমের কারণে শিশু, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ রোগীরা বিশেষভাবে কষ্ট ভোগ করছেন। ব্যবসা-বাণিজ্যেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, কারণ বিদ্যুৎ না থাকায় দোকানপাট, ছোট শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং নানা ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানিয়েছেন, সামনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার সময় ঘনিয়ে আসছে, কিন্তু নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় সন্তানরা সঠিকভাবে পড়াশোনা করতে পারছে না। সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ না থাকলে অনেককে বাধ্য হয়ে মোমবাতি বা চার্জলাইটের আলোয় পড়তে হচ্ছে, যা তাদের শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

এদিকে সাধারণ মানুষের অভিযোগ, এমন ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকট চললেও বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কিংবা রাজনৈতিক নেতাদের কোনও দৃশ্যমান উদ্যোগ বা বক্তব্য দেখা যাচ্ছে না। এতে উপজেলা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

একজন ভুক্তভোগী বলেছেন, "আমরা নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল দিচ্ছি, কিন্তু প্রয়োজনের সময় বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। দিনের পর দিন এই ভোগান্তি চললেও আমাদের সমস্যার কথা কেউ গুরুত্ব দিচ্ছে না।"

আরেকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেছেন, "বিদ্যুৎ না থাকায় সন্তানরা ঠিকমতো পড়তে পারছে না। সামনে পরীক্ষা, কিন্তু এমন অবস্থায় ভালো ফলাফলের আশা করা কঠিন।"

স্থানীয়দের দাবির মধ্যে রয়েছে, নাসিরনগরের বিদ্যুৎ সংকটের প্রকৃত কারণ দ্রুত তদন্ত করে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

এখন প্রশ্ন একটাই— নাসিরনগরের মানুষের এই দুর্ভোগের শেষ কবে? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কত দ্রুত সাধারণ মানুষের এই ন্যায্য দাবির প্রতি সাড়া দেয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই দেশে ৮৫ মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৮ পি.এম


দুই দেশে ৮৫ মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি ইরানের

মার্কিন হামলার জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে অন্তত ৮৫টি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

বুধবার টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তারা এই দাবি করে।

আইআরজিসি বলেছে, তাদের নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি যৌথ অভিযানে বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষবস্তু বানানো হয়। এই বন্দর থেকেই মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এছাড়া কুয়েতের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটিকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।

এর আগে কুয়েত জানিয়েছিল, তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের হুমকি মোকাবেলা করছে। অন্যদিকে বাহরাইন জানায়, রাজধানী মানামাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সতর্কতা সাইরেন বাজছিল।

এর আগে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালীতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার পর মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ইরানের ৮০টিরও বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরপরই এক বিবৃতিতে ইরানের সামরিক বাহিনী সতর্ক করে বলেছিল, এ পদক্ষেপের জবাবে তারা ‘বিধ্বংসী প্রতিক্রিয়া’ দেখাবে।

বিবৃতিতে হরমুজ প্রণালীর ব্যবস্থাপনায় কোনও বহিরাগত হস্তক্ষেপ ইরান মেনে নেবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়। ইরানের সামরিক বাহিনী বলেছে, “হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারের নিরাপদ চলাচলের একমাত্র পথ হলো ইরানের নির্ধারিত রুট।”

সর্বশেষ মার্কিন হামলাসহ যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারকের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ বলে উল্লেখ করেছেন ইরানের শীর্ষ আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে গালিবাফ বলেন, “হরমুজ প্রণালীতে ইরানের গৃহীত ব্যবস্থার লঙ্ঘন, বারবার হামলার হুমকি, ইরানের তেল খাতে আবারও নিষেধাজ্ঞা আরোপ, দক্ষিণ ইরানে হামলা এবং লেবাননে জায়নবাদী (ইসরায়েলি) আগ্রাসন অব্যাহত রাখা- এ সবই সমঝোতা স্মারকের লঙ্ঘন।”

সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৮ পি.এম


নোয়াখালীতে ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেরায় দিনব্যাপী মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযানে পাঁচ মাদকসেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (৮ জুলাই) উপজেলার কেন্দুরবাগ পশ্চিম খালপাড়, এখলাশপুর কাতালবাড়ি ও চৌমুহনী চৌরাস্তা এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাদাত হোসেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ ও র‌্যাবের সমন্বয়ে পরিচালিত টাস্কফোর্স অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজা সেবন এবং ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে জনশৃঙ্খলা বিনষ্টের অভিযোগে ঘটনাস্থলেই পাঁচজনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মীর ইউনিয়নের পশ্চিম খালপাড় কেন্দুরবাগ এলাকার মৃত আব্দুল গোফরানের ছেলে মো. নিজাম উদ্দিন (৩৬)। তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া এখলাশপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাতালবাড়ি এলাকার মো. জাহাঙ্গীর (৪৬), সাহাবউদ্দিন (৩০), সালাউদ্দিন (৩৩) ও সাগর হোসেন (২০)-কে প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে জাহাঙ্গীরকে এক হাজার টাকা, সাহাবউদ্দিনকে ৩০০ টাকা এবং সালাউদ্দিন ও সাগর হোসেনকে ২০০ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়।

জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ জানান, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে মাদক নির্মূলে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%