মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
০৯:১৬ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। দিনের বিভিন্ন সময় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে গেছে। বিশেষত স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে অসংখ্যবার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করে। অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই। প্রচণ্ড গরমের কারণে শিশু, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ রোগীরা বিশেষভাবে কষ্ট ভোগ করছেন। ব্যবসা-বাণিজ্যেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, কারণ বিদ্যুৎ না থাকায় দোকানপাট, ছোট শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং নানা ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানিয়েছেন, সামনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার সময় ঘনিয়ে আসছে, কিন্তু নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় সন্তানরা সঠিকভাবে পড়াশোনা করতে পারছে না। সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ না থাকলে অনেককে বাধ্য হয়ে মোমবাতি বা চার্জলাইটের আলোয় পড়তে হচ্ছে, যা তাদের শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এদিকে সাধারণ মানুষের অভিযোগ, এমন ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকট চললেও বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কিংবা রাজনৈতিক নেতাদের কোনও দৃশ্যমান উদ্যোগ বা বক্তব্য দেখা যাচ্ছে না। এতে উপজেলা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
একজন ভুক্তভোগী বলেছেন, "আমরা নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল দিচ্ছি, কিন্তু প্রয়োজনের সময় বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। দিনের পর দিন এই ভোগান্তি চললেও আমাদের সমস্যার কথা কেউ গুরুত্ব দিচ্ছে না।"
আরেকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেছেন, "বিদ্যুৎ না থাকায় সন্তানরা ঠিকমতো পড়তে পারছে না। সামনে পরীক্ষা, কিন্তু এমন অবস্থায় ভালো ফলাফলের আশা করা কঠিন।"
স্থানীয়দের দাবির মধ্যে রয়েছে, নাসিরনগরের বিদ্যুৎ সংকটের প্রকৃত কারণ দ্রুত তদন্ত করে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এখন প্রশ্ন একটাই— নাসিরনগরের মানুষের এই দুর্ভোগের শেষ কবে? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কত দ্রুত সাধারণ মানুষের এই ন্যায্য দাবির প্রতি সাড়া দেয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন হামলার জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে অন্তত ৮৫টি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
বুধবার টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তারা এই দাবি করে।
আইআরজিসি বলেছে, তাদের নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি যৌথ অভিযানে বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষবস্তু বানানো হয়। এই বন্দর থেকেই মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এছাড়া কুয়েতের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটিকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।
এর আগে কুয়েত জানিয়েছিল, তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের হুমকি মোকাবেলা করছে। অন্যদিকে বাহরাইন জানায়, রাজধানী মানামাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সতর্কতা সাইরেন বাজছিল।
এর আগে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালীতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার পর মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ইরানের ৮০টিরও বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরপরই এক বিবৃতিতে ইরানের সামরিক বাহিনী সতর্ক করে বলেছিল, এ পদক্ষেপের জবাবে তারা ‘বিধ্বংসী প্রতিক্রিয়া’ দেখাবে।
বিবৃতিতে হরমুজ প্রণালীর ব্যবস্থাপনায় কোনও বহিরাগত হস্তক্ষেপ ইরান মেনে নেবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়। ইরানের সামরিক বাহিনী বলেছে, “হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারের নিরাপদ চলাচলের একমাত্র পথ হলো ইরানের নির্ধারিত রুট।”
সর্বশেষ মার্কিন হামলাসহ যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারকের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ বলে উল্লেখ করেছেন ইরানের শীর্ষ আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে গালিবাফ বলেন, “হরমুজ প্রণালীতে ইরানের গৃহীত ব্যবস্থার লঙ্ঘন, বারবার হামলার হুমকি, ইরানের তেল খাতে আবারও নিষেধাজ্ঞা আরোপ, দক্ষিণ ইরানে হামলা এবং লেবাননে জায়নবাদী (ইসরায়েলি) আগ্রাসন অব্যাহত রাখা- এ সবই সমঝোতা স্মারকের লঙ্ঘন।”
সূত্র: সিএনএন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেরায় দিনব্যাপী মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযানে পাঁচ মাদকসেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (৮ জুলাই) উপজেলার কেন্দুরবাগ পশ্চিম খালপাড়, এখলাশপুর কাতালবাড়ি ও চৌমুহনী চৌরাস্তা এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাদাত হোসেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ ও র্যাবের সমন্বয়ে পরিচালিত টাস্কফোর্স অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজা সেবন এবং ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে জনশৃঙ্খলা বিনষ্টের অভিযোগে ঘটনাস্থলেই পাঁচজনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মীর ইউনিয়নের পশ্চিম খালপাড় কেন্দুরবাগ এলাকার মৃত আব্দুল গোফরানের ছেলে মো. নিজাম উদ্দিন (৩৬)। তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া এখলাশপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাতালবাড়ি এলাকার মো. জাহাঙ্গীর (৪৬), সাহাবউদ্দিন (৩০), সালাউদ্দিন (৩৩) ও সাগর হোসেন (২০)-কে প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে জাহাঙ্গীরকে এক হাজার টাকা, সাহাবউদ্দিনকে ৩০০ টাকা এবং সালাউদ্দিন ও সাগর হোসেনকে ২০০ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ জানান, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে মাদক নির্মূলে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের প্রসঙ্গে বলেছেন, "নিশ্চিতভাবে এটা বলতে পারি, আমানতকারীরা তাদের টাকা ফেরত পাবে, সুদসহ ফেরত পাবে। এটি নিশ্চিতভাবে বলা যাবে। তবে এজন্য একটু ধৈর্য ধারণ করতে হবে। একটু সময় লাগবে।"
বুধবার জাতীয় সংসদে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ সম্পন্ন বিষয়ে সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানুর প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথাগুলি বলেন।
রেহানা আক্তার রানু এমপি মন্তব্য করেন, "পাঁচ ব্যাংকে বর্তমানে ৭৫ লাখ আমানতকারীর প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা জমা রয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "পাঁচটি সংকটাপন্ন শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হওয়ার প্রায় আট মাস পার হলেও গ্রাহকদের আমানত ফেরত পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো দূর হয়নি।" তিনি উল্লেখ করেন, "সীমিত পরিমাণ অর্থ উত্তোলনের সুযোগ দেওয়া হলেও বিপুল অঙ্কের আমানত কবে পুরোপুরি ফেরত দেওয়া সম্ভব হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করা হয়নি। ফলে প্রায় ৭৫ লাখ গ্রাহকের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ বাড়ছে।"
এরপর অর্থমন্ত্রী বলেন, "স্পিকার আমি আগেই বলেছি এটা একটা হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটেছে। একটি নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব এটার সঠিক সমাধান দেওয়া। এরই মধ্যে আমি আগেও সংসদে বলেছি যারা আমানতকারী, তাদের আমানত সুদসহ ফেরত দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ। তবে একটু ধৈর্য ধরতে হবে। কারণ এই ব্যাংকগুলো সবগুলোই লোকসানের মধ্যে আছে এবং লোকসান কিন্তু প্রতিদিন বাড়ছে।"
তিনি আরও বলেন, "লোকসানি একটা ব্যাংকে আপনার যেখানে তার আমানত ফিরিয়ে দিতে পারছে না। এবং তাকে সুদ দেওয়া যে কত কঠিন সেটা আপনার বুঝতে হবে। তারপরও একটা নির্বাচিত সরকার হিসেবে জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণে নিশ্চিতভাবে তাদের আমানত এবং সুদ ফেরত দেওয়া হবে। কিন্তু এজন্য একটা সময়ের প্রয়োজন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের প্রতিনিধি। বুধবার টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আয়োজিত ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশ থেকে শুরু করে অন্যান্য যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রয়েছে, আপনারা আপনাদের কাজের মধ্য দিয়েই হারানো গৌরব ও সম্মান ফিরিয়ে আনবেন-ইনশাআল্লাহ। মনে রাখবেন, প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলই ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য আপনাদের ব্যবহার করার চেষ্টা করবে।
কিন্তু যদি আপনারা বিবেক ও সম্মান বিসর্জন দেন, তাহলে বাইরে যাই হোক না কেন, নিজের বিবেকের কাছে কখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবেন না।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা চাই, আপনারা জনগণের পুলিশ হয়ে উঠবেন, রাষ্ট্রের প্রশাসন হয়ে উঠবেন। কোনো রাজনৈতিক দলের চাটুকার হবেন না। রাষ্ট্র ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থেকেই দায়িত্ব পালন করবেন।’
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আয়োজিত ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে কালিহাতী শাজাহান সিরাজ কলেজ গেট সংলগ্ন পাভেল মার্কেটের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে সারজিস আলম বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে বাংলাদেশপন্থী সরকার চাই। সীমান্তে যদি আর একটি হত্যাকাণ্ড ঘটে, যদি আবার পুশইনের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলা হয়, তখন আমরা দেখব না কে সরকারে আছে; আমরা দেখব রাষ্ট্রের পক্ষে কার অবস্থান।
আমরা শুধু সেই বাংলাদেশপন্থী সরকারের সঙ্গেই থাকব, যারা জনগণের অধিকার ও রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় আপসহীন থাকবে।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘উপরে উপরে জাতীয়তাবাদের কথা বলে ভেতরে ভেতরে কেউ ভারতের সঙ্গে, আবার কেউ অন্য কোনো গোষ্ঠীর সঙ্গে আঁতাত করে দেশের স্বার্থ ক্ষুন্ন করছে। বাংলাদেশের মানুষ আর কোনো ধরনের বিদেশমুখী বা স্বার্থবিরোধী রাজনীতি মেনে নেবে না।’
সারজিস আলম বলেন, ‘বিচার, সংস্কার ও দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে এনসিপির এই পদযাত্রা। একটি ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়তে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
জেলা এনসিপির সদস্য মেহেদী হাসান বিন ছিদ্দিকের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য আতিক মুজাহিদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম সারওয়ার তুষার, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দার এবং কালিহাতী উপজেলা এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী রাসেল মিয়া। এছাড়া কর্মসূচিতে দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং বিপুলসংখ্যক সমর্থক অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ